বটিয়াঘাটার আ’লীগ নেতা ও বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী বিধান বিশ্বাস আর নেই

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আর চোখের জলে সিক্ত করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ব্যবসায়ী বিধান বিশ্বাস। গত শনিবার দিবাগত রাত ১ টায় ৫৫ মিনিটে মহানগরীর সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র,এক কন্যা, জামাতা,পুত্রবধূ,নাতি-নাতনি সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। এদিকে তাঁর মরদেহ বটিয়াঘাটা বাজার নাট মন্দির প্রাঙ্গনে আনলে এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে আসে। এ সময় তাঁর মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল,জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য শুনীল শুভ রায়, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খান, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য দীলিপ হালদার,ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল,ইউপি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, বীরমুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন কুমার রায়,হুইপ তনয় পল্লব বিশ্বাস রিটু,বিএনপি নেতা সুলতান মাহমুদ, ইউপি চেয়ারম্যান মিলন গোলদার,প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সমীর মন্ডল,সাধারণ সম্পাদক ধীমান মন্ডল, আলীগনেতা মৃন্ময় পাল,পলাশ রায়, রাজ কুমার রায়,বিবেক বিশ্বাস, মানস পাল, বিএম মাসুদ রানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, গোবিন্দ মল্লিক, এসএম ফরিদ রানা,নারায়ন চন্দ্র রায়,শিক্ষক অন্নদা শংকর রায়,লিটন মন্ডল,মলয় বরন রায়, লোকোজ কর্মকর্তা দেবপ্রসাদ সরকার,আসলাম তালুকদার, বিপ্লব মল্লিক,পার্থ রায় মিঠু, মিজানুর রহমান মিজান,সাংবাদিক যথাক্রমে পরিতোষ রায়,এস এম এ ভূট্টো,এ্যডভোকেট প্রশান্ত বিশ্বাস, বুদ্ধদেব মন্ডল, শাওন হাওলাদার, আহসান কবীর, শাহীন বিশ্বাস, হিন্দু জোটের জেলা নেতা ধীরাজ মন্ডল ও তুহিন রায় প্রমূখ। বেলা ১২ টায় তার শেষকৃত্যানুষ্ঠান গ্ৰামের বাড়ি ছয়ঘরিয়া মহা শ্মশ্মান ঘাটে সম্পন্ন হয়।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের উদ্বোধন

প্রলয় চৌধুরী মুক্তি, চট্টগ্রাম:  চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গোমদণ্ডী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনির চৌধুরী।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন এর সভাপতিত্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোমদণ্ডী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মঈনুল আবেদীন নাজিম।

গোমদণ্ডী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক, বোয়ালখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোজাম্মেল হক চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম.সেলিম, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জনাব নুরুল আমিন চৌধুরী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অজন্তা ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রমুখ।

প্রতিযোগিতায় কানুনগোপাড়া সরকারি কলেজের ছাত্র রিপন চৌধুরী, গোমদণ্ডী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সানজিদা ওয়াসিকা, পশ্চিম কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের শরমিন আকতার ও জৈষ্ঠ্যপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের তন্ময় বড়ুয়া পুরস্কৃত হয়।

প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদেরকে বিজ্ঞান মনস্ক হওয়ার তাগিদ দেন। গোমদণ্ডী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সুন্দর ব্যবস্থাপনায় মুগ্ধ হয়ে বিদ্যালয়কে বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কালেক্টর সহকারীর কর্মবিরতি

প্রলয় চৌধুরী মুক্তি,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ‘বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির (বাকাসস) বোয়ালখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে রবিবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের (গ্রেড ১৩-১৬) পদবি পরিবর্তনসহ বেতন গ্রেড উন্নীতকরণের দাবিতে সংগঠনের উপজেলা শাখা সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি পালন করে। উপজেলা পরিষদের হলরুমের সামনে অবস্থান করে বাকাসস এর স্থানীয় নেতারা কর্মবিরতি পালন করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভূমি অফিসারের কার্যালয়ের নাজির কাম ক্যাশিয়ার সমীরণ চক্রবর্তী ও অফিস সহকারি, মোঃ মুছা।

উল্লেখ্য, বাকাসস কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

চলেই গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

ইউিনক ডেস্ক : বেশ কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় থাকার পর অবশেষে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। আজ রবিবার দুপুর সোয়া বারোটায় প্রয়াত হন বর্ষিয়ান এই অভিনেতা। দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেপ্টেম্বের বেলভিউয়ে ভর্তি হন সৌমিত্র। তিনি একটা সময়ে ক্যানসারেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই অসুস্থতা স্বভাবতই তাঁকে পুরোপুরি ছেড়ে যায়নি। ফলে কখনও উন্নতি কখনও অবনতি, এই দোলাচলেই চলছিল হাসপাতাল-বন্দি সৌমিত্রর জীবন। এ ছাড়াও একাধিক কোমর্বিডিটি ছিল তাঁর। তার জেরে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে তাঁর। তবুও প্লাজমা থেরাপি, শ্বাসনালিতে অস্ত্রপচার-সহ নানা ভাবে অভিনেতাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন চিকিৎসকেরা।

কিন্তু শুক্রবার সৌমিত্রর শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটে। হৃদযন্ত্র আর কিডনির জটিলতা অনেকটা বেড়ে যায়। বেড়ে যায় ‘হার্ট রেট’। সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, অলৌকিক কিছু না ঘটলে সৌমিত্রের সুস্থ হয়ে ওঠা অসম্ভব। তার পরই দুশ্চিন্তার ছায়া নেমে আসে অনুরাগীদের মধ্যে।

রাতভর সেই নিয়ে টানাপড়েনের পর এ দিন সকাল হতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান সৌমিত্রর পরিবারের লোকজন। কিছুক্ষণ পর হাসপাতাল থেকে বেরিয়েও যান তারা। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিনেতার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে।