ফুলতলায় আবাসিক এলাকায় সিমেন্টের কারখানা নির্মানে প্রতিবাদ সমাবেশ

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// ফুলতলার দামোদর এম এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় সিমেন্ট কারখানা, গোডাউন ও ভৈরব নদের তীরে ঘাট নির্মান এবং স্কুল এলাকায় ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তা ব্যবহারের প্রতিবাদে এক মতবিনিময় সভা শনিবার বেলা ১১টায় স্কুল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তী। অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও সুধীজনের সমন্বয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী।

স্বাগত বক্তৃতা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম এ হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কে এম জিয়া হাসান তুহিন, কম. গাজী নওশের আলী, এস মৃনাল হাজরা, আবু তাহের রিপন, ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু।

শিক্ষক সেলিম সরদারের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রেসক্লাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস,  উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, ইসমাইল হোসেন বাবলু, সাহিদুল ইসলাম মোল্যা, বণিক নেতা রবিন বসু, আঃ মজিদ মোল্যা, মোঃ ইকতিয়ার হোসেন, প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, মাজহারুল ইসলাম, ইউপি সদস্য শেখ আঃ রশিদ, মাসুদ পারভেজ মুক্ত, নজরুল ইসলাম, বেগম শামসুন্নাহার, মিসেস কেয়া খাতুন, নূর হোসেন, সাজ্জাদ শেখ, সুব্রত বিশ্বাস,  আশরাফ হোসেন সরদার, মোঃ মনিরুল ইসলাম, নির্মল রায়, সরদার ইদ্রিস আলী, আনছার বিশ্বাস,  হক, ওয়াহিদুর রহমান মিলু, গুরুপদ মন্ডল প্রমুখ। বক্ততারা অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশ দিয়ে ভারী ট্রাক চলাচল এবং আবাসিক এলাকায় সিমেন্ট কারখানা ও গোডাউন নির্মান বন্ধ না করলে বৃহত্তম আন্দোলনের ডাক দেয়ার হুসিয়ারী দেন।

 

আঠারোর নিচের শিক্ষার্থীরা পেতে পারে ফাইজার-মডার্নার টিকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী

ইউনিক ডেস্ক :

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, ১৮ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের ফাইজার এবং মডার্নার টিকা দেওয়া হতে পারে। ৪ সেপ্টেম্বর সকালে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সে কমপ্রিহেনসিভ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বলেন, ১৮ বছরের ওপরে শিক্ষার্থীদের যেকোনো টিকা দেওয়া যাবে। তবে ১৮ বছরের নিচে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য দেশের নির্দেশনা দেখে ফাইজার ও মডার্নার টিকা দেওয়া হতে পারে। তিনি আরও জানান, শিশুদের টিকা কীভাবে দেওয়া যাবে সে বিষয়ে আগামীকাল রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, ১২ বছরের বেশি হলে অন্যান্য দেশে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে শিশুদের ফাইজার এবং মডার্নার টিকা দেওয়া হচ্ছে। এটি আমরাও অনুসরণ করতে পারি।

মন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে নতুন করে ছয় কোটি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে সাড়ে ১০ কোটি টিকা চাহিদা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ এসব টিকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এ সাড়ে ১৬ কোটি টিকা পেলে সংকট কেটে যাবে।

৭ আগস্ট ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ডোজের টিকা মজুত আছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে যাদের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ যে কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে, দ্বিতীয় ডোজও একই কেন্দ্রে নিতে হবে। গ্রামের টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের আগ্রহ কম ছিল, আমরা তাদের অনুপ্রাণিত করতেই এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেলাম।

১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ডা.দীপু মনি

ইউনিক ডেস্ক :

১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে। শুক্রবার গণমাধ্যমকে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১২ সেপ্টেম্বরে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও সেপ্টেম্বরে খুলে দিতে আগ্রহী। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, তাদের ব্যাপারে আমরা হস্তক্ষেপ করতে পারি না। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটসহ বিভিন্ন বডি রয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারাই নেবেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে অভিভাবক মহলের একটা চাপ তৈরি হয়েছে। এছাড়া টেকনিক্যাল কমিটিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছে আমাদের। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের এরইমধ্যে টিকা নিশ্চিত করা হবে। দেশে করোনাভাইরাসের টিকা যথেষ্ট মজুত রয়েছে। করোনায় আক্রান্তের হারও নিম্নমুখী। এসব বিষয় বিবেচনা করেই মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বৈঠকে বসবো। বৈঠক ৭/৮ সেপ্টেম্বর হতে পারে। ওই বৈঠকেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে আমি তাদের অনুরোধ করবো। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও সেপ্টেম্বরের মধ্যে খোলার ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ রয়েছে। কারিগরি কমিটিও গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।’