তিন কারণে সংকটে খুলনার চিংড়ি চাষিরা

বিশেষ প্রতিনিধি : তিন কারণে সংকটে পড়েছেন খুলনার চিংড়ি চাষিরা। উচ্চ মূল্যে চিংড়ির পোনা কিনতে হয়, করোনার কারণে মাছের খাবারের মূল্য বেড়েছে; সেই সঙ্গে চিংড়ির দাম অর্ধেকে নেমেছে। এসব কারণে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ইতোমধ্যে চাষিদের লোকসান পুষিয়ে নিতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। করোনার প্রথম কয়েক মাস চিংড়ি রফতানিতে ভাটা পড়লেও সেটি এখন কেটে গেছে। এ প্রতিবেদককে এমনটাই জানিয়েছেন চিংড়ি চাষি ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

ডুমুরিয়া উপজেলার চিংড়ি চাষি কৌশিক বাগচি বলেন, গলদা-বাগদা চাষ লাভজনক ব্যবসা। ১৯৯৭ সাল থেকে চিংড়ি চাষ করে আসছি। খুবই ভালো যাচ্ছিল। সম্প্রতি করোনার প্রভাবে মাছের দাম কমে যায়। ২০ গ্রেডের যে মাছ ৮৩০-৮৪০ টাকায় বিক্রি করেছি, সেই মাছ বিক্রি করতে হয় ৫২০-৫৩০ টাকায়। মাছের মূল্য অর্ধেকে নেমে এসেছে। অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আমরা। মাছ চাষে মাসে দেড় লাখ টাকা আয় ছিল। কিন্তু করোনাকালীন সেই আয় ৫০ হাজার টাকায় নেমেছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে ভালো লাভের আশায় প্রস্তুতি নিয়েছি। সেই অনুযায়ী ঘের প্রস্তুতও করছি।

একই এলাকার মৎস্য চাষি হৃদয় সিং বলেন, করোনার আগে মাছ চাষ মোটামুটি ভালো ছিল। করোনার পর একটু সমস্যা হয়েছে। গত কয়েক মাস লোকসান গেছে। নতুন বছরে ভেবেছিলাম পরিবর্তন হবে। তা আর হয়নি।

মৎস্য কর্মকর্তা, হিমায়িত চিংড়ি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ও চাষিরা জানিয়েছেন, হিমায়িত চিংড়ি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাত। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরায় দেশের সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়। ঘের মালিকরা চাষকৃত চিংড়ি আড়তগুলোতে সরবরাহ করেন। হিমায়িত চিংড়ি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় মৎস্য আড়তদারদের কাছ থেকে বাগদা অথবা গলদা চিংড়ি সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে রফতানি করে। কিন্তু করোনার কারণে চিংড়ি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আড়তগুলো থেকে চিংড়ি সংগ্রহ বন্ধ করে দেয়। ফলে পাইকারি বাজারে মাছের দরপতন হয়। সেই প্রভাব পড়ে ঘের ব্যবসায়ীদের ওপর।

ডুমুরিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, চাষিদের রেণু বেশি দামে কিনতে হয়। আগে এক হাজার রেণু কিনতে হতো এক হাজার টাকায়। এখন সেটি তিন হাজার টাকায় কিনতে হয়। মাছ চাষের যে খাদ্য সেটিরও দাম বেড়েছে। অন্যদিকে মাছ বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। আগে যে মাছ বিক্রি হতো ১৬০০ কিংবা ১৮০০ টাকা। সেই মাছ এখন ৫০০-৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে হয়। এসব কারণে চিংড়ি চাষিরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই সঙ্গে করোনার প্রভাব তো রয়েছেই। করোনার কারণে যেসব চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। ডুমুরিয়ার চার হাজার ১১৪ জন চাষিকে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বাছাই করে ছয় কোটি ২২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়।

খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু ছাইদ বলেন, করোনার কারণে চিংড়ি চাষিরা সঠিক সময়ে মৎস্য আহরণ করতে পারছেন না। সেই সঙ্গে চিংড়ি উৎপাদনের যে উপকরণ সামগ্রী, করোনাকালীন যে প্রতিবন্ধকতা ছিল; তার জন্য চাষিরা খাদ্য ঠিকমতো কিনতে পারেননি। সেই সময় শ্রমিক সংকট ছিল। যে কারণে অধিক শ্রম দিয়ে শ্রমিক নিতে হয়েছে। এসব কারণে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে যতটুকু ক্ষতি হয়েছে, সরকার সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে; কীভাবে সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া যায়।

খুলনা অঞ্চলের মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ পরিদর্শক তৌফিক মাহমুদ বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে খুলনা অঞ্চল থেকে মাছ রফতানি হয়েছে ২৯ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন। যার মূল্য দুই হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত রফতানি হয়েছে ২১ হাজার ৪৯০ মেট্রিক টন মাছ। যার মূল্য এক হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। করোনার মধ্যেই চলতি অর্থবছরের সাত মাসে রফতানি খুবই ভালো।

খুলনা অঞ্চলের মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৯ হাজার ৬.৮২১ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ২৯০ কোটি ২০ লাখ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৯ হাজার ২০০.৭৮৮ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৪৮৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩০ হাজার ২১৭.০৭ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৫৮৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩১ হাজার ৬৮৬.৭৪ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৫৪২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩১ হাজার ৬৮৬.৭৪ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৫৪২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩২ হাজার ৮০২.৮১ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৭০০ কোটি ২২ লাখ টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৫৫১.৫৩ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ২৪৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ও ২০১১-১২ অর্থবছরে ৪২ হাজার ৪৮৯.১০৩ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি থেকে আয় দুই হাজার ৫৩৩ কোটি ৪ লাখ টাকা।

খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মজিনুর রহমান বলেন, করোনার কারণে প্রথম দুই তিন মাস রফতানিতে ভাটা পড়ে। তবে পরবর্তীতে ফের রফতানি স্বাভাবিক হয়ে যায়। সামগ্রিকভাবে এখন রফতানি ভালো।

পাইকগাছায় চোরাই আলমসাধুসহ আটক ২

পাইকগাছা : পাইকগাছায় আলমসাধু চুরি করে পালিয়ে যাবার পথে জনতা-পুলিশ দু’চোরকে আটক করে আলমসাধু জব্দ করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোর বেলায় রাড়ুলীর গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন জাহান আলী মেম্বরের বাড়ীর কাছে রাস্তার উপর থেকে চোর সহ ইঞ্জিন চালিত আলমসাধু জব্দ করা হয়। দু’চোর ঠিকানা হলো কয়রার ইসলামপুরের মাঝের পাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে সিরাজুল (২১) ও সাহাবুদ্দীন সানার ছেলে জুয়েল (২৮)। প্রাথমিক ভবে জানাগেছে, ধৃতরা পেশাদারী চুরি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। রাড়ুলী ক্যাম্প পুলিশের টু আইসি গোলাম রসুল জানান, সিরাজুল ও জুয়েল আলম সাধু চুরি করে রাড়ুলী হয়ে মনিরামপুরে বিক্রীর উদেশ্যে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবার ভোর বেলায় রাড়ুলী গুচ্ছগ্রামের কাছে পৌছালে যান্ত্রীক ত্রূটির কারনে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে ওরা বেসামাল কথাবর্তা বলায় সন্ধেহ হলে গাড়ী সহ এ দু’জনে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে খবর দিলে এদেরকে আটক করা হয়। এ সময় ৩ টি মোবাইলও জব্দ করা হয়। জানাগেছে এ আলমসাধুটি কয়রার জাযগির মহলের গড়াআমারী গ্রামের মনিরুল মোল্লার। ওসি মোঃ এজাজ শফী জানান, রাড়ুলী ক্যাম্প পুলিশ ও সচেতন মানুষের সহয়তায় অনেক চোরাইমাল উদ্ধার সহ পেশাদারী চোর আটক করা হয়েছে। এটাও তার সাফল্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্ততি চলছিল।

রোজা আসার আগেই বাজার চড়া

ইউনিক ডেস্ক : কয়েকদিন পরেই পবিত্র রমজান মাস শুরু। তবে রোজা আসার আগেই তার প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। একদিকে করোনার প্রকোপ বাড়ছে, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের বাজার বেসামাল হয়ে উঠছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইফতারির জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখন চড়া। নতুন করে বেড়েছে বেসন তৈরির অন্যতম উপকরণ অ্যাংকার ডালের দাম। আরও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিনের দাম, খোলা ময়দা, আলু, রসুন, আদা ও গুড়ো দুধের দাম। বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। মোটা চালের দামও আবার বেড়েছে।

কাওরান বাজারে বাজার করতে আসা আনিসুর রহমান বলেন, ‘সামনে রোজা, এমন সময় করোনা বাড়ছে। চাকরি হারানোর আতঙ্কও বাড়ছে। অথচ এই সময়েও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য এটা অসহনীয়।’

নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে কথা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখতের সঙ্গে। তিনি বলেন, জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে ভালো। তবে মানুষের কষ্ট হয়, তবুও এই মানুষ রোজার মাসে ভালো ও দাম দিয়ে কিনে খায়। করোনা বেড়ে যাচ্ছে, এতে অনেক মানুষের আয় কমে যাবে ধারণা দিয়ে তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই জরুরি।

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বাড়ছে। যে কারণে জিনিসপত্রের দামও বাড়ছে।

চিকন বা সরু চালের দাম কমেছে। আর বেড়েছে মোটা চালের দাম। চিকন চালের কেজিতে এক টাকা কমলেও মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিতে দুই টাকা। প্রতি কেজি চিকন চালের দাম ৬৫-৬৪ টাকায় নেমেছে। আর প্রতি কেজি মোটা চালের দাম ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকা।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবি’র তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহে মোটা চালের দাম বেড়েছে ২.২০ শতাংশ। টিসিবির হিসাবে খোলা ময়দার দাম বেড়েছে ৪.২৯ শতাংশ। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা ময়দার দাম বেড়ে হয়েছে ৩৮ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে এই ময়দার প্রতি কেজির দাম ছিল ৩৪-৩৬ টাকা।

বাজারে আলুর দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা। ১৬ টাকা কেজি আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজিতে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বেসন তৈরির অ্যাংকার ডালের দাম। ৩৮ টাকা কেজি অ্যাংকার ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি। সরকারি হিসাবে, এই ডালের দাম বেড়েছে ৮.৪৩ শতাংশ। তবে টিসিবির হিসাবে সবচেয়ে বেড়েছে দেশি আদার দাম। ১০০ টাকা কেজি দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি আদার কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। বাজারে ৫ লিটার ওজনের সয়াবিনের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা। গত সপ্তাহে এই সয়াবিন বিক্রি হয় ৬৪০ টাকা।

চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগি। গরু ও খাসির মাংস দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচামরিচ, পেঁয়াজের দাম ক্রেতাদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৬৫ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা। আর কক মুরগির কেজি ২৪০-২৬০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ৯০-৯৫ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকায়। মাঝারি আকারের একটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। পটল, বেগুন, শিম, ধুন্দল, বরবটি, ঢেঁড়স, লাউ, সজনে ডাটা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটোসহ প্রায় সব ধরনের সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বেশিরভাগ সবজির কেজি এখন ৫০ টাকার ওপরে।

বাজারে সজনে ডাটা এক কেজি কিনতে ক্রেতাদের একশ টাকা গুনতে হচ্ছে। বাজার ও মানভেদে সজনে ডাটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা। এছাড়াও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পটল, বরবটি, বেগুন, ঢেঁড়স। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি। ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। দাম বেড়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমেরও। ২০-৩০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম বেড়ে ৩০-৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শিমের দাম বেড়ে ৪০-৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতি কেজি ধুন্দল, চিচিঙ্গা কিনতেও ভোক্তাদের ৫০ টাকার ওপরে গুনতে হচ্ছে। বাজার ও মানভেদে ধুন্দলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে চিচিঙ্গা। শশা আগের সপ্তাহের মতো ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১৫-২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটোর দাম বেড়ে ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পেঁপের কেজি আগের মতোই ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গাঁজরের কেজিও আগের সপ্তাহের মতো ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা।

২২ মে পর্যন্ত খুবির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

ইউনিক প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি প্রজ্ঞাপন ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরার সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ট্রেজারার, ডিনবৃন্দ ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২২ মে ২০২১ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রয়োজনে সপ্তাহে দুইদিন (রবি এবং বুধবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রার কার্যালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সেবাসমূহ (পানি, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, এস্টেট ও নিরাপত্তা শাখা) যথারীতি চালু থাকবে। এছাড়া প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের ক্লাসসমূহ অনলাইনে চালু রাখা যাবে এবং শিক্ষার্থীদের চলমান গবেষণা কার্যক্রম স্ব স্ব সুপারভাইজারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি ব্যবহার করলে স্ব স্ব সুপারভাইজার শিক্ষার্থীদের তালিকা ছাত্রবিষয়ক পরিচালককে প্রেরণ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম পূর্বের ন্যায় (কোভিডকালীন) যথারীতি চালু থাকবে এবং চিকিৎসকগণ অনকল ডিউটিতে থাকবেন। আরও উল্লেখ্য, ছুটিকালীন সকলকে স্টেশনে অবস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উপরোক্ত তথ্যাদি জানানো হয়েছে।

শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের আত্মহত্যা

নড়াইল : নড়াইলের লোহাগড়ায় শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে আজম মীর (২১) নামে এক যুবক স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার তেলগাতী গ্রামের হাশেম আলী মীরের ছেলে আজম মীরের (২১) সাথে লোহাগড়া উপজেলার বেলটিয়া গ্রামের মিঠু মোল্লার মেয়ে শামীমা খানমের (১৯) এক মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্যজীবন সুখের ছিল না। গত মঙ্গলবার শবে বরাত উপলক্ষে আজম মীর শ্বশুরবাড়ি বেলটিয়া বেড়াতে যান। বুধবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে আজম মীর স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে লোহাগড়া থানার এসআই মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরেদেহটি নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন। এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) মাহমুদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

পটুয়াখালী নির্বাচনি প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী গণধর্ষণ শিকার

পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য প্রার্থী নিলুফা বেগমের পক্ষে নির্বাচনি প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ওই নারী সদস্য প্রার্থীর বাড়ির অদূরে একটি নির্জন বিলের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের নারী সদস্য নিলুফা বেগম এ বছরও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। বৃহস্পতিবার তার পক্ষে মাঠে প্রচার করেন ওই নারী। প্রচার শেষে রাত ৯টার দিকে ওই ইউপি সদস্য প্রার্থীর বাড়ি থেকে তার নিজের বাড়ি ফেরার পথে তিনজন যুবক তার মুখ চেপে ধরে নির্জন বিলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ওই নারীকে বিলের মধ্যে রেখে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। পরে ওই নারী স্থানীয় মজিবর হাওলাদার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন।

খবর পেয়ে রাতেই চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার দুলাল সিকদার ওই বাড়িতে যান। শুক্রবার সকালে ভিকটিমকে থানায় নিয়ে যান ইউপি সদস্য দুলাল সিকদার ও নিলুফা বেগম।

৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার দুলাল সিকদার বলেন, আমরা ভিকটিমকে নিয়ে থানায় এসেছি।

চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাচ বলেন, ওই নারীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এছাড়াও আইনানুগ সহায়তার জন্য থানায় যেতে বলেছি।

বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোরেলগঞ্জে বাসের ধাক্কায় নিহত ১

বাগেরহাট : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ইমা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় রুস্তম শিকদার (৬০) নামে এক ইজিবাইকের আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার জোকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ইজিবাইকচালক রানা (২৬) ও নিহত রুস্তমের স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত রুস্তম শিকদার উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ নারকেল বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার স্থলে রাস্তার পাশেই ইট রাখা ছিলো। ধারণা করা হচ্ছে ইটের স্তূপের কারণে ইজিবাইকটিকে দেখতে পায়নি পরিবহন চালক। ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মোরেলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এসএম তরিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, চিংড়াখালী থেকে স্ত্রীসহ ইজিবাইকযোগে মোরেলগঞ্জ যাচ্ছিলেন রুস্তম শিকদার। পথে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের জোকা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইমা পরিবহনের একটি বাস ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রুস্তমের মৃত্যু হয়। এ সময় রুস্তমের স্ত্রী ফিরোজা ও ইজিবাইকচালক রানা গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রুস্তমের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বাসটিকে জব্দ করা হলে চালক ও গাড়িটির সহযোগী পালিয়ে গেছেন বলেও জানান তিনি।

১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইউনিক প্রতিনিধি : সুন্দরবনের পর্যটক প্রবেশে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা ও সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে সুন্দরবনে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বনবিভাগ। শুক্রবার (২ এপ্রিল) থেকে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে মৌয়াল বা জেলেরা এ নিষেধাজ্ঞার বাহিরে থাকবে।

খুলনা সার্কেলের বনসংরক্ষক মো. মঈনুদ্দিন খান বলেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে একে একে সবগুলো পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সুন্দরবনের পর্যটন স্পটগুলো বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম জোন মিলিয়ে সাতটি পর্যটন স্পট রয়েছে। যার মধ্যে পশ্চিমে ২ টি এবং পূর্বে ৫টি স্পট অবস্থিত। এগুলো সবই আজ থেকে বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিবছর দেশি-বিদেশি প্রায় ২ লাখ পর্যটক সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছরও সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ছিল। তারপরও ১লাখ ৭২ হাজারের মতো পর্যটক এসেছিল গতবছর। মূলত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যটনের মৌসুম। এ সময়ে পর্যটকরা বেশি আসে সুন্দরবনে। সেটি মার্চ পর্যন্ত গড়ায়।

ঝিনাইদহ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার ২

ঝিনাইদহ : র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী জলদস্যু, ডাকাত, অস্ত্র ব্যবসায়ী, ডাকাত, কালোবাজারী, মানব পাচারকারী, মাদক ব্যবসায়ী, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগনের সুনাম ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার বিাগত রাতে র‌্যাব-৬, (সদর কোম্পানী) খুলনার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ড থানাধীন দখলপুর বাজার এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ড থানাধীন দখলপুর বাজারে সাধুহাটি টু হরিণাকুন্ডগামী পাকা রাস্তায় জনৈক উজ্জল হোসেনের মারিয়া টেলিকম নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টাকালে ১। মোঃ জাহিদুল ইসলাম(৩৫), পিতা- সানারউদ্দিন, মাতা- জাহানারা বেগম, ২। বিপুল চৌধুরী(৩২), পিতা- মান্নান চৌধুরী, মাতা- রাজিয়া খাতুন, উভয় সাং- পার দখলপুর, থানা- হরিণাকুন্ড, জেলা- ঝিনাইদহদ্বয়কে তৎক্ষনাত গ্রেফতার করা হয়। অতঃপর উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে মাদকের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশীকালে তাদের হেফাজত হতে নিন্মোক্ত মালামাল উদ্ধার করা হয়। ০২(দুই) টি দেশীয় তৈরী ওয়ান শুটারগান। ০২(দুই) রাইন্ড কার্তুজ। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ড থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তাইওয়ানে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪

আন্তর্জাতিক : তাইওয়ানে টানেলের মধ্যে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন শতাধিক।
গত ৪০ বছরের মতো এটি সেখানকার সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা।
আট বগির ট্রেনটিতে প্রথমে ৩৫০ জন যাত্রী ছিল বলে জানালেও পরে ৪৯০ জন ছিল বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকালে পূর্ব তাইওয়ানে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্স, সিএনএন, আল জাজিরার।

সাংবাদিক ক্যাথেরিন উই তাইপে থেকে জানিয়েছেন, উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সূর্য ডোবার আগে বগির ভিতরে আটকে থাকা সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় জরুরি অপারেশন সেন্টারের উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, টানেলের ভিতরে চারটি বগি মারাক্তকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনার পর প্রকাশ পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় আটকে থাকা যাত্রীরা কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত বগি থেকে নামার চেষ্টা করছিলেন, কাউকে আবার হাঁটিয়ে বের করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা।

এর আগে ২০১৮ সালে উত্তর তাইওয়ানে একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের প্রাণহানি হয়। আহত হন অন্তত ১৭৫ জন। আজকের দুর্ঘটনা গত চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।