খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

মো : আমিরুল ইসলাম ও মো : শহীদুল হাসান :
খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ৩ জানুয়ারি রবিবার খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে সভাপতি ও এমডিএ বাবুল রানাকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৪ সদস্যের খুলনা মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ সভাপতি ও অ্যাডভোকেট সুজিৎ কুমার অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক করে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের ৭৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে খুলনা মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশিত হয়। মহানগর কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে জায়গা পেয়েছেন কাজি আমিনুল হক, শেখ হায়দার আলী, কাজী এনায়েত হোসেন, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, শেখ শহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো: আশরাফুল ইসলাম। অনুমোদিত কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর টিপু, ত্রান ও সমাজকল্যান সম্পাদক মো. শাহজাদা, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জেড এ মাহমুদ ডন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুন্না, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মহিলা বিষয়ক এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শেখ মো. ফারুক হাসান হিটলু, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ ইউনুচ আলী, সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন, আবুল কালাম আজাদ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলমগীর কবির, উপ-দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. শামীম, উপ-প্রচার ও প্রকাশক সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, কোষাধ্যক্ষ শেখ নুর মোহাম্মদ রয়েছেন।
সদস্যবৃন্দদের মধ্যে রয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, সাবেক জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, সাবেব সংসদ সদস্য খুলনা-২ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মিজানুর রহমান মিজান, আবুল কালাম আজাদ, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, শেখ আমিনুর রহমান পপলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, শেখ মোশারাফ হোসেন (কাউন্সিলর), শেখ মোশারফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা স. ম রেজওয়ান, আবদুল্লাহ হারুন রুমী, আজগর আলী মিন্টু, অধ্যা. রুনু ইকবাল, মাহবুব আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ আবিদ হোসেন, ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, শহীদুল ইসলাম বন্দ, এসএম আনিছুর রহমান, মো. তরিকুল ইসলাম খান, কাজী জাহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, শেখ হাফিজুর রহমান, আনিছুর রহমান বিশ্বাস, মো. গাউসুল আজম, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান সাগর, আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান খান খোকন, এসএম আকিল উদ্দিন।
অন্যদিকে অনুমোদিত জেলা কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন, অ্যাডভোকেট সোহবার আলী সানা, অ্যাডভোকেট কাজী বাদশা মিয়া, অ্যাডভোকেট এমএম মুজিবর রহমান, এএফএম মাকসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, বিএমএ সালাম, মোস্তফা কামাল পাশা খোকন, অ্যাডভোকেট নিমাই চন্দ্র রায় ও রফিকুর রহমান রিপন। কমিটির তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন, সরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরুজ্জামান জামাল ও অ্যাডভোকেট ফরিদ আহম্মেদ। এছাড়া আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নবকুমার চক্রবর্তী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান কালু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অজয় সরকার, ত্রাণ ও সমাজ কল্লাণ সম্পাদক শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল, দপ্তর সম্পাদক এমএ রিয়াজ কচি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তারিক হাসান মিটু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের হোসেন খান জবা, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহ আলম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মো: রকিবুল ইসলাম লাবু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী কেরামত আলী, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কাজী শামীম আহসান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ড: মনোরঞ্জন মন্ডল, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, শ্রম সম্পাদক মোজাফ্ফার মোল্লা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বাবলু, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক অধ্যাপক ডা. মো: শেখ শহিদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, ইঞ্জি: প্রেম কুমার মন্ডল, খালেদীন রশীদী সুকর্ণ, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েদুজ্জামান সম্রাট, উপ-প্রচার সম্পাদক খায়রুল ইসলমা, কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জি: জি এম মাহবুবুল আলম।
জেলা কমিটির সদস্যবৃন্দদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলালউদ্দিন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য শ্রী পঞ্চানন বিশ^াস, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মৎস ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শিদি, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আকতারুজ্জামান বাবু, সাবেক সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল, খান নজরুল ইসলাম, মেহের নিগার স্বপ্না, শেখ মনিরুল ইসলাম, আশরাফুল আলম খান, শেখ আকরাম হোসেন, শেখ আবুল হোসেন, আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জিএম মহসিন রেজা, শেখ শহিদুল ইসলাম, গাজী এজাজ আহমেদ, কামাল উদ্দিন বাদশা, অসিত বরণ বিশ্বাস, অধ্যক্ষ খ ম সালাম, বুলু রায় গাঙ্গুলী, জাহাঙ্গীর হোসেন মুুকুল, বিলকিস আক্তার ধারা, ফারহানা হালিম, মোস্মা. সামসুন্নাহার, শিউলী সরোয়ার, শাহিনা আক্তার লিপি, ফারজানা নিশি, এস এম জাহিদুর রহমান, অমিয় অধিকারী, আনিসুর রহমান মুক্ত, মো. আজগর বিশ্বাস তারা, রবার্ট নিক্সন ঘোষ, নান্টু রায়, মো. জামিল খান ও হায়দার আলী মোড়ল। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোল্যা জালাল উদ্দিনকে জাতীয় কমিটির সদস্য করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর নগরীর সার্কিট হাউস মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে সভাপতি ও এমডিএ বাবুল রানাকে সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ সভাপতি ও অ্যাডভোকেট সুজিৎ কুমার অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব ঘোষনা করা হয়। পরে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গত ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর খুলনা মহানগর ও জেলা কমিটির পূর্ণাঙ্গ খসড়া তালিকা জমা দেয়া হয়। অনেক জল্পনার পর দীর্ঘ এক বছর পরে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রিয় কমিটি।

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ দু’জনের মৃত্যু

সাতক্ষীরা : কোভিড-১৯ আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একস্বাস্থ্যকর্মীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে ও দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে তারা মারা যান। এনিয়ে, সাতক্ষীরায় কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ১৪০ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩২ জন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথালী গ্রামের মৃত মেঘনাথ মন্ডলের ছেলে কোভিড আক্রান্ত আক্রান্ত সুব্রত মন্ডল (৬০) ও কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের মৃত রজব আলীল ছেলে স্বাস্থ্যকর্মী মফিজুল ইসলাম (৫০)। তিনি কোভিড উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে ভর্তি হন করোনা আক্রান্ত সুব্রত মন্ডল (৬০)। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টায় তিনি মারা যান। এদিকে, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে ভর্তি হন স্বাস্থ্যকর্মী মফিজুল ইসলাম (৫০)। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তিনিও মারা যান। ভর্তির পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হলেও এখনও তার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে তাদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বাগেরহাটে নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান

বাগেরহাট : বাগেরহাটে নতুন জেলা প্রশাসক হিসাবে যোগদান করেছেন এ.এন.এম ফয়জুল হক। রবিবার সকালে তিনি প্রথমে খানজাহান আলী(রঃ) মাজার জিয়ারত ও পরে জেলা শহরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মুর‌্যালে পুস্পমাল্য অর্পন করে কর্মস্থল জেলা কালেক্টরেটে প্রথম অফিস করেন। মাজার জিয়ারত ও বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর সময় নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে ছিলেন অতিরক্তি জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ রিজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ শাহিনুজ্জামান, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক দেব প্রসাদ পাল, সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার মুহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম ও বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক আহাদ উদ্দিন হায়দারসহ কালেক্টরেটের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেটগন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত এএনএম ফয়জুল হক কে গত ১৭ ডিসেম্বর জনপ্রশান বদলী করে বাগেরহাট জেলায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়। আর বাগেরহাটে কর্মরত জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ কে কক্্রবাজার জেলার জেলা প্রশাসক হিসাবে বদলী করা হয়।

অবসরপ্রাপ্ত এনএসআই কর্মকর্তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরা : নিঁখোজের ৬ দিন পর সাতক্ষীরার গোদাঘাটার একটি মাছের ঘের থেকে আরাফাত হোসেন মল্লিক ওরফে রিংকু মল্লিক নামের অবসরপ্রাপ্ত এক এনএসআই কর্মকর্তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের গোদাঘাটা মল্লিকপাড়ার জনৈক আফসার উদ্দীন মল্লিকের মাছের ঘের থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রিংকু মল্লিক (২৩) ওই গ্রামের সাবেক এনএসআই এর প্রধান অফিস সহকারী আব্দুল জব্বারের ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল রিংকু মল্লিক। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। একপর্যায়ে আজ রোববার সকালে তার মরদেহ জনৈক আফসার উদ্দীন মল্লিকের মাছের ঘের থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত রিংকু হালকা অপ্রকৃতিস্থ ছিল। তবে, রিংকুকে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি আরো জানান।

ডুমুরিয়ার সাহস গজেন্দ্রপুরে নির্বাচনকে ঘিরে চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে চলছে কাদা ছুড়াছুড়ি। ইতোমধ্যে পরস্পরের মধ্যে বিরুদ্ধে করা হয়েছে অভিযোগ।
জানা গেছে, উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য জহুরুল হক। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তার পরিবর্তে ছেলে নাজির শেখ হতে যাচ্ছেন সম্ভব্য প্রার্থী। ইতোমধ্যে নাজির শেখ ওয়ার্ডে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে দিয়েছেন শুভেচ্ছা প্যানা। এরই মধ্যে দক্ষিণ গজেন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ শেখ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। তিনিও প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দিয়েছেন প্যানা। তবে তার ঘোষণার পরে শুরু হয়েছে দু’পক্ষের মধ্যে রেশারেশি। বর্তমানে পরস্পরের মধ্যে দোষ-ত্রুটি নিয়েই এলাকাটির অবস্থা উত্তাল। এরই মধ্যে স্কুলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ শেখের বিরুদ্ধে স্কুল মেরামতের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর করা হয়েছে অভিযোগ। বরাদ্দের দুই লাখ টাকার মধ্যে নামমাত্র কাজ করে সমুদয় টাকা আত্মসাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম করেছেন তদন্ত কার্যক্রম। এবার অপর পক্ষকে ঘায়েল করতে প্রতিপক্ষ নাজির শেখের সমার্থক শরিফ মোল্ল্যার বিরুদ্ধে উঠেছে উল্টো অভিযোগ। জানা গেছে, এই শরিফ মোল্ল্যা ২০১৪ সালে নুতন কুড়ি সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতি লিমিটেড মাইক্রো ক্রেডিট (ট্রেড) কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু এই সমিতিটির সরকারি ভাবে কোন প্রকারের অনুমতিপত্র নেই। উচ্চ ও চড়া সুদে এলাকার গরীব ও সাধারণ মানুষের নিকটে ঋণ দিয়ে চালিয়ে আসছে কার্যক্রম। বর্তমানে দু’পক্ষের কর্মী-সমার্থকরা এই দুই অভিযোগ নিয়েই পরস্পরের মধ্যে করছে কাদা ছুড়াছুড়ি।
এ বিষয়ে আব্দুল ওয়াদুদ শেখ জানান, দক্ষিণ গজেন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আমি। অবসরে যাওয়ার পরে স্থানীয়রা আমাকে ওই প্রতিষ্টানের সভাপতি নির্বাচিত করে। আমি জোর করে বলতে পারি-স্কুল থেকে আমি একটি টাকাও আত্মসাৎ করিনি। শুধু ভোটে দাড়াতে চেয়েছি বলেই ওরা আমার বিরুদ্ধে দোষ-নিন্দা রটাচ্ছে।
ওদিকে শরিফ মোল্ল্যা জানান, ১৪’সালে গ্রামের মানুষদের সাথে নিয়ে একটি সমিতি গঠন করেছিলাম। পরে অনেক জটিলতার কারণে সমিতির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। বর্তমানে সমিতির কার্যক্রম বন্ধ শুধুমাত্র অতীতে যাদের কাছে টাকা দেওয়া ছিল সেই টাকাগুলো ক্লোজ করছি।

পৌর নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম মোংলা পৌর শহর

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন। আগামী ১৬ জানুয়ারীর নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটারদের মন জয় করতে দিচ্ছেন নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও। রবিবার সকালে বর্তমান মেয়র ও বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলীকে পৌর শহরের তালুকদার আব্দুল খালেক সড়কে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আ: রহমান প্রচারণা চালিয়েছেন পৌর শহরের ছাড়াবাড়ী এলাকায়। এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীরাও নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে পৌর শহর জুড়ে শোভা পাচ্ছে প্রার্থীদের পোস্টার। পোস্টারে ছেয়ে গেছে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ছাড়াও সকল অলিগলি।
প্রচারণাকালে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী বলেন, আমি দীর্ঘ ১০ বছর মেয়রের দায়িত্বপালনকালে পৌরবাসীকে সেবা করে আসছি। ১৬ জানুয়ারীর নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যদিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রথম দিকে একটু সমস্যা থাকলেও এখন বর্তমানে সুষ্ঠুভাবে প্রচার-প্রচারণা করছি। তবে দল মত নির্বিশেষে সাধারণ জনগণ যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে এ ব্যাপারে নিরাপত্তাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ভাল থাকে সংশ্লিষ্টদের কাছে সেই প্রত্যাশা করছি। যেহেতু আমি ১০ বছর সেবা দিয়েছে, শহরের উন্নয়ন করেছি, অন্ধকার থেকে আলোকিত করেছি এই পৌর শহরকে। যার ফলশ্রুতিতে ১৬ জানুয়ারী আমি জনগণের রায় পাবো ইনশাল্লাহ।
নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী শেখ আ: রহমান বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক দিয়ে আমাকে পৌরবাসীর কাছে পাঠিয়েছেন। মোংলার যত উন্নয়ন তা জননেত্রী শেখ হাসিনা, খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক ও স্থানীয় সাংসদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রলায়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারের মাধ্যমেই হয়েছে। সেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মোংলাবাসীর কাছে যাচ্ছি, তাদের কাছে ভোটের আহবাণ জানাচ্ছি। ব্যাপক সাড়াও পাচ্ছি, নৌকায় ভোট দিবে বলে তাদের কাছ থেকে সেই প্রতিশ্রুতিও পাচ্ছি। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। আমি নির্বাচিত হলে জনগণ যে দুর্দশায় আছে তা ঘোচাতে চেষ্টা করবো। যেহেতু আমার সরকার ক্ষমতায় আছে, তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে এবং এই এলাকার অভিভাবক তালুকদার আব্দুল খালেক তার মাধ্যমে এই পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো।
মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে তিনজন, ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন ও সংরক্ষিত তিনটি মহিলা ওয়ার্ডে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। ৯টি ওয়ার্ডের ১২টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ।
এবারই প্রথম ইভিএম পদ্ধতি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে পৌরসভার সাধারণ ভোটারের সংখ্যা ৩১ হাজার ৫২৮জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৬৮১ আর নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮৪০ জন। এর আগে ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এ পৌরসভায় ভোটারের সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ৯৫১জন।
এর আগে ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হয় পৌর নির্বাচন। এরপর সীমানা জটিলতার মামলার কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হওয়ায় জটিলতার নিরসন হওয়ায় দীর্ঘ ১০ বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের দিন দেয়া হবে আরো নয় জন ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনকে ঘিরে সকল প্রার্থীকে বিধি নিষেধ মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর নিদের্শনা দিয়েছে উপজেলা নির্বাচন অফিসার।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে প্রচার-প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্গন করলে কেউকেই কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবেনা। তিনি আরো বলেন, আচরণ বিধি লঙ্গনের দায়ে ইতিমধ্যে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মীদেরকে নগদ জরিমানা করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার লক্ষ্যে সকল ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডুমুরিয়ায় বাসের ধাক্কায় নিহত ১

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : বিয়ের ১০ মাস পরেই যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেন (২২) নামের এক যুবকের। রোববার সকালে খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের বালিয়াখালী ব্রীজের পশ্চিম পাশের মোড়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন সুত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা শরাফপুর গ্রামের রহমান শেখের ছেলে বিল্লাল হোসেন তার নিজ মটর সাইকেলে যার নং- খুলনা ল ১১-৩০৮২ কেশবপুরের উদ্দেশ্যে বের হয়। পথিমধ্যে বালিয়াখালি ব্রীজের পশ্চিম পাশের মোড়ে পৌঁছালে অপর দিক দিয়ে আসা যাত্রীবাহী বাসের যার নং ঢাকা মেট্রো জ ১১-১৮৬৬ সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিল্লালসহ ও তার গাড়ী ছিটকে পড়লে বিল্লাল গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। নিহত বিল্লালের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাসলিমা খাতুন জানান, বিল্লালের সাথে আমার ১০ মাস আগে বিয়ে হয়। সে একটি বালি বিক্রয়ের বেডে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিল।

পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে ৪৬ মনোনয়ন পত্র বৈধ  : ৩ বাতিল 

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে ৪৯ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও রবিবার সকালে যাচাই-বাছাইয়ে ৩ জন কাউনন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন জেলা সিনিয়র নির্বচন অফিসার এম মাহজারুল ইসলাম।
এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১২ প্রার্থী সহ ৪৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেনন। ৩ জন মেয়র প্রার্থী হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, বিএনপি মনোনীত মনিরুজ্জামান মনি ও কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত এ্যাড: প্রশান্ত মন্ডল। ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে বর্তমান কাউন্সিলর আলাউদ্দীন গাজী ও বজলুর রহমান গাজী। হলফ নামায় স্বাক্ষর না থাকায় বজলুর রহমান গাজীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়। ২নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর অহেদ আলী গাজী, নজরুল ইসলাম, হাতেম সরদার ও রফিকুল ইসলাম। ৩নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর গাজী আব্দুস সালাম, মো: আব্দুল গফফার মোড়ল ও আব্দুল মান্নান সরদার। ৪নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, বাবু রাম মন্ডল, ঋন খেলাপি হওয়ায় বাবু রাম মন্ডলের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়। সাইফুল ইসলাম ও চন্দ্র শেখর মন্ডল। ৫নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর রবি শংকর মন্ডল, শেখ রুহুল কুদ্দুস, জিয়া উদ্দীন নায়েব ও রফিকুল ইসলাম রফিক। ৬নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, শফিকুল ইসলাম মোড়ল ও এমএম সেলিম রেজা। ঋন খেলাপি হওয়ায় সেলিম রেজার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়। ৭নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর শেখ মাহবুবুর রহমান রনজু, সৈয়দ তৌফিক-ই-ইলাহী, শেখ জামাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, রাজু শেখ, খালিদ হোসেন ও কামরুল ইসলাম মিস্ত্রী। ৮নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর কাজী নেয়ামুল হুদা কামাল, ইমরান সরদার, প্রসুন কুমার সানা ও পরেশ চন্দ্র সরকার। ৯নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এসএম ইমদাদুল হক, আনার আলী দফাদার ও রঞ্জন কুমার মন্ডল। সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর সরবানু বেগম, ফাতেমা বেগম, রাফেজা খানম ও রুখশানারা পারভীন। ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর কবিতা দাশ, বাসন্তী মন্ডল, জাহানারা খাতুন, আয়শা নিগার নূর ও শারমিন সুলতানা। ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আসমা আহমেদ, শাহিদা খাতুন ও অর্চনা রায়।
মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছায়ের সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার এম মাহজারুল ইসলাম, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আরাফাতুল আলম,উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কামালউদ্দীন আহম্মেদ, ওসি অপারেশন দেবাশিষ কুমার, এস আই অলোক কুমার,স্থানীয় সাংবাদিক, মেয়র, কাউনন্সিলর প্রার্থী ও মহিলা কাউনন্সিলর প্রার্থীদের প্রস্তাবকারী ও সমার্থনকারীরা।
মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিষয়ে সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার এম মাহজারুল ইসলাম বলেন, আগামি তিন দিনের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন দিয়ে আপিল করতে পারবেন। আগামি ১০ জানুয়ারি প্রত্যাহার ও ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পাইকগাছায় গাঁজা সহ আটক ১

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় চুরি,মাদক সহ ৯ মামলার অাসামি, নাসির গাজী (২২) মাদক বিক্রয় কালে হাতে নাতে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশে। সে পৌর সভার ৫ নং ওয়ার্ডের সরল গ্রমের খোকন গাজীর ছেলে।

জানা যায়, পাইকগাছা থানা পুলিশ শনিবার ১১ টার দিকে পাইকগাছা থানারর পি এস অাই মোল্যা শাহদাৎ অভিযান চালিয়ে ৬ নং ওয়ার্ডের মাইক্র স্টান্ডের সামনে গাঁজা বিক্রি কালে নাসির উদ্দীন গাজীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় থানায় মাদক অইনে মামলা হয়েছে।
ওসি এজাজ শফী জানান তার নামে পাইকগাছা থানায় মাদক, চুরি সহ নয়টি মামলা রয়েছে। তিনি অারো জানান সে দীর্ঘদিন ধরে মাইক্র স্টান্ড, বাস স্টান্ডে মাদক বিক্রি করে আসছিল।

বটিয়াঘাটায় মারপিটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলার বিরাট গ্রামের মরহুম আক্কেল আলীর পুত্র জাহিদ শেখ রবিবার বেলা ১২ টায় উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাহাজে মাষ্টারী পদে চাকুরী করেন। একই এলাকার আলাউদ্দিনের পুত্র গোলাম (৫০) ও মনি (৪০) এবং মরহুম শওকত তরফদারের পুত্র নান্নু (৪৫) অত্যন্ত জঘন্য ও পাষন্ড প্রকৃতির লোক। তাদের সাথে তার বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘদিনের গোলযোগ বিদ্যমান থাকায় প্রায়শঃ হুমকি-ধামকি চালিয়ে আসছে। গত শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিবাদী গোলাম তার নিজ ব্যবহৃত ০১৭১১১৪৫৪৭৯ মোবাইল নম্বর থেকে তার ০১৯১৩৪০৭৬০৮ নম্বরে ফোন দিয়ে বিরাট স্কুল মাঠে ডেকে নেয়। সকাল ১০ টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে নীলাফোলা জখম করে এবং নাক ও মুখে কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন ছুঁটে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসক দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অতপর থানায় এজাহার দায়ের করেন। তিনি এ ব্যাপারে আইগত প্রতিকার পেতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।