মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ওমর কামালের মাস্ক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কোভিড-১৯ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওমর কামালসহ ছাত্রলীগের পক্ষ হতে ৪ এপ্রিল রবিবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভাইরাস সতর্কীকরণ লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।
খুলনা নগরীর রূপসা ঘাট ও রূপসা সন্ধ্যা বাজার এলাকায় লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ কালে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সাধারন মানুষকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করা এবং মাস্ক পরিধান করার পরামর্শ দেন। এছাড়াও তারা করোনা মহামারী মোকাবেলায় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ২২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন হৃদয়, ছাত্রলীগ কর্র্মী ধৃতি প্রসাদ রায়, সাজিদুর রহমান ও মো. সোহাগ প্রমূখ নেতাকর্মী।

রাস্তা না আবাদি জমি বোঝা কঠিন

ওয়াসিক রাজিব, দিঘলিয়া : সেনহাটি, খুলনা জেলার সবথেকে ঘনবসতিপূর্ণ একটি জনপদ।বিখ্যাত অনেক কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, গায়ক, এই সেনহাটির সন্তান। ভৈরব ও আত্রাই নদী ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই সেনহাটি ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার।এই আধুনিক যুগে এসেও সেনহাটি একটি নদী বেষ্টিত দ্বীপ অঞ্চল। যে কারণে আর্থসামাজিক উন্নয়নে বরাবরই পিছিয়ে থেকেছে এই জনপদ। তারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ যেন সেনহাটির সবথেকে ব্যস্ততম এই রাস্তা। সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদ এবং স্টার ২নং গেট বাজারের পশ্চিমে ও সেনহাটি পুলিশ ফাঁড়ির সামনের এই রাস্তাটি দেখলে আবাদি জমি মনে হতে পারে। স্টার ২ নম্বর গেট বাজার থেকে সেনহাটি বাজার পর্যন্ত পৌনে দুই কিলোমিটার রাস্তাটি অনেকদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও এক ফুট পর্যন্ত গভীর গর্ত,কোথাও বা ১০ থেকে ১৫ ফুট রাস্তায় কোন পিজ নেই।রাস্তাটি অনেকদিন ধরে সংস্কার না করায় রাস্তার মাঝ বরাবর অনেকটাই উঁচু হয়ে গেছে এবং দু’পাশে ঢালু।পুরো রাস্তাটি যেন একটি মৃত্যুফাঁদ হিসেবে দেখা দিয়েছে।দুর্ঘটনা এখানে প্রতিদিনের নৈমিত্তিক ব্যাপার।এখন শুষ্ক মৌসুম হওয়ায় রাস্তার বালিও খোয়া এখনো টিকে আছে,বর্ষার এক ঝটকায় পুরো রাস্তাই চলাচলের পুরোপুরি অনুপযুক্ত হয়ে পড়বে।এমত অবস্থায় সেনহাটির ব্যস্ততম রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এই এলাকার ভুক্তভোগী সাধারন মানুষ।

করোনা মোকাবেলায় বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের নানানমূখী পদক্ষেপ

ইনদ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটা : প্রথম দফায় করোনা প্রকোপের সেই শুরু থেকেই বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম একের পর এক নানানমূখী পদক্ষেপ নিয়ে করোনা মোকাবেলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সরকার ঘোষিত বিভিন্ন সময়ে নানান নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে জনসাধারণের সাথে চেনা মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। করোনা সচেতনামূলক সরকারি ও বে-সরকারি কিংবা ব্যক্তি উদ্যোগে নানানমূখী কর্মসূচী হাতে নিয়ে তিনি এ উপজেলায় জননন্দিত ও প্রশাংসিত হয়ে উঠেছেন। সর্বশেষ সোমবার সারা দেশের ন্যায় সরকারি ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচীর ঘোষনা দিলেও তিনি ও তার প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ দফায় দফায় বটিয়াঘাটা থানার গওঘরা, সুরখালী, সুন্দরমহল, কাতিয়ানাংলা, মল্লিকের মোড়, চক্রাখালী, সাচিবুনিয়া বাজার, জিরোপয়েন্ট, বিশ্বরোড মোড়, আমীরপুর, সাঁদাল বাজার, জয়পুর, ও বিরাট বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকার ঘোষিত এক সপ্তাহের লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম করেন। দিনব্যাপী তারা উভয়েই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১৬ টি মামলায় ২৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। অন্যদিকে থানা ওসি মোঃ রবিউল কবীর সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ হ্যান্ড মাইক যোগে করোনা সচেতনামূলক প্রচার প্রচারনা চালিয়ে লকডাউন কর্মসূচী বাস্তবায়নের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এ কর্মকান্ডে এলাকার সাধারণ সচেতন মানুষ উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

পশুর চ্যানেলের বালু ডাম্পিং ইস্যুতে মুখোমুখি অবস্থানে বন্দর কর্তৃপক্ষ, চীনা কোম্পানী ও গ্রামবাসী

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের ইনার বার ড্রেজিংয়ের বালু ডাম্পিং ইস্যুতে চীনা কোম্পানী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসী মুখোমুখী অবস্থান নিয়েছে। কৃষি (ধান) জমি ও মৎস্য (বাগদা চিংড়ি) ঘেরের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জোরপূর্বক ডাইক নির্মাণ ও বালু ডাম্পিং প্রচেষ্টার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, ফসলি জমি ও জলাভূমির শ্রেণী বিন্যাশে হুমকির মুখে পড়বে জীববৈচিত্র্যসহ স্থানীয়দেও জীবন-জীবিকা। আর চলতি ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মৌসুমে উড়ো বালুর আগ্রাসনে বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশের শংকায় চরম হতাশার মধ্যে পড়েছেন শত শত গ্রামবাসী। তাদের দাবী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চীনা কোম্পানি পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই নামমাত্র ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে ফসলি জমি এবং মৎস্য ঘেরে বালু ডাম্পিং প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এ অবস্থায় জমির মালিকসহ সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।
সোমবার সকাল ৯ টায় থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত স্থানীয় নারী-পুরুষসহ শত শত গ্রামবাসী তাদের ফসলি জমি ও চিংড়ি ঘেরে রক্ষার দাবীতে সমবেত হন পশুর নদীর তীরবর্তী চিলা ইউনিয়নের সুন্দরতলা এলাকায়। এ সময় মানববন্ধন সমাবেশসহ সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ আলম গাজী লিখিত বক্তব্যে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ড্রেজিং কাজে নিয়োজিত চীনা কোম্পানী জমির মালিকদের কিছু না জানিয়ে কৃষি জমি ও মৎস্য ঘের শুকিয়ে বালু ডাম্পিং করার জন্য গত দু’সপ্তাহ ধরে ডাইক নির্মাণ শুরু করেছে। পরে তারা এ বিষয় আপত্তি জানালে ১০ বছরের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে আসছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কৃষি-মৎস্য ঘেরের জমিতে বালু ডাম্পিং করা হলে জীবন-জীবিকার উৎস বন্ধ হবে। গ্রামবাসীরা জানান, যে জমিতে তারা ধান উৎপাদন করেন সেই একই জমিতে মৎস চাষ করে সংসার চালাতে হয় তাদের। তাই ধান উৎপাদন ও মাছের চাষ বন্ধ হলে বেকারত্বসহ পথে বসবে অসংখ্য পরিবার। এছাড়া বালু ভরাটের কারেণ আগামী ৫০ বছরের জন্য চরম দূরাবস্থা এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাই ফসলি-মৎস্য চাষের জমিতে নদী ড্রেজিংয়ের বালু ডাম্পিংয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন জমির মালিক ও গ্রামবাসী। আর এ জন্য কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এ অবস্থায় বন্দর কর্তৃপক্ষ, চীনা ড্রেজিং কোম্পানী ও এলাকাবাসী মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে বাপা’র বাগেরহাট জেলা সমন্বয়কারী নুর আলম শেখ বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মতামত নিয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা উচিৎ। আলোচনা ছাড়াই প্রকল্প গ্রহণ ঠিক হয়নি। জমির মালিকদের যে ১০ বছরের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেয়া হয়েছে সে ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘ সময়ের জন্য ফসলসহ পরিবেশগত ক্ষতির মুখে পড়বেন ফসলি জমির মালিকসহ জনসাধারণ।
এ বিষয় মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার বলেন, ড্রেজিং প্রকল্পের বালু ডাম্পিং করার জন্য ১০ ফুট উচ্চতার ডাইক নির্মাণ ও ৮ ফুট পর্যন্তু বালু ভরাট করার কথা থাকলেও অতিরিক্ত উচ্চতায় করা হচ্ছে। এছাড়া এলাকাবাসীর উত্থাপিত নানা অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে অনেক অসংগতি পাওয়া যায় সেখানে। এ সকল বিষয় জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ৭শ’৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আর ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পেয়েছে চীনা কোম্পানী। গত ১৩ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এ নদী খননের কাজ। নদী খননের বালু ডাম্পিং করার জন্য ১ হাজার একর ফসলি জমি ও মৎস্য ঘেরের জমির ক্ষতিপূরণ দিয়ে তারপর সেখানে বালু ফেলার কথা রয়েছে। বালু ফেলার জন্য ব্যক্তি মালিকানা ছাড়াও প্রায় ৫শ’ একর সরকারী খাস জমি চিহিৃত করা হয়েছে।
নদীর বালু ডাম্পিং বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল ও হাইড্রোলিক) ড্রেজিং প্রকল্প কর্মকর্তা শওকত আলী বলেন, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জমির প্রকৃত মালিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের ১০ বছরের জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। এক্ষেত্রে তালিকা প্রণয়নসহ প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রয়েছে। শিগগিরই প্রকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদাণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, সুবিধা ভোগীরা এ নিয়ে নানা চক্রান্ত করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের শুভেচ্ছা বিবৃতি

ওয়াসিক রাজিব, দিঘলিয়া : বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন গত রোববার (৪ এপ্রিল ২০২১) ঢাকার রেডিসন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে “সম্মিলিত পরিষদ” প্যানেল থেকে পরিচালক পদে বিজয়ী হন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্ঠা জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদীর একমাত্র কন্যা এনভয় গ্রুপের পরিচালক-ব্যারিস্টার শেহরিন সালাম ঐশী। তার এ বিজয়ে আমরা উদ্বেলীত। ব্যারিস্টার শেহরীণ সালাম ঐশীর বিজিএমইএ এর পরিচালক পদে নির্বাচিত হওয়ায় দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিদাতারা হলেন দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চ্যালেন ২৪ এর খুলনা ব্যুরো প্রধান মামুন রেজা, দিঘলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সিনিয়র সহ সভাপতি এম ফরহাদ কাদির, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মল্লিক মোকসুদুল রহমান খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জামসেদুল ইসলাম সৌরভ, সহ সম্পাদক মোঃ আশরাফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ওয়াসিক উল্লাহ হোসাইনী রাজিব, দপ্তর সম্পাদক কে এম আসাদুজ্জামান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম মোড়ল, প্রচার সম্পাদক কিশোর কুমার দে, ক্রীড়া সম্পাদক সালাউদ্দীন মোল্যা, কার্য নির্বাহী সদস্য এস এম রফিকুল ইসলাম বাবু, মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ প্রমূখ।