জামিন পেয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:  সংগীতশিল্পী ন্যান্সির দায়ের করা মানহানির মামলায় জামিন পেয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল হাই জামিন মঞ্জুর করেন।

আসিফের আইনজীবী আহসান উল্লাহ আনার বলেন, ‘আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তা আদালতে প্রমাণে সমর্থ হয়েছি। আমাদের যুক্তি ও প্রমাণাদিতে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত তাকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন।’

এ ব্যাপারে পরে আসিফ আকবর বলেন, ‘এটি একটি মিথ্যা মামলা। একটি চক্র এগুলো করছে। আমার বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা হয়েছে সবগুলোর এজাহার একই রকম।’ তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের ঘটনায় ২০২০ সালে মামলা করা হয়েছে হয়রানি করার জন্য।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ জুলাই ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় আসিফের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

যারা আমার পরিবারকে রাজাকার বলেছে, তাদের শাস্তি চাই: কাদের মির্জা

ঢাকা অফিস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই ও নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমার পরিবারের ওপর, আমার ওপর যারা হামলা করেছে এবং আমার পরিবারকে রাজাকার পরিবার বলেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এ দাবি জানান।

কাদের মির্জা বলেন, নোয়াখালী ও ফেনী থেকে অপরাজনীতি বন্ধ করা হোক। মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যা যা করা দরকার তা অবশ্যই করতে হবে। বাংলাদেশে অরাজকতার নির্বাচন, ভোটবিহীন নির্বাচন আমরা দেখতে চাই না। তারপরে বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দল থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হলে, আমি একা চলব। আমি একটি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল তৈরি করেছি। সেখানে মাইক লাগিয়েছি। সেখানে আমি বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরবো।

তিনি আরো বলেন, নোয়াখালীতে কোনো ইন্টার্নাল রাজনীতি নেই। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এ বিষয়ে আমার কোনো কথাই হয়নি। নোয়াখালীতে যারা আছে তারা সবাই অপরাজনীতির হোতা।

নোয়াখালীর অন্যায়, অনিয়ম, টেন্ডারবাজি, চাকরি বাণিজ্য ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

চোরাকারবারীদের ট্রাকটি উঠিয়ে দেওয়া হলো র‌্যাব সদস্যের ওপর

নিজস্ব প্রতিনিধি: গাজীপুরের পোড়াবাড়ীর র‌্যা্েবর তল্লাশিচৌকিতে চোরাকারবারীদের মাদকবাহী ট্রাকটি থামার সংকেত দিলেও তা অমান্য করে এগিয়ে যায় । পেছন থেকে মোটরসাইকেলে ধাওয়া করেন র‌্যাবের দুজন সদস্য। ট্রাক থেকে গাঁজার বস্তা ফেলে র‌্যাব সদস্যদের গতিরোধ করার চেষ্টা করা হয়।

কনস্টেবল মো. ইদ্রিস মোল্লা (২৮) না থেশে ধাওয়া করেন ট্রাকটি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে ধাওয়া করতে থাকেন ট্রাকটিকে। ময়মনসিংহের ভালুকার কাছে গিয়ে ট্রাকটির পথ আগলে দাঁড়ান। কিন্তু চালক ইদ্রিসের ওপর দিয়েই চালিয়ে দেন ট্রাকটি। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কনস্টেবল ইদ্রিস।

র‌্যাবের পরিচালক (গণমাধ্যম ও আইন) আশিক বিল্লাহ বলেন, আজ রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে টঙ্গী থেকে ৩০ কেজি গাঁজার চালান নিয়ে একটি ট্রাক গাজীপুরের মাওনা যাচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১ পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ক্যাম্পের সামনে একটি তল্লাশিচৌকি স্থাপন করে। পরে সন্দেহজনক একটি ট্রাককে আসতে দেখে সেটিকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু চালক ট্রাক না থামিয়ে চালিয়ে যেতে থাকেন।

এ অবস্থায় র‍্যাবের সিনিয়র ডিএডি মো. গোলাম মোস্তফা ও কনস্টেবল মো. ইদ্রিস মোল্লা মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাওয়া করেন। ট্রাকটি বাগের বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেলের সামনে এক বস্তা গাঁজা ফেলে ধাওয়ারত র‍্যাব সদস্যদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ সময় ইদ্রিস মোল্লা ট্রাকটিকে অনুসরণ করতে থাকেন। ময়মনসিংহের ভালুকার কাছে গিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন তিনি। তখন ট্রাকটি ইদ্রিসকে চাপা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইদ্রিস মোল্লা মারা যান। পরে ট্রাকটিকে ভালুকা থেকে জব্দ করা হয়। তবে ট্রাকচালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে যান।

র‌্যাবের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘটনায় ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ট্রাকচালক ও তাঁর সহকারীকে আটকে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। নিহত ইদ্রিস মোল্লার বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওরের কেল্লাই গ্রামে। ২০১১ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন তিনি। পরে ২০১৯ সালে প্রেষণে র‌্যাবে যোগদান করেন।

দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

ইউনিক ডেস্ক : মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৭৪ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৩২৬ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৪০ হাজার ৫৯২ জন। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৪৬২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ২২৯ জন। এর আগে শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ২৯১ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১৩ জন।

নির্বাচনী সহিংসতায় পটিয়ায় কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত

ইউনিক ডেস্ক : চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দুই কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় আবদুল মাবুদ নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বর্তমান কাউন্সিলর আবদুল মান্নানের ছোট ভাই বলে জানা গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো চারজন।

পৌরসভা এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই কেন্দ্রের সামনের তিনটি দোকান ও একটি আনসার ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পরই দুই কাউন্সিল পদপ্রার্থী আবদুল মান্নান ও সরোয়ার কামাল রাজিবকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান আবদুল মাবুদ। এরই মধ্যে ওই এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেছেন, ‘দক্ষিণ গোবিন্দারখিল ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে সহিংসতায় একজন নিহত হয়েছেন বলে শুনেছি।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. তারিকুর রহমান জানিয়েছেন, ইভিএমের মাধ্যমে পটিয়া পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রশাসনের লোকজন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পটিয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২০ হাজার ৯২৫ জন ও নারী ভোটার ১৮ হাজার ৮৬২ জন। পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে ১৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

কেসিসি’র সংরক্ষিত ১০ আসনের নির্বাচনে লিলি নির্বাচিত

ইউনিক প্রতিনিধি : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ১০নং আসনে উপ-নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেকসোনা কালাম লিলি ৭ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকাল ৮ টা থেকে ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন)-এর পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুস আলী জানান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ১০নং আসনে কাউন্সিলর লুৎফুন নেছা লুৎফার মৃত্যুতে আসনটি শুন্য হয়। সেকারনে এ আসনে ১৩ ফেব্রুয়ারি উপ-নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ৩৭ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৫ হাজার ১৫০জন। এই ভোটারদের মধ্যে ৮ হাজার ১১৬ ভোটার এ সংরক্ষিত ১০নং আসনে তাদের ভোট প্রদান করেন। প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেকসোনা কালাম লিলি আনারস প্রতীকে ৭ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকেয়া ফারুক বই প্রতীকে ৭৬৩ ভোট পেয়েছেন। শনিবার সকাল ৮টায় ৩৭টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীন ভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষ হয়। ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার ছিলো চোখে পড়ার মত। দুই প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের দুটি টিম এবং ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষনিক ভাবে নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল টিম হিসেবে তদারকি করেছেন। এছাড়া নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করতে ৩৭ জন্য প্রিজাইডিং অফিসার, ১৮৯জন সহকারি প্রিজাইডিং এবং ৩৭৮জন পোলিং অফিসার তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২৯,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ড নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং সংরক্ষিত আসন। এ আসনে তিনটি ওয়ার্ডে ৬৫ হাজার ১৫০ জন ভোটার। ভোট চলাকালে আনারস প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকদের পদচারণা থাকলেও বই প্রতীকের সমর্থকদের উপস্থিত ছিলো কম।

সরকার সবার জন্য করোনার ভ্যাকসিন নিশ্চিত করবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সরকার সবার জন্য করোনার ভ্যাকসিন নিশ্চিত করবে। প্রথমদিকে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকলেও এখন সবাই আগ্রহভরে টিকা নিচ্ছে। আমরা তিন কোটি ডোজ টিকা কিনে রেখেছি। তাছাড়া ভারত ২০ লাখ ডোজ দিয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দেশও দিতে চাচ্ছে আমরা সবগুলো নেব, যাতে আমরা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত সবার জন্য এই টিকার ব্যবস্থা করতে পারি।’

রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুমুদিনি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ক্যানসার রিসার্চের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘করোনা মোকাবিলা করতে যা যা করা দরকার আমরা তা করে যাচ্ছি। ভ্যাকসিন দেওয়ার পরেও সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরে থাকতে হবে, হাত ধুতে হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। যারা ভ্যাকসিন নিচ্ছি পাশাপাশি যেন স্বাস্থ্য সুরক্ষাটা মেনে চলি। তাহলে আমরা আশা করি আমাদের দেশ থেকে এই প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি চলে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যখন রিসার্চ চলছিল তখন আমরা অগ্রিম টাকা দিয়ে রেখেছি এই কারণেই যেন শুরুতেই আমরা টিকাটা পেতে পারি। আমাদের অনেক ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। কাজেই আমাদের দেশের মানুষের সুরক্ষা তাছাড়া যারা চিকিৎসা দিচ্ছে বা মানুষের পাশে থাকছে অথবা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের সবার সুরক্ষার জন্য টিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক ক্ষেত্রে পেছনে পড়ে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে নার্সদের শুধু ডিপ্লোমা নার্সিং ছিল, গ্রাজ্যুয়েশন ছিল না। ‘৭৫ সালের পর ২১ বছর যারা সরকার পরিচালনা করেছিল একে তো অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল। তারপর ক্ষমতাটা তাদের কাছে ছিল একটা ভোগের বস্তু, নিজের ভাগ্য গড়ার বস্তু, দেশের মানুষের কল্যাণ করার কথা তারা কখনও চিন্তা করে নাই। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্যের। আমরা সরকারে আসার পর থেকে এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রচেষ্টা চালাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করছি। তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছি। প্রতিটি জেলায় সরকারি অথবা বেসরকারি উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি, মেডিক্যাল কলেজ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছি। উন্নত মানের হাসপাতাল করে দিচ্ছি। ডাক্তার নার্স নিয়োগ দিয়েছি। যেন আমাদের দেশের মানুষ অন্তত এই চিকিৎসাটা পায়, তার ব্যবস্থা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অনেকের একটু দ্বিধা দ্বন্দ্ব ছিল। তবে সাহসী ভূমিকা রেখেছে আমাদের কুমুদিনী হাসপাতালে নার্স। এখন আর আমাদের কোনও সমস্যা নাই, এখন সবাই খুব আগ্রহভরে চলে আসছে, উৎসাহে চলে আসছে টিকা নিতে। তিনি স্বাস্থ্য সেবায় কুমুদিনী হাসপাতালের প্রশংসা করেন।’

মেডিক্যাল গবেষণা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশে রিসার্সের সুযোগটা খুবই কম। বিশেষ করে মেডিক্যাল সায়েন্সের রিসার্স খুব বেশি একটা হচ্ছে না। যেটা হওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন। আসলে যাদের রিসার্স করার কথা সকলেই ডাক্তার হয়ে রোগী দেখতে এত ব্যস্ত, বসে রিসার্স- খুবই হাতে গোনা কয়জনকে আমি দেখি, তাদের পাবলিকেশন এবং রিসার্স করে।’

তিনি বলেন, ক্যানসার এমন একটা রোগ, আজকে এমন তার প্রার্দুভাব হচ্ছে, কিন্তু দুর্ভাগ্য তার যে প্রকৃত ডায়াগনোসিস করা বা সেভাবে আমাদেশের পরিবেশ, আবহাওয়া, জলবায়ুর সঙ্গে এই ক্যান্সার কিভাবে বিস্তার লাভ করে তার ওপর রিসার্স করা বা এটার চিকিৎসা করবার জন্য যে রিসার্স দরকার সেটা খুব কম আমাদের দেশে হয়।

নারায়ণগঞ্জের কুমুদিনী কমপ্লেক্স প্রান্তে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক , নারায়ণগঞ্জ সিটি করপেরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতি সাহা।

১৫ কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে ৫০০ কোটি টাকা তুলতে চায়

ইউনিক ডেস্ক : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করতে চায় ১৫টি কোম্পানি। ইতোমধ্যে কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন জমা দিয়েছে।

কোম্পানিগুলো হলো, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, বিডি পেইন্টস, থ্রি এঙ্গেল মেরিন, মাস্টার ফিড এগ্রোটেক, বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, অনিক ট্রিমস, কৃষিবিদ ফিড, সুব্রা সিস্টেমস, একমি পেস্টিসাইড, বেকা গার্মেন্টস অ্যান্ড ট্রেক্সটাইল ও জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্মলক্যাপ প্লাটফর্মের কৃষিবিদ সিড ও নাইলকো অ্যালয়স।

জানা গেছে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

১৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট। ২০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় বিডি পেইন্টস। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে সিএপিএম অ্যাডভাইজরি, ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস ও মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট। ৩২ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় থ্রি এঙ্গেল মেরিন। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে বাংকো ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।

একই পদ্ধতিতে ৩০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় মাস্টার ফিড এগ্রোটেক। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনার্স ইনভেস্টমেন্ট ও এনবিএল ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট। ১৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে ইউনিক্যাপ ইনভেস্টমেন্ট ও বিএলআই ক্যাপিটাল।

২৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল, ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস। ৩০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় অনিক ট্রিমস। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল, সিএপিএম অ্যাডভাইজরি ও রূপালী ইনভেস্টমেন্ট।

৩০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করতে চায় কৃষিবিদ ফিড। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এমটিবি ক্যাপিটাল। ৩০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় সুব্রা সিস্টেমস। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল। ৩০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় একমি পেস্টিসাইড। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে শাহজালাল ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট। ৩৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় বেকা গার্মেন্টস অ্যান্ড ট্রেক্সটাইল। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায় জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।

এছাড়া স্মলক্যাপ প্লাটফর্মে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে কৃষিবিদ সিড ১৮ কোটি টাকা এবং নাইলকো অ্যালয়স ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করতে চায়।

এই হিসেবে এই ১৫টি কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে ৪৯৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করার অপেক্ষায় রয়েছে।

এর মধ্যে আইপিও’র জন্য জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট, মাস্টার ফিড এগ্রোটেক, বেকা গার্মেন্টস অ্যান্ড ট্রেক্সটাইল ও থ্রি অ্যাঙ্গেল মেরিন পুনরায় আবেদন করেছে।

এর আগে জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং, বিডি পেইন্টস লিমিটেড, থ্রি এঙ্গেল মেরিন, বেকা গার্মেন্টস অ্যান্ড ট্রেক্সটাইল ও মাস্টার ফিড এগ্রোটেকের আইপিও আবেদন বাতিল করা হয়েছিল। এ কোম্পানিগুলো কমিশনের এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছে।

বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, অরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও অনিক ট্রিমস লিমিটেডের আইপিও আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে।

আর সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, কৃষিবিদ ফিড লিমিটেড, সুব্রা সিস্টেমস, একমি পেস্টিসাইডস, কৃষিবিদ সিড ও নাইলকো অ্যালয়স নতুন করে বিএসইসির কাছে আইপিও আবেদন করেছে।

এ বিষয়ে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি অধ্যাপক আবু আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বেশিরভাগ দুর্বল কোম্পানিগুলোই শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে চায়। মূলত দুর্বল কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের কারণে শেয়ারবাজার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে অনেক ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে অনীহা রয়েছে।’

এদিকে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘সব আইন-কানুন পরিপালন সাপেক্ষে আবেদন করা কোম্পানিগুলোর আইপিও অনুমোদন দেওয়া হবে। শেয়ারবাজারের গভীরতা বাড়াতে মৌলভিত্তিসম্পন্ন ছোট-বড় সব কোম্পানির তালিকাভুক্তিকে বিএসইসি স্বাগত জানায় বলেও তিনি মন্তব‌্য করেন।

ভাসানচর যাচ্ছেন আরো সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা

ইউনিক ডেস্ক : চতুর্থ দফায় চলতি সপ্তাহে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ শরনার্থী ক্যাম্প থেকে ভাষানচর যাচ্ছেন আরো সাড়ে ৩ হাজার রোহিঙ্গা সদস্য। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার তাদের টেকনাফের উখিয়া ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখান থেকে বাসযোগে সড়ক পথে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা বিএফ শাহিন কলেজ মাঠের ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হবে। সেখান থেকে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর ৪টি জাহাজ যোগে তাদের ভাষানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছুর-দ্দৌজা নয়ন। তিনি জানান, চতুর্থ দফায় যেসব রোহিঙ্গা সদস্য স্বেচ্ছায় ভাষানচর যেতে আগ্রহী তাদের নাম নিবন্ধন করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই তাদের ভাষানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতোমধ্যে আগ্রহী রোহিঙ্গা সদস্যদের উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠের অস্থায়ী ট্রানজিক ক্যাম্পে এনে নিবন্ধন করানো হচ্ছে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘিঞ্জি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে ভাষানচরে উন্নত সুযোগ সুবিধা থাকায় রোহিঙ্গারা ভাষানচরে যেতে আগ্রহী হচ্ছে বলে জানান শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। উল্লেখ্য গত তিন দফায় স্বেচ্ছায় ভাষানচর গেছেন ৬ হাজার ৭০০ রোহিঙ্গা। চতুর্থ দফায় যাচ্ছেন আরো সাড়ে তিন হাজার। ভাষানচরে যারা গেছেন তারা সেখানে উন্নত জীবন যাপনের সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। তারা আত্মীয়স্বজনকেও ভাষানচর যেতে বার্তা পাঠাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশের হামলায় আহত ১১৯, গ্রেফতার ২১ : রিজভী

ঢাকা : জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশ চলাকালে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এতে আহত হয়েছেন ১১৯ জন। সমাবেশ থেকে ২১ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। রিজভী বলেন, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য মতে পুলিশের হামলায় আহত হয়েছেন ১১৯ জনের অধিক নেতাকর্মী। পুলিশ গ্রেফতার করেছে ২১ জনের অধিক নেতাকর্মীকে। তিনি বলেন, প্রেসক্লাবে বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলা, নেতাকর্মীদের গুরুতর আহত ও গ্রেফতার করার ঘটনায় আমি বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। তিনি বলেন, পুলিশের হামলায় আহত হয়েছেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান শিমুল, তিতুমীর কলেজের সাবেক ভিপি হানিফ, ঢাকা মহানগর উত্তর সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম নকী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বিএনপির মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক সরদার নুরুজ্জামান, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সফিকুল ইসলাম, ছাত্রদল উত্তর নেতা সাজ্জাদ হোসেন রুবেল।