তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উদ্ধার করা হয়েছে রক্তমাখা ছোরা, জামা-কাপড় সহ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বেশকিছু আলামত। রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের ১৬৪ধারায় জবানবন্দির জন্যে আদালতে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে রাতুল জোয়ার্দ্দার নিহত জুয়েলের সহপাঠি ও সাগর শেখ একাদশ শ্রেণীর ১ম বর্ষের ছাত্র।
প্রসঙ্গত, শৈলকুপা উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের মাঠে গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে হত্যাকান্ডের শিকার হয় অষ্টমশ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী জুয়েল শেখ । সে স্থানীয় বেনীপুর হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র এবং সাদেকপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সন্ধার পর বাজারে কেরামবোর্ড খেলার সময় জুয়েল কে ডেকে নিয়ে যায় রাতুল এবং এর পরপরই নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হয় জুয়েল।
কেরাম খেলা ও প্রেমঘটিত কারণে কিশোর গ্যাং গ্রুপের বিরোধে এমন নির্মম ও নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটাতে পারে। তারা কিশোর হলেও বখে যায় ও ছোট-খাট অপরাধের সাথে জড়িত বলে স্থানীয় অনেকের অভিমত। অষ্টম শ্রেণীর সদ্যসমাপ্ত মডেলটেষ্ট পরীক্ষার ১ম দিনে এক শিক্ষক কে মারতে উদ্যত হয়েছিল নিহত জুয়েল শেখ। আটক রাতুল জোয়ার্দ্দার ও সাগর শেখের বাড়ি সাদেকপুর গ্রামেই ।
তবে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রহমান বলছেন কিশোর গ্যাং নয় বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যে ব্যাক্তিগত ছোটখাট বিরোধের জেরেই স্কুলছাত্র জুয়েল শেখ হত্যাকান্ডের শিকার হয়। আটককৃতরা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে এমনটি জানিয়েছে পুলিশ ।