পাইকগাছায় সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষের মামলা দায়ের

পাইকগাছা প্রতিনিধি : দেলুটির জকারহুলায় শালিসী সভায় সংঘটিত মারামারির ঘটনা পরিকল্পিত বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে না পারায় কেউ-কেউ আয়োজকদের দায়ী করেছেন। এ ঘটনায় দু’পক্ষই পৃথক-পৃথক ভাবে থানায় মামলা করেছেন। এক পক্ষের বাদী নিরাপদ মন্ডল অভিযোগ করেছেন প্রতিপক্ষ পবন-সাধন মন্ডল গংরা আবারো মারপিটের হুমকি দিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি দেলুটি ইউপি’র জকারহুলায় র্্যকেট খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় শুধাংশু মন্ডলের ছেলে মহাদেব ও সাধন মন্ডলের ছেলে আশীষ এর মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। ঘটনাটি উভয়ের পরিবার পর্যন্ত গড়ালে দু’পক্ষই বিরোধে জড়িয়ে পড়লে তা মিমাংসার জন্য গত ১২ নভেম্বর সন্ধ্যায় জকারহুলার উত্তমের চায়ের দোকানের সামনে শালিশী সভা ডাকা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য বিরুপাক্ষ, সম্পাদক কুমুদ রঞ্জন রায়,উপজেলা আ’লীগের সাকেক নেতা শিক্ষক সুকৃতি মোহন সরকার,যুবলীগ নেতা গৌতম সহ বহু মানুষের উপস্থিতিতে শালিসী সভায় দু’পক্ষই তাদের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে ‘দু’পক্ষই তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়লে শিক্ষক সুকৃতি মোহন সরকার তা নিবৃতের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে হঠাৎ করে সংঘর্ষে রুপ নেয়। মারপিটে রড- হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার হয় বলে আয়োজকরা তা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় নিরাপদ মন্ডলের ছেলে বৃন্দাবন মন্ডল সহ এ পক্ষের স্বপন মন্ডল, অমর মন্ডল, মৃত্যুঞ্জয় ও প্রতিপক্ষের পবন মন্ডল ও তার ছেলে আশীষ আহত হয়। এ সম্পর্কে নিরাপদ মন্ডল অভিযোগ করেন শালিশী সভার এক পর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক দেখা দিলে পরিকল্পিত ভাবে পবন অমরের হাটুর নিচে হাতুড়ী দিয়ে আঘাত করে। এর পর সাধন,ধ্রুব-আশীষ, উজ্জ্বল সহ ১০/১২ জন লাঠি ও রড-হাতুড়ী পেটা করে আমার ছেলে বৃন্দাবন,স্বপন ও মৃত্যুঞ্জয়ের মাথায় রক্তাক্ত জখম করলে ঐ রাতে আহত ৭ জনকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করি। অন্যদিকে পবন মন্ডলের ছেলে আশীষ পায়ে জখম হলে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় দু’পক্ষই পৃথক-পৃথক ভাবে থানায় মামলা করেছেন। সভার আয়োজকদের মধ্যে সুকৃতি মোহন সরকার ও কুমুদ রঞ্জন রায় বলেন, সভার এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পবন মন্ডল অমরের কথার প্রতিবাদ করে তার পায়ে হাতুড়ীর আঘাত করে এবং মুহুর্তেই সংঘর্ষে রুপ নেয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন কথা জানিয়ে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সঞ্জিত বিস্বাস জানান,তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অমর- বৃন্দাবন পক্ষের জখমের সংখ্যা বেশি।

দিঘলিয়া জুট মিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড : নারীসহ চার শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ

দিঘলিয়া প্রতিনিধি : দিঘলিয়ায় জুট মিলে অগ্নিকাণ্ডে চারটি মেশিনসহ অর্ধ কোটি টাকার পাট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় আসলাম, রবিউল, আকাশ ও হেলেনাসহ চারজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার জামান জুট মিল করপোরেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এদিকে, গুরুতর অগ্নিদগ্ধ আসলামকে (৪৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ রবিউল ইসলামকে (৩২) স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি ও বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে দিঘলিয়ার জামান জুট মিল করপোরেশনের হার্ড ওয়েস্ট মেশিন থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন জুট মিলের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দিঘলিয়া ও দৌলতপুরের ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় আগুন নেভাতে গিয়ে আসলাম, রবিউল, আকাশ ও হেলেনাসহ চারজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত আসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ রবিউলকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি এবং বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জামান জুট মিল করপোরেশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মো. রিপন মোল্লা বলেন, আগুনে মিলের পাচটি মেশিনসহ ৪০ থেকে ৫০লাখ টাকার পাট পুড়ে গেছে। যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এছাড়া তাদের চারজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে আসলাম নামে একজন শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দিঘলিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ বলেন, প্রায় দেড়ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে কি কারণে আগুন লেগেছে এবং কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তদন্ত না করে প্রাথমিকভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানউল্লাহ চৌধুরী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে চারজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে আসলাম নামে গুরুতর অগ্নিদগ্ধ একজন শ্রমিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অগ্নিদগ্ধ রবিউলকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি এবং বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ।

খুলনা জেলা হিন্দু মহাজোটের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় স্থানীয় মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে । জেলা শাখার আহ্বায়ক ধীরাজ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব তুহিন রায়ের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার হাওলাদার । বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মিঠু দে, এডভোকেট মেহেদী হাসান, শিক্ষিকা রিতা সরকার বীরমুক্তিযোদ্ধা বিকাশ কুসুম মন্ডল, শিক্ষক অঞ্জন দত্ত । অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন মহাজোটের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, অভিজিৎ রায় অভি,সুপদ রায়, ফাল্গুনী মল্লিক, মাধুরী মন্ডল, নারীনেত্রী কানন বালা মল্লিক, প্রমিলা রায়, অনিতা রানী গোলদার,আরতী মন্ডল, চৈতালি মল্লিক, দিজেন্দ্রনাথ মন্ডল, মৃন্ময় বাছাড়, রিংকু রায়, বিশ্বজিৎ মল্লিক,এ্যপেলো মন্ডল, এডভোকেট অমিত বিশ্বাস, গোবিন্দ বাইন,রিপন রায়,পরাগ রায়, সবুজ মিস্ত্রী,আশীষ সরকার, চিন্ময় হালদার, দেবাশীষ গোলদার,অধরা মন্ডল, হরপ্রসাদ বৈরাগী প্রমূখ । অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সকল শহীদ, মৌলবাদী গোষ্ঠীর হামলায় নিহত সকল সনাতনী এবং সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু পরিবারের সর্বশেষ অভিভাবক গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার চাচী ও শহীদ আবু নাসের শেখ এর সহধর্মিণী রিজিয়া নাসের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ।

স্টার জুট মিলস্ লিঃ এর শ্রমিকদের অর্থ বরাদ্দের টাকা হস্তান্তর

দিঘলিয়া প্রতিনিধি : স্বাধীনতার পরবর্তীতে ভঙ্গুর বাংলাদেশকে পূর্ণ গঠনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বাংলাদেশের পাটকল গুলোকে রাষ্ট্রায়াত্ব ঘোষণা করেন। তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের আশার প্রতিফলন ঘটান।  রবিবার দিঘলিয়া উপজেলাধীন বন্ধঘোষিত ষ্টার জুট মিলস্ লিঃ এর শ্রমিদের অর্থ ছাড় উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তিতা কালে এ কথা গুলি বলেন খুলনা ০৪ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা -আব্দুস সালাম মূর্শেদী এম.পি।
বন্ধকৃত ষ্টার জুট মিলের ২৫৭৬জন শ্রমিকদের মধ্য হতে ৩০০ জনকে পাওনা অর্থ ছাড় দেওয়া হয়। এবং বাকি শ্রমিকদের পাওনা টাকার পর্যায় ক্রমে পরিশোধ করা হবে। ষ্টার জুট মিলস্ লিঃ-এর প্রকল্প প্রধানের কার্যালয়ে প্রকল্প প্রধান আবূল কালাম আজাদ-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্যা আকরাম হোসেন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, সি বি এ সভাপতি বিল্লাল মল্লিক , সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ,বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আজগর আলী, সৈয়দ মিজানুর রহমান , শেখ ইখতিয়ার হোসেন, গাজী মাসুদ রানা, হাবিবুর রহমান তারেক, সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, সহ স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, শ্রমিকদের পাওনা টাকা অর্ধেক নগদ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ও বাকি অর্ধেক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

অভয়নগরের ভৈরব সেতুর উদ্বোধন

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের অভয়নগর উপজেলার শিল্প-বাণিজ্য ও বন্দর নগর নওয়াপাড়ার বুক চিরে অভয়নগর উপজেলাকে দু’ভাগে বিভক্ত করে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদের ওপর নির্মিত অভয়নগরবাসীসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ভৈরব সেতুটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছেন। রোববার সকাল সাড়ে দশটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এই ভৈরব সেতুর উদ্বোধনের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হলো। সেতুটি উদ্বোধনের ফলে যশোর-খুলনা মহাসড়কের সাথে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার সরাসরি সংযোগ স্থাপন হবে। স্থানীয়ভাবে ভৈরব সেতুতে একটি উদ্বোধনী মঞ্চ তৈরী করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে সেতুটির ওপর দিয়ে সব ধরণের যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছে অভয়নগর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। এছাড়া এদিন সকালে যশোরের জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সে ভৈরব সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন বলে জানাগেছে। উল্লেখ্য, যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব নদীর ওপর ৯২ কোটি ৭৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯১ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে অভয়নগরবাসীর বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের এ ভৈরব সেতুটি। ১৫টি পিলারের কলামের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ৭০২.৫৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮.১ মিটার প্রস্থ এ সেতুটি। ২০১৫ সালের জুন মাস থেকে শুরু হয় এ সেতুটির নির্মাণকাজ। ম্যাক্স র‌্যাংকিং জয়েন্ট ভেঞ্চার নামক প্রতিষ্ঠানটি এ সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে।

কবি রুদ্রের ছোট ভাই অধ্যাপক ড. হিমেল আর নেই

মোংলা(বাগেরহাট)প্রতিনিধি : কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ছোট ভাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হিমেল বরকত (৪২) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। শনিবার সকালে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সময় হঠাৎ হার্ট এ্যাটার্ক করলে তাকে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমের ভাই দৈনিক প্রথমআলোর মোংলা প্রতিনিধি সুমেল সারাফাত জানান, রবিবার সন্ধ্যার পর তার ভাইয়ের মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে মোংলার মিঠাখালী গ্রামের বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর সোমবার সকাল ১০টায় সেখানে জানাযা নামাজ শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মরহুম হিমেল বরকত মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক ডক শ্রমিক পরিচালনা বোর্ডের প্রয়াত ডাঃ ওলিউল্লাহর কনিষ্ঠ পুত্র এবং প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও প্রথমআলো পত্রিকার মোংলা প্রতিনিধি সুমেল সারাফাতের ছোট ভাই। হিমেল বরকত পেশায় ছিলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ব বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক। তাই পেশাগত কারণে স্বপরিবারে ঢাকায় বসবাস করছিলেন। অধ্যাপকের পাশাপাশি তিনি একজন কবি, সাহিত্যক ও গবেষক ছিলেন। অধ্যাপক ড. হিমেল বরকতের অকাল মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন মোংলা প্রেস ক্লাবেকর সভাপতি এইচ এম দুলাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান গাজী, সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব হাসান, সাংবাদিক মনিরুল হায়দার ইকবাল, আমির হোসেন আমু, আবু হোসাইন সুমন, জসিম উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন ও শেখ নুর আলমসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।

পাইকগাছায় ধর্ষনের অভিযোগে আটক ১

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় এক সন্তানের জননির ধর্ষনের অভিযোগে বাবু সরদার নামে এক জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। সে চাঁদখালী ইউপির কাটা বুনিয়ার মৃতু হাবিবুর সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কাঁটা বুনিয়া গ্রমের মৃতু হাবিবুর সরদারের ছেলে বাবু সরদার একই এলাকার মজিদ সরদারের মেয়েকে বিভিন্ন সময় কু প্রস্তব দিয়ে আসছিল। মেয়ের পিতা মজিদ সরদার জানান, শুক্রবার আমার মেয়ে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘের থেকে বাড়ী ফেরার সময় রাত ১১ সময় কাঁটা বুনিয়া জনৈক ইসমাইলের ঘেরের পার্শে কেয়ারের রাস্তার উপর পৌছালে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ওৎপেতে থাকা অবস্থায় আমার মেয়েকে মুখে গামছা পেচিয়ে জোর করে হাবিবুর সরদারের ছেলে বাবু সরদার ধর্ষন করে। এ ঘনায় পাইকগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়। শনিবার গভির রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক বাবু সরদারকে আটক করে। ওসি এজাজ শফি জানিয়েছেন, আটককৃত বাবু সরদারকে পাইকগাছা সিনিয়র ম্যজিট্রেট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।