ডুমুরিয়ায় প্রতিপক্ষের রোষানলে সংখ্যালঘু পরিবার বিপাকে

সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) : ডুমুরিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়ে একটি সংখ্যালঘু পরিবার চরম বিপাকে পড়েছে। প্রতিপক্ষের বাধায় নিজের বসত-ভিটায় বাড়িঘর নির্মাণ করতে পারছে না। নিরাপত্তার আশায় ওই পরিবারটি এখন নিতে যাচ্ছে গ্রাম ছাড়ার সিন্ধান্ত।
ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার রঘুনাথপুর বাজারের পাশে চার পুরুষ ধরে বসবাস করে আসছে সাহা পরিবার। বর্তমানে ওই পরিবারের বসত-ভিটায় বংশধর হিসেবে আছেন নির্মালেন্দু সাহার দুই ছেলে কিংকর সাহা ও তার ভাই নীল কোমল সাহা। সম্প্রতি সেখানে বাড়িঘর নির্মাণের জন্য ইট বালি খোয়া এনে জড়ো করেন ছোট ভাই নীল কোমল। ঠিক তখনি এসে বাধা দেন প্রতিপক্ষ মৃত গফুর আকুঞ্জির দুই ছেলে জাফর আকুঞ্জি ও তার ভাই রেজাউল আকুঞ্জি। প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অবস্থায় পড়ে আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের দ্বারে দ্বারে গিয়েও কোন সমাধান পায়নি দুই ভাই কিংকর ও নীল কোমল। বরং স্থানীয় মাতব্বরদের জানানোর অপরাধে প্রতিপক্ষের হুংকার আরও বেড়ে গেছে। তাদের ভয়ে ওই পরিবার দুটি দিশেহারা।
বিষয়টি নিয়ে ছোট ভাই নীল কোমল সাহা বলেন, আমার বাবা, দাদুসহ তারও আগের পুরুষরা এই ভিটায় বসবাস করে এসেছে। সেই সুত্রে আমরাও এখানে বাস করি। একই ভিটায় বসবাস করেন প্রতিবেশি জাফর আকুঞ্জি ও তার ভাই রেজাউল আকুঞ্জি। কিন্তু তাদের সাথে আমাদের তেমন বনিবনা নেই। অনেক সময় তাদের অত্যাচার ও দুর্ব্যবহারগুলো প্রতিবেশি হিসেবে এড়িয়ে চলি। এরই মধ্যে প্রায় ১৫দিন আগে আমি আমার সিমানায় গাড়িঘর নির্মাণের জন্য ইট বালি খোয়া জড়ো করি। ঠিক তখনি ওরা এসে বাধা প্রদান করে। বিষয়টি নিয়ে আমরা স্থানীয় মাতব্বরদের কাছেও গিয়ে কোন সমাধান পায়নি। বরং মাতব্বরদের কাছে যাওয়ার অপরাধে আমাদের ওপর হুমকি ধামকি বেড়ে গেছে। বর্তমানে তাদের ভয়ে সেখানে বসবাস করতে পারছি না। কখন কি করে বসে এই ভয়ে আছি। মনে হচ্ছে স্ত্রী সন্তান নিয়ে অন্য কোথাও গিয়ে প্রাণে বাঁচি। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ভিটেমাটি এই মায়ার টানে যেতে পারছি না।

মোংলায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী জুলফিকার আলীর সংবাদ সম্মেলন

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলীর প্রচারণায় বাধা, হামলা, মারধর, নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার পাশাপাশি কর্মীদের বাড়ীঘর ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে পৌর শহরের মাদ্রাসা রোডস্থ মেয়র প্রার্থী জুলফিকার আলী তার বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সকল অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততোই প্রতিপক্ষরা আমার কর্মীদেরকে মারধর করছে, মাইক ও সেট ভাংচুর করা হচ্ছে, পোস্টার ছিড়ে ফেলছে, কর্মীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভাংচুর করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রবিবার রাতে পৌরসভার রাজ্জাক সড়কের হাজী আলমের বাড়ী, বাহারউদ্দিন সড়কের টুটুলের বাড়ী ও মুসলিম পাড়ার জাকিরের বাড়ীতে ভাংচুর করা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক কর্মীর বাড়ীতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সোমবার সকালে পৌর শহরের খোজেরডাঙ্গা এলাকায় ভোট চাইতে যাওয়া তার চার নারী কর্মী ফাতেমা (৩৫), মুন (২৫), মরিয়ম (৩০) ও রাবেয়া (২৭)কে বেদম মারপিট করে এবং তাদের কাছে থাকা সোনার গহনা ও মোবাইল ফোনসহ সকল মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়া তাদের পরিহিত কাপড়চোপড়ও ছিড়ে ফেলে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এর আগে রবিবার রাতে মাদ্রাসা রোডে তার কর্মী কালু, রনি বাবুল ও শহীদকে মারধর করে তাদেও সাথে থাকা সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষের লোকজনেরা। এছাড়া গত ২৯ ও ২৫ ডিসেম্বর দুই দফায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলীসহ তার কর্মীদের উপর হামলা হয়।
নির্বাচনকে ঘিরে পৌরসভার বাহিরের লোকজন বিশেষ করে এখানকার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশ উপজেলার মানুষ এসে ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকি, মারপিটসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বাহিরের লোকজন এখানকার ভোটারদের বাড়ী গিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য ভীতি প্রদর্শন করছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, আমি ভয় পাচ্ছি, অতি সত্বর যদি র‌্যাব, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও বিজিবি আগে ভাগে মাঠে না নামানো না হয় তাহলে ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি দুই একদিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলরক্ষাকারী বাহিনীকে মাঠে নামানোর জন্য নির্বাচন অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা কামনা করেছেন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থীর কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় আহত নারী কর্মীদের দেখতে এবং ঘটনার তদন্তে গিয়ে সোমবার দুপুরে মোংলা-রামপাল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো: আসিফ ইকবাল বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেশবপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে হনুমানের মৃত্যু

কেশবপুর (যেশার): কেশবপুরে সোমবার সকালে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে একটি বিরল প্রজাতির পুরুষ কালোমুখো হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। বন বিভাগ মৃত হনুমানটি উদ্ধার করেছে। বনবিভাগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই হনুমানটি খাদ্যের সন্ধানে পাবলিক ময়দান সংলগ্ন ভবনের ছাদ থেকে অন্য ভবনের ছাদে লাফিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে মারা যায়। খবর পেয়ে বনবিভাগ মৃত হনুমানটি উদ্ধার করে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরে ময়না তদন্ত করেছে। ময়না তদন্ত শেষে বনবিভাগ ওই হনুমানটিকে মাটি চাপা দিয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, ৭ বছর বয়সি পুরুষ হনুমানটির বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হবার খবর পেরে মৃত হনুমানটিকে উদ্ধার করে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে হাতে ন্যস্ত করে। উল্লেখ্য চলতি বছর জানুয়ারি মাসের ১১ দিনে ২টি হনুমান বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছে। তিনি দাবি করেন বৈদ্যুতিক তারে কভার দেয়া থাকলে হনুমানের বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর সংখ্যা কমে যাবে।

পাইকগাছায় চা দোকানীকে মারপিটের অভিযোগ

পাইকগাছা : পাইকগাছায় চায়ের স্টলে ঢুকে ভাংচুর সহ দোকানীকে মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সোলাদানা ইউপি’র ছালুবুনিয়াস্থ চৌরাস্তা মোড়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিকাশ মন্ডলের চায়ের দোকানে এ ঘটনাটি ঘটেছে। মারপিটে আহত চা দোকানী লাবনী মন্ডল বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ গোপাল সরদার তার দু’ছেলে উৎপল ও উজ্জ্বল ও শংকর মন্ডল সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দিয়েছেন। খালিয়ার চক গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ মন্ডলের স্ত্রী চা দোকানী লাবনী রানী জানান, অভাবের কারনে প্রতিবন্ধী স্বামী ( বিকাশ) কে নিয়ে চৌরাস্তা মোড়ে চায়ের দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তিনি অভিযোগ করেন তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পশ্চিম কাইনমুখি গ্রামের বাসিন্দা ঠাকুর জামাই গোপাল মন্ডল ও তার দু’ছেলে সহ কয়েকজন দুর্বত্ত আমার চায়ের দোকানে অনাধিকার প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এর প্রতিবাদ করা মাত্রই এরা দোকানের লাইট নিভিয়ে মারপিট ও চেয়ার সহ একাধিক চায়ের কাপ ছুড়ে ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করেন। তিনি আরো জানান, অনাকাঙ্খিত প্রস্তাব করলে আমি থানায় জিডি করায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার এক পর্যায়ে চিৎকার শুনে মারপিট ঠেকাতে গিয়ে আমরাও আঘাত প্রাপ্ত হই। তবে একটি সুত্র জানান, বিকাশের বাবা ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডলের জমি অন্যত্র ডিড করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে মনোমালিন্যোর জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসআই তাকবীর হোসেন মারপিট ও ভাংচুরের কথা বলে জানান অভিযোগটি আইনী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে এ ঘটনা সামাল দিতে গোপাল গংরা পাল্টা থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গোপালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে ও রবিবার গভীর রাতে কোটালীপাড়া ও কাশিয়ানীতে এসব দূর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারঙ্ক এলাকায় টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া সড়ক পার হওয়ার সময় টুঙ্গিপাড়া থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়াগামী একটি ট্রাক মুরসালিন দাঁড়িয়া নামে এক ব্যক্তিকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন। অপরদেকে, গভীর রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকায় অজ্ঞাত এক যুবককে একটি গাড়ী চাপা দিলে ঘটনাস্থলে নিহত হন। পরে সকালে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যার জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পাইকগাছায় বিষপানে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

পাইকগাছা : পাইকগাছায় বৃষ্টি নামে ৯ম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত ছাত্রী ভিলেজ পাইকগাছার উত্তর পাড়ার ফারুক সরদারের মেয়ে। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রিন্স নামে এক যুবকের প্রলোভনে পড়ে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। প্রিন্স অবঃ প্রাপ্ত ডিবি পুলিশ সদস্য মাজেদ সানার ছেলে। বৃষ্টির পিতা ফারুক সরদার জানান, রোববার রাত সাড়ে ১১টার মেয়ে ঘরের বাহিরে আসার জন্য দরজার তালা খুলে দিতে বললে আমি তালা খুলে দেই। সে বাহির থেকে আবার ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এর পর রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সে কান্না-কাটি শুরু করে বিষপানের কথা জানায়। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্তৃপক্ষ খুলনায় নিজে যাবার পরিমর্শ দেন। খুলনায় নিয়ে যাবার পথে ডুমুরিয়া পর্যন্ত পৌছালে রাত সাড়ে ৪টার দিকে বৃষ্টির মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন বিষপানের পর বৃষ্টি আবেগঘন কথাবার্তা লিখে তার মোবাইল ম্যাসেঞ্জারে প্রিন্স(বাবুর) সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পুলিশ নিহতের লাশ সুরতহাল করেছন।

যশোর দিন দুপুরে দুই লক্ষাধিক চুরি

যশোর : দিন দুপুরে দোকানে কেউ না থাকার সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙ্গে দ্রুত ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা চুরি করেছে। এসময় রহমত আলী (৩০) নামে চোরের সক্রিয় সদস্যকে ঘটনার পরপর জনগনের সহায়তায় ধরে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সে যশোরের সীমান্তবর্তী বেনাপোল পোর্ট থানার অন্তর্গত নামাজ গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় রোববার রাতে মামলা হয়েছে। তবে চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। যশোর শহরের বেজপাড়া গয়ারাম রোডস্থ মৃত রমেশ পালের ছেলে সুমন পাল বাদি হয়ে মামলায় বলেছেন,শহরের বড় বাজার গোহাটা রোডে মেসার্স মা মনসা নামক সুতা ও রশির দোকান রয়েছে। ১০ জানুয়ারী রোববার দুপুর ১২ টা বেজে ২৫ মিনিটে তিনি দোকান হতে বের হয়ে উত্তর পাশে একটি দোকানের পরে বলরাম পালের দোকানে যায়। সেখান থেকে ২০ মিনিট পর দোকানে ফিরে দেখেন দোকানের সামনে থাকা সাদা রংয়ের পাঞ্জাবী পরা এক লোক দ্রুত সটকে পড়ে। দোকানের মধ্যে তাকিয়ে দেখেন এক যুবক দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে। সুমন পাল আশপাশের লোকের সহায়তায় উক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। পরে তাকে গণ পিটুনী দিলে সে স্বীকার করে তার নাম ঠিকানা। এ সময় তার কাছ থেকে স্ত্রুড্রাইভার উদ্ধার করে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। দোকানের ক্যাশ ড্রয়ার খোলার সময় দেখেন তা ভাঙ্গা ড্রয়ারের মধ্যে রাখা ১লাখ ৮৬ হাজার টাকা নেই।

 

মোল্লাহাটে ক্লিনিক হতে সরকারী ঔষধ উদ্ধার

মোল্লাহাট : মোল্লাহাটে নিয়মিত পরিদর্শনকালে একটি বেসরকারি ক্লিনিক হতে সরকারি ঔষধ উদ্ধার ও নগদ অর্থ দন্ড করা হয়েছে। সিভিল সনার্জন ডাঃ কে,এম হুমায়ূন কবির ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস সোমবার বিকেলে উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিক পরিদর্শন কালে প্রায় ২৫ হাজার টাকা মুল্যের এ ঔষধ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের নগদ ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা (অর্থদন্ড) করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফরা তাসনীন। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির জানান, মা ক্লিনিকটি পরিদর্শনে গিয়ে সেবিকার কক্ষে বিক্রয় নিষিদ্ধ বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ দেখতে পায়। এসময় সরকারি ওই ওষুধ জব্দ করা হয়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মাফ্ফরা তাসনীন জানান, ওই ক্লিনিকে ইনজেকশন,ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল মিলে বিক্রয় নিষিদ্ধ ১২ ধরণের সরকারি ওষুধ পাওয়া গেছে। ভ্রাম্যমান আদালতে ক্লিনিক মালিক মো. কামরুজ্জামানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

নৌকা প্রতীকের প্রচারণায় বঙ্গবন্ধুর ভাগিনা র প্রতিনিধি দল

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগিনা আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন শেরনিয়াবাদের নিদের্শনায় মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী শেখ আ: রহমানের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন তারই নিকট আত্মীয় সৈয়দ মোস্তাক আহমেদ মিঠু। বর্তমানে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন শেরনিয়াবাদ থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন থাকায় তিনি প্রতিনিধি পাঠিয়ে নৌকার প্রচারণা চালাচ্ছেন। মোংলায় তার হয়ে যিনি নৌকার প্রচারণার কাজ করছেন তিনি ষ্টিভিডরস কোম্পানী ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান ও মোংলা বন্দর বার্থ ও শীপ অপারেটর এ্যাসোশিয়েশনের উপদেষ্টা। সোমবার দুপুরে স্থায়ী বন্দর এলাকার হোটেল পশুরে আয়োজিত প্রচারণামূলক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মোস্তাক আহমেদ মিঠু। মতবিনিমিয় সভায় নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী শেখ আ: রহমান উপস্থিত হয়ে সকলের কাছে তার জন্য ভোট চান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেসার্স নুরু এন্ড সন্সের মালিক এইচ এম দুলাল, রহমান এন্টারপ্রাইজ স্বত্বাধিকারী মশউর রহমান, ডা: ও সমাজসেবক লুৎফুল আলম বাবুল, মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সেন্টু ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিজান তালুকদার।

পাইকগাছায় ক্যারাভ্যান রোড শো’র উদ্বোধন

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য এই প্রতিপাদ্যকে ছড়িয়ে দিতে “খাদ্যের নিরাপদতা” শীর্ষক জনসচেতনতামূলক “ক্যারাভ্যান রোড শো”র আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলা কার্যালয় ও পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে এর আয়োজন করে। সোমবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফিতা কেটে এবং কবুতর উড়িয়ে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বক্তব্য রাখেন, নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুরাইয়া সাইদুন নাহার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাংবাদিক রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল, আছাদুল ইসলাম ও ছাত্রলীগনেতা রায়হান পারভেজ রনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মুজিব বর্ষের কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে কাভার্ড ভ্যানে এলইডি মনিটরের মাধ্যমে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন ও লিফলেট বিতরণ করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। দেশের ৬৪ জেলার ৬৪ টি উপজেলায় এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।