বাড়িতেই এলাচ চাষ করে মাসে ইনকাম করতে পারেন লাখ টাকা জেনে নিন কিভাবে

কৃষি সংবাদঃ আজ আমরা আপনাকে তেমনই একটি মশলা সম্পর্কে জানাতে চলেছি। আজ আমরা আপনাকে এলাচ সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। এলাচ খুবই সুস্বাদু একটি মসলা এবং এর এই স্বাদ অন্য সমস্ত মশলা কে পেছনে ফেলে দেয়। তবে আপনি কি জানেন আপনি বাড়িতে এলাচ গাছ লাগাতে পারবেন বা আপনার যদি জমি থাকে তাহলে সেখানে এলাচ চাষ করতে পারবেন? এলাচ চাষ করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা যাবে। কারণ বাজারে কয়েক গ্রাম এলাচের দাম কয়েক শো টাকা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এলাচ মিষ্টান্নের গন্ধ এবং স্বাদ বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। চিকিৎসকরা বিশ্বাস করেন যে নিয়মিত এলাচ খেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ হয়। বীজ কেনার পরে জমিতে ১০ সেমি দূরত্বে বীজগুলি বপন করুন। এছাড়াও মনে রাখবেন যে এক হেক্টরে এক থেকে দেড় কেজি বীজ ব্যবহার করা উচিত।
এগুলো ছাড়াও যদি আপনি উদ্ভিদ নিতে চান তবে আপনি কাছাকাছি নার্সারি থেকে এলাচ গাছ নিতে পারেন।‌‌ গাছগুলি আপনি সরাসরি জমিতে লাগাতে পারেন। তবে বপনের সময় আপনাদের অনেক কিছুই মাথায় রাখতে হবে। জুলাই মাসে এলাচ গাছ রোপন করা উচিত কারণ এই মরসুমে বৃষ্টি ভালো হয় তাই জল দিতে হয় না। ছায়াময় জায়গায় এলাচ গাছ লাগাতে হবে।
গাছগুলি সরাসরি সূর্যের আলোতে এলে শুকিয়ে যাবে। এলাচ গাছে প্রচুর পরিমাণে জল লাগে তাই সময় সময় জল দিতে থাকুন। সাধারণত আমরা দুটি জাতের এলাচ দেখতেপাই একটি ছোট এলাচ এবং অন্যটি বড় এলাচ। এলাচের রোপনের পড়ে ফলের জন্য দীর্ঘ ৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়। এক হেক্টরে শুকনো এলাচ প্রায় ১৩০ থেকে ১৫০ কেজি উৎপাদন হয়। বাজারে এলাচের বর্তমান দাম প্রতিকেজি ২০০০ টাকা ‌এজাতীয় পরিস্থিতি খুব স্বাচ্ছন্দে এলাচ চাষ থেকে আপনি বার্ষিক তিন লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। শুধু আপনার যেটা কাজ সেটি হলো ভালো যত্ন নেওয়া।

করোনায় মৃত্যু নাটক, ২৪ ঘন্টা কফিন বন্দী হয়ে দেখলেন মৃত্যুর পর কেমন লাগে

আর্ন্তজাতিকঃ ‘জন্মিলে মরিতে হবে’ আমরা প্রত্যেকে এই কথাটির সাথে অবগত। যখন কেউ মারা যায় লোকেরা তার শোকসভার আয়োজন করে এমনকি বৈষ্ণব সেবা ও দেন। আপনার এই যাত্রায় আপনার অনেক আত্মীয় এবং পরিচিত জন এসে চোখের জল ফেলে। কিছু ব্যক্তিরা শেষ মুহূর্তে আপনার সাথে দেখা করতে আসবে তাদের আচরণে মনে হবে তারা আপনার জন্য কতটা যত্নবান।
তবে বিষয়টি হলো আপনি যখন মারা যাবেন আপনি কিভাবে জানলেন যে আপনার জন্য কত জন কেঁদেছেন? কতজন এসেছে আপনাকে শেষ দেখা দেখতে? এই কথাটিতে অনেকেই হয়তো সহমত দেবেন যে সবারই এই কৌতুহল টি থেকেই থাকে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে চিলিতে। চিলির ৫৯ বছর বয়সী বাসিন্দা মাইরা আলোনজো তার মৃত্যুর ভান করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিলেন।
মাইরা ৪ ঘন্টা কফিনে মারা যাওয়ার ভান করেছিলেন। সমস্ত আত্মীয়-স্বজন মাইরার শেষ যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন। মাইরা যখন বুঝতে পারে যে অনেক লোক তার সাথে দেখা করতে এসেছে তখন তিনি হঠাৎ কফিন থেকে উঠে বসলেন। প্রত্যেকে তাকে দেখে হতবাক হয়ে যায়। তারপর মাইরা সবাইকে তার মিথ্যা মৃত্যুর নাটকের কথা জানায়। তারপরে তিনি সমস্ত আত্মীয় স্বজনের সাথে জোরদার পার্টি ও করেন।
মাইরা তার নকল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য প্রায় ১ লাখ টাকা ব্যয় করেছিলেন। এর জন্য তিনি একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার ভাড়া করেছিলেন যিনি মাইরা শেষ যাত্রায় আগত সমস্ত আত্মীয়দের ছবি তুলবেন। আসলে এই সমস্ত কিছু করার পিছনে মাইরার আরেকটি বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল। তিনি দেখতে চেয়েছিলাম যে তিনি যদি মারা যান তবে কারা তার শেষ যাত্রায় আসেন এবং চোখের জল ফেলেন।
অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনাটি সম্পর্কে লোকেরা জানতে পেরে বেশ অবাক হয়েছেন। কিছু লোক মাইয়ারে ধারণা বেশ পছন্দ করেছেন আবার কেউ এর নিন্দা করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন যে ‘এটি দুর্দান্ত ধারণা। আমিও চেষ্টা করব এরকম কিছু করার।’ যাইহোক মাইরার ধারণাটি আপনার কেমন লেগেছে আপনি কি কখনো এরকম কোনো কিছু ট্রাই করতে চান?

ফুলতলায় পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাথে বেলা’র মতবিনিময় সভা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ খুলনা ওয়াশা কর্তৃক ফুলতলা থেকে ভ‚গর্ভস্থ পানি ২৫টি বুষ্টার পাম্পের মাধ্যমে উত্তোলন ও পাইপ যোগে ২০ কিলোমিটার দুরে খুলনা শহরে টেনে নেয়ার প্রতিবাদে ফুলতলা উপজেলা পানি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ রোববার দুপুর ১২টায় বেলা’র খুলনার বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

কমিটির আহবায়ক কম. আনছার আলী মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ আকরাম হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খান, মৃনাল হাজরা, আবু তাহের রিপন, ফুলতলা প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ^াস, সহকারী অধ্যাপক মোঃ নেছার উদ্দিন, ডাঃ সরোজ কুমার সুর, শিক্ষক প্রদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, বিজয় কৃষ্ণ হালদার, ইকতিয়ার উদ্দিন সুমন প্রমুখ। পরে নেতৃবৃন্দ বুস্টার পাম্প এলাকাসমূহ পরিদর্শন করেন।

 

মোংলা বন্দরের সাবেক সিবিএ নেতা পল্টুর দুর্নীতির প্রমাণ পেলেও ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ!

আবু হোসাইন সুমন, মোংলা : কাজী খুরশিদ আলম পল্টু, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের দোদান্ড প্রতাপশালী এক সাবেক নেতা। কর্মরত আছেন বন্দরের হারবার কঞ্জারভেন্সী বিভাগে। সিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এই নেতা চাকুরীরত অবস্থায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে দীর্ঘ সময় বিদেশে থেকে আবার দেশে ফিরে বেতন-ভাতা উত্তোলনসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বন্দর কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার সত্যতাসহ প্রমাণও মেলে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
সাবেক সিবিএ নেতা পল্টুর বিরুদ্ধে গত ২০২০ সালে ৭ অক্টোবর তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এর আগে ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর তার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়।
নৌ পরিবহণ মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোংলা বন্দরে হারবার কঞ্জারভেন্সী বিভাগে শিপ মুভমেন্ট এ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকুরীরত পল্টু। চাকুরীতে থাকা অবস্থায় ছুটি না নিয়ে গত ২০১২ সালে ১৯ অক্টোবর থেকে ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত তিনি ইটালীতে অবস্থান করেন। সেখানে ১২৪ দিন থাকার পর দেশে ফিরে বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি গোপন করে অসুস্থ্যতার ভূয়া মেডিকেল সনদপত্র দেখিয়ে আবার চাকুরীতে ফিরেন এবং একই সাথে বিদেশী থাকা চার মাসেরও অধিক সময়ের বেতন ভাতাও উত্তোলন করেন তিনি।
এনিয়ে বন্দর এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনের দাবী উঠে। এরমধ্যেই তিনি হঠাৎ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (সিবিএ) নেতা বনে যান। নির্বাচিত হন সাধারণ সম্পাদক। নেতৃত্বের প্রভাব খাটিয়ে ওই ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন তিনি। পরবর্তীতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ে তার বিরুদ্ধে গত ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযোগ দেন বন্দর ব্যবহারকারী মোঃ হাবিবুর রহমান। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনাটি তদন্তের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল মোঃ শাহজাহানকে নির্দেশ দেন।
মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ পেয়ে চেয়ারম্যান শাহজাহান ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিকল্পনা প্রধান শেখ মাসুদউল্লাহকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটি অভিযুক্ত কাজী খোরশেদ আলম পল্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি চাকুরীরত অবস্থায় ছুটি না নিয়ে বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর তদন্ত কমিটি ঢাকার মালিবাগের ইমিগ্রেশন প্রশাসন থেকে পল্টুর বিদেশে যাওয়ার পাসপোর্ট ও ভিসা উদ্ধার করে এবং ২০১২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর হয়ে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার বিদেশ গমন ও ২০১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী দেশে ফেরার প্রমাণ পায়।
পরবর্তীতে তদন্তে তাকে পলায়নের দায়ে দোষী সাব্যস্থ করে তৎকালীন চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল মোঃ শাহজাহান বরাবরে অফিস আদেশের প্রেক্ষিতে গত ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারী প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।

তৎকালীন চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল মোঃ শাহজাহান তদন্ত প্রতিবেদনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বন্দরের পরিচালককে (প্রশাসন) তদন্ত প্রতিবেদনের নথি ফাইলে ফুটাপ দেওয়া হয়, এরপর আমি চট্রগ্রাম বন্দরে বদলী হয়ে আসি। বর্তমানে দায়িত্বরত চেয়ারম্যানই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন বলেন, সাবেক সিবিএ নেতা কাজী খুরশিদ আলম পল্টুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়েছে, চেয়ারম্যানের অনুমোদন পেলেই মামলা দায়ের করা হবে।
এদিকে সিবিএ নেতা থাকাকালীন পল্টুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। বন্দর কর্তৃপক্ষের ভূমি বরাদ্দ নীতিমালা তোয়াক্কা না করে বেআইনীভাবে বন্দর এলাকায় মার্কেট নির্মাণসহ স্বজনপ্রীতি করে আত্মীয়-স্বজনদের নামে বন্দরের বিভিন্ন ঠিকাদারী কাজ ভাগিয়ে নেন তিনি। এছাড়া বন্দরের নিয়োগ বাণিজ্য করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে খুলনাসহ বিভিন্ন জায়গায় জমি ও দামী গাড়ি কিনেছেন তিনি। এছাড়া সিবিএ নেতা থাকাকালীন ২০১৮ সালে পল্টু বন্দরের নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন খুলনাস্থ নৌ বাহিনীর স্কুল এন্ড কলেজে পরীক্ষা বানচালের জন্য হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ ঘটনায় তখন তার বিরুদ্ধে থানায় মামলাও হয়।
এ সকল বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী খুরশিদ আলম পল্টু বলেন, আপনাদেরকে আমি কেন বলবো? যা বলার তা কর্র্তৃপক্ষকে বলেছি।

ফুলতলায় প্রাইভেটকার ও ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ রোববার বেলা ১১টায় খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলার বেজেরডাঙ্গা এলাকায় প্রাইভেটকার ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ঘে ইজিবাইক চালক আবু তাহের নিহত ও অপর ৬ ব্যক্তি আহত হন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নওয়াপাড়াগামী ইজিবাইক অপর একটি ইজিবাইককে অতিক্রম করার সময় খুলনাগামী প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-খ-১২-২২৮১) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এ সময় রূপসার খাজাডাঙা গ্রামের আবু সাঈদের পুত্র ইজিবাইক চালক আবু তাহের শেখ (৫০), ইকবল হোসেন (৫০) তার স্ত্রী সাবিনা (৩৫) ও তাদের দুই মাস বয়সী সন্তান, অভয়নগর পায়রা গ্রামের মুনছুর আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০), রাজঘাট গ্রামের গোলাম রসুলের পুত্র রবিউল (৪৫) এবং পথচারী রাড়ীপাড়া গ্রামের দুলদুলের কন্যা আয়েশা খাতুন (৭) আহত হলে তাদেরকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে আহত আবু তাহের শেখ ও আয়েশা খাতুনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে পথিমধ্যে আবু তাহেরের মৃত্যু ঘটে। নিহত ইজিবাইক চালক আবু তাহের শেখের পকেটে তার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নগদ ২৫ হাজার ৩শ’ ২১ টাকা পাওয়া গেলে সেটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়। হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত ইজিবাইক ও প্রাইভেট কার জব্দ এবং ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বটিয়াঘাটায় গাঁজার গাছসহ আটক ১

খুলনা অফিস : খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে বটিয়াঘাটা থানা এলাকা থেকে গাঁজার গাছসহ একজন গ্রেফতার হয়েছে।
জলা ডিবি পুলিশ সুত্রে জানাযায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি টীম বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সূত্রে জানতে পারে যে এক ব্যক্তি তার বসতবাড়ীতে গাঁজা গাছের চাষাবাদ করেছে। বিষয়টির সত্যতা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে গত শনিবার রাতে বটিয়াঘাটা থানাধীন বাইনতলা (তলাপাড়া) গ্রামস্থ ধৃত আসামি মোঃ মাইনুর আকুঞ্জি ওরফে রুবেলকে তার বাড়ীর সামনে থেকে মোঃ মাইনুর আকুঞ্জি ওরফে রুবেল (৩৮), পিতা- শাহাজাহান আকুঞ্জি, সাং- বাইনতলা (তলাপাড়া), থানা-বটিয়াঘাটা, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার পূর্বক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে তার বসতঘরের পিছন হতে তার চাষাবাদকৃত ০১ (এক) টি গাঁজার গাছ, উচ্চতা অনুমান ৬ ফিট ৬ ইঞ্চি, কাঁচা গাঁজা গাছটির ওজন অনুমান ৩৪০ (তিনশত চল্লিশ) গ্রাম উদ্ধার পূর্বক ১৫/০৫/২০২১ তারিখ ১০.৫৫ ঘটিকার সময় জব্দতালিকা মূলে জব্দ করেন। উক্ত ঘটনায় উপরোক্ত আসামির বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক, জেলা ডিবি, খুলনা বাদী হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় মামলা নং- ০৪, তারিখ- ১৬/০৫/২০২১ খ্রিঃ, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১৮ (ক) দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ মাইনুর আকুঞ্জি ওরফে রুবেল (৩৮) এর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা, খুনসহ ডাকাতি মামলাসহ একাধিক মামলা আছে।