ফুলতলায় প্রয়াত বিএনপি নেতা সরদার তাহেরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ফুলতলা উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা সরদার তাহেরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার বিকাল ৪টায় স্থানীয় নতুনহাট দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক সরদার সেলিম সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সহসভাপতি এস এ রহমান বাবুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন যুগ্ন আহবায়ক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার, শেখ আঃ সালাম, আনোয়ার হোসেন বাবু, মশিউর রহমান বিপ্লব, শফিক আহমেদ মেঝবা, মোল্যা কামরুল ইসলাম, মোঃ হালিম সরদার, মোঃ তুষার মোল্যা, ইদ্রিস মোল্যা, কামরান হোসেন, মোঃ ইয়ার আলী, সিরাজুল ইসলাম মিন্টু, মোঃ মমিন সরদার, আনিছুর রহমান রনি, মোঃ মিনা মুরাদ, সৈয়দ আল শাকিল, মোঃ আলামিন সানা, মফিজুর জমাদ্দার, ইউসুফ মোড়ল প্রমুখ।

ফুলতলায় প্রফেসর অচিন্ত্য কুমার ভৌমিকের স্মরণে নাগরিক শোক সভা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ কথা সাহিত্যিক, গীতিকার, নাট্যকার ও ফুলতলার কৃতি সন্তান প্রফেসর অচিন্ত্য কুমার ভৌমিকের স্মরণে ফুলতলা উপজেলা পরিষদ আয়োজিত নাগরিক শোক সভা উপজেলা অডিটরিয়ামে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ শেখ আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে শ্কো সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ¦ আনোয়ারুজ্জামান মোল্যা, ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড. মিনা মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কম. আনছার আলী মোল্যা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহীন জামান পন, প্রফেসর অচিন্ত্য কুমার ভৌমিকের ছোট ভাই ইঞ্জিনিয়ার অপূর্ব কুমার ভৌমিক। প্রভাষক গৌতম কুন্ডুর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, সাংবাদিক ও গবেষক বিধানদাশ গুপ্ত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফজলে খোদা বাচ্চু, প্রেসক্লাব সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, অনুপম মিত্র। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির থানা সম্পাদক সন্দিপন রায়, প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, রেজোয়ান রাজা, সহকারী অধ্যাপক মোঃ নেছার উদ্দিন, সুব্রত কুমার বিশ্বাস, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান, আরিফুজ্জামান বাবলু, ইউপি সদস্য আঃ রহমান সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবোধ কুমার বসু, নওশাদ হোসেন মিলু, ডাঃ সরোজ কুমার সুর, অনুপ বিশ্বাস, শাহীনুর রহমান প্রমুখ।

তালায় লাইসেন্স পাওয়া জ্বীনের বাদশার আবির্ভাব !

অশ্লীল অঙ্গ-ভাঙ্গিতে বাঘের মত গর্জন

তালা প্রতিনিধি : অশ্লীল অঙ্গ-ভাঙ্গি আর শারিরীক কসরতের পর রোগীর অতীত-ভবিষ্যৎ বাণীতে বাঘের মত গর্জনে কাপিয়ে তুলছেন কক্ষ, ভীত-তটস্থ্য রোগীকে চড়-থাপ্পড় মারছেন। জ্বীনের বাদশা মুন্নার মাঝে এখন জ্বীনের অবস্থান, তাই অদৃশ্য শক্তি-বলে পাকা বিল্ডিং আঘাত হানছেন বারবার। রোগী ছাড়া অন্য কেউ কক্ষে ঢুকলেই গ্রাস করার উপক্রম জ্বীনের বাদশার! মুসকিলে আহসানে আগত বাড়ীর আঙ্গিনায় শতাধীক মানুষের অধীকাংশই নারী। ভীড় সামলাচ্ছেন ৩/৪ জন কর্মচারী। আগতদের কেউ কঠিন রোগগ্রস্থ্য, কারো সংসারে অশান্তি, জ¦ীনের মাধ্যমে নাকি ক্যান্সারের মত রোগও ভালো হয় শুনে এসেছেন শত শত মানুষ। কথিত জ্বীনের বাদশা মুন্নারাজের নাকি জ্বীন ভারণ ও তৎবির -তাগাদা করার লাইসেন্স দিয়েছে সরকার, তাই দুর-দুরান্ত থেকে শেষ চিকিৎসায় আশায় লোকজন এসেছেন তার আস্তানায়।

সরেজমিন,তালা উপজেলার জালালপুর গ্রামে শেখ শওকত আলীর পুত্র আজব জিনের বাদশা মোহাম্মদ মুন্না ওরফে মুন্নারাজ খান (৪০), এর আস্থানায় গিয়ে এসকল দৃশ্য চোখে পড়ে। মুন্নারাজ জানায়, তার লাইসেন্স আছে। কিসের লাইসেন্স জানতে চাইলে, বিশাল এক প্যানা ব্যানার দেখিয়ে হুংকার দিয়ে মুন্না বেশ কয়েকজন বড় বড় সরকারী কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতার নাম জানায়, তারাও নাকি সমস্যা নিয়ে তার কাছে আসে । মুন্নাকে প্রশ্ন করতেই হুংকার ছেড়ে বলে, সরকার আমাকে লাইসেন্স দিয়েছে, এখন তোরা চলে যা নইলে জ¦ীন তোদের ক্ষতি করবে। জ্বীনের বাদশা মুন্না দিনভর ব্যাস্ত জ¦ীন ভারণে, তাই সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলার সময় নাই । কথিত জ¦ীনের বাদশা মুন্না রাজের পিতা শেখ শওকত আলী জানান, তার ছেলের লাইসেন্স আছে। বলে বাড়ীর সামনে টানানো বিশাল একটি প্যানা ব্যানার দেখান তারা,তাতে নিবন্ধন নম্বর সম্বলিত সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে দেওয়া অনুমতির কপি পেষ্ট। তাতে আপদ-মস্তক কিছুই বোঝার উপায় নেই। এ সময় রোগীদের কে দেওয়া সরকারী লগো সম্বলিত একটি ভিজিটিং কার্ড খোন তারা।

এলাকাবাসী জানায়, এটাও তার প্রতারণা, সমাজসেবার নামে জ¦ীন ভারনের প্রতারণা করছে মুন্না। এলাকবাসী আরও জানায়, কথিত জিনের বাদশা মুন্নারাজের “আল্লাহর দান” নামে জিনের বাদশা’র আস্তানা খুলে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার দায়ে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ভ্রাম্যমান আদালতের ২ মাসের কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। জেল থেকে বেরিয়ে, সেই প্রতারনার ব্যবসা করতে ২০১৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে একটি রজেষ্ট্রিশন করিয়ে ছিলেন সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য। তারপর আর আদৌ নবায়ন করার সময় হয়ে ওঠেনি।

তালা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুমনা শারমিন জানান, আমরা তো কবিরাজি বা জ্বীন ভারণের অনুমতি দিতে পারি না। যদি সে এমনটি করে, তাহলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রাজির সরদার জানান, ডিজিটাল যুগে জ্বীনের দ্বারা চিকিৎসার নামে সাধারণ মানুষ ঠকানো ছাড়া আর হতে পারে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নিবো।

তালা ওসি মেহেদী রাসেল জানান, প্রতারণার দায়ে তাকে আগেও গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল দেওয়া হয়, সে আবার এমনটি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালায় কীটনাশক পানে যুবকের আত্মহত্যা

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালায় বিষাক্ত কীটনাশক পান করে মোঃ সোহেল শেখ (৩৫) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের মাছিয়াড়া গ্রামে মোঃ করিম শেখের ছেলে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাতে মাছিয়াড়া গ্রামের নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোন এক সময় বিষাক্ত কীটনাশক পান করে সোহেল শেখ ঘরের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ভোর রাতে বিষয়টি তারা বুঝতে পারে। তিনি বেশ কিছুদিন হতাশায় ভূগছিল বলে জানা গেছে। তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী রাসেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাজেট ঘোষণায় ডুমুরিয়ায় আনন্দ মিছিল

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ২০২১ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল বের হয়। শুক্রবার বিকেলে দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি। এ সময় আরও বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, আবু বক্কার খান, এম এম সুলতান আহমেদ, গোপাল চন্দ্র দে, মোল্ল্যা সোহেল রানা, শোভা রানী হালদার, প্রভাষক জিএম ফারুক হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য, হাসনা হেনা, তহমিনা বেগম, যুবলীগের এ্যাড. আশরাফুল আলম রাজু, শেখ ইকবাল হোসেন, খান রবিউল ইসলাম আন্টু, মনিরুজ্জামান মন্টু, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, শেখ আছাদুজ্জামান মিন্টু, শিমু আক্তার, রাজিউল বারী সৈকত, ছাত্রলীগের খান আবুল বাশার, শেখ মাসুদ রানা, রবিউল গাজী প্রমুখ।

ভুল চিকিৎসায় পটিয়ায় শিশুর মৃত্যু ৭ দিন আইসিওতে বাঁচিয়ে রাখার নাটক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:চট্টগ্রামের পটিয়ায় সেন্ট্রাল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়‍াগনস্টিক সেন্টারের ডাক্তার সাইফুল ইসলাম ও ডাক্তার আবু ছালেকের ভুল চিকিৎসার কারণে মো. মনতাছির রহমান হৃদয় (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হৃদয় পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের মো. রফিকের ছেলে। এ ঘটনায় হৃদয়ের মামা মো. খোরশেদ আলম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

হৃদয়ের মা হাছিনা বেগম এ প্রতিবেদককে জানান, গত ২৫ মে পটিয়া সেন্ট্রাল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অপারেশনের জন্য ভর্তি করালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণে হৃদয়ের মৃত্যু হয়। ডাক্তার মৃত্যুর খবরটি গোপন রেখে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করিয়ে ৫ দিন বাঁচিয়ে রাখার নাটক করে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে দুপুর ১২টার দিকে মো. মনতাছির রহমান হৃদয় লিচু গাছ থেকে পড়ে গেলে হাত ভেঙে যায়। তার মা হাছিনা বেগম দ্রুত তাকে পটিয়া সেন্ট্রাল হসপিটালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডাক্তার আবু ছালেক পর্যবেক্ষণ করে ডান হাতে এক্স-রে করার পরামর্শ দেন। তার পরামর্শ মোতাবেক হৃদয়ের ডান হাতে এক্স-রে করানো হয়। উক্ত এক্স-রে রিপোর্ট সেন্টাল হসপিটালের ডাক্তার সাইফুল ইসলামকে দেখালে তিনি হৃদয়ের ডান হাতে অপারেশনের পরামর্শ দেন। এ অপারেশনের জন্য ডাক্তার সাইফুল ইসলাম ২৫ হাজার টাকা দাবি করেন। হৃদয়ের ডান হাতের ব্যথায় কান্নাকাটির কষ্ট সইতে না পেরে  তার মা  হাছিনা বেগম দাবিকৃত টাকা অপারেশনের জন্য প্রদান করেন। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে ডা. সাইফুল ইসলাম হৃদয়কে অপারেশন রুমে নিয়ে যান। এ সময় রিদয়ের মা অপারেশন রুমে যেতে চাইলে ডাক্তাররা তাকে যেতে নিষেধ করেন।

ডাক্তার সাইফুল ইসলামের নির্দেশে সহকারী ডাক্তার আবু ছালেক হৃদয়কে অজ্ঞান করার জন্য ইনজেকশন পুশ করলে সাথে সাথে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর অপারেশন রুম থেকে বের হয়ে ডা. সাইফুল ইসলাম রোগীর অবস্থা গুরুতর বলে তাকে চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করাবেন বলে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর থেকে ডাক্তার সাইফুল ইসলাম ও সহকারী ডাক্তার আবু ছালেকের মোব‍াইল ফোন বন্ধ রয়েছে।

হৃদয়ের মামা মো. রাশেদ জানান, ৬ বছরের শিশুকে ১৬ বছর বয়সী মানুষের ইনজেকশন পুশ করা হয়। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার ভাগ্নে হৃদয় মারা গেছে। অপরাধীদের সাথে আপস করার জন্য আমাদের চাপ দেয়া হচ্ছে। আমার ভাগ্নে হৃদয়কে যারা ভুল চিকিৎসা করে মেরে ফেলেছে তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট  প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে জানতে ডা. সাইফুল ইসলামকে মুঠোফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানান, আমরা এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নুরুল আলম ছিলেন নির্মোহ ও স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ – খোরশেদ আলম সুজন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও ৩৮নং ওয়ার্ডেও সাবেক কমিশনার এবং বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম ছিলেন একজন নির্মোহ ও স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ। আজ শুক্রবার (৪ জুন ২০২১ইং) সকালে মরহুমের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে তার কবওে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে দোয়া মোনাজাত কালে একথা বলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

এ সময় সুজন বলেন ১৯৭৩ সাল থেকে নুরুল আলম ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয়। দীর্ঘ সময় রাজনীতির মাঠে এক সাথে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি তিনি ছিলেন অত্যন্ত ন্যায় নিষ্ট এবং দলের প্রতি ছিল তার অসাধারণ মমত্ববোধ। আওয়ামীলীগ বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক সরকারের নানারকম প্রলোভনেও তিনি দল ও আদর্শ থেকে কোন দিন বিচ্যুত হননি। দলের রাজনৈতিক যে কোন আন্দোলন কর্মসূচীতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন। রাজনীতির বাইওে সামাজিক আন্দোলনেও ছিলতাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য। এফপিএবি, শহর সমাজ সেবা প্রকল্প সমন্বয় পরিষদ, হালি শহর লাকী ক্লাব, মা ও শিশু হাসপাতাল, বেগম জান প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ, মাদরাসা এ তৈয়্যবিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগ বৃহত্তর ডবলমুরিং থানা শাখার সভাপতি এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাবেক সিনিয়রসহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন নুরুল আলম। ১৯৯৬ এর অসহযোগ আন্দোলন এবং বন্দও অবরোধ আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তিনি আমৃত্যু দলের একজন নিবেদিত প্রাণ নেতা ছিলেন। উল্লেখ্য গত বছর এই দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন এ গুণী রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক। সুজন মরহুমের কবওে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া কামনা করেন। অন্যান্যদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. ইলিয়াছ, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এম. ঘাসান মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. হাসান, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজী আবু নাছের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আকতারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী হাসান মুন্না, সালাউদ্দিন বাদশা, এম. দিদারুল আলম, বরকত উল্ল্যাহ, সরওয়ার জাহান চৌধুরী, নুরুল হুদা, শাহেদ বশর, হাজী মো. হোসেন, নজরুল ইসলাম টিটু, হাজী ছালামত আলী, হাফেজ মো. ওকারউদ্দিন, ইকবাল আলনূরী, মো. শাহনেওয়াজ, মো. শাহজাহান, হাজী আনোয়ার হোসেন, মো. সোলায়মান, মরহুমের পুত্র শহীদুল আলম রাসেল, সালাউদ্দিন মামুন, মো. কাইয়ুম প্রমূখ।