যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এর নির্দেশে ঢাকা দক্ষিণের ২২ টি ওয়ার্ডে ইফতার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের বিপ্লবী চেয়ারম্যান জননেতা শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ২২ টি ওয়ার্ডে একযোগে গরীব ও অসহায় দের মধ্যে ইফতার বিতরন করা হয়। এই ইফতার বিতরন কর্মসূচী উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী প্রেসেডিয়াম মেম্বার ও ফরিদপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি মহোদয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ২২ টি ওয়ার্ডে এই ইফতার বিতরন কর্মসূচী আয়োজন করেন ধানমন্ডি থানা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক জনাব আহাদ হোসেন সোহাগ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উপ- অর্থবিষয়ক সম্পাদক সরিফুল হক দুর্জয় সহ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন্ ।

ফুলতলায় নিউ মার্কেট সাইন্ডবোর্ড লাগিয়ে চলছে সরকারি জমি দখলের মহোৎসব

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ খুলনা যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন ফুলতলা বাসষ্টান্ডের পশ্চিমপার্শ্বে ’’ নিউ মার্কেট ’’এর সাইন্ডবোর্ড লাগিয়ে সরকারি জমি দখল দিয়ে শুরু হয়েছে মার্কেট তৈরির বিশাল কর্মযজ্ঞ। অপর একটি সাইন্ডবোর্ডে জমির মালিক নিগার সুলতানা, মাতা মরহুমা ফরিদা বেগম এবং জমির পরিমার ২৬ শতাংশ দেখানো হয়। তবে নিজস্ব জমির পাশাপাশি ’ক’ তফশিলভুক্ত খাস জমি এবং সামনের সড়ক ও জনপদের অন্তত ৪০ ফুট জায়গা দখল দিয়ে চলছে নির্মান কাজ। ইতোমধ্যে সরকারি জমি থেকে কর্তন করা হয়েছে একটি ছায়াবান কদমগাছ ।

ফুলতলা বাজারের ১৮নং দামোদর মৌজার খুলনার মিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃতঃ আমিরুল ইসলামের স্ত্রী নিগার সুলতানা তার মাতা দামোদরের বাসিন্দা মরহুমা ফরিদা বেগম এর নিকট থেকে পাওয়া জমিতে সম্প্রতি মার্কেট নির্মানের কাজ শুরু করেন। কাজের সার্বিক দেকভাল করছেন তার পুত্র ববি (৪২)। খুলনা যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন (ফুলতলা বাসষ্টান্ডের পশ্চিমপার্শ্বে ) সড়ক ও জনপদের অন্তত ৪০ ফুট জায়গা দখল করে নির্মান কাজ করা হচ্ছে। ঐ জমিতেই থাকা পথচারীর ছায়াদানকারী কদমগাছটি দখলদারেরা কেটে নেয়। এছাড়া দামোদর মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ২৩/১০৭৬ নং দাগের ৬ শতাংশ সরকারি খাস জমি দখলে নিয়ে মার্কেট নির্মান হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারি জমি দখলের বিষয়টি জানতে চাইলে মুঠোফোনে নিগার সুলতানা ও তার পুত্র ববি বলেন, সড়ক ও জনপদের জমি যার জমির সামনে থাকে সেই সেটা ভোগদখল করে সেই ধারাবাহিকতায় আমরাও করেছি। আমাদের জমিতে নির্মান কাজের অসুবিধা হওয়ায় কদমগাছটি কেটে ফেলা হয়েছে। সরকারের ’ক’ তফশিলভ‚ক্ত খাস জমি দখলের বিষয়টিও স্বীকার করে নিগার সুলতানার পুত্র ববি বলেন, আমাদের জমিতে খাস জমি থাকতে পারে, সরকারের প্রয়োজনে সেটা ছেড়ে দেয়া হবে। অপরদিকে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) বলেন, সরকারি খাস জমি দখল করে মার্কেট নির্মানের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। কোন ব্যক্তি এ ধরনের কাজ করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন বলেন, শুধু সরকারের খাস জমি নয়,আশপাশের আরো কয়েকজনের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। খুব শীঘ্রই সরকারি জমি উদ্ধার এবং মালিকানা জমির বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।

আনোয়ারায় হু হু করে বাড়ছে করোনা,স্বাস্থ্যবিধি সবার কাছে ডেমক্যায়ার

এম.এম.জাহিদ হাসান হৃদয় ( আনোয়ারা, চট্টগ্রাম ): চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বানের পানির মতো হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দিনের পর দিন বাড়ছে করোনা রুগীর সংখ্যা তবুও স্বাস্থ্যবিধির বলাই নেই মানুষদের মাঝে। এই পরিস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট,রেস্তোরাঁ,শপিং মল,যানবাহন দেখলে মনে হয় করোনা এখন তাদের কাছে ডেমক্যায়ার।

আনোয়ারা উপজেলায় এই মহামারীর ছোবল থেকে  পুলিশ সদস্য, স্বাস্থ্যকর্মী, সরকারি কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষসহ রক্ষা পাইনি কেউ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে বাহিরে কর্মরত চাকরিজীবিদের মাঝে শনাক্তের পরিমাণ বেশি দেখা যাচ্ছে। এবং উপজেলার শিল্পজোন এলাকা কাফকো, বন্দর, বৈরাগ, চাতরী, বরুমছড়া এসব জায়গায় করোনার প্রক্ষোপটা বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক পরিসংখ্যানে  দেখা গেছে গত ১৫ এপ্রিল  থেকে  ২রা মে পর্যন্ত এই  ১বছর ১৭দিনে  আনোয়ারায়  করোনা রোগী সনাক্ত  ৪৮২জনে দাঁড়িয়েছে ।

তারমধ্যে শুধু মাত্র গত এপ্রিলে ৫০২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৬০ জনের দেহে করোনার বিষ শনাক্ত হয়ে গড়েছে সর্বোচ্চ করোনা রুগী শনাক্তের রেকর্ড।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তথ্য মতে , সর্বশেষ গত ২রা মে ৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে তার মধ্যে নতুন শনাক্ত হয় ৮ জন ।  এই পর্যন্ত সর্বমোট ৩৩৭১ জনের নমুনা পরীক্ষায় মোট শনাক্ত দাড়িয়েছে ৪৮২ জনে , গত ২ তারিখের রিপোর্ট মৃত্যু-০ , এই পর্যন্ত আনোয়ারা উপজেলায় কোভিড-১৯ এ সর্বমোট মৃত্যু হয় ৪জনের।

অপর দিকে  করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণে আনোয়ারাবাসী মধ্যে ছিলো বেশ উৎসব মুখর। আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে
প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছে-১১৯৫৯  জন,
দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছে-  ৮৪২৭ জন.
আজ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত,
প্রথম ডোজ টিকা স্থগিত রয়েছে ।
দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ১৫৫ জন।

করোনার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু জাহিদ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন , পহেলা এপ্রিল থেকে ৩০এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫০২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিলো তাদের মধ্যে ১৬০ জন পজেটিভ এসেছে। শতকরা হিসেবে তা প্রায় ৩১ শতাংশ । এই পর্যন্ত ৩৩৭১জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে । যার মধ্যে  ৪৮২ জনের পজেটিভ এসেছে । যেহেতু  আনোয়ারায় সংক্রমণের সংখ্যা কম বেশি বেড়ে চলেছে  সেহেতু  করোনার বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
তিনি আরো বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এই বছর যেহেতু সংক্রামনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেহেতু সকলকে স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করতে হবে । বিশেষ করে সকলকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখে চলাফেরা করতে হবে  এবং মাস্ক পরিধান ও বাইরে থেকে এসে সাবান , স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণু মুক্ত করতে হবে। সচেতনতায় এক মাত্র অবলম্বন।