তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের শক্তি ও আস্থার জায়গা : বাহাউদ্দিন নাছিম

বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি থাকবে। সেজন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো শেখ হাসিনাকে রক্ষায় ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি নেতাকর্মীদের পাহারায় থাকতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তৃণমূল কর্মী নির্ভর দল। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের শক্তি ও আস্থার জায়গা। তৃণমূল থেকেই যে কোন বিপদে আওয়ামী লীগকে রক্ষা করা হয়েছে। তাই তৃণমূলের নেতৃত্ব কোন অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া যাবে না। দলে হাইব্রিড, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের কোন স্থান নেই। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে সারাবিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে। কিন্তু এর পরও একটি বিরোধী সাম্প্রদায়িক ও অপশক্তি এদেশের মানুষকে উসকে দিয়ে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও সিরিয়া বানাতে চায়। অপশক্তিরা সুযোগ পেলেই আঘাত হানবে দেশের অস্তিত্বের ওপর। তাই আমাদের আত্মতৃপ্তিতে থাকার কোন সুযোগ নেই। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।

গতকাল শুক্রবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কর্মী সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। কামাল হোসেন তার বক্তৃতায় বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। আজ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ^ নেতৃত্ব অনুকরণ করছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সারা বিশে^ প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা দেশ ও বিদেশ থেকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিচ্ছে। তাই আমাদের সজাগ থাকতে হবে যাতে করে অপশক্তিরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে। তিনি বলেন, নীতি-আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমাদের জাতির পিতার আদর্শের সংগঠন সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত করতে হবে। এটাই জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং তিনি আমাদের যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা তা মেনে নেব। তিনি আরও বলেন, মানুষের সমর্থনের মধ্য দিয়ে আমরা গণতন্ত্রকে সমুন্নত ও টিকিয়ে রাখতে চাই। কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্জ তালুকদার আব্দুল খালেক। কর্মী সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুব লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান বাবু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক আহমেদ, সদর থানা আওয়ামী লীগের ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, খানজাহানআলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সুলতানা রহমান শিল্পী, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মীর বরকত আলী। সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্জ মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, আবুল কালাম আজাদ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবীর, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, মো. শাহাজাদা, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, আবুল কালাম আজাদ, এ্যাড. সরদার আনিছুর রহমান পপলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, অধ্যা. রুনু ইকবাল, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস, কাউন্সিলর ফকির সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, শহিদুল ইসলাম বন্দ, কাজী জাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, মো. মোতালেব হোসেন, পীর আলী, এ কে এম শাহজাহান কচি, অধ্যা. আদেল মুকুল, সফিকুর রহমান পলাশ, এম এ নাসিম, শেখ আবু হানিফ, চৌধুরী রায়হান ফরিদ, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর লিটন, মো. আমির হোসেন, মোঃ শহীদুল হাসান প্রমূখ সহ মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে খুলনা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লুৎফুন নেছা লুৎফার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত জানানঃ