করোনা ভাইরাস মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে জন্য সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে – নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি

তাপস কুমার বিশ্বাসঃ সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি বলেছেন, বিশ্ববাসী মরণব্যাধি করেনা ভাইরাসে ভীত ও সন্ত্রাস্থ করোনার মতো মরণব্যাধির প্রধান প্রতিশেধক হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। জাতীয় স্যানিটেশন দিবস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস থেকে এ শিক্ষা নিয়ে সকলকে যথাযথ নিয়মে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও হাত ধোয়ার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। সচেনতনার কারণে বর্তমান সময়ে দেশে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা দমন থাকলেও আমাদের অবহেলার জন্য যেন সেটি আবার মাথাচাড়া দিয়ে না উঠে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ফুলতলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও সাদিয়া আফরিন। স্বাগত বক্তৃতা করেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোছাঃ নাসরিন আক্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুলি বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান কে এম জিয়া হাসান তুহিন, ফারজানা ফেরদৌস নিশা, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম, শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, মাওঃ সাইফুল হাসান খান, শেখ আবুল বাশার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন আলম, বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, রিসোর্স কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় হাত ধোয়ার কৌশল প্রদর্শন করা হয়।

পরে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি উপজেলা অডিটরিয়ামে পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, ইউএনও সাদিয়া আফরীন, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুলী বিশ্বাস, ওসি মাহাতাব উদ্দিন। পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মৃনাল হাজরার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার, প্রভাষক গৌতম কুন্ডু, বণিক নেতা রবিন বসু, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, দুলাল চন্দ্র সরকার, পরিমল কান্তি বিশ্বাস, শেখর সুর। সভায় সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধিসহ ২৬ বিধি মেনে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রেখে দূর্গা উৎসব পালনের আহবান জানানো হয।

এর পূর্বে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি ফুলতলার দামোদর এমএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামো পরিদর্শন এবং শিক্ষক ও সুধীজনের সাথে মতবিনিময় করেন। বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক এসএম এ হালিম, নওশের আলী গাজী, আঃ মজিদ মোল্যা, ইদ্রিস সরদার, শেখ ইকতিয়ার উদ্দিন, ইউপি সদস্য মিসেস কেয়া, ইসমাইল হোসেন বাবলু, আশরাফ সরদার, নূর হোসেন, ফেরদৌস হোসেন বেলু, মোঃ মনিরুল ইসলাম, হাজী আবুল কাশেম, মোঃ মুরাদুল ইসলাম, মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, কায়েসউজ্জামান পিপলু, মোঃ আলাউদ্দিন, তাসমির হাসান প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি স্কুলের বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রæতি দেন। এদিকে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি তৃতীয় বারের মতো গাড়াখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মনোনীত হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

বাগেরহাটে গ্রামীণ নারী দিবস পালিত

বাগেরহাট প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষ্যে বাগেরহাটে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫অক্টোবর) সকালে শহরের ধানসীড়ি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাদাবন সংর্ঘ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবেবক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ পরিচালক হাচনা হেনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট পারভীন আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাদাবন সংর্ঘের প্রকল্প কর্মকর্তা নাঈমা জাহান, লায়লা খাতুন, মহিলা পরিষদের প্রোাগ্রাম অফিসার মাহাবুবা রহমান প্রীয়া, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফাতেমা আহম্মেদ পারুল, সাংবাদিক ইসরাত জাহান, নারী নেত্রী আম্বিয়া খাতুন, কোহিনুর বেগম, নারগীস আক্তার প্রমুখ।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও বৈষম্য স্বীকার হচ্ছে। গৃহস্থালী কাজসহ গ্রামীণ নারীরা কৃষিকাজ এর সাথে সরাসরি যুক্ত। দেশের বিশ্বখ্যাতি অর্জনের পেছনে আজকের গ্রামীণ নারীর ব্যাপক অর্জন থাকলেও তা স্বীকৃতি নেই। আমাদের এ বৈষম্য থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

পাইকগাছায় সাংবাদিক আলাউদ্দিনের নিকট চাঁদাদাবী

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছার সিনিয়র সাংবাদিক ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কাগজের পাইকগাছা ব্রুরো প্রধান, জাতীয় দৈনিক যায়যায় দিন, ডেইলি অবজারভার প্রত্রিকার পাইকগাছা উপজেলা প্রতিনিধি এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ কে ১২ অক্টোবর দুপুর ২.২৩ মিনিটে ০১৭৪৫-৭৮১০৭৬ নাম্বার থেকে তার ০১৯১১-১৯১৮৯৯ নাম্বারে ফোনে কল করে সর্বহারা পার্টির প্রধান সাবেক মেজর জিয়া পরিচয়ে ২লাখ টাকা চাঁদাদাবী করে। সাংবাদিক আলাউদ্দিন দাবীকৃত টাকা দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে সর্বনিন্ম ৫০হাজার টাকা দিতে বলে, টাকা না দিলে সাংবাদিকের স্ত্রী ও সন্তানদের ক্ষতি করবে বলে হুমকি দেয়। উক্ত চাঁদাদাবীর কারণে সাংবাদিক আলাউদ্দিনের পরিবার আতঙ্কে রয়েছে বলে জানাগেছে। চাঁদাদাবীর ঘটনায় থানায় জিডি জিডি হয়েছে। যার নং ৬৩১।

ধানের পোকামাকড় দমনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আলোক ফাঁদ

মোঃ আবদুর রহমান : আলোক ফাঁদ ধানের পোকা দমনের একটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। এ পদ্ধতিতে সন্ধ্যার পর ধান ক্ষেত হতে পঞ্চাশ থেকে একশ’ মিটার দূরে ফাঁকা জায়গায় বাঁশের তিনটি খুঁটি ত্রিকোণাকার করে মাটিতে পুঁতে মাথার অংশ একত্রে বেঁধে দিতে হয়। এরপর মাটি থেকে আড়াই থেকে তিন ফুঁট উপরে একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে খুঁটির তিন মাথার সংযোগস্থলে রশির সাহায্য ঝুলিয়ে দিতে হবে। এর নিচে একটি বড় আকারের প্লাস্টিকের গামলা বা পাত্রে ডিটারজেন্ট পাউডার অথবা কেরোসিন মিশ্রিত পানি রাখা হয়। সন্ধ্যার পর মাঠ জুড়ে যখন অন্ধকার নেমে আসতে থাকে তখন আলোক ফাঁদের আলোর ঝলকে আকৃষ্ট হয়ে ধান ফসলের বিভিন্ন পোকামাকড় এ পাত্রে চলে আসে ।
ইদানিং ধান ক্ষেতে বৈদ্যুতিক বাল্বের পাশাপাশি সৌর বিদ্যুতের আলোক ফাঁদও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এভাবে আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে ধান ফসলের মাঠে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় পূর্বক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতি অল্প খরচে তৈরি আলোক ফাঁদ অন্ধকার রাতে দেখতে দৃষ্টি নন্দনও বটে। এতে খরচ কম হয় এবং পরিবেশবান্ধব। তাই ধান ক্ষেতের ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি শনাক্তকরণ ও দমনে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি রূপসার কৃষকদের কাছে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
আলোক ফাঁদে উপকারী পোকার মধ্যে ড্যামসেল ফ্লাই, বোলতা, মাকড়সা, ক্যারাবিড বিটল, লেডি বিটল এবং ক্ষতিকর পোকার মধ্যে মাজরা পোকা, সবুজ পাতা ফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা ও বাদামি গাছ ফড়িং ( কারেন্ট পোকা ), সাদা পিঠ গাছ ফড়িং ও গান্ধি পোকার উপস্থিতি বেশি পাওয়া যায়।
রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ধানের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি শনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এবছর রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদ স্থাপনের এক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে এ উপজেলার আইচগাতি, শ্রীফলতলা, নৈহাটী , টিএস বাহিরদিয়া ও ঘাটভোগ এই ৫ টি ইউনিয়নের ১৫ টি ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে প্রতি বুধবার সন্ধ্যায় আমন ধান ক্ষেতের পাশে বৈদ্যুতিক ও সৌর বিদ্যুতের আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ ফরিদুজ্জামান । স্ব-স্ব ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের সাথে নিয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ।
রূপসা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের কৃষক ইসলাম সরদার, আঃ রাজ্জাক শেখ, আঃ কাদের শেখ ও অহেদ সরদার জানান, ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারী ও ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি চিহ্নিত করে ক্ষতিকর পোকা দমন করা সহজ হয়েছে। কৃষক ইসলাম সরদার বলেন, এ পদ্ধতিতে আমরা আগের চেয়ে কম খরচে ক্ষতিকর পোকা দমন করে ফসল রক্ষা করতে পারছি । আবার উপকারী পোকাও বাঁচাতে পারছি। এতে করে আমাদের উৎপাদন খরচ কমছে।
একই গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমান, আতিয়ার পাইক, মোহাম্মদ মিনা ও মনিরউদ্দিন শেখসহ অনেকেই বলেন, আগে আমরা আলোক ফাঁদ কী জানতাম না। কিন্তু রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে পরিবেশবান্ধব এই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমানে আমরা নিজেরাই রোপা আমন ধানের জমির ক্ষতিকর পোকা চিহ্নিত করে কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে সঙ্গে সঙ্গে বালাইনাশক ব্যবহার করে পোকা দমন করতে পারছি। এতে করে আমাদের উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে , অপরদিকে পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পাচ্ছে।

এ বিষয়ে রূপসা উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমান বলেন, আমার ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় কৃষকদের নিয়ে প্রতি বুধবার সন্ধ্যায় আলোক ফাঁদ স্থাপন করছি। এ ফাঁদের মাধ্যমে ধানের জমিতে বর্তমানে কী কী ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড় রয়েছে তা শনাক্ত করে ক্ষতিকারক পোকা দমনে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এটি পরিবেশবান্ধব পোকা দমনের একটি সহজ পদ্ধতি। রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ ফরিদুজ্জামান জানান , ক্ষতিকর পোকামাকড় বিশেষ করে বিপিএইচ বা কারেন্ট পোকা যাতে রোপা আমন ধানের ক্ষতি সাধন করতে না পারে এবং কৃষকরা সঠিক সময়ে যেন পোকা দমনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে সেজন্যই এ উপজেলার ১৫ টি ব্লকে একযোগে প্রতি বুধবার সন্ধ্যায় আলোক ফাঁদ স্থাপনের এ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং ধান পাকা পর্যন্ত তা চলতে থাকবে । তিনি আরো বলেন, ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় করতে আলোক ফাঁদের বিকল্প নেই।

পোকামাকড় রোপা আমন ধানের প্রধান শত্রু । এসব পোকামাকড় দমনে যথেচ্ছভাবে মাত্রাহীন পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহারে আমাদের জীববৈচিত্র্য , পরিবেশ, পশুপাখি ও মানুষের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। কীটনাশকের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রোপা আমন ধান রক্ষা করতে আলোক ফাঁদের মতো পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, যা আমন ধানের জমিতে কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করবে। এজন্য এ প্রযুক্তির ব্যবহার ও উপকারিতা সর্ম্পকে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক।

লেখকঃ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উপজেলা কৃষি অফিস , রূপসা, খুলনা।

মোংলায় ৯ বছরের শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মোংলা ( বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলার দিগরাজের বাঁশ বাজার এলাকায় সাবির খান (০৯) নামক এক শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটির পরিবার আর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘরের বারান্দার ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে থাকা শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, মোংলার শিল্পাঞ্চলের লার্ফস গ্যাস কোম্পানীর ইলেকট্রিশিয়ান মোঃ হোসেনের পুত্র সাবির খাঁন নৌবাহিনী স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র। বুধবার বিকেলে মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে তাদের দুই ভাইয়ের ঝগড়া ঝাটির এক পর্যায়ে সাবির রুম থেকে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর বারান্দায় শিশুটিকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পায় তার পরিবার। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুর লাশটি উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে তার আত্মহত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।
তবে এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, মাত্র নয় বছরের শিশু কি করে একা একা আত্মহত্যা করতে পারে। এটা কখনো বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে তিনি মনে করেন।