পাইকগাছা-কয়রার সাবেক এমপি সোহরাব আলী সানার মতবিনিময়

পাইকগাছা প্রতিনিধি : খুলনা – ৬ কয়রা-পাইকগাছা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট সোহরাব আলী সানা গত ৩ ফেব্রয়ারী বেলা ১১ টায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন। তিনি কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম শফিকুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের সাথে তাদের কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন। এর আগে তিনি ডাকবাংলায় দলীয় নেতাকর্মী ,মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিকদ সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট কেরামত আলী ,কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ এ কে এম ফজলুল হক,সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম ইউনুছুর রহমান,
মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহাবুবুর রহমান, গোলাম রববানী, আ’লীগনেতা প্যানেল চেয়ারম্যান নাজমুস সাদাত, বাগালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার সানা, কয়রা সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সরদার জিয়াদ আলী, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল, উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী নিলিমা চক্রবর্তী, পাইকগাছা উপজেলা আ’লীগ নেতা জিএম একরামুল ইসলাম, মোরশেদ বাওয়ালী, কয়রা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুল্লাহ , সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান , মোঃ আনিসুজ্জামান, মোঃ আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। এরপর কয়রা থেকে ফিরে পাইকগাছার লস্কর ইউপির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তেজেন মন্ডলের বাবার জ্ঞাতি ভোজ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে কুশল ও মতবিনিময় করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আ’লীগ নেতা জি এম ইকরামুল ইসলাম, কাজী শাকাওয়াত হোসেন পাপ্পু, অখিল মন্ডল, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ্যাড. শেখ আবুল কালাম আজাদ, মোরশেদ ইয়াসিন,গোপাল মন্ডল, সিরাজুল ইসলাম, রমেশ মন্ডল, আনোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন,সুকৃতি সানা, রাম কৃষ্ণ প্রমুখ।

শীত থেকে বাঁচতে আগুনের উষ্ণতা : ঝরছে প্রাণ

গত দুই মাসে শিশুসহ মৃত্যু ৭

কামরুল হোসেন মনি : শীত থেকে বাঁচতে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝরছে মানুষের প্রাণ। সচেতনতার অভাবে এ রকম দুর্ঘটনায় প্রতিদিন ৩-৪ জন চিকিৎসা নিচ্ছে। যার মধ্যে মহিলা ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি। অধিকাংশই আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হচ্ছে। মৃত্যুর হাত থেকে অনেকে ফিরলেও পঙ্গুত্ব বরণ করছে। দিনকে দিন পোড়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে বেড স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। রোগীরা বেড না পেয়ে বারান্দায় চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোনো না কোনো জায়গা থেকে এ রকম দুর্ঘটনায় পড়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি হচ্ছেন। শীত থেকে বাচতে আগুনের উষ্ণতা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে মহিলা ও শিশুরাই বেশি দগ্ধ হচ্ছেন। বাবা- মায়ের অসাবধানতার কারণেই শিশুরা অগ্নিদগ্ধ হচ্ছে। গত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি খুমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে বিভিন্ন সময়ে অগ্নিদগ্ধ ও দুর্ঘটনায় ঝলসে গিয়ে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৭৯ জন। এ সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শিশুসহ ৭ জন।
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা: এটি এম মঞ্জুর মোর্শেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, খুমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক ইউনিট আরও সম্পাসরণ করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে আলোচনা অব্যহত রয়েছে। এই হাসপাতালকে ৫শ বেড পরিবর্তে ১ হাজার বেড রুপান্তরিত করার জন্য ইতিমধ্যে পত্র পেয়েছি। জায়গা স্বল্পতার কারণে বর্তমানে বার্ণ ও প্লাস্টিক ইউনিট বেড সংখ্যা বৃদ্ধি করার সম্ভব হচ্ছে না। এর মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: তরিকুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সরকার প্রত্যেক বিভাগে আলাদাভাবে বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনায় খুমেক হাসপাতালে ১শ শয্যা বেড চালুর সিদ্ধান্ত হয়েেেছ। যা আগে ৫০ শয্যা বেড চালুর প্রাথমিকভাবে অনুমোদন দেয়। এটা আমার আরও ৫০ শয্যা বৃদ্ধি করে ১শ শয্যা বেডের জন্য সুপারিশ করায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি একমত পোষন করেছেন। ওই ইউনিট চালুর জন্য প্রাথমিকভাবে খুমেক হাসপাতালের আইসিসিইউ জায়গা প্রাথমিকভাবে নির্ধারন করা হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক ইউনিটের সহকারি রেজিস্ট্রার ডা: নূরুল হুদা জনি এ প্রতিবেদককে বলেন, শীত যতই বৃদ্ধি পাচ্ছে ততই অগ্নিদগ্ধ ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে আগুন পোহাতে গিয়ে মহিলাসহ শিশুরাই বেশি দগ্ধ হচ্ছে। শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে বয়স্করা আগুনে পুড়ে যাওয়ায় দগ্ধ তালিকা বাড়ছে। কেউ বা পূজা করতে গিয়ে কুপির মাধ্যমেও অগ্নিদগ্ধ হচ্ছেন। শিশুরাও পুড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন আগুনে পুড়ে গিয়ে এখানে চিকিৎসা নিচ্ছে। তিনি বলেন, শীতের সময় শরীরে অতিরিক্ত কাপড় থাকে। এ সময় কোনোভাবে আগুন ধরে গেলে সব কাপড় খুলতে সময় লাগে। অথবা কখনো খোলার আগেই শরীরের আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শীতে বয়স্ক ও শিশুদের আগুনে পোহানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, যারা এই দুর্ঘটনায় পড়ছেন তার অধিকাংশই বয়স্ক।
খুমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক ইউনিটের সিনিয়ার স্টাফ নার্স সাবুরা খাতুন জানান, মহিলা ও পুরুষ সহ অনুমোদিত ১৫ বেড সহ মোট বেড সংখ্যা ৩৬টি। শীতের সময় পোড়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড সংকট দেখা দিয়েছে। তারপরে কোন পোড়া রোগী চিকিৎসা নিতে আসলে আমরা তাদেরকে ফেরত পাঠায় না। তাদেরকে সেবার দেওয়ার ব্যবস্থা করি। এই ইউনিটে জরুরিভাবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমান রয়েছে। কোন ঘাটতি নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ সূত্র মতে, সাধারণত জানুয়ারি মাসে শীতের প্রকোপ বাড়ার পর বিভিন্ন উপজেলায় আগুন পোহাতে গিয়ে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পেড়া রোগীসহ বিভিন্ন সময়ে দগ্ধ হয়ে ভর্তি হয়েছে ৯১ জন। এ সময়ে মারা যায় ৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ জন, মহিলা ১ জন ও শিশু (কন্যা) ১ জন। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে চিকিৎসাধীন ছিলো ৮৮ জন। এ সময়ে মারা ৪ জন। এর মধ্যে মহিলা মারা গেছে ৩ জন ও শিশু (কন্যা) মারা গেছে ১ জন।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৩৫ জন। যার মধ্যে মহিলা মৃত্যু ১৮ ও শিশু রয়েছে ৮। গত বছরের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৪ জন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অগ্নিদগ্ধসহ বিভিন্ন কারণে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮৬২ জনের মতো। এর মধ্যে মারা গেছে ৩৩ জন। যার মধ্যে মহিলা রয়েছে ১৭ জন ও শিশু রয়েছে ৮ জন। এর আগে ২০১৭ সালের গত এক বছরে আগুন পোহানো ও বিভিন্ন কারণে আগুনে ঝলসে যাওয়া রোগীর ভর্তি সংখ্যা ছিল ৭২৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩১ জন। এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫২ জনকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়েছি

চট্টগ্রাম ডিএনসি’র অভিযানে ইয়াবা-গাজাসহ আটক ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি)’র পৃথক অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৮শ পিস ইয়াবা ও এক কেজি ৪শ গ্রাম গাজাসহ মোট ১৫ জনকে আটক করেছেন। এদের মধ্যে ১৪ জনকে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদ- প্রদান করা হয়। এছাড়া একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভ্রম্যমান আদালত পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগরীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব নুরজাহান আক্তার সাথী।
চট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি)’র সূত্র মতে, ৩ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ের উপ পরিচালক মোঃ রাশেদুজ্জামান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরজাহান আক্তার সাথী এর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ের সকল সার্কেলর সমন্বয়ে মহানগরীর লালদিঘী,বাকলিয়া, ফিসারীঘাট ও স্টেশন রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জন মাদক সেবন কারীকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট নুরজাহান আক্তার সাথী ধৃত আসামীদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও অর্থ দন্ড প্রদান করেন।
অপর দিকে চাঁদগাঁও সার্কেল উপ পরিদর্শক মোঃ সানাউল্লাহ এর নেতৃত্বে বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দীন মোহাম্মদ এর পুত্র মোঃ জাকির হোসেন (২০)কে ১ হাজার ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন। পরে চাঁদগাঁও সার্কেল উপ পরিদর্শক মোঃ সানাউল্লাহ বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে

পাইকগাছায় লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন এর পদক লাভ

মোঃ আসাদুল ইসলাম : বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধি কোভিড-১৯ শুরুর দিকে চীনের উহান প্রদেশ থেকে সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে । ফলে প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিতে থাকে শত শত মানুষ যা পরবর্তীতে বৈশ্বিক মহামারীতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে করোনার ঢেউ বাংলাদেশে এসে পৌছায়। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকে পাইকগাছা উপজেলার ৬নং লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কে এম আরিফুজ্জামান (তুহিন) সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকার জনসাধারণ কে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাতে থাকেন। এ সময় তিনি সরকারী কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও রেখেছেন অসাধারণ ভূমিকা। জনগনের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি কয়েক হাজার লিফলেট ছাপিয়ে এলাকার জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করেছেন। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তিনি নিজ উদ্যোগে স্থাপন করেছেন কয়েকটি করোনা সচেতনতামূলক প্যানা। এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়ার লক্ষে তিনি শত শত মানুষের মাঝে সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেছেন। একপর্যায় করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশও অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এসময় ঘরবন্দি হয়ে পড়ে ইউনিয়নের হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ। ফলে সরকারী অনুদানের পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ ইউনিয়ন সহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের জনসাধারণের মাঝে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করতে থাকেন। সে সময় তিনি গভীর রাতে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষের দুয়ারে দুয়ারে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি করোনা রোগীদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। এক পর্যায় তিনি নিজেও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হন। সার্বিক বিবেচনায় করোনা মহামারীতে জনসচেতনতা এবং সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য এবার পেলেন অগ্রগামী মিডিয়া ভিশন এর পক্ষ থেকে শেরে বাংলা স্মৃতি পদক-২০২০ লস্কর ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে মানবিক চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।