পাইকগাছা হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু

মোঃ আসাদুল ইসলাম, পাইকগাছা : পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতালের প্রধান, মেডিকেল অফিসার ও নার্সদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, খারাপ আচরণ,ঘুষ দাবি সহ চিকিৎসা অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু ঘটনার প্রতিবাদে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ বেমালুম অস্বীকার করেছে ।

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত সাজ্জাদ আলী সরদারের ছেলে আবু দাউদ মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে তার লিখিত বক্তব্য বলেন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৩০) গর্ভবতী হয়ে মাতৃ স্বাস্থ্য ভাউচার কার্ড প্রাপ্ত হয়। সরকারি ভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার নিয়ম থাকলেও প্রসবপূর্ব তিনটি সেবা রক্ত,প্রসাব পরীক্ষা, নিরাপদ প্রসব সেবা, গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন এবং পরবর্তী কোন জটিলতা সেবা, সিজারিয়ান অপারেশন ও ঔষধ প্রদান ইত্যাদি কোন সেবাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রদান করে নাই।১৬ জানুয়ারি আমার স্ত্রীকে সকালে ডেলিভারী করাতে হাসপাতালে ভর্তি করি । উপজেলা হাসপাতালর প্রধান ডাঃ নিতীশ চন্দ্র গোলদার, মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুজন কুমার,নার্স সুমাইয়া, হামিদা ও রেহেনা কোন সেবা না দিয়ে ১৭/১/২১ তারিখে দুপুরে তাদের কে অনুরোধ করে ২ হাজার টাকা দিয়ে ও আমার টাকায় ঔষধ কিনে অপারেশন করি । তাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে সদ্যজাত নবজাতক শিশু শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়লে খুলনা শিশু হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায় । তিনি আরো বলেন তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণ ,ঘুষ, অনিয়ম দুর্নীতির কারণে তার এ সন্তান মারা গেছে ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প, কর্মকর্তা ডাঃ নিতীশ চন্দ্র গোলদার জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা অমুলক,মিথ্যা ভিত্তিহীন। তাছাড়া এ বিষয় একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে সত্যতা যাচাই করা হবে ।
মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুজন কুমার বলেন ,ঘুষ ছাড়াই দাউদের স্ত্রী ফাতেমা কে যথাযথ সুচিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নবজাতক অসুস্থ হতে পারে, এটা স্বাভাবিক, অসুস্থ হলে সংগে সংগে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা প্রেরন করা হয়েছিল । নবজাতক সেখানেই মারা গেছে । আমাদের করার কিছু নেই ।

ফুলতলায় টিউশনীর পাওনা টাকা চাওয়ায় স্বামী পরিত্যাক্তার উপর হামলা

তাপস কুমার বিশ্বাস,ডেক্স রিপোর্টঃ ফুলতলার জামিরা গ্রামে টিউশনীর পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী প্রতিবেশী কামরুল গাজী (৪৬) ও তার বোন লাকি বেগম (৩০) এর হামলায় গৃহ শিক্ষিকার মাতা স্বামী পরিত্যাক্তা তহমিনা বেগম (৪২) গুরুতর আহত হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও কোন আসামী আটক হয়নি।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, জামিরা গ্রামের আঃ রশিদ গাজীর কন্যা ও স্বামী পরিত্যাক্তা তহমিনা বেগম গ্রামে গ্রামে শাড়ী বিক্রি করে তার দশম শ্রেণিতে পড়–য়া একমাত্র কন্যা তাসনুর তাজ (১৬) কে নিয়ে পিত্রালয়ে অবস্থান করেন। এদিকে জামিরা বাজার আসমোতিয়া স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী তাসনুর তাজ আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে প্রতিবেশী লাকি বেগমের পুত্র স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের সাকিব চতুর্থ শ্রেণির এবং রাকিব দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রকে তাদের বাড়িতে গিয়ে পাঠদান করায়। কিন্তু গৃহশিক্ষিকা তাসনুর তাজ বিগত কয়েক মাসের টিউশনির টাকা না পাওয়ায় গত শুক্রবার আনুমানিক সকাল ৮টায় তার মা তহমিনা বেগম টাকা চাইতে লাকি বেগমদের বাড়ি যান। টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক পর্যায়ে লাকি বেগম ও তার ভাই কামরুল গাজী রান্না ঘর থেকে বটি ও কাঠ এনে তহমিনা বেগমের উপর হামলা ও বেধড়ক মারপিট করে। এতে তিনি গুরুতর জখম ও জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে তহমিনা বেগম বাদি হয়ে কামরুল গাজী ও লাকি বেগমকে আসামী করে ফুলতলা থানায় মামলা (নং-৬, ২/২১) দায়ের করেন। তবে কোন আসামী আটক হয়নি।

ঝিনাইদহে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবকের মৃত্যু

ঝিনাইদহ : গ্রাম্য শালিসকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ সদরের পাকা গ্রামে আহত ইমরান হোসেন (২৬) মারা গেছেন। সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। ইমরান হোসেন ঝিনাইদহ সদরের পাকা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। এ ঘটনায় চারটি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের লুট হওয়া চারটি গরু আব্দুল মালেকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানায়, পাকা গ্রামের ইন্তার ছেলে আমিন হোসেন গত ১১ ফেব্রুয়ারি একই গ্রামের টিপুর ছেলে মুস্তাক হোসেনকে (১১) ফুঁসলিয়ে ফরিদপুরে নিয়ে যান। পরে ওইদিন রাতে পরিবারের লোকজন মুস্তাককে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে এ ঘটনা নিয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পাকা গ্রামে শালিস বসে। সেসময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা পরে মারামারিতে রূপ নেয়। এতে ইমরান হোসেন ও জীবন নামে দুই যুবক গুরুতর আহত হন। পরিবারের লোকজন তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ইমরানের অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে ফরিদপুর ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে ইমরান মারা যান। মৃত্যুর খবর গ্রামে এলে প্রতিপক্ষ আব্দুল বাতেন, শফিউদ্দীন, আব্দুর রশিদ ও কামরুজ্জানের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। ওইসময় লুট করা গরু উদ্ধার করে তা মালিক আব্দুর রশিদের পরিবারের কাছে বুঝে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কালিয়ায় নসিমন উল্টে ড্রাইভারের মৃত্যু

নড়াইল : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাঁন্দেরচর এলাকায় নসিমন উল্টে চালক ইকবাল মোল্লার (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইকবাল চান্দেরচর গ্রামের সাহেব মোল্লার ছেলে। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে ইকবাল চাঁন্দেরচর থেকে নসিমনে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে মহাজন বাজারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে কাঠাদুর নামকস্থানে ব্রিজে উঠতে গিয়ে নসিমন উল্টে খালে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ইকবাল মোল্লাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: রেজয়ান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে নসিমনে থাকা কোনো যাত্রীর তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

সৌদিতে খুলনা পাইকগাছার আবিরন হত্যায় গৃহকত্রীর মৃত্যুদণ্ড

ইউনিক ডেস্ক : সৌদি আরবে এক বাংলাদেশি গৃহকর্মীকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গৃহকর্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড এবং গৃহকর্তাকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছে দেশটির অপরাধ আদালত। মামলার প্রধান আসামী গৃহকত্রী আয়েশা আল জিজানীর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত এবং সুনির্দিষ্টভাবে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের দায়ে আদালত কেসাস বা ‘জানের বদলে জানের’ রায় প্রদান করে। আদালত এ রায় ঘোষণা করে ১৫ই ফেব্রুয়ারি। ওই মামলায় গৃহকর্তা বাসেম সালেমের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের আলামত ধ্বংস, আবিরন বেগমকে নিজ বাসার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় কাজে পাঠানো ও চিকিৎসার ব্যবস্থা না করার অভিযোগে মোট ৩ বছর ২ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। সেইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জমা দিতে বলা হয়েছে। মামলার তৃতীয় আসামী সৌদি দম্পতির ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট থাকার কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে আবিরন বেগমকে বিভিন্নভাবে অসহযোগিতা করায় তাকে সাত মাস কিশোর সংশোধনাগারে থাকার আদেশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবের রিয়াদের শ্রম কল্যাণ উইং এর এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। সৌদি আরবে কোন বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় এই প্রথম কারো মৃত্যুদণ্ড হলো। তবে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। খুলনার পাইকগাছার বাসিন্দা আবিরন বেগম স্থানীয় এক দালালের সাহায্যে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ২০১৭ সালে সৌদি আরবে যান গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে। এরপর ২০১৯ সালের ২৪শে মার্চ রিয়াদের আজিজিয়ায় তিনি নিহত হন। তার মরদেহের ফরেনসিক প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। তারপরই দেশটির পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তবে আবিরনের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দিলে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহায়তার হত্যাকাণ্ডের ৭ মাস পর ওই বছরের ১৪ই অক্টোবর তার মরদেহ দেশে ফেরানো হয়। মরদেহের সঙ্গে আসা আবিরনের মৃত্যু সনদে মৃত্যুর কারণ “হত্যা” কথাটি লেখা ছিল। পরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিহতের পরিবার, নিয়োগকারী সংস্থা, মন্ত্রণালয়, দূতাবাস সব জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকেই মধ্যবয়সী আবিরনকে পিটিয়ে, গরম পানিতে ঝলসে এবং আরও নানাভাবে নির্যাতন করা হয়। সাত মাস সেখানকার এক মর্গে আবিরনের লাশ পড়ে ছিল। প্রতিবেদনে এদেশের অভিযুক্তদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুপারিশ করা হয়। এরপর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবিরন হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ। আবিরনের মৃত্যুতে সৌদি আরবের আদালত দুঃখ প্রকাশ করেছেন। গত ৬ই জানুয়ারি এই মামলার সবশেষ শুনানি ছিল। এ সময় আদালত নিহতের পরিবারের দাবি জানতে চাইলে দূতাবাস প্রতিনিধিরা জানিয়েছিলেন যে তারা কেসাস চান। আসামীপক্ষের আইনজীবী গৃহকর্তা বাসেম সালেমির জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেয়। ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তথ্য মতে, গত পাঁচ বছরে ৫ শতাধিক নারী শ্রমিকের অপমৃত্যু। যার বেশিরভাগই হয়েছে সৌদি আরবে। কিন্তু এসব অপমৃত্যুর ঘটনার কোনটি আদালত পর্যন্ত গড়ায় না। এবারই প্রথমবারের মতো কোন বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় রায় এলো।

কৃষিবিদ দিবসে খুবিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা

ইউনিক প্রতিনিধি : ‘বঙ্গবন্ধুর অবদান, কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান’ শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিবিদ দিবস উদযাপিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে সোমবার বেলা ১২টায় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সামনে দিয়ে হাদী চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে সেখানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেছিলেন। তাঁর এই ঘোষণা ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী এবং সদ্য স্বাধীন দেশের কৃষির সমৃদ্ধির জন্য যুগোপযোগী। যার ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও পরিকল্পনায় কৃষিবিদদের অবদানে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কৃষিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যার ফলে আজ ধান, মাছ, শাক-সবজি, ফল এসব কৃষিপণ্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ ৭ম স্থানের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, পেটে খিদে থাকলে কোনো মানুষ সামনে এগোতে পারে না। সৃজনশীল বা কর্মমুখী হতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষের আজ ক্ষুধা নেই, তাই মানুষ আজ বিভিন্ন পেশায় ভালভাবে কাজ করছে। ফলে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এক সময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ আজ খাদ্য রপ্তানির দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানভিত্তিক ডিসিপ্লিনসমূহের গবেষণা কার্যক্রমকে সমন্বিত করে এক্ষেত্রে আরও অবদান রাখার জন্য আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. সালমা বেগম, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সরোয়ার। স্বাগত বক্তৃতা করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মারুফ বিল্লাহ। এসময় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনসহ জীববিজ্ঞান স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কেডিএ’র সামনে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির অবস্থান কর্মসূচি

ইউনিক প্রতিনিধি : অপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ও নিয়ম বহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ, প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নে সকল অনিয়ম দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্নীতি বন্ধ, রূপসা বাইপাস শিপইয়ার্ড রোড, নিরালা রোড, গল্লামারী থেকে রায়েরমহল, আড়ংঘাটা থেকে রায়েরমহল সড়কের কাজ দ্রুত শুরু, বিদায়ী চেয়ারম্যান আবুল মকিম সরকারের দুর্নীতি-অনিয়ম তদন্ত, কেডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধি নিয়োগের দাবিতে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি’র উদ্যোগে সোমবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কেডিএ-এর সম্মুখে অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়। অবস্থানে ধর্মঘটে খুলনার সকল রাজনৈতিক, কেসিসি’র কাউন্সিলর, পেশাজীবী, সামাজিক ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি’র সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোঃ জাফর ইমাম, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শ্যামল সিংহ রায়, বিএনপি মহিলা দলের সভাপতি অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, কেসিসি প্যানেল মেয়র মোঃ আমিনুল ইসলাম মুন্না, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাউন্সিলর মোঃ আনিসুর রহমান বিশ্বাস, কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাকন, কাউন্সিলর জেড এ মাহামুদ ডন, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু কাজী, কাউন্সিলর ওয়াদুদ মুন্সী, কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ পিণ্টু, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনি, কাউন্সিলর শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, কাউন্সিলর ডালিম হাওলাদার, সংরক্ষিত কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, সংরক্ষিত কাউন্সিলর কণিকা সাহা, সাবেক কাউন্সিলর মামুনুরা জাকির খুকুমনি, নাগরিক নেতা এড. আ ফ ম মহসীন, সুজন সম্পাদক এড. কুদরত-ই-খুদা, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা মহানগর সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম, উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি শেখ মোশাররফ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফারুখ হাসানা হিটলু, চেম্বার পরিচালক মফিদুল ইসলাম টুটুল, দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) খুলনা সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, শিক্ষক নেতা লিয়াকত হোসেন, রেজাউল ইসলাম, শেখ জাহিদুজ্জামান, তৌহিদুজ্জামান, শহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, নাসিমা বেগম, আমরা খুলনাবাসীর সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর আলম খোকন, জাতীয় পার্টি নেতা মোঃ তোবারেক হোসেন তপু, নারী নেত্রী রসু আক্তার, উন্নয়ন কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আবুল বাশার, মিজানুর রহমান বাবু, কোষাধ্যক্ষ মিনা আজিজুর রহমান, আজিজুল ইসলাম আরজু, যুগ্ম মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান জিয়া, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, মীর বরকত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মনিরুল ইসলাম, যুব ইউনিয়ন মহানগর সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, শেখ আবিদ উল্লাহ, মংলা বন্দর ব্যবহারকারী নেতা আলহাজ্ব মিজানুর রহমান টিংকু, রকিব উদ্দিন ফরাজী, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন আন্দোলনের চেয়ারম্যান শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা সমন্বয়কারী মুনীর চৌধুরী সোহেল, আগুয়ান ৭১-এর সভাপতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী, আবিদ হাসান শান্ত, উন্নয়ন ফোরামের মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, সালাম ঢালী, খুলনা উন্নয়ন পরিষদের বাচ্চু, নিসচা’র জেলা সভাপতি মোঃ হাছিবুর রহমান হাছিব, নগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক আজম খান, নারীনেত্রী ইসরাত আরা হিরা, ইদ্রিস আলী খান, এস এম দেলোয়ার হোসেন, বিশ্বাস জাফর আহমেদ, আব্দুস সালাম, ইলিয়াস মোল্লা, শেখ আব্দুস সালাম প্রমুখ। অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন একটি জনপ্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান, এর সাথে কেডিএ, ওয়াসা, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, সড়ক ও জনপথ সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন না হলে সকল সেবা থেকে নগরবাসী বঞ্চিত হবে। কেডিএ-এর চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধি নিয়োগের মাধ্যমে খুলনার উন্নয়ন গতিশীল করা, কেডিএ-এর প্রকল্প বাস্তবায়নে জনভোগান্তি এবং অপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ও নিয়ম বহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ এবং ৫০ বছরের উন্নয়নকে সামনে রেখে পরিকল্পিত নগর পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান হয়। বর্তমান সরকার খুলনার উন্নয়নে এক প্রকল্পে একাধিকবার অর্থ বরাদ্দ দিলেও কেডিএ-এর ব্যর্থতার কারণে কোনো প্রকল্পই সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে না, যার কারণে নগরবাসী কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল ভোগ করতে পারছে না। নগরবাসী এতে থেকে মুক্তি চায়।

কয়রায় যুবকের আত্মহত্যা

কয়রা : কয়রা উপজেলাধীন কয়রা সদর ইউনিয়নের ২ নং কয়রা (খালের গোড়া) এলাকায় গলায় রশি দিয়ে সাইদুল ইসলাম (২৩) নামে এক যুবকের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। নিহত সাইদুল একই এলাকার মৃত আব্দু রশিদ মোড়লের পুত্র। জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে রাতে খাওয়ার পর সাইদুল তার বসত ঘরের পিছনে নারিকেল গাছে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এব্যাপারে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হোসেন বলেন, ‘নিহত সাইদুল আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। তবে হত্যা কি আত্মহত্যা তার সঠিকতা জানার জন্য লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

ইলিশধরা চোরাই নৌকাসহ চার যুবক আটক

শরণখোলা প্রতিনিধি : বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানি থেকে ইঞ্জিনচালিত একটি ইলিশ ধরা নৌকা চুরি করে বিক্রির উদ্দেশে বাগেরহাটের শরণখোলায় নিয়ে আসে চার যুবক। দুর্ভাগ্যক্রমে নৌকাটি ভাটিরটানে নদীর চরে আটকে যাওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে তারা।
তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের জলেরঘাট এলাকার নদীর চর থেকে নৌকাসহ তাদেরকে আটক করেন। প্রায় সাড়ে চারহাজার ফুট ইলিশ ধরা জালও পাওয়া গেছে নৌকাটিতে। জাল, ইঞ্জিনসহ নৗকাটি মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা।
আটক চার যুকব হলেন চরদুয়ানি এলাকার জাকির বিশ্বাসের ছেলে রুবেল বিশ্বাস (২১) ও জুয়েল বিশ্বাস (২২), খলিল সিকদারের ছেলে শাহিন সিকদার (২৫) এবং মোতালেব বিশ্বাসের ছেলে মহিদবুল বিশ্বাস (২৮)। ইঞ্জিনচালিত ওই নৌকার মালিক পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী বাদশা মিয়ার বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শরণখোলার তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) মো. হারুনুর রশিদ জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে ইঞ্জিনচালিত চোরাই নৌকার সন্ধান পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চার যুবককে আটক করা হয়। ভাটির কারণে নৌকাটি জলেরঘাটে নদীর চরে আটকে পড়ায় তারা পালাতে পারেনি। চরদুয়ানির মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বাদশা মিয়ার নৌকাটি চুরি করে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে ওই চার যুবক।
আইসি হারুনুর রশিদ জানান, চার যুবক ফাঁড়িতে তাদের হেফাজতে রয়েছে। নৌকার মালিক পাথরঘাটা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার পর ওই থানার পুলিশের কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করা হবে।

অঙ্কিতাকে ধর্ষণ ও হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে স্মারকলিপি পেশ

ইউনিক প্রতিনিধি : দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়া নাগরিক সমাজের পক্ষ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়ার ৩য় শ্রেণির ছাত্রী অঙ্কিতা দে ছোয়াকে ধর্ষণপূর্বক নৃশংসভাবে হত্যার মূল হোতা নরপশু প্রীতম রুদ্রের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে খুলনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. কে এম ইকবাল হোসেনসহ সমিতির নেতৃবৃন্দের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। গত ২২ জানুয়ারি ধর্ষক প্রীতম রুদ্র অঙ্কিত দে ছোয়াকে শীতবন্ত্র দেয়ার কথা বলে তাদের বাড়ির ছাদে নিয়ে ধর্ষণপূর্বক নৃশংসভাবে হত্যা করে বস্তাবন্দী করে নিচতলার বাথরুমে ফেলে রাখে। অঙ্কিতা দে ছোয়ার অভিভাবকগণ তাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় জিডি করে। এমতাবস্থায় গত ২৮ জানুয়ারি দৌলতপুর থানা পুলিশ প্রীতম রুদ্রের বাড়ির নিচতলার বাথরুম থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অঙ্কিতা দে ছোয়ার লাশ উদ্ধার করে। সন্দেহভাজন হিসেবে প্রীতম রুদ্রসহ বেশকিছু লোককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে প্রীতম রুদ্র অঙ্কিতা দে ছোয়াকে ধর্ষণসহ নৃশংসভাবে হত্যার কথা স্বীকার করে, যা পরবর্তীতে খুলনা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সমস্ত ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে। ঘটনার পরবর্তীতে অঙ্কিতা দে ছোয়ার ধর্ষণসহ অমানবিক এ হত্যার প্রতিবাদে ধর্ষক ও হত্যাকারী নরপশুর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন সংগঠনসহ দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়া নাগরিক সমাজ সমাবেশ করে। এর ধারাবাহিকতায় আজ খুলনা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয় এবং ধর্ষক ও হত্যাকারী নরপশু প্রীতম রুদ্রের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আইনী সহযোগিতা চাও হয়। সাথে সাথে ধর্ষক ও হত্যাকারী নরপশু প্রীতম রুদ্রের পক্ষে খুলনার কোনো আইনজীবী আইনী সহায়তা প্রদান না করেন তারজন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়। এ সময়ে আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. সাইফুল ইসলাম বলেন, অঙ্কিতা দে ছোয়াকে যে ধর্ষণপূর্বক নৃশংসভাবে হত্যা করেছে সেই প্রীতম রুদ্রের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য খুলনা আইনজীবী সমিতি সর্বাত্মক আইনী সাহায্য-সহযোগিতা করবে। স্মারকলিপি প্রদান পরবর্তীতে বিকেল ৩:৩০টায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের নিকট স্মারকলিপি অনুলিপি প্রদানপূর্বক মতবিনিময় করা হয়। বিকেল ৪:১৫টায় খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানার নিকটও অনুলিপি প্রদানপূর্বক মতবিনিময় করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑনাগরিক সমাজের আহ্বায়ক নামুল হাসান পুলু, দৌলতপুর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বিজিএ চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী, খুলনা আইনজীবী সমিতির সাংস্কৃতিক সম্পাদক এড. আনোয়ারা সসতাজ আন্না, পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা, পূজা পরিষদ খুলনা মহানগর কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, পূজা পরিষদ দৌলতপুর থানার সভাপতি তিলক গোস্বামী, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দৌলতপুর থানা সভাপতি আশুতোস সাধু, সাধারণ সম্পাদক বলরাম দত্ত, সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ুন কবীর, উৎপল দত্ত, অলোক কুণ্ডু, দৌলতপুর থানা মহিলা আ্ওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ফারহানা নিপু, শঙ্কর দত্ত, বিকাশ কর, বীথিকা সাধু, স্বাধীন মোড়ল, সুশান্ত দে প্রমুখ।