বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের জরুরী সভা

বিজ্ঞপ্তি : অছাত্র, মেধাহীন পরিহার করে কর্মীবান্ধব, বিনয়ী, ভদ্র, নম্র, আদর্শবান, সাহসী, পরিশ্রমী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুপ্রানিত স্থানীয় বাসিন্দা এবং উপজেলা কেন্দ্রীক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত তারুন্যদীপ্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্রদের সমন্বয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের আহবান করলেন উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এই লক্ষ্যে স্থানীয় ডাকবাংলো চত্ত্বরে বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের এক জরুরী সভা বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হাদি-উজ-জামান হাদীর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সমন্বয়কারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরিদ রানার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ১৯৮১-৯১ সালে উপজেলা ছাত্রীগের সভাপতি প্রহল্লদ জোদ্দার, ১৯৯২-৯৪ সালের সভাপতি গৌরদাস ঢালী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির পলাশ, ১৯৯৫-২০০০ সালের সভাপতি পলাশ রায়, বটিয়াঘাটা মহাবিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মানস পাল, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ধীমান মন্ডল, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুর রহমান, সাবেক ভিপি অনুপম বিশ্বাস, বটিয়াঘাটা মহাবিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বিবেক বিশ্বাস, অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৃণাল ঘোষ, সাবেক সভাপতি মিঠুন রায়। বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেকনেতা মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক আহবায়ক অরিন্দম গোলদার, সাবেক সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম রিপন। সভায় বক্তারা বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের অতীতের কর্মকান্ড আর বর্তমান কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে হতাশাবঞ্জক মনোভাব প্রকাশ করেন। একই সাথে মিঠুন-ফরিদ এর কমিটি পরবর্তী সম্মেলন না করে উপজেলায় গঠিত সকল কমিটি প্রেসরিলিজের মাধ্যমে প্রকাশ করায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। সম্প্রতি খুলনা জেলা ছাত্রলীগ কর্তৃক উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত এবং জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বটিয়াঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তারা বলেন, বটিয়াঘাটায় বহুত্যাগ, পরিশ্রম, কষ্ট, হামলা -মামলা এবং নির্যাতন ভোগ করে ছাত্রলীগকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, সেই ছাত্রলীগ তার ঐতিহ্যহারাক এটা কোন ভাবেই মানতে পারেনা। এজন্য অগ্রোজ হিসেবে সাবেক নেতৃবৃন্দ জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আহবান জানান, আগামীতে বটিয়াঘাটায় যাদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হবে তারা যেন অবশ্যই নিয়মিত মেধাবী ছাত্র, নম্র, ভদ্র, কর্মীবান্ধব, বঙ্গবন্ধু আদর্শের স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা কেন্দ্রীক রাজনীতির সাথে জড়িতরা মূল্যায়িত হয়। তবেই একটু হলেও ছাত্রলীগ তার প্রাণফিরে পাবে। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পথচারীদের মাঝে মাক্স বিতরণ করেন।

বটিয়াঘাটায় বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ “কৃষিই সমৃদ্ধ জরিপ-১/২০২০-২০২১ অর্থ বছরে উফশী আউশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তক কৃষকদের চাষাবাদে সহায়তা প্রণোদনের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরনের শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অয়োজনে স্থানীয় ডিএই কৃষক প্রশিক্ষণ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, উপজেলা প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ চক্রবর্ত্তী, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা যথাক্রমে কমলেশ বিশ্বাস, মিহির কুমার বৈরাগী, সরদার আব্দুল মান্নান, কৃষ্ণ পদ বৈরাগী, আব্দুল হাই খান, মুস্তাফিজুর রহমান, কৃষক হানিফ হাওলাদার, দুলাল ফরাজী, আসাদ শিকদার, সুমন রায়, সোহেল খান প্রমূখ। প্রণোদনা হিসেবে উপজেলায় ৪ শত কৃষকদের মাঝে জন প্রতি ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ২০ কেজি ডিএফপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

ফুলতলায় লকডাউনে দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করলেন খুলনা জেলা প্রশাসক

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেছেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে বিশ্বের পরাশক্তির দেশগুলো বিপর্যস্ত হলেও সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশে প্রাণঘাতি কম এবং অর্থনৈতিক চাকা সচল রয়েছে। জনগণ ভাল থাকলে দেশ ভাল থাকবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্মহীন মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার ফুলতলা উপজেলার ডাবুর মাঠে অনুষ্ঠিত করোনাকালীন লকডাউনে কর্মহীন, দুস্থ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার প্রদানকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ইউএনও সাদিয়া আফরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জেনারেল) মোঃ ইউসুফ আলী, খুলনা জেলা ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আজিজুল হক জোয়াদ্দার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) খায়রুল আলম। স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, দামোদর ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস, ওসি মাহাতাব উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম, মাওঃ সাইফুল ইসলাম খান, শেখ আবুল বাশার, প্রেসক্লাব সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, সাংবাদিক মোঃ নেছার উদ্দিন, ইউপি সদস্য সরদার আঃ রহমান, শেখ আঃ রশিদ, মাসুদ পারভেজ মুক্ত, মিসেস কেয়া, ইব্রাহীম গাজী প্রমুখ। প্রসঙ্গতঃ উপজেলার ইউনিয়ন প্রতি ২শ’ ৫০ দরিদ্র এবং দুঃস্থ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা স্বরুপ নগদ ১হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।