পিসি রায় খুলনায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

পাইকগাছা (খুলনা) : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় নারী জাগরণে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি মানুষকে সুশিক্ষিত করার জন্য বৃহত্তর খুলনায় বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। একাধারে সমাজসেবী, অর্থনীতিবিদ, রসায়নবিদ, শিক্ষক, দার্শনিক, কবিসহ বহু প্রতিভার অধিকারী ছিলেন এই বাঙালি বিজ্ঞানী।

প্রতিমন্ত্রী আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়–লিতে বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পিসি রায় বেঙ্গল কেমিক্যালসের প্রতিষ্ঠাতা এবং মারকিউরাস নাইট্রাইট এর আবিষ্কারক। এই আবিষ্কারের ফলে বিশ^ব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিলো। মানবসেবায় তিনি কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার এই সৃজনশীল চিন্তা চেতনা ও কর্মকান্ড প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে সবাইকে জানাতে হবে। আজ পিসি রায়ের বাড়িটি ধ্বংস হতে চলেছে এবং কিছু অংশ এখনও বেদখলে রয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে বেদখল জমি উদ্ধার করে বাড়িটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, পাইকগাছা পৌরসভার মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, আচার্য পিসি রায় স্মৃতি পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু ও রাড়–লি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ। খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী পিসি রায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। সকালে তিনি কপিলমুনি বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং পাইকগাছা পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। দুপুরে কয়রা মসজিদকুড় পীর খানজাহান আলী (র:) মসজিদ, আমাদীঘি, পরিমলা কালি মন্দির পরিদর্শন করেন।