চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের অভিযানে ২১ মামলায় ৪হাজার ৬শ টাকা অর্থদণ্ড

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ছয়জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ২১ মামলায় ৪হাজার ৬শ টাকা অর্থদণ্ড এবং ২০০ মাস্ক বিতরণ করেন।অদ্য ১৭ মে সোমবার সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়ন করে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধ করার লক্ষ্যে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা নগরীর খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ০৮ টি মামলা দায়ের করে মোট ১৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় এবং মাস্ক বিতরণ করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান নগরীর বন্দর ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৪ টি মামলা দায়ের করে মোট ১৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন নগরীর চকবাজার ও বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ১ টি মামলা দায়ের করে মোট ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও সচেতনতার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষে মাস্ক বিতরণ করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্রতীক দত্ত নগরীর চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার সময় ৮ টি মামলা দায়ের করে ১১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং সচেতনতার পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করেন। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সন্ধ্যার পর থেকে আরও দুইজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ মাসুদ রানা ও জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে। এরই ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষ যেন স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালন করে সে লক্ষ্যে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফুলতলায় শিক্ষকপুত্র নাদিমের ভারতে ইন্তেকাল

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ ফুলতলার মৃতঃ মাস্টার মোরাদুল ইসলামের জেষ্ঠ্যপুত্র ও আলকা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নাদিম হোসেন (৪৫) সোমবার সকালে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২কন্যাসহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে যান। তার মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বণিক কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি রবীন বসু, সহসম্পাদক মোঃ সাঈদ আলম মোড়ল, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোরাদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী পলাশ ভুইয়া, আওয়ামীলীগ নেতা ইকতিয়ার উদ্দিন সুমন, টিটো ভুইয়া, শরীফুল ইসলাম মিকু, তুষার মোল্যা, মাসুদ রানা, শামীম জমাদ্দার, উজ্জ্বল কুন্ডু, শাহিনুল আলম, বাদশা মোল্যা, সেলিম হোসেন গাজী, আজু হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মামুন রেজা প্রমুখ। দীর্ঘদিন ধরে মোঃ নাদিম হোসেন কিডনী রোগে ভুগছিল।

ফুলতলায় ফের ট্রাক ও থ্রি-হুইলার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৮

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি: সোমবার সকাল ৯টায় খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলতলার নতুনহাট মন্দির এলাকায় ট্রাক ও থ্রি-হুইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে থ্রি-হুইলার যাত্রী রিন্টু (৪০) নিহত ও অপর ৮ ব্যক্তি আহত হন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যশোরমুখী দ্রুতগামী ট্রাকের (খুলনা-মেট্রো-ট -১১-০৮২১) সাথে খুলনাগামী রেজিষ্ট্রেশনবিহীন থ্রি-হুইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এ সময় থ্রি-হুইলার অপর একটি মটরসাইকেল (খুলনা-ল-১১-০৩৮৮) কে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় থ্রি-হুইলার দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে থ্রি-হুইলার চালক দৌলতপুরের সেনহাটি গ্রামের আঃ জব্বারের পুত্র তোতন (৩৫), যাত্রী যশোর সদরের শেখহাটি গ্রামের মতিয়ার রহমানের পুত্র রিন্টু (৩৬), ফুলতলার হাফরাস্তার এহের মোল্যার পুত্র আঃ রহমান (৩০), খুলনার তেরখাদার আঃ রাজ্জাক এর পুত্র জামাল (৩৫), তার পুত্র তাসনিম (৭), যশোর চৌগাছার রবিউল ইসলামের পুত্র ফয়সাল (৩০), অভয়নগরের সিদ্দিপাশার গ্রামের ইছাক হাওলাদারের পুত্র মামুনুল হক (৩০), মটরসাইকেল চালক ধূলগ্রামের রাজীব দত্ত (৩৫) আহত হলে তাদেরকে প্রথমে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে মটর সাইকেল চালক বাদে বাকি সবাইকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পথে রি›্টু মারা যান। হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দূর্ঘটনাকবলিত ট্রাক, থ্রি-হুইলার ও মটরসাইকেল জব্দ এবং লাশ মর্গে প্রেরণ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে হাইওয়ে থানার ডিউটি অফিসার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গতঃ গত রোববার বেলা ১১টায় ফুলতলায় অনুরুপ প্রাইভেট কার ও ইজিবাইকের এক সড়ক দূর্ঘটনায় ১ ব্যক্তি নিহত ও ৬ ব্যক্তি আহত হন।

চট্টগ্রামে সাজানো মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর অভিযোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে পটিয়ার এক ব্যাংক কর্মকর্তা ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসলে ঘর থেকে ডেকে নগরীতে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া মৌলভী হাট এলাকার আব্দুর রশীদের পুত্র সামশুল হুদা জিকু(২৬), বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক বগুড়া জেলার কাহালু শাখায় সহকারী অফিসার হিসেবে কর্মরত। বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা এলাকার এক মেয়ের সাথে ব্যাংক কর্মকর্তা সামশুল হুদা জিকুর সাথে ২০১৮ সাল থেকে সর্ম্পক। সর্ম্পকের কারণে তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো এবং ছবিও তুলেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের এক পর্যায়ে মেয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন জিকুকে। ব্যাংক কর্মকর্তা জিকু বিয়েতে রাজি হলেও বিয়ের বিষয়টি পরিবারের কাছে গোপন রাখার শর্ত ছিল। এতে চলতি বছর মেয়েটি সাথে ভোলা জেলার  অন্য এক যুবকের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা উক্ত মহিলার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ উঠে। ২০২০ সালে জিকুর ইসলামী ব্যাংকে চাকরি হয়। গত ১৩ মে ব্যাংক কর্মকর্তা ঈদের ছুটিতে বাড়িলে আসলে প্রেমিকাকে ইমুতে ম্যাসেজ পাঠিয়ে নগরীর কোতোয়ালী মোড়ে দেখা করতে বলেন। দেখা না করলে ছবিগুলো ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেন। গত রবিবার ১৬ মে  ঈদের পরদিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে কৌশলে পটিয়া বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নগরীর কোতোয়ালী মোড়স্থ একটি আবাসিক হোটেলের রুমে নিয়ে ছবিগুলো মুছে ফেলতে চাপ দেন। ছবিগুলো মুছতে না চাইলে পুলিশকে ডেকে পরিকল্পিতভাবে  ধর্ষন চেষ্টা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয় বলে আবাসিক হোটেলে দায়িত্বরতা জানান। ব্যাংক কর্মকর্তা নিজে হোটেলে আসতে না চাইলেও জোর করে তাকে হোটেলে যেতে বাধ্য করেছে। মামলায় ফাঁসানোর এ বিষয়ে মামলার বাদী জানান, আমি তাকে গ্রাম থেকে শহরে ডেকে এনেছি এটা সঠিক, পুলিশকে আগে বিষয়টি জানিয়ে রাখার বিষয়টিও সঠিক, সে যদি হোটেলে আমার সাথে বসে ছবিগুলো মুছে ফেলত সমাধান হয়ে যেত, আমি চেয়ে ছিলাম সব কিছু ভুলে ছবিগুলো সে মুছে ফেলবে, কিন্তু সে ছবিগুলো নিয়ে আমার সাথে প্রতারণা এবং জিম্মি রাখার কৌশল হিসেবে নিয়েছে। আমার সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিবে আমি কি তাকে ছেড়ে দিব? ভাবছিলাম বিষয়টি সহজে ছেড়ে দিব এখন উনার পরিবারের সবাইকে নিয়ে আমার খেলতে হবে।
ব্যাংক কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশ কমিশনার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হবে বলে জানায়।
এ বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার পিতা আব্দুর রশীদ জানান, আমার ছেলের ব্যাংকে চাকুরী হওয়ার পর মেয়েটা বিয়ে করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন সময় আমার ছেলের কাছ থেকে টাকা পয়সাও নিতেন মেয়েটি। আমার ছেলে বাড়িতে আসলে কৌশলে শহরে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশকে দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে।  আমার ছেলের বদনাম আছে এরকম কেউ বলতে পারবে না চরিত্রবান একজন ছেলে, ঘটনার বিষয়টি সঠিক তদন্ত করলে আমার ছেলের কোন দোষ পাবে না বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ নেজাম উদ্দীন বলেন,এ ধরণের  ঘটনায় কেউ অভিযোগ অথবা পুলিশ খবর পেলে সাথে সাথে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য। বিষয়টি তদন্তে পরবর্তীতে মূল বিষয় বের হয়ে আসবে বলে তিনি জানান।

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে পারকী বীচে পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড়

এম.এম.জাহিদ হাসান হৃদয় (আনোয়ারা,চট্টগ্রাম): চলতি বছরে দ্বিতীয় ধাপে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়াই গত ৫ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাসহ সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন পালন হলেও সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ১৬ মে পর্যন্ত কয়েক দাপে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কারণে গত ১৫ মে চলমান বিধি-নিষেধ বা ‘লকডাউন’ আরো এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৭-২৩ মে পর্যন্ত করা হয়। আর এই লগডাউনে দূরপাল্লার যানবাহনসহ দেশের সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাগরকন্যা নামে খ্যাত পারকী সমুদ্র সৈকত (ঝাউ বাগান) এর রূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হাজার হাজার পর্যটকরা ভীড় জমিয়েছে।

রবিবার (১৬ মে) বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,আনোয়ারা উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাইক,সিএনজি, প্রাইভেট কার সহ নানা যানবাহন করে আসছেন দর্শনার্থীরা। অনেককেই দেখা যায় মাইক,সাউন্ড নিয়ে ট্রাকে করে নেচে নেচে আসতে। কেউ আসছেন পরিবার নিয়ে আবার কেউবা বন্ধুদের সাথে। এসমস্ত পর্যটকদের মধ্যে যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে রয়েছেন শিশু ও বৃদ্ধাও।
কেউ বাইক নিয়ে ছুটছে, কেউ ঘোড়া দৌড়াচ্ছে, কেউ সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করছে ঘুরে, কেউ বন্ধুদের সাথে মেতেছে ফুটবলে,কেউ সময় পার করছে জুয়াড়িতে, আবার কেউ ব্যস্ত সেল্পিতে। সমস্ত পারকী বীচ জুড়ে এইসমস্ত দৃশ্যই চোখে পড়ে।
তবে,মানুষের সমাগম বাড়লেও লক্ষ্য করা যায়না স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি। পর্যটকদের অধিকাংশের মুখে মাস্ক ছিলোনা,মানা হচ্ছিল না সামাজিক দূরত্বও। এবং খোলা রয়েছে স্থায়ী-আস্থায়ী বিভিন্ন দোকানপাট। বীচের যাওয়ার পথে ছিলোনা কোনো চেকপোস্ট। বীচের বিভিন্ন স্পটে প্রশাসনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও সন্ধার আগমুহূর্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ছাড়া আর তেমন কোনো অভিযান চোখে পড়নি।

বীচে ঘুরতে আসা ইলিয়াস নামের এক দর্শনার্থী বলেন,বছরজুড়ে করোনা মহামারীর কারণে সব কিছু বন্ধ থাকায় তেমন কোথাও যাওয়া হয়নি। তাই পরিবারের সকলকে নিয়ে একটু ঘুরতে এসেছি।

বীচে থাকা এক দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদের আগে লগডাউনের কারণে তেমন কেউ আসতো না এখানে। সারা বছর ব্যবসা হয়নি। ঈদের দিন থেকে মানুষজন আসা শুরু করছে তবে প্রতিদিন বিকেল বেলা পুলিশ এসে সব কিছু তুলে দেয়।

পারকী বীচের পর্যটক এবং অভিযানের বিষয়ে উপজেলার সহকারী (ভূমি) কমিশনার তানভীর হাসান চৌধুরী’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন,ঈদের পর থেকে দুই দিনই আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। এবং সার্বক্ষনিক পুলিশের মাধ্যমে পর্যটকদের বীচে যেতে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আনোয়ারায় পৃথক দুই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২ আহত ১৮

এম.এম.জাহিদ হাসান হৃদয় (আনোয়ারা,চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় পিকআপ-সিএনজি অটোরিকশা সংঘর্ষে জিয়াউর রহমান (৩৫) ও হুজায়ফা( ১৪মাস )নামে ২জন নিহত হয়েছেন । একই ঘটনায় মহিলা ও শিশু সহ ৬ জন আহত হয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহত জিয়াউর রহমান চন্দনাইশ উপজেলার বাসিন্দা এবং আহতরা হলেন তার স্ত্রী এবং ২সন্তান । গুরুতর অবস্থায় শিউলি আকতারকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে রেফার করা হয় ।

সোমবার (১৭ মে) ভোর ৬টায় উপজেলার (পিএবি) সড়কের শশী কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ দুলাল মিত্র জানান,তরকারিবাহী পিকআপ ভ্যানের সাথে বিপরীত মুখী সিএনজি অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে ১জন নিহত এবং শিশু ও মহিলা সহ ৬ আহত হয়। সিএনজি চালককে খুঁজে পাওয়া যায় নাই নিহতের লাশটি থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং ছোট বাচ্চা ও তাদের মা’কে আনোয়ারা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা যায় , সকালে সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে সেখান থেকে ২শিশু ও তাদের মা’ কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় । বাকি ৪জন নিজ দায়িত্বে অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য চলে যায় । চালকে ঘটনার পর খুঁজে পাওয়া যায়নি । দূর্ঘটনার পর পর পিকআপ ভ্যান টি পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ১৪ মাস বয়সী শিশু হুজায়ফা নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন, এস আই আওলাদ হোসেইন ।

অপর আরেক ঘটনায় সোমবার সকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড) এর শ্রমিকবাহী একটি জিপ গাড়ী শোলকাটা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে।
এই ঘটনায় গাড়িতে থাকা ১০ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের কয়েকজন কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারণ চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় আর গুরুতর আঘাত প্রাপ্তদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।