দাকোপে করোনা প্রতিরোধক টিকাদান কার্যক্রম শুরু

দাকোপ প্রতিনিধি : মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দাকোপে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম। রবিবার সকালে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়।
হাসপাতালের প্রশিক্ষন প্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মিদের মাধ্যমে রবিবার সকাল ১০ করোনা প্রতিরোধক টিকা দেওয়া হয়। এ সময় দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ্বাস, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মর্তুজা খান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আকতার, দাকোপ থানার ওসি (তদন্ত) স্বপন কুমার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক নিজামীসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে প্রথম পর্যায়ে দাকোপে সাড়ে ৫ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। ৫৫ বছরের উপরে যাদের বয়স এবং সম্মুখ সারীর করোনা যোদ্ধারা প্রথম পর্যায়ে রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে এই টিকা গ্রহনের সুযোগ পাবে। গতকাল পর্যন্ত দাকোপে ৬০০ জন টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করেছে। যার মধ্যে প্রথম দিন ২৬০ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক। জাতীয় পরিচয় পত্র এবং মোবাইল নাম্বারসহ অনলাইন অথবা সরাসরি উপস্থিত হয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ফুলতলায় পুকুর থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের ৫৪দিন পর হত্যা মামলা

তাপস কুমার বিশ্বাস, ডেক্স রিপোর্টঃ খুলনার ফুলতলা থানার গাড়াখোলা গ্রামের একটি পুকুর থেকে একদিন বয়সী অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধারের ৫৪দিন পর থানায় হত্যা ও লাশ গোপন করার অপরাধে মামলা হয়েছে। থানার এসআই মধুসূদন পান্ডে বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে তিনি মামলা (নং-৬, তারিখ-০৬/০২/২১) দায়ের করেন।
এজাহারে জানা যায়, গত ১৩/১২/২০২০ইং তারিখ বিকালে গাড়াখোলা গ্রামস্থ জনৈক সামাদ সরদারের পুকুরের পানিতে অজ্ঞাত ১/২ দিন বয়সী মৃত নবজাতক পুত্র’র লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ রাম চন্দ্র মালাকর পুলিশে খবর দেয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ ইব্রাহীম গাজীসহ এলাকাবাসির সহযোগিতায় নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্নয়ের জন্য লাশটি ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ অতঃপর আদালতের অনুমতিক্রমে ডিএনএ নমুনা ও আলামত সিআইডির সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। ময়না তদন্তের রিপোর্ট (নং-৫১৯/২০) পর্যালোচনায় দেখা যায় শিশুটি জীবন্ত ভ‚মিষ্ট হওয়ার পর ঘটনাস্থলের (ঐ পুকুরে) পানিতে ফেলে দেওয়ায় তার মৃত্যু ঘটে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পর্যালোচনা ও মামলার সার্বিক তদন্তে ও এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদে স্পষ্ট যে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ ব্যক্তিরা ডিসেম্বর ১১ থেকে ১৩ তারিখের মধ্যে নবজাতককে পানিতে ফেলে রেখে হত্যা এবং তার লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ফেলে রাখে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

যশোরে চোলাই মদসহ গ্রেফতার ১

যশোর : যশোরে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান চোলাই মদ সহ বেল্লাল পাটোয়ারী (৪৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ রোববার রাতে অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে ১৫০ লিটার চোলাই মদসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে র‌্যাব৷ গ্রেফতারকৃত হলো অভয়নগর উপজেলার গোয়াখোলা এলাকার মৃত কালু পাটোয়ারীর ছেলে বেল্লাল পাটোয়ারী ১৫০লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার করা হয়৷
এক প্রেসবিঙ্গপ্তিতে কোম্পানি কমান্ডার লেঃ এম সারোয়ার হুসাইন এতথ্য নিশ্চিত করেন৷ র‌্যাব সুত্রে জানাযায়, রোববার রাত সাড়ে ৭টার দিকে অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৫০ লিটার চোলাই মদসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

যশোরে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

যশোর : যশোরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান পরিচালনা করে ৪শ পিচ ইয়াবা সহ ইরফান হোসেন(৪৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার হালসা গ্রাম থেকে আসামিকে গ্রেফতার করে এবং তার কাছ থেকে ৪শ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়৷ এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের এক প্রেসবিঙ্গপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়৷ গ্রেফতার আসামী হলো সদর উপজেলার আরিচপুর গ্রামের মৃত সুলতান সর্দারর ছেলে ইরফান হোসেন৷
ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সোমেন দাশ জানান, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার হালসা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ৷ এসময় ওই এলাকার আব্দুল কাদের কারিকরের ছেলে মনিরুল ইসলামের বসতবাড়ির সামনে ইটের ছলিং রাস্তার উপর হতে গ্রেফতার ইরফান হোসেনের কাছ থেকে ৪শ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়৷ কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷

পাইকগাছায় ছাগল পালনকারীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রজেক্ট(এনএটিপি-২) ফেইজ,২ প্রকল্পের আওতায় ছাগল পালন সিআইজি সমিতির অনুকূলে মাচা খাবার সহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার বিষ্ণুপদ বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন খুলনা) ডাঃ সুশান্ত কুমার হালদার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস,সহ-কারী শহিদুল ইসলাম, এল ইও,ডাঃ দেবব্রত কুমার স্বর, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম, এস এম কামরুল আবেদীন, মোঃ রকিবুজ্জামান, কামাল হোসেন, এফ এ শুভঙ্কর
গোলদার, অফিস সহয়ক ম্যাগী মল্লিক, মেঘলা সিল, মোঃ ফসিয়ার রহমান, মানসী অধিকারী, গোবিন্দ শীল, সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ছাগল পালন সিআইজি সমিতির অনুকূলে মাচা খাবার সহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।

সুন্দরবনের ধানসাগর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের কলমতেজী ও ধানসাগর ক্যাম্পের মাঝামাঝি এলাকার বনের অভ্যন্তরে আগুন লেগেছে। সোমবার দুপুরে ধানসাগর ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় বনে ভিতর দিয়ে ধোঁয়া উপতে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বনবিভাগকে খবর দেয়। এরপর দুপুর ১ টার দিকে ধানসাগর ক্যাম্পের ষ্টাফরা সেখানে ছুটে যান। বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্থানীয় লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা শুরু করেন। ইতিমধ্যে আগুন নিভানোর জন্য আগুন লাগার এলাকার চারপাশে ফায়ার লাইন কেটেছে বনবিভাগ। খবর পেয়ে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শরণখোলা ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌছেছে। সকলে মিলে আগুন নিভানোর চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে বনবিভাগ। তবে বনবিভাগ বলছে আগুন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের ধানসাগর ক্যাম্পের ওসি মো: বেল্লাল হোসেন বলেন, দুপুর ১টার দিকে তারা বনে আগুন লাগার খবর পান। তারপর তারা সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তা আগুন নিভানোর কাজ শুরু করেন। এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবী করেন তিনি। তবে কখন কিভাবে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা ব্যস্ততার কারণে নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি তিনি। আগুনে বনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও ঝুঁকি বিষয়টিও নিশ্চিত জানা যায়নি। আগুন লাগার ঘটনা জানতে বনবিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করছেন না।
উল্লেখ্য, এর আগেও ওই একই এলাকায় আরো কয়েকবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিলো। সেগুলো ছিল নাশকতামুল। অর্থাৎ বনের অভ্যন্তরের জলাশয়ের মাছ ধরা ও মাছ চাষের জন্য ছোট ছোট গুল্ম জাতীয় লতাপাতায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মাছ চাষ ও ধরার পরিবেশ সৃষ্টি করা কিংবা উপযোগী করে তোলার কাজ ছিলো সেটি।

পাইকগাছায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ঋণের চেক প্রদান

মোঃ আসাদুল ইসলাম, পাইকগাছা : পাইকগাছা উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে সোমবার সকালে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বেকারত্ব দূরীকরণে ২১ জনকে যুবক যুবতীকে ঋণ দেওয়া হয়েছে।রাজস্ব খাতে ১৮জন কে ৮ লক্ষ ২০হাজার টাকা ও প্রকল্প থেকে ৩জনকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার মোট ২১জনকে ৯লক্ষ ৭০ হাজার টাকা যুব ঋণের চেক প্রদান করা হয়েছে। যুব ঋণের চেক প্রদান করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল হক হাওলাদার ।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার দে, অফিস সহকারি রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, রবিউল ইসলাম, সহ ২১জন যুব ঋণের চেক প্রাপ্ত আত্মকর্মী যুবক -যুবতীরা ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দিঘলিয়ায় করোনা টিকা গ্রহণ করেন ইউএনও

ওয়াসিক রাজিব, দিঘলিয়া : খুলনা জেলায় এক যোগে করোনা টিকা গ্রহণ। সোমবার দুপুর ১ টার সময় দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ করোনা টিকা গ্রহণ করেন উপজেলা নিবাহি অফিসার মাহাবুবুল আলম। টিকা গ্রহণের পরে তার প্রতিকৃয়ায় জানায় অনেক ভাল লাগছে টিকা নিতেরে।কোন গুজবে কান না দিয়ে ৫৫ উদ্ধ সকল কে নিবন্ধন এর জন্য আহবান জানান।
তিনি সুস্থ তা বোধ করছেন। এ সময়ের আরও যারা টিকা গ্রহণ করেন উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার আলিমুজ্জাম,সাবেক সাংসদ শেখ শহিদুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ফিরোজ, মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার মোল্লা কামরুজ্জামান বাচ্চু,কামরুল ইসলাম সভাপতি শিক্ষাক সমিতি, কৃষি কমকর্তা।

আ’লীগ নেতা ইকরামুল চাঁদখালী ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী

মোঃ আসাদুল ইসলাম, পাইকগাছা : পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আ’লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী জি এম ইকরামুল ইসলাম সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তার সংক্ষিপ্ত জীবনী বর্ননা করা হলো।

আপনার পরিচয় কি? জি এম ইকরামুল ইসলাম , পিতা মৃত জি এম শাহাবান আলী,মাতা – মেহেরুন্নেসা ,গ্ৰাম-গজালিয়া , ইউনিয়ন-চাদখালী, পাইকগাছা, খুলনা।১৯৭০সালে ৫ ফেব্রয়ারী মধ্যেবিত্ব মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ।

আপনার শৈশবের স্মৃতি বলেন – আমি আমার পিতা মাতার মুখে ৫২ ভাষা আন্দোলন,৭০ নির্বাচন,৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীর প্রেমে পড়েছি।

আপনি কতবছর রাজনীতি করছেন- আমি ১৯৮৮ সালে আমার গ্ৰাম হইতে পাইকগাছা উপজেলা শহীদ এম এ গফুর স্মৃতি সংঘের একজন ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে যোগদান করে পরিচিত হতে শুরু করি। ১৯৯১ সালে আ’লীগ উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম স ম ইউসুফ নানার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগে সামিল হই । ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জয়ী করতেদলীয় নেতা-কর্মিদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি। ১৯৯৭ সালে পাইকগাছা পৌরসভার যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হই। ২০০১ সালে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লাভ করি। ২০০৪ সালে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হই। ২০০৪ সালের ১০আগষ্ট হতে ২০০৮ সালের ১৩ আগষ্ট পর্যন্ত উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়ীত্ব পালন করে পৌরসভা সহ ১০ ইউনিয়নের কমিটি গঠন করতে সক্ষম হই। ২০০৫ সালে ৪দলীয় জোট সরকারের আমলে মিথ্যা ও হয়রানি মামলার স্বীকার হই। ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এডঃ সোহরাব আলী সানাকে নৌকা প্রতীক বিজয়ী করার জন্য দলীয় নেতা কর্মী নিয়ে গনসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করে বিজয় লাভ করি। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য ‌২০০১সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীল নকশা জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর নেতা কর্মীদের নিপীড়ন ,নির্যাতন , হুমকি মোকাবেলায় দলকে সুসংগঠিত করতে প্রানপণ চেষ্টা করি। দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত ভাবে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছি। ২০০৭ সালে ১/১১ সময় রাজনৈতিক দল মাঠ ছেড়ে চলে যায় সেই সময় ১২/১৪ জন নেতাকর্মী নিয়ে রাজপথে মিছিল করে আবারো পুলিশের মারপিটের শিকার হই এবং মিথ্যা মামলার আসামী হই ।

আপনার সামাজিক কাজ – ঘুর্নিঝড় সিডর,আয়লা, বুলবুল,আম্পানে দক্ষিণ জনপদ লন্ডভন্ড হয়ে যায় সে উদ্ধার তৎপরতা, আশ্রয়হীন ও অনাহার পরিবার কে আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সাধ্যমত সাহায্য করে আসছি। এছাড়া মহামারী করোনা ভাইরাস এর সময় জনসচেতনতার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ, হ্যান্ড স্যানেটাইজার, মাক্স সহ খাদ্য সহায়তা দিয়েছি শীতে কম্বল বিতরণ করেছি। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ঈদ, পূজা,ও অসুস্থ ব্যক্তিদের সহোজগীতা করে আসছি।২০১৬ সালে আমার চাদখালী ইউনিয়নে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে পাইনি , তারপরও দলের সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়েছি। ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু ও ২০১৯ সালে উপজেলা নির্বাচনে আমার ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে দলীয় নেতা কর্মী সংগে নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে আমার দায়িত্ব থাকা অবস্থায় নৌকা প্রতীক বিজয়ী হয়। আমি আ’লীগের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা কমিটির সকল ঘোষিত কর্মসূচি অংশগ্রহণ করে আসছি।

আপনি রাজনীতির পাশাপাশি আর কি করেন- রাজনীতি পাশাপাশি আমার উপজেলা সদরে মেহেরুন্নেসা এন্টারপ্রাইজ ও গজালিয়া তাজীন মৎস খামার রয়েছে।

আপনি দলীয় মনোনয়ন পেলে চেয়ারম্যান হয়ে কি করতে চান- দলীয় মনোনয়ন পেলে চেয়ারম্যান হতো পারবো আমি আশা বাদী,আর চেয়ারম্যান হলে চাঁদখালী ইউনিয়ন মাদকমুক্ত,জংগিবাদ, দূর্নীতি, সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষর মুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধশালী মডেল ইউনিয়ন গড়তে বলিষ্ট ভুমিকা রাখবো, অসাম্প্রদায়িক সমাজ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কারিগর জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করছি।
জি এম ইকরামুল ইসলাম রবিবার সকালে পাইকগাছায় একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এসব মন্তব্য করেন।

ডুমুরিয়ায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতার মতবিনিময়

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনা বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অজয় সরকার, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমদে, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দ্দার, সহসভাপতি সরদার আবু সাইদ, শেখ হেফজুর রহমান, শেখ নাজিবুর রহমান, গোপাল চন্দ্র দে, সরদার আব্দুল গণি, আবু বক্কার খান, মোল্ল্যা সোহেল রানা, এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য, শোভা রানী হালদার, শীলা রানী মন্ডল, মাসুদ রানা নান্টু, শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, ছাত্রলীগের আবুল বাশার খান, শেখ মাসুদ রানা ও রবিউল ইসলাম প্রমুখ। জানা যায়, কেন্দ্রীয় এই নেতা রাজনৈতিক কর্মসুচীর অংশ হিসেবে খুলনা থেকে সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে ডুমুরিয়ায় সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় চলাকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বহরের গাড়ী নিয়ে সাতক্ষীরার জেলা নেতার সাথে খুলনার এক নেতার বাক-বিতান্ডা হয় এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।