মোংলার দিগরাজে সংখ্যালঘুর জায়গা দখলের অভিযোগ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলার দিগরাজে সংখ্যালঘুর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে খুলনার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মো: বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে। নিজের খরিদ করা ওই সম্পত্তির পুরো দখল পেতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতনিধির দ্বারে দ্বারে এগারো মাস ঘুরেও অসহায় তাপস গাইন পাচ্ছেন না কোন প্রতিকার। ওই ভূমি জোরপূর্বক দখলে রাখতে বেলায়েত নানা কৌশলে তাপসকে হয়রানী করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মোংলার দিগরাজ মৌজায় এসএ ৩৬৫ ও ১৮৩ নম্বর খতিয়ানে ৬৫ শতক ভূমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন পূর্ণচরণ মন্ডল। তার মৃত্যুর পর ওই সম্পত্তির ওয়ারিশেরা ১৯৮১ সালে কবলা মুলে বিক্রি করে দেন। ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে থাকা ওই কাকড়া মার্কেটটি মাহফুজুল হক লিমনের নিকট থেকে ২০১৯ সালে ৬৫ শতক ভূমি বায়না চুক্তি দলিল করেন তাপস গাইন। সংখ্যালঘু হওয়ায় তাপস গাইনের ওই সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল নিতে থাকেন খুলনার ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন।
তাপস গাইন অভিযোগ করে বলেন, তাকে হয়রানী করতে জালজালিয়াতীর মাধ্যমে তার চুক্তিকৃত কাঁকড়া মার্কেটের সম্পত্তিতে জনতা ব্যাংক খুলনা শাখার নিকট দায়বদ্ধ একটি সাইনবোর্ড দিয়ে রেখেছেন বেলায়েত। মুলত ব্যাংকের ওই শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে এসএ খতিয়ানের উল্লেখিত দুই দাগের ওই সম্পত্তিতে তাদের কোন মর্গেজ বর্তমানে নেই। কাঁকড়া মার্কেটের ওই ভূমি তিনি ক্রয় চুক্তি করায় প্রভাবশালী বেলায়েত হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে নানা কৌশলে তা জবর দখলে রেখেছেন। তার জবর দখল ঠেকাতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাপস আরো বলেন, তিনি চুক্তি করা দলিল মোতাবেক ৬৫ শতক জমির মালিক। অথচ তার দখলে এখন ওই পরিমাণ সম্পতি নেই। বাটোয়ারা করে তার অবশিষ্ট ভূমি দখল নিতে ১১ মাস ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন দপ্তরে। তার দাবী সংখ্যালঘু হওয়ায় তার উপর অত্যাচারের নমুনা এটি। তার দলিল অনুযায়ী জমি বুঝে পেতে আর বেলায়ের গংদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে তিনি হস্তক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকসহ স্থানীয় প্রশাসনের।
এ বিষয়ে বেলায়েত হোসেনের দাবী তিনি খরিদ সূত্রে ওই ভূমির মালিক। তবে বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কয়েকটি বৈঠক হওয়ার কথা স্বীকার করেন বেলায়েত হোসেন।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, জায়গাটি নিয়ে এর আগে মাপঝোপও হয়েছে। তারপরও ওই জায়গা নিয়ে যাতে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশের নজরদারী রয়েছে।

সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে সাত বছরের কন্যা শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি তরিকুল ইসলামকে (১৮) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে সুন্দরবন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তারকৃত তরিকুল ইসলাম আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাসিমাবাদ গ্রামের শিহাবুর রহম নের ছেলে। বর্তমানে তিনি ভারতে থাকেন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরার সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, বারবার স্থান বদল শেষে শিশু ধর্ষণে অভিযুক্ত তরিকুলকে ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে সুন্দরবন এলাকা থেকে গোন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাত রাত ১২ টায় সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব কাশিমাড়ি গ্রাম সিআইডি’র দুটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তরিকুলকে আশাশুনি থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি জানান।
পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান জানান, গত সোমবার দ্পুুর ২টার দিকে এই তরিকুল মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ওই কন্যা শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে তার মা মামলায় অভিযোগ করেন। সোমবার রাতে আশাশুনি থানায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার শিশুটি আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এরপর সিআইডি শিশু ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করতে সর্বোচ্চ গোপনীয়তায় অভিযান চালাতে থাকে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তরিকুল সিআইডি’র প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।

ডুমুরিয়ায় প্রতারক আটক

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়ায় সেনা বাহিনীতে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর পরিচয়ের মাসুদ হাসান (৩৮) নামের এক প্রতারককে গণ ধোলাই শেষে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মুঠোফোনের মাধ্যমে দুই প্রতারকের সাথে পরিচয় হয় সবুজ খা (২০) নামক এক যুবকের। সে উপজেলার চুকনগর এলাকার শওকত খার ছেলে। তাদের মধ্যে পরিচয় শেষে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। এরপর তারা সেনা বাহিনীতে চাকরির প্রলোভন দেয় সবুজকে। তাদের মধ্যে চুক্তি হয় ৮লাখ টাকার। গত ২৫ সেপ্টেম্বর অগ্রীম দুই লাখ টাকা লেনদেন শেষে সবুজকে ঢাকায় নিয়ে যায় তারা। এরপর পুলিশ তদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই বাড়িতে যায় প্রতারক চক্রের এক সদস্য মাসুদ হাসান। সে নিজেকে খুলনার ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। এ সময় তার কথায় সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন শুরু করে গণ ধোলাই। ধোলাই খেয়েই বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। পরে তাকে ডুমুরিয়া থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করে জনতা।
ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, ডিবি পুলিশ পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে মাসুদ হাসান নামের একজনকে ধরে স্থানীয়রা আমাদের নিকট সোপর্দ করেছে। সে যশোরের ঘোপ এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে। তদন্তের জন্য বিস্তারিত জানাতে পারছি না। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কয়রায় অবৈধ সুন্দরী কাঠ সহ আটক ৩

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে পাচারকালে ১০ পিচ সুন্দরী গোলকাঠ, নৌকা সহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে বন বিভাগ। জানা গেছে গত বুধবার রাত ১০ টার দিকে কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাহারামের দিক নির্দেশনায় বজবজা টহল ফাঁড়ির স্টাফ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সুন্দরবনের কালিরখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাঠ,নৌকা সহ তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন কয়রা উপজেলার পদ্মপুকুর গ্রামের রাজ্জাক গাজী (৪৫) কালাম গাজী (৩৫) ও সামাদ গাজী (৩২)। এদেরকে কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন বজবজা টহল ফাঁড়ির স্টাফ মনির, নুরমোহাম্মাদ সহ অন্যান্য স্টাফবৃন্দ। খুলনা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ আবু সালেহ বলেন, এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডুমুরিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ : আহত ৪

সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া : খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের ডুমুরিয়ায় ৩ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক দু’টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫জন এবং গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ৪জন। দুর্ঘটনা দু’টি ঘটে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মহিলা কলেজের সামনে এবং দ্বিতীয়টি হয় দুপুর সোয়া ১টায় জিলেরডাঙ্গার হোগলাডাঙ্গা নামক স্থানে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ এক বাস চালককে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার একটি যাত্রীবাহী মাহেন্দ্রা খুলনা থেকে ডুমুরিয়া অভিমুখে ফিরছিল। পধিমধ্যে উপজেলার মহিলা কলেজের সামনে এসে পৌঁছালে বরিশাল অভিমুখে যাওয়া হাওলাদার পরিবহনের সাথে যার নং-ঢাকা মেট্রো ব ১৪-০৮৯১ মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মাহেন্দ্রা চালক আমিনুল বিশ্বাসসহ (৬০) যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়। পরে তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহেন্দ্রাযাত্রী মিজানুর রহমান শেখ (৫৫), হাবিবুর রহমান (৪০),নিতাই চন্দ্র সরকারসহ (৬০) চারজনই মারা যান। এ ঘটনার তিন ঘন্টার পরে দুপুর সোয়া ১টার সময় একই সড়কের জিলেরডাঙ্গা হোগলাডাঙ্গা নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাস ও ড্রাম ট্রাক অতিক্রম করতে গিয়ে পাশের একটি ইঞ্জিন চালিত ভ্যানে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ভ্যান চালক শফিকুল ইসলাম (৩০) ও তার মা হালিমা বেগম (৫৫) রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই হালিমা বেগম মারা যান এবং গুরুতর আহত শফিকুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া মাহেন্দ্রার যাত্রীদের মধ্যে চিকিৎসাধীন আছে বাসন্তি সরকার, সুমি বেগম ও পলি রায়।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন কর্মকর্তা যুগল বিশ্বাস বলেন, সকালে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে থানা ও হাইওয়ে পুলিশসহ আমরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে খুলনায় প্রেরণ করে।
ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, উপজেলার দু’টি স্থানে দুর্ঘটনায় লোকজন হতাহত ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা নিহতের স্বজনদের কাছে ম্যাসেজ দিয়েছি এবং দু’টি বাস জ্বব্দ এবং মান্নান মোল্যা (৬০) নামের বাস চালককে আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে মাদকসেবী ব্যবসায়ীসহ আটক ১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীসহ মোট ১৮ জনকে আটক করেছেন। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জনকে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়। এছাড়া মো: জুহার রশীদ নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। অভিযানের সময় ৪ হাজার পিস ইয়াবা ও সাড়ে তিন কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করেন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজুওনা আরফিন। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজুওনা আরফিন এর নেতৃত্বে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণঅধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো: উপ-অঞ্চলের উপ পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মেট্রো: উপ অঞ্চলের সার্কেল সমূহের সম্মিলিত অংশ গ্রহণে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৭ জন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে সাড়ে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড প্রদান করেন। অপরদিকে কোতোয়ালী সার্কেল পরিদর্শক মো: মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে গঠিত রেইডিং টিম এর প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ৭ অক্টোবর রাতে কোতোয়ালী থানাধীন ৩০৫, ফিশারীঘাটএলাকায় এক মাদক বিরোধী অভযিানে মাদক ব্যবসায়ী মো: জুহাররশিদ সেকান্দরকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। আটক মাদক ব্যবসায়ী রশিদ সেকান্দরের পুত্র। গ্রফেতারকৃত আসামীরবিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইন, ২০১৮ মোতাবেক পরিদর্শক মো: মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।