দাকোপে রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপ সদর চালনা পৌর এলাকায় জনসাধারণের চলাচলের রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের সুত্রে প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে পারচালনা গ্রামের মৃঃ রনজিত মজুমদারের পুত্র শশংঙ্ক মজুমদার প্রতিবেশীদের উপর ক্ষোভের বশে নিজেদের চলাচলের রাস্তার ইট তুলে নিজের হেফাজাতে নিয়েছে। ফলে ইট সোলিং রাস্তাটি এখন কাচা মাটির রাস্তায় পরিনত হয়েছে। প্রতিবেশী ডাঃ অধীর রায়, দেবব্রত রায় বলেন বেশ কয়েক বছর আগে শশংাঙ্কদের বাড়ীতে এনজিও ওয়ার্ল্ড ভীশন জনসাধারণের জন্য একটি পানির ফিল্টার বসিয়ে দেয়। তখন মানুষের পানি পরিবহনের সুবিদার্থে তারা ওই রাস্তাটি ইট সোলিং করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি শশাংঙ্ক মজুমদার সেই ইট তুলে নিয়েছে। এ ব্যাপারে শশাংঙ্ক মজুমদার ইট তুলে নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে থাকা সাড়ে ৪ ফুটের রাস্তার পুরো জায়গাটি আমার দেওয়া। আমি রাস্তাটি ৬ ফুট করে পৌরসভার বরাদ্দে উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সে ক্ষেত্রে রাস্তা সংলগ্ন সকলের দেড় ফুট করে জায়গা ছাড়ার কথা কিন্তু তারা সেটি না করায় ইট তুলে নিয়ে আমার হেফাজাতে রেখেছি। তবে জনস্বার্থে বিরোধ মিটিয়ে রাস্তাটি সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর।

বেনাপোলে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল : বছরের পর বছর অবৈধ ভাবে ফসলী জমি বিনষ্ট করে মাটি,বালু উত্তোলন কারী,ভূমিদস্যু, বেনাপোল পোর্টথানাধীন বাহাদুরপুর গ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী আশা বাহিনী’র আক্রমনে লাঞ্চিত হয়েছেন বেনাপোলের স্থানীয় সাংবাদিকরা। এই ঘটনাটি ঘটেছে ৩ নং বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ধাণ্যখোলা গ্রামের মেন্দেরটেক এলাকায়।

গত বৃহস্পতিবার(৮ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ৩ নং বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ধাণ্যখোলা গ্রামের মেন্দেরটেকে ফসলী জমি বিনষ্ট করে ভূমিদস্যু এবং ঐ এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী,মাস্তান আশা তার বাহিনী নিয়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দেদারসে প্রায় শতবিঘা জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি এবং বালি উত্তোলন করছিল। অবৈধ মাটি,বালু উত্তোলনের কাজে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ট্রাক এবং ট্রলি ব্যবহৃত হয়। মাটি,বালু ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ঐ সকল ট্রাক,ট্রলির চলাচলে রাস্তার ধুলি কণায় ঐ এলাকার উঠতি ইরি-বোরো ধানের ব্যপক ক্ষতি সাধন হচ্ছে এবং ঐ এলাকার পাকা,আধাপাকা রাস্তা ভেঙ্গে খানাখন্দে পরিণত হচ্ছে,সেইসাথে গাড়ীর শব্দ দুষনে বাসা বাড়ীতে স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থীরা ঠিকমত লেখাপড়া করতে না পারা, মসজিদ,মাদ্রাসা গুলোয় নামাজিরা ঠিকমত আল্লাহর ইবাদত করতে পারে না,এমন একটা পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষ অতিষ্ট। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উত্তোলনকৃত মাটি পার্শ্ববর্তী অর্নব ব্রীকস ফিল্ডে বিক্রয় করা হচ্ছে।

বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের কানে গেলে প্রায় ১০-১১ জন সাংবাদিক তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে মাটি,বালু উত্তোলনের স্থান ৩নং বাহাদুরপুর ধাণ্যখোলা গ্রামের মেন্দেরটেক বাওড় সংলগ্ন কৃষি জমি এলাকায় যায়। মাটি,বালু উত্তোলনের দৃশ্য ভিডিও ধারনের সময় সন্ত্রাসী,মাস্তান আশা এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিতে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায়।

হামলার বিবরন জানিয়ে সাংবাদিক সুমন জানান, দুপর সাড়ে ১২ টার দিকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাহাদুরপুর বাওড় সংলগ্ন মেন্দের টেকের পাশ থেকে কৃষি জমি থেকে মাটি উত্তোলন করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমি এবং আমার সহকর্মী ৩ জন সাংবাদিক সহ সেখানে গিয়ে মাটি উত্তোলনের ছবি তুলি! এবং মাটিবাহী ট্রাক্টর চালকের নিকট জিজ্ঞাসা করি কে বা কারা মাটি উত্তোলন করছেন তখন দুর হতে খালি গায়ে এক ব্যাক্তি সহ ৩ জন আমাদের কাছে এসে বলে “ছবি তুললি কেন তোর কে তোলার অনুমতি দিছে” বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে সে বলে আমার এলাকায় তোদের ঢোকার পারমিশন কে দিছে। তোদের মত সাংবাদিকদের মাটিতে পুতে রাখবো এসব বলে আমাদের সাথে থাকা ক্যামেরা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় আশা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বাবলু,সুমন, সহ অরোও ৬/৭ জন। তারপর তারা আমাদেরকে শারিরিক ভাবে নির্যাতন ও মারধর করে এবং ধারণকৃত ভিডিও মুছে ফেলার জন্য সাথে থাকা ক্যামেরা ও স্ট্যান্ড অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করে নেয়।

এদিকে একই নিউজের সংবাদ সংগ্রহে সেখানে উপস্থিত হন সাংবাদিক সাহিদুল ইসলাম শাহিন সহ তার সহযোদ্ধা ৬ জন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আশা বাহিনী তাদেরকেও মাছের ঘেরে আটক করে নির্যাতন চালিয়ে তাদের নিকট থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে রেখে ভয়ভীতি ও হুমকী দিয়ে বলে আর কখনো এই এলাকায় দেখলে গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দেব। এরপর সকল সাংবাদিক কে তারা মাঠের একটি ঘরে তালা বদ্ধ করে রাখে।

এ অবস্থায় সাংবাদিকদের আত্মচিৎকারে ঐ এলাকার মানুষ বেনাপোল পোর্টথানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পোর্টথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুুন খান তার পুলিশ ফোর্সের মাধ্যমে আটকে রাখা সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে সাংবাদিক সাহিদুল ইসলাম বলেন, নিউজের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী আশা গং কর্তৃক সাংবাদিকদের যে লাঞ্ছিত করা হলো, এই সন্ত্রাসীর খুটির জোর কোথায় সেটা বের করতে প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমরা কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ হাতে নেব। অবিলম্বে সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু আশা সহ তার সন্ত্রাসী বাহীনিকে আটক সহ সাংবাদিকদের ক্যামেরা উদ্ধার করে দিতে হবে, অন্যথায় সকল সাংবাদিক সংগঠনের সমন্বয়ে কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

স্থানীয়রা জানান আশা বাহিনীর কবলে কৃষি জমি বিলীন হলেও নির্যাতন সহ গুম খুনের ভয়ে মুখ খোলে না কেউ। সন্ত্রাসী আশা মাদক,গরু পাচার, জমি জবর দখল,নারী নির্যাতন সহ নানা অপকর্ম করে এলাকায় একটা ত্রাস সৃস্টি করে রেখেছে।

এ ঘটনা উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানির পর শার্শা উপজেলার সংবাদ কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজাকে অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন খান বলেন, অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ অতিদ্রুত আসামীদেরকে আটক করা হবে।

২০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে চিটাগাং ক্লাব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:চট্টগ্রামের বড় বড় শিল্পপতি, ব্যবসায়ী কোটিপতিদের ক্লাব ‘দি চিটাগাং ক্লাব লিমিটেড’। চট্টগ্রাম নগরীর এস এস খালেদ সড়কে অবস্থিত প্রাচীন এই ক্লাব গত পাঁচ বছরে ১১৫ কোটি টাকার পণ্য ও সেবা বিক্রি এবং ৬০ কোটি টাকা পণ্য ক্রয়ের বিপরীতে ২০ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট সরেজমিন তদন্ত করে চট্টগ্রামের বড় এই অভিজাত ক্লাবের ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে।

চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট-এর কমিশনার মো. আকবর হোসেন বুধবার ৭ এপ্রিল এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে ভ্যাট ফাঁকির বিষয়ে চিটাগাং ক্লাব কর্তৃপক্ষকে শোকজ করার উদ্যোগ নিয়েছে ভ্যাট কমিশনারেট।

তাদের অনুসন্ধান প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চিটাগাং ক্লাব লিমিটেড বার, ব্যাংকুইট হল, লাউঞ্জ, গেস্ট হাউজ, বেকারিসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা ও পণ্য বিক্রি করে থাকে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত এই ক্লাবটি ১১৪ কোটি ৮৪ লাখ ৩৮ হাজার ৫২৯ টাকার সেবা সরবরাহ ও পণ্য বিক্রি করেছে, যার বিপরীতে প্রযোজ্য ভ্যাট ১৭ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানের দাখিলপত্র (ভ্যাট রিটার্ন) অনুযায়ী, এসময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ মাত্র ৪ কোটি ১৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে। বাকি ১৪ কোটি ৩২ লাখ ৭ হাজার ৬০৮ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। অপরদিকে একই সময়ে ক্লাবের নিজস্ব বারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪ কোটি ৮৮ লাখ ৭৪ হাজার ৩৭৬ টাকার মদ সরবরাহ করা হয়েছে, যার বিপরীতে প্রযোজ্য ভ্যাট ৮৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৮৭ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৯৭ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৫ টাকা।

এছাড়া একই সময় স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট ৫৫ লাখ ৪৪ হাজার ৪৪৬ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৬১ লাখ ৬০ হাজার ৪৯৬ টাকা। আমদানি করা মদের ওপর প্রযোজ্য মোট ভ্যাট প্রায় দেড় কোটি টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক এক কোটি ৫৯ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭১ টাকা।

প্রতিষ্ঠানের দাখিলপত্র অনুযায়ী, ক্লাবের পক্ষ থেকে মাত্র ৭৯ লাখ ৭৩ হাজার ১৭৮ টাকার সম্পূরক শুল্ক পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ৭৯ লাখ ৬২ হাজার ১৯৩ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদন সূত্রে আরও জানা যায়, ভ্যাট আইন অনুযায়ী, লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বা কেনাকাটার ওপর উৎসে ভ্যাট প্রযোজ্য। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদন (সিএ রিপোর্ট) অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড কর্তৃপক্ষ প্রায় ৬০ কোটি টাকার পণ্য ক্রয় বা ব্যয় করেছে, যার বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে ভ্যাট প্রায় পাঁচ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কিন্তু ক্লাব কর্তৃপক্ষ এক টাকার উৎসে ভ্যাট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কর্তন করলে সরকারি কোষাগারে এই অর্থ জমা দেয়নি। এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে চিটাগাং ক্লাব।

ভ্যাট কমিশনারেট এর অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, চিটাগাং ক্লাব পাঁচ বছরে সেবা সরবরাহ ও পণ্য বিক্রির বিপরীতে মোট রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে ১৫ কোটি ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০১ টাকা টাকা। প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ের বিপরীতে উৎসে ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে প্রায় ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

সেবা সরবরাহ ও পণ্য বিক্রি এবং ব্যয়ের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি সর্ব মোট ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৮৮ হাজার ৮২২ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কের ওপর ভ্যাট আইন অনুযায়ী দুই শতাংশ জরিমানা আরোপ করা হলে এই অংক আরও বাড়বে বলে এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মো. আকবর হোসেন জানান, ভ্যাট ফাঁকির বিষয়ে চিটাগাং ক্লাব কর্তৃপক্ষকে দাপ্তরিকভাবে শোকজ করা হবে এবং আনুষ্ঠানিক শুনানীর জন্য ডাকা হবে। পরবর্তীতে জারমানাসহ ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট আদায়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চিটাগাং ক্লাব লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল হক বলেন, ভ্যাট কমিশনারেটের পক্ষ থেকে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তখন তদন্ত টিমকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে সহায়তা করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে দাপ্তরিকভাবে কিছু জানেন না উল্লেখ করে মঞ্জুরুল হক বলেন, এটি একটি এলিট শ্রেণির ক্লাব। ২০১৫ সালের পূর্বে ক্লাবের সেবার বিপরীতে কোনো ভ্যাট প্রযোজ্য ছিলো না। ভ্যাট আরোপের পর থেকে নিয়মিত নির্ধারিত ভ্যাট পরিশোধ করা হচ্ছে। ভ্যাট কমিশনারেট কর্তৃক ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগটি কোথাও কমিউনিকেশন গ্যাপ’এর কারণে হয়ে থাকতে পারে।