ফুলতলায় খাস ও পেরিফেরী জায়গায় নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ নোটিশের প্রতিবাদে বণিক কল্যাণ সোসাইটির সাংবাদিক সম্মেলন

তাপস কুমার বিশ্বাস, ফুলতলা অফিসঃ ফুলতলা বাজার বণিক কল্যাণ সোনাইটির সভাপতি রবিন বসু বলেছেন, খুলনার ঐতিহ্যবাহি ফুলতলা বাজারে অভয়নগর ও ফুলতলা এলাকার প্রায় ৫ হাজার ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। যাদের মধ্যে অধিকাংশ দোকানদারের পৈত্রিকসুত্রে রেকর্ডভুক্ত জমি রয়েছে এবং অনেকেরই রেকর্ডভুক্ত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে। এমতবস্থায় গত ২৮/০৪/২০২১ ইং তারিখে ফুলতলা বাজারের আনুমানিক ৩’শ ব্যবসায়ীকে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের পক্ষ থেকে এক নোটিশ প্রদান করা হয়। ঐ চিঠিতে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সরকারি খাস খতিয়ানের ও পেরিফেরীভুক্ত ৮.৮৬ একর জমির উপর স্থাপিত ভবন ও দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। করোনা মহামারীতে দেশজুড়ে ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থাবিরতা এসেছে। ব্যবসীরা ব্যাংক, এনজিও, সমিতিসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে দায় দেনায় জর্জরিত। ফলে মন্দা ব্যবসা নিয়ে ব্যবসায়ী পরিবার অর্থাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। ঠিক এমনই সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ নোটিশ মরার ওপর খাড়ার ঘা’র শামিল। অবিলম্বে ব্যবসায়ীদের ব্যক্তি মালিকানার জমি, খাস খতিয়ান, পেরিফেরী ও ভিপি তালিকা ভুক্ত থেকে অবমুক্ত না করা হলে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে।

সোমবার দুপুর ১২ টায় ফুলতলা বাজার বণিক কল্যাণ সোসাইটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আসলাম খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক ফারাজী, সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মনির হাসান টিটো, সহসভাপতি ও প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাঈদ আলম মোড়ল, সাবেক নেতা এস কে মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব আলম মিঠু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হোসেন নাইস, ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার রকিবুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের, কোষাধ্যক্ষ কবির জমাদ্দার, ব্যবসায়ী দুলাল অধিকারী, আঃ রহমান মিলন, রমেশ চন্দ্র কুন্ডু, আনিছুজ্জামান মোল্যা, জাহাঙ্গীর হোসেন মোড়ল, সোসাইটির সদস্য মোঃ আল আমিন শেখ, আনিসুল ইসলাম মিন্টু, মোল্যা ইলিয়াস হোসেন, জুলহাস আহম্মেদ (জুলু), আঃ সাত্তার রানা জমাদ্দার, মোশাররফ হোসেন বিপ্লব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস বলেন, ফুলতলা বাজারের খাস খতিয়ানভুক্ত ও পেরিফেরী জায়গায় অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদের জন্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এবং খুলনা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে নোটিশ জারি করা হয়েছে। তবে তারা সে নির্দেশনা অমান্য করায় এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চট্টগ্রাম নগরীতে আমেরিকা প্রবাসীকের হত্যা হুমকির হিন্দুর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে আমেরিকা প্রবাসীকের হত্যা হুমকির হিন্দুর সম্পদ দখলের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আজ ১০ মে সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অসহায় আমেরিকা প্রবাসী পুলিন মল্লিক।

সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী পুলিন মল্লিক জানান, আমি আমেরিকা প্রবাসী। সেখান থেকে আমি আমেরিকা-বাংলাদেশে গার্মেন্টস ব্যবসা করে আসছি।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার বিদেশ থাকার সুবাদে এক শক্তিশালী প্রতারক চক্র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খুলশী থানাধীন দক্ষিণ পাহাড়তলী মৌজার আমার ক্রয়কৃত সম্পদ দখল করে আমাকে হত্যার হমকি দিচ্ছে।

তিনি আরো জানান আমি নিরুপায় হয়ে আমেরিকান এম্বেসিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর আমাকে এম্বেসি থেকে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট পাঠানো হলে আমি মন্ত্রী মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করলে মন্ত্রী মহোদয় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে ব্যবস্থা গ্রহনের নিদ্দের্শ প্রদান করার প্রতারক চক্র আমার ক্রয়কৃত ভূমিতে অবৈধ ভাবে গৃহ নির্মাণ বন্ধ রাখেন।
বর্তমানে প্রতারক চক্রের হুমকীতে আমি শংকিত আমাকে যে কোনো সময় হত্যা করে আমরা সম্পত্তি দখল করতে পারে।
এ বিষয়ে খুলশী থানার ওসি মো: শাহিনুজ্জমান জানান বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ আদালতে মামলা করেছে। আদালতের নির্দ্দেশে স্থিত অবস্থা বজায় রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পুলিন মল্লিক বলেন

সংবাদ সম্মেলনে পুলিন মল্লিক জানান, আমি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। দীর্ঘ দিন যাবৎ অত্যন্ত সুনামের সাথে গার্মেন্টস ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি বর্তমানে আমি আমেরিকা প্রবাসী। এবং সেখান থেকে বাংলাদেশে গার্মেন্টস ব্যবসা করে আসছি। আমি এ সম্পর্কে আপনাদের অবহিত করতে চাই যে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খুলশী থানাধীন দক্ষিণ পাহাড়তলী মৌজার আর.এস. ৩২২ নং খতিয়ানের ১২২৫ দাগের মোট- ৫.১২ একর সম্পত্তির মধ্যে উক্ত সম্পত্তির সহ অংশীদার আমজাদ আলী, পিতা- মৃত ওসমান আলী অন্যান্য সহ অংশীদারগণের সাথে আপোষ বিভাগ মতে ১.২৮ একর সম্পত্তি প্রাপ্ত হন। অতঃপর তিনি ২৩/১২/১৯৪৮ ইং তারিখের ৪৫৯১ নং বিক্রি কবলা মূলে তার সমুদয় সম্পত্তি মৌলভী আবদুর রহমান ও মৌলভী গোলামুর রহমানের বরাবরে বিক্রয় পূর্বক তাদের কাছে দখল হস্তান্তর করেন। তৎপরবর্তীতে মৌলভী গোলামুর রহমানের মৃত্যুতে তার স্বত্বাংশ তার স্ত্রী জোবেদা খাতুন ও দুই পুত্র এ.এইচ. আবদুর রহমান ও ফয়জুর রহমান ইসলামী ফরায়েজ মতে প্রাপ্ত হন তাদের নামে বি.এস. জরিপের ৪৮৭ নং খতিয়ান শুদ্ধভাবে প্রচার আছে এবং তারা সন সন সরকারী খাজনা পরিশোধে ভোগদখলে থাকেন। তৎপর উক্ত জোবেদা খাতুন গং বর্ণিত সম্পত্তি শাসন সংরক্ষণ সহ হস্তান্তর কার্য সম্পাদন করার জন্য বিগত ২৩/০১/১৯৮৪ ইং তারিখে রেজিস্ট্রার্ড আমমোক্তারনামা মূলে ডাঃ ফরিদ আহমদ চৌধুরীকে আমমোক্তার নিয়োগ করেন তৎপর আমি বিগত ২৪/০৭/২০০১ ইং সনে রেজিস্ট্রিকৃত ৪৩৯৭ নং খরিদা কবলা মূলে আর.এস. ৩২২ নং খতিয়ানের আর.এস. ১২২৫ দাগের সামিল বি.এস. ৪৮৭ নং খতিয়ানের বি.এস. ৩৮০১ দাগের আন্দরে ১২ শতক বা (৬ গন্ডা) সম্পত্তি খরিদ করি এবং তার দান গ্রহণে তৎপর উক্ত খরিদকৃত সম্পত্তির চতুর্দিকে পাকা বাউন্ডারী দেওয়াল নির্মাণ করে ভোগদখলে স্থিত থাকি ও রয়েছি। বর্ণিত সম্পত্তির নামজারী করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি), আগ্রাবাদ সার্কেল চট্টগ্রাম নামজারী মামলা নং- ৩-০৯৯১/০৩ রুজু করলে এবং আমার নামে বি.এস. নামজারী জমাভাগ ৪৮৭/৬৯ নং খতিয়ান সৃজিত হয়। অতঃপর উক্ত সম্পত্তি ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঋণ গ্রহণের জন্য বিগত ১১/০৩/০৯ ইং সনে এন.সি.সি. ব্যাংক, জি.ই.সি শাখায় আমি বন্ধক প্রদান করি আবার ঋণ পরিশোধান্তে অবমুক্তও করি। বিগত ২০১৪ ইং সনে উক্ত সম্পত্তির খাজনা পরিশোধ করতে গেলে জানতে পারি যে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অন্যায়ভাবে কোন নোটিশ না দিয়ে আমার নামীয় নামজারী খতিয়ান বিগত ০৫/০৯/২০১২ ইং তারিখের আদেশে বাতিল করেন।
উক্ত বিষয় জানতে পেরে আমি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), চট্টগ্রাম আদালতে নামজারী আপীল-৩৯১/২০১৪ নাম্বারের মামলা রুজু করি তৎপরবর্তীতে উক্ত আপীল মামলা শুনানীক্রমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), চট্টগ্রাম আমার নামজারী খতিয়ান পুনঃ বহালের আদেশ দেন। আমি খরিদকৃত সম্পত্তির খাজনা ২০০৬ ইং সন থেকে সর্বশেষ ২০২০ ইং সন তথা ১৪২৬ বাংলা সন পর্যন্ত পরিশোধ করে দাখিলা প্রাপ্ত হয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিন মল্লিক জানান, মিসেস পারভীন জাহান খানম, স্বামী মোঃ এমদাদুল ইসলাম বর্তমানে খুলশী হিল, রোড নং-১, খুলশী আমার আমেরিকা থাকার সুযোগ নিয়ে আমার আমমোক্তার/ কেয়ারটেকার মোহাম্মদ জিয়াউল হককে বিগত ১০/০১/২০১৭ ইং তারিখে জোরপূর্বক বেদখল করে আমার স্বত্বীয় দখলীয় সম্পত্তিতে জোর-আটকীভাবে সিডিএর পূর্ব অনুমোদন ব্যাতিরেকে বহুতল বিশিষ্ট পাকা বিল্ডিং নির্মাণের কাজ শুরু করে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্তিতে দ্রুত দেশে এসে আমি জবরদখলকারী ব্যক্তিনীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রতিকার প্রার্থনায় যুগ্ম জেলা জজ, দ্বিতীয় আদালত, চট্টগ্রামে অপর মামলা- ১১১/২০১৭ দায়ের করি উক্ত মামলায় নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত বিবাদীর উপর কারণ দর্শানোর নোটিশ জারী করে। কিন্তু বিবাদী উক্ত মামলায় হাজির না হয়ে কোন কারণ না দর্শিয়ে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখে। উক্তরূপ অবস্থায় অধীন জবরদখলকারী পারভীন জাহান খানম এর বিরুদ্ধে মূখ্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮ মতে পিটিশান মামলা নং- ৬২/২০২০ দায়ের করি উক্ত মামলায় আদালত নালিশী সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। উপরন্তু পারভীন জাহান খানম উক্ত আদেশ ক্রমাগত ভাবে অমান্য করতে থাকলে অধীন বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে পুনঃ নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত দাখিল করলে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালত, চট্টগ্রাম বিগত ১৪/১২/২০২০ ইং তারিখে নালিশী সম্পত্তির আকার, আকৃতি ও প্রকৃতি পরিবর্তন না করার জন্য বিবাদী পারভীন আক্তার খানমের বিরুদ্ধে এক স্থিতিবস্থার আদেশ প্রচার করে উক্ত নিষেধাজ্ঞার নোটিশ বিবাদীর উপর জারীও হয়। তথাপি বিজ্ঞ আদালতের আদেশ লংঘন/ অমান্য করে আমার জবরদখলকৃত সম্পত্তিতে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখে। অতঃপর অধীন উক্ত বিষয়াবলী উল্লেখ পূর্বক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌঃ কার্যবিধি আইনের ১৪৫ ধারা মতে ৪০১/ ২০২১ইং মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত স্থানীয় খুলশী থানায় নালিশী সম্পত্তি সংক্রান্তে শান্তি শৃঙ্খলা ও স্থিতিাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিন মল্লিক জানান, নিজের সম্পত্তি উদ্ধার ও রক্ষায় আমি আমার আইনগত প্রয়াাস একাদিক্রমে চালিয়ে আসতে থাকায় মিসেস পারভীন জাহান খানমের স্বামী অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম আমার উপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছে এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকতার পরিচয়ে নানান প্রভাবশালী মহলের সাথে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখে নানানপক্ষে হুমকি দিয়ে চলেছে। সে এই মর্মে অব্যাহত হাকাবাঁকা করছে যে, আমি যদি মামলা নিয়ে এগিয়ে যায় অথবা আমার সম্পত্তি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করি তাহলে সে তার সাথে থাকা খুনীদের, গুন্ডাদের লেলিয়ে দিয়ে আমাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে অথবা আমার উপর যে কোন সময় আক্রমণ চালিয়ে আমাকে পঙ্গু করে ফেলবে, গার্মেন্টস ব্যবসা কি করে করি তা দেখিয়ে নেবে, প্রয়োজনে নানান মিথ্যা মামলা মকোদ্দমায় জড়িয়ে আমাকে হেনস্থা করবে। জনসমক্ষে বেইজ্জত করবে। তার ক্রমাগত অব্যহত হাকাবাঁকায় আমি ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছি এবং যে কোন সময় তার হাতে নানান অনর্থের আশংঙ্কা করছি। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছি। আজকের এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলামের অন্যায় জবরদখল থেকে আমার সম্পত্তি উদ্ধার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।