বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে আত্তীকৃত সরকারি মাধ্যমিক সমিতির শ্রদ্ধা

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ আত্তীকৃত সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, খুলনা জেলা শাখার নব নির্বাচিত কমিটির সদস্য ও শিক্ষকবৃন্দ শুক্রবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়াস্থ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা কমিটির সভাপতি শেখ মো. ফরহাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার বিশ্বাস, সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম জোয়ার্দার, মাহমুদুল আলম, মো. জাকির হোসেন, লস্কর সোহেল রানা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আছাদুজ্জামান সরদার, কোষাধ্যক্ষ মো. মাছুম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলামসহ অন্যান্য দপ্তরের সম্পাদক ও সদস্যবৃন্দ। শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও কোরআন তেলোওয়াত করা হয়। শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত করে বিশেষ দোয়া কামনা করা হয়।

পরিবেশ উন্নয়নে ফুল

মোঃ আবদুর রহমান : ফুল সৌন্দর্য, স্নিগ্ধতা ও পবিত্রতার প্রতীক। এর পাঁপড়ির বিন্যাস, রঙের বৈচিত্র্য ও গন্ধের মাধুর্যে আমাদের মন এক স্বর্গীয় আনন্দে ভরে ওঠে। এছাড়া ফুলের স্বর্গীয় সৌন্দর্য প্রতিদিনের জীবন যুদ্ধে শ্রান্ত ও ক্লান্ত মানুষের মনে ক্ষণিকের জন্য হলেও পরম তৃপ্তি ও অনাবিল শান্তি দেয়। তাই ফুলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা নিবিড় ও ব্যাপক। পরিবেশ দূষণ নিয়ে আজ সারা বিশ্ব চিন্তিত। ধরিত্রীকে বাঁচাও, একটিই পৃথিবী সকলের যত্নে সকলের জন্য- এসকল শ্লোগান আজ বিশ্ববাসীকে ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে। পরিবেশর সাথে সবুজ বৃক্ষের এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ফুলের বাগান সৃজনের মাধ্যমে নগর ও শিল্পাঞ্চলের ভারসাম্যহীন পরিবেশের উন্নতির প্রচেষ্টা আজকাল বিশ্বের বহু জায়গায় শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, রজনীগন্ধা, গাঁদা এদেশের কয়েকটি জনপ্রিয় ফুল। কাজেই,আসুন আমরা সবাই মিলে নগর, শিল্পাঞ্চল ও গ্রাম বাংলার আঙিনা, বাড়ীর ছাদে, রাস্তার পাশে, রেল লাইন ও বাঁধের ধারে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, গীর্জা, মন্দির, অফিস, আদালত, কল-কারখানা,পার্ক ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রকমারি ফুল ও অন্যান্য সবুজ বৃক্ষের চারা রোপণ ও তা সংরক্ষণ করে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখি এবং আগামী প্রজন্মকে উপহার দেই একটি সুস্থ ও নির্মল পরিবেশ।
লেখকঃ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, রূপসা, খুলনা।

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর চার টুকরো লাশ গুমের চেষ্টা : ঘাতক পুলিশ গ্রেপ্তার

শরণখোলা প্রতিনিধি : প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জোসৎনা বেগমকে (৩৫)। পরে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। কাটা হয় দুই হাতের কবজি। পেট কেটে গর্বের ছয় মাসের ভ্রুণ বের করে পলিথিনে প্যাকেট করা হয়। এর পর চার টুকরো লাশ এবং ভ্রুণ বস্তাবন্দী করে রেখে দেওয়া হয় ঘরে। লাশ গুম করার জন্য পাশের বলেশ্বর নদে ফেলার অপেক্ষা ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন। কিন্তু সেই সুযোগ করে ওঠার আগেই ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।
লোমহর্ষক এই হত্যাকান্ডটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোরে বাগেরহাটের শরণখোলার তাফালবাড়ীতে। গোপন সংবাদ পেয়ে শরণখোলা থানা পুলিশ ওইদিন রাত ১১টার দিকে কনস্টেবলের বাসা থেকে ভ্রুণসহ বস্তাবন্দী চার টুকরো লাশ উদ্ধার করে। এসময় আটক করা হয় তাফালবাড়ী ফাঁড়ির কনস্টেবল ঘাতক সাদ্দাম হোসেনকে (৩০)।
এঘটনায় নিহতের মা জুলেখা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ময়না তদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক সাদ্দাম হোসেনকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক সাদ্দাম হোসেন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের আ. লতিফের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে তাফালবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদান করেন সাদ্দাম। তার কনস্টেবল নম্বর ১০২৬। একবছর আগে খুলনার রূপসা উপজেলার চাঁনপুর (নারকেলি) গ্রামের মৃত আবু বকর শেখের মেয়ে জোসৎনাকে বিয়ে করে ফাঁড়ি সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাদের সঙ্গে জোসৎনার আগের সংসারের ছেলে জিসানও (১০) থাকতো। এক সন্তান নিয়ে প্রথম স্ত্রী থাকেন সাদ্দামের গ্রামের বাড়িতে।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুর রহমান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক পাঁচটার দিকে প্রথমে জোসৎনা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর দেহ থেকে মাথা ও দুই হাতের কবজি কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়। পেট কেটে গর্বের ভ্রুণ বের করে আলাদা পলিথিনের প্যাকেটে এবং চার টুকরো লাশ একটি বস্তায় ভরে ঘরে রেখে দেওয়া হয়। গুম করার জন্য পাশের বলেশ্বর নদে ফেলার অপেক্ষা ছিল সাদ্দাম। কিন্তু এর আগেই আমরা ঘটনা টের পেয়ে যাই। ঘাতক সাদ্দাম জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

মোংলার দিগরাজে সংখ্যালঘুর জায়গা জবর দখল

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলার দিগরাজে সংখ্যালঘুর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে খুলনার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মো: বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে। নিজের খরিদ করা ওই সম্পত্তির পুরো দখল পেতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতনিধির দ্বারে দ্বারে এগারো মাস ঘুরেও অসহায় তাপস গাইন পাচ্ছেন না কোন প্রতিকার। ওই ভূমি জোরপূর্বক দখলে রাখতে বেলায়েত নানা কৌশলে তাপসকে হয়রানী করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মোংলার দিগরাজ মৌজায় এসএ ৩৬৫ ও ১৮৩ নম্বর খতিয়ানে ৬৫ শতক ভূমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন পূর্ণচরণ মন্ডল। তার মৃত্যুর পর ওই সম্পত্তির ওয়ারিশেরা ১৯৮১ সালে কবলা মুলে বিক্রি করে দেন। ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে থাকা ওই কাকড়া মার্কেটটি মাহফুজুল হক লিমনের নিকট থেকে ২০১৯ সালে ৬৫ শতক ভূমি বায়না চুক্তি দলিল করেন তাপস গাইন। সংখ্যালঘু হওয়ায় তাপস গাইনের ওই সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল নিতে থাকেন খুলনার ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন।
তাপস গাইন অভিযোগ করে বলেন, তাকে হয়রানী করতে জালজালিয়াতীর মাধ্যমে তার চুক্তিকৃত কাঁকড়া মার্কেটের সম্পত্তিতে জনতা ব্যাংক খুলনা শাখার নিকট দায়বদ্ধ একটি সাইনবোর্ড দিয়ে রেখেছেন বেলায়েত। মুলত ব্যাংকের ওই শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে এসএ খতিয়ানের উল্লেখিত দুই দাগের ওই সম্পত্তিতে তাদের কোন মর্গেজ বর্তমানে নেই। কাঁকড়া মার্কেটের ওই ভূমি তিনি ক্রয় চুক্তি করায় প্রভাবশালী বেলায়েত হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে নানা কৌশলে তা জবর দখলে রেখেছেন। তার জবর দখল ঠেকাতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাপস আরো বলেন, তিনি চুক্তি করা দলিল মোতাবেক ৬৫ শতক জমির মালিক। অথচ তার দখলে এখন ওই পরিমাণ সম্পতি নেই। বাটোয়ারা করে তার অবশিষ্ট ভূমি দখল নিতে ১১ মাস ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন দপ্তরে। তার দাবী সংখ্যালঘু হওয়ায় তার উপর অত্যাচারের নমুনা এটি। তার দলিল অনুযায়ী জমি বুঝে পেতে আর বেলায়ের গংদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে তিনি হস্তক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকসহ স্থানীয় প্রশাসনের।
এ বিষয়ে বেলায়েত হোসেনের দাবী তিনি খরিদ সূত্রে ওই ভূমির মালিক। তবে বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কয়েকটি বৈঠক হওয়ার কথা স্বীকার করেন বেলায়েত হোসেন।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে উভয় পক্ষের কাগজপত্র নিয়ে থানায় একাধিকবার বৈঠক হলেও প্রভাবশালী বেলায়েত হোসেন কোন সিদ্ধান্ত মানছেন না বলে জানান জমি পরিমাপকারী সংগঠন আমিন সমিতির সদস্যরা।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি নিয়ে এর আগে মাপঝোপ ও বসাবসিও হয়েছে। তারপরও ওই জায়গা নিয়ে যাতে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশের নজরদারী রয়েছে।

সাতক্ষীরায় স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার : আটক ৪

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার ঝিটকা গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে হৃদয় মন্ডল নামে (৯) নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ঝিটকা গ্রামের বাড়ির পাশের ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীসহ ৪ জনকে আটক করেছে।
নিহত হৃদয় মন্ডল ওই গ্রামের বিজয় মন্ডলের ছেলে ও ঝিটকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র।

আটককৃতরা হলেন, ঝিটকা গ্রামের ইসমাঈল হোসেন, তার স্ত্রী মাফিয়া খাতুন, তাদের দুই ছেলে মামুন হোসেন ও মাসুদ হোসেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ির পাশে খেলা করছিল শিশু হৃদয় মন্ডল। হঠাৎ সেখান থেকে নিখোঁজ হয় সে। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা ধান ক্ষেতে তার মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাউদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার পেটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক নারীসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার তার মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে।

চালনা পৌরসভায় পানি সরবরাহকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন

আজগর হোসেন ছাব্বিরঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বেই এদেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরে পরিণত করা হবে এ কথা উল্লেখ করে জাতীয় সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডঃ গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার বলছেন,বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে কোথাও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি,তারা শুধু নিজেদের আখের গুছিয়েছেন। আর আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার দেশের প্রতিটি স্থানে উন্নয়নের চাকা সচল রেখেছেন। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে এদেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে বার বার রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আনবেন। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ৩২টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ এনভায়রমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ও চালনা পৌরসভার আয়োজনে চালনা পৌরসভায় সুপেয় পানি সরবরাহকরণ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা এ কথা গুলো বলেন।
পৌরসভা মিলনায়তনে পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন, খুলনা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর মোশাররফ, থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ সেকেন্দার আলী, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দিপালী চক্রবর্তী, পিরোজপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান ইশরাত জাহান সোনালী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায়। সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন চালনা পৌরসভার সচিব সিরাজুল ইসলাম। এ সময় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম রুহুল আমীন, চালনা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম আক্কেল, জেলা পরিষদ সদস্য কে এম কবির হোসেন, পৌর কাউন্সিলর আমোদীনি রায়,রবীন্দ্র সরদার, আয়ুব আলী কাজী,স্বেচ্ছাসেবক লীগনেতা জি এম রেজা,পল্লব বিশ্বাস প্রমুখ। সভাটি পরিচালনা করেন পৌর কাউন্সিলর দেবাশীষ ঢালী। সভায় উপস্থিত ছিলেন চালনা পৌরসভার কাউন্সিলর বৃন্দ, উপজেলা ও চালনা পৌরসভা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং সুধীজন।