ফুলতলায় প্রশাসনের উদ্যোগে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সচেতনামুলক সভা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসন, যৌতুক, বাল্য বিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে তৃনমুল পর্যায়ে জনসচেতনামুলক সভা ফুলতলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ৪ নং ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনের অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও সাদিয়া আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুলি বিশ্বাস, ওসি মাহাতাব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী জাফর উদ্দিন। স্বাগত বক্তৃতা করনে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা বেগম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. আবুল কাশেম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, প্রধান শিক্ষক গাজী আঃ হাইসহ œ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এবং স্কাউসবৃন্দ।

ফুলতলায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে ফুলতলা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ বৃহস্পতিবার বিকালে ফুলতলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও সাদিয়া আফরিন, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) রুলি বিশ্বাস, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মৃনাল হাজরা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন, বীজ কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, রিসোর্স কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম রনি, বিআরডিপি কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, অজয় নন্দী, পবিত্র সাহা, রনজিৎ বোস, তপন কুন্ডু, জয়দেব সেন, বিশ্বনাথ মন্ডল প্রমুখ। এ সময় ইউএনও সাদিয়া আফরিন বিভিন্ন পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দকে মাস্ক ব্যবহারসহ বিভিন্ন নির্দেশনা মেনে চলা এবং বিজয় দশমীতে রাত ৮টায় প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ প্রদান করেন।

বটিয়াঘাটায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : সভ্য জাতি ও আদর্শ পরিবার গড়ে তুলতে হলে মা-ই হলো প্রথম শিক্ষক। প্রত্যেক মা যদি সদা সতর্ক থাকেন তাহলে প্রতিটি পরিবার কেন সমাজও সভ্য হয়ে গড়ে উঠবে। এমনি কথাগুলি উঠে এসেছে বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে জলমা নারী বিকাশ কেন্দ্রে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা মূলক উঠান বৈঠকের অনুষ্ঠানে। বৃহষ্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রানী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি ছিলেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় । মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রাণী রায় সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চঞ্চলা মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ,ইউপি সদস্য বিপ্রদাস ঠিকাদার ও তপতী বিশ্বাস, তথ্যসেবা সহকারী ইরানী আক্তার। বক্তৃতা করেন নারীনেত্রী প্রতিভা বিশ্বাস, রীতা রায়, সুচিত্রা রায়,মঙ্গলী রায়,কনিকা রায়,কনকলতা রায় প্রমূখ।

দাকোপে স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

আজগর হোসেন ছাব্বিরঃ দাকোপে ইপিআই ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কিং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ প্রোগ্রামের অর্থায়নে এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে কানাডিয় সংস্থা গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জের বাস্তবায়নে এবং ফ্রেন্ডশিপের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় দাকোপ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন চালনা পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল গফুর সানা, অধ্যক্ষ দিবাকর মন্ডল, উপজেলা নির্বাহী অফিসের সিএ শংকর গোলদার, দাকোপ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জি এম রেজা,সাবেক সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির,দাকোপ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য পরিতোষ মন্ডল, ইউপি সদস্য দূর্গাপদ মন্ডল, সাংবাদিক এস এম, মামুনুর রশিদ, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফয়সাল শরীফ, ফ্রেন্ডশিপের সিনিয়র প্যারামেডিক লিপি আক্তার, প্যারামেডিক রাবেয়া ইসলাম স্মৃতি,অরগানাইজর যুথিকা সরদারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভাটি পরিচালনা করেন ফ্রেন্ডশিপের উপজেলা সিনিয়র সুপারভাইজর মোঃ হাসিবুল হোসেন টুটুল।

তারেক জিয়ার অনুসারীদের ইশারায় চলে বাংলাদেশ রেল প্রশাসন

রিটন দে লিটন, চট্টগ্রাম:প্রবাদ আছে সরকারি দলের ইশারায় প্রশাসন চলে, কিন্তু রেলভবনের বেলায় উল্টো বিএনপি নেতা তারেক জিয়ার অনুসারীর ইশারায় চলে বর্তমান রেলওয়ে প্রশাসন । রেলমন্ত্রীর পাশেই থাকেন তারেক জিয়ার অনুসারী ও  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের রেল শ্রমিক ও কর্মচারী দল কেন্দ্রিয় অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতা  মোমিনুল ইসলাম মামুন।

রেল সূত্রে জানা যায় হাওয়া ভবনের সিন্ডিকেট সদস্য ঠিকাদারদের মূল হোতাদের সকল অবৈধ কাজের সহযোগিতার সাথে যুক্ত এই মোমিনুল ইসলাম মামুন। তিনি মন্ত্রীর ও উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে হাওয়া ভবনের সদস্যদের ঠিকাদারি, ইজারা,লিজ ও নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে যুক্ত রয়েছেন বলে জানা যায়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায় মোমিনুল ইসলাম মামুন (সি আই / সি সি এম/পূর্ব /সি আর বি/ চট্টগ্রামে কর্মরত থাকলেও রেল ভবনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার জন্য তাকে বাংলাদেশ রেল ভবনে সি আই পথ না থাকা সত্বেও বেআইনি একটা পদ সৃষ্টি করে রেল ভবনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সহযোগিতা করার জন্য তাকে পেশনে রেলভবনে নিয়ে কাজ করাচ্ছে।

জানা যায় ১২১ জন সুইপার নিয়োগে হরিজন বা সুইপার কাজের সাথে যুক্ত এমন লোকদের নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে ৫১ জন মুসলমান শিক্ষিত ছেলে মেয়েকে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকার বিনিময় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছেন।

অনিয়মের মাধ্যমে ১২১ সুইপার নিয়োগ নিয়ে হরিজন সম্প্রদায়ের মধ্যে নানা সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে হরিজন সম্প্রদায়ের নেতা নিকুঞ্জ বিহারী জানান অতিরিক্ত সিসিএম রশিদা সুলতানা গনি নিয়োগ কমিটির আহবায়ক হলেও সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন এই মোমিনুল ইসলাম মামুন।

এই অনিয়ম তদন্ত করে বিভাগীয় তদন্তে রশিদা সুলতানা গনিকে শাস্তি প্রদান করলেও মোমিনুল ইসলাম মামুন রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

মোমিনুল ইসলাম মামুন বর্তমান রেলমন্ত্রী নিকটাত্মীয় পরিচয় দিয়ে ইতিমধ্যে সুইপার ও খালাসী পদের নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেশ কিছু লোকজনের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে চট্টগ্রামের ঈদগাঁও বৌ বাজার এলাকায় একটি ডুপ্লেক্স ফ্লাট ক্রয় করেছেন তার নামে পাশাপাশি তার স্ত্রীর নামে আরোও একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন সম্প্রতি।

রেল সূত্রে জানা যায় তার রয়েছে নামে-বেনামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও এলিয়ন গাড়ি, সে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হলেও চলাফেরা করে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার মতো। ইতিমধ্যে তিনি নিয়ম বহির্ভূতভাবে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন বিনোদনের জন্য স্বপরিবারে।

তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী এত বৃত্ত-ভৈরবের উৎসের নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে যা দুদক ও গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

 তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী যার বাৎসরিক আয় তিন লক্ষ টাকার নিচে হওয়া সত্ত্বেও অবৈধ উপায়ে উপার্জিত টাকা বৈধ করার জন্য মোমিনুল ইসলাম মামুন আয়কর বিভাগের বিভিন্ন দালালদের নিকট ধরনা দিচ্ছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

মোমিনুল ইসলাম মামুনের অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে শতকোটি টাকার আই এর বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মঞ্জু বলেন তিনি আমাদের সক্রিয় একজন সদস্য তিনি সিআরবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ছিলেন বর্তমানে আমার জানামতে সরকারি দলের সাথে আতাত করে নানা অপকর্মের সাথে যুক্ত রয়েছে কাজেই তার বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

মোমিনুল ইসলাম মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীদের সাথে যুক্ত রয়েছেন শিকার করেন বলেন  বর্তমানে তাকে মার্কেটিং বিভাগের একটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি আরো জানান আমার দুইটি ফ্লাট রয়েছে তবে তা ব্যাংকের থেকে লোন নিয়ে নেওয়া হয়েছে আর বাকি যা অভিযোগ আছে সব অস্বীকার করে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে মনে করেন ।

মোমিনুল ইসলাম মামুনের নানা অনিয়মের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন তাহার অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করে ব্যবস্থা করার জন্য গোয়েন্দা বাহিনী ও দুদক কর্মকর্তাদের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।