ফুলতলায় রাজীব ভুঁইয়া ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ফুলতলা (খুলনা) অফিসঃ ফুলতলায় রাজীব ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন আয়োজিত খুলনা ওয়াশা কর্তৃক ফুলতলা থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ভূর্গস্থ পানি নেয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও তরুণ শিল্পপতি মোহাম্মাদ জহির উদ্দিন রাজীব। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক অনুপম মিত্রের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামান, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা শেখ আ: রশিদ, প্রেসক্লাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ^াস, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ নেছার উদ্দিন, বণিক কল্যাণ সোসাইটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আলম মোড়ল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হোসেন নাইস, যুবলীগ নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম মোল্যা, শেখ মনিরুল ইসলাম, এ্যাড. আব্দুল কায়ুম নয়ন, ইমরুল কায়েস নিতু, রমজান আলী মিন্টু, জি এম ইমদাদুল হক মিটুল, রেজোয়ান হোসেন রেদো, সুমন সরদার, জিল্লুর রহমান প্রমুখ। পরে মোঃ হযরত আলীর পরিচালনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরায় পরকীয়ার জেরে যুবক খুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : পরকীয়ার জেরে এক দিনমজুরকে গলায় ডিশ লাইনের তার পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে সাতক্ষীরা সদরের বকচরা গ্রামের আফছার আলীর পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের নাম আলমগীর হোসেন (২২)। তিনি সাতক্ষীরা সদরের বকচরা পশ্চিমপাড়ার মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই পরিবহন শ্রমিক মহিবুল্লাহ মোবাইল ফোনে জানান, তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বালিয়াডাঙা গ্রামের জনৈক আব্দুল জলিলের স্ত্রীর পরকীয়া ছিল। এ নিয়ে বিরোধও হয়েছে কয়েক বার। ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়ার জেরে তার ভাইকে গলায় তার পেচিয়ে শ্ব্সারোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন নিহতের মা সুফিয়া খাতুনের বরাত দিয়ে জানান, আলমগীর বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় চা খাবার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এর পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। ভোরে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে গ্রামবাসী পুলিশে খবর দেয়। তিনি আরও জানান, একটি পরকীয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

লকডাউনে শিক্ষক অমিত এখন ফুটপাতের সবজি বিক্রেতা

মুকুল রায়: বিএ বিএড পাশ অমিত সাহা জয় এখন ফুটপাতের সবজি বিক্রেতা। জয় স্যার নামে যিনি পরিচিত এক মুখ। প্রতিদিন সবজি নিয়ে বসেন নগরীর সিমেট্রি রোডের সাহেবের কবরখানার সামনে। শিক্ষিত যুবক অমিতের ছিল নিজের প্রতিষ্ঠান। শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেন স্কুল। করোনার কারণে লকডাউনে বন্ধ রয়েছে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিদ্যানিলয় কিন্ডারগার্টেনটি। এক বছরের বেশি সময় আয় রোজগার নেই তার। রয়েছে পরিবার, রয়েছে প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখার খরচ। তাই বাধ্য হয়েই এখন সবজি বিক্রি করে কিছুটা আয়ের চেষ্টা করছেন অমিত। স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে এখন চলছে অমিতের অন্য সংগ্রাম।
শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড আর শিক্ষক তার চালিকা শক্তি। কিন্তু অদৃশ্য শক্তি কোভিড-১৯ সেই শিক্ষা ও শিক্ষককে আজ করেছে মেরুদণ্ডহীন! প্রায় ২১ বছর পূর্বে অমিতের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যানিলয় কিন্ডারগার্টেনটি এখন তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। মৃত্যু ঘটতে বসেছে একজন শিক্ষকের লালিত স্বপ্নের। গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণায় বিদ্যানিলয় কিন্ডারগার্টেনটি প্রায় ১৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থী নিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। প্রথম দফায় ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন থাকলেও পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সরকার দফায় দফায় লকডাউনের সময়সীমা বাড়াতে থাকেন। অমিতও সোনালি দিনের আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন। দিন গড়িয়ে মাস, বছর শেষে নতুন বছরে আবারও স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। চলতি বছরের শুরুতে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো থাকলেও মার্চের মাঝামাঝি করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় সরকার আবারও লকডাউনের ঘোষণা দেন। অমিত নিরুপায় হয়ে ধার করে টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠান ধরে রাখতে ও সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে নেমে পড়েন সবজি বিক্রি করতে। সোনাডাঙ্গার সবজি আড়ত থেকে সবজি কিনে নগরীর সিমেট্রি রোডে সাহেবের কবরখানার সামনে ফুটপাতে বসে বিক্রি করেন বিভিন্ন সবজি। গতকাল রাতে সরজমিনে দেখা যায় তিনি ফুটপাতে বিভিন্ন রকমের সবজি নিয়ে বসে আছেন। তিনি এই প্রতিবেদককে অশ্রুসিক্ত নয়নে, ভাঙা কন্ঠে বলেন, শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়েও অত্যন্ত নিরুপায় হয়ে ফুটপাতে সবজি নিয়ে বসেছি। গত এক বছরের বেশি সময় বেকার থেকে মুক্তি পেতে ও প্রতিষ্ঠানকে ধরে রাখতে তিনি এ ব্যবসায় নেমেছেন। যদিও এ ব্যবসা থেকে যেটুকু আয় হচ্ছে তা দিয়ে প্রতিষ্ঠান ভাড়া ও নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অমিতকে। কথা প্রসঙ্গে জানা যায় তিনি বিএ বিএড পাশ করে ২০০০ সাল থেকে নগরীর ফুল মার্কেটের অদূরে বিদ্যানিলয় কিন্ডারগার্টেনটি সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা ব্যয় করছেন। আপনি কেন প্রতিষ্ঠানটি ছাড়ছেন না, এমন প্রশ্নে স্মৃতি বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, এটি তার স্বপ্নের, ভালো লাগার, ভালোবাসার প্রতিষ্ঠান। তিনি প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তে চান না। আঁকড়ে রাখতে চান তার লালিত স্বপ্নকে। ফিরে পেতে চান সেই দিনগুলো, যেখানে মুখর হয়ে থাকবে তার প্রতিষ্ঠান কচিকাঁচাদের কোলাহলে। কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের খুলনার মুখপাত্র মাজারুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমাদের টিকে থাকাটা দ্বায় হয়ে পড়েছে। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বেকার হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারি। প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিতে দিতে আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। তিনি আরও জানান, গত বছর খুলনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আমরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা ও সহযোগিতা পাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে আমাদের আশানুরূপ কোনো ব্যবস্থা করা হয় নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী কিন্ডারগার্টেনের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে কোনো না কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অন্যথায় দুর্দশার সীমা থাকবে না। গ্রীনলীফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ জেসমিন নাহার বলেন, কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর দুর্দশার চিত্র প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না। বিধায় আমরা চরম হতাশায় ভুগছি এবং কোনোরূপ সরকারি সহযোগিতা পাচ্ছি না। তিনি করোনাকালীন সময়ে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে সাংবাদিকদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে এডিসি শিক্ষা সাদিকুর রহমান বলেন, কিন্ডারগার্টেনের জন্য সরকারি কোনো প্রণোদনা বা অনুদান এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে আসে নি। তবে আগামী মিটিং এ বিষয়টি উত্থাপন করব। ইতোমধ্যে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুধু অমিত সাহা নয়, সহস্র-লক্ষ কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক ও শিক্ষকদের মনের আকুতি ফিরে আসুক সেই ফেলে আসা সোনালি দিনগুলো। মুক্তি পাক অদৃশ্য জীবাণুর হাত থেকে গোটা বিশ্ব। অবাধ বিচরণ ঘটুক কোমলমতি শিশুদের।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অবৈধ নিয়োগের তদন্তকাজ শুরু হচ্ছে আগামী রোববার

ঢাকা অফিস:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিদায়ী উপাচার্য এম আবদুস সোবহান তাঁর মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে (গতকাল বৃহস্পতিবার) মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূতভাবে যে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন, তার তদন্তকাজ শুরু হচ্ছে আগামী রোববার থেকে। তদন্তকাজের জন্য কমিটি ঈদের আগেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা তদন্ত কমিটির প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

চার সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা হলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো.আবু তাহের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জাকির হোসেন আখন্দ এবং সদস্যসচিব ইউজিসির পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) মোহাম্মদ জামিনুর রহমান। গতকাল এই কমিটি করা হয়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী রোববার প্রথম কর্মদিবস শুরু। এই কমিটি অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করবে।

কমিটি গঠনের আদেশে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদায়ী উপাচার্য আবদুস সোবহানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ইতিমধ্যেই ইউজিসি তদন্ত করেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ কার্যক্রমসহ আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিতও হয়। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখতে উপাচার্যকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করে উপাচার্য তাঁর মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূতভাবে জনবল নিয়োগ করেছেন বলে মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য তাঁর শেষ কর্মদিবসে বিভিন্ন পদে ১৪১ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে (এডহক) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়ে গতকাল সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে ।

তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলে দিয়েছে এই নিয়োগ অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত । সুতরাং তাঁদের কাজটি সহজ হবে । শুধু দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশ করবেন তাঁরা ।

বিদায়ী উপাচার্য আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের মে মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এই মেয়াদে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, নীতিমালা শিথিল করে এবং অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তাঁর মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। উপাচার্যের বাসভবনে ওঠার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি বাসা দখলে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি করেন। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম করেছেন । ইউজিসির তদন্তেই এসব অভিযোগের সত্যতা মেলার পর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য গত ডিসেম্বর মাসে ১২টি পৃথক নোটিশ দিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিল মন্ত্রণালয়।

এর সামান্য কিছু ব্যবস্থা হলেও মোটাদাগে বড় অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং শেষ দিনেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে নিয়োগ দিয়ে গেলেন তিনি। এ নিয়োগ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও কর্মচারীদের সঙ্গে রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

ইউজিসির একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, যদি তদন্তের ভিত্তিতে আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে হয়তো উপাচার্য শেষ দিনে এমন খারাপ নজির সৃষ্টির সুযোগ পেতেন না ।