বটিয়াঘাটায় সর্প দংশনে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটায় সীমান্ত সাহা ( ১৯) নামের এক কলেজ ছাত্রের সর্প দংশনে করুন মৃত্যু হয়েছে । সে উপজেলার হেতালবুনিয়া নাহাড়ীতলা এলাকার প্রতিবন্ধী পাদুকা ব্যবসায়ী বিজয় সাহার একমাত্র পুত্র । সূত্রে প্রকাশ, রবিবার বেলা দেড় টার সে নিজ বসতবাড়ীর রান্না ঘরে ডিম ভেজে খাওয়ার জন্য মিটসেফ থেকে পেঁয়াজ বের করে আনতে যায়।ওই সময় মিটসেফ এর তলে থাকা বিষধর সাপটি তকে দংশন করে।বাবা- মা বটিয়াঘাটা বাজারের দোকানে কর্মে ব্যস্ত থাকায় খবর পেয়ে তাকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।অবস্থার অবনতি হলে খুমেক হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।এ দিকে রাত আটটার দিকে তার মরদেহ বটিয়াঘাটা বাজার নাট মন্দিরে আনলে হাজার হাজার মানুষের ক্রন্দনে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।সীমান্ত সরকারী ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের ছাত্র। বাবা মা খুব কষ্টে বটিয়াঘাটা বাজারে পাদুকা বিক্রি করে ছেলেটিকে লেখাপড়া করাচ্ছিলো।

ফুলতলায় শিক্ষা উপ-পরিচালকের পিতার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক আব্দুল খালেকের পিতার মৃত্যুতে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে রোববার দুপুরে ফুলতলা রি-ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজ অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান শিক্ষক মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক মোর্শারফ হোসেন মোড়ল, অধ্যক্ষ অজয় কুমার চক্রবর্তী, পীর মোহাম্মদ, এসএমএ হালিম, মোশারফ হোসেন, তাপস কুমার বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, মোঃ সাইদুর রহমান, মিন্টু সরদার, শিক্ষক অভিজিৎ মল্লিক, মনিরুজ্জামান, মঈন উদ্দিন ময়না প্রমুখ। পরে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন।

 

ফুলতলায় সমাজসেবক মতলেব হোসেনের ইন্তেকাল

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// ফুলতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি, করিমুনেচ্ছা মডেল স্কুল, লিটল এ্যাঞ্জেল কিন্ডার গার্টেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এবং ফুলতলা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক ও শেখ মতলেব হোসেন (৬০) শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২কন্যাসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে যান। রোববার বাদ জোহর পায়গ্রাম কসবা আনন্দ নিকেতন স্কুল মাঠে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আশরাফ হোসেন আশু, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাউসুল আজম হাদি, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এ্যাড. তারিক হাসান মিন্টু, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কম. আনছার আলী মোল্যা, জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব শাহিন, আঃ আলিম মোল্যা, আনোয়ার হোসেন বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, প্রভাষক গৌতম কুন্ডু, জাহাঙ্গীর আলম, হাবিবুর রহমান, শওকত হোসেন, আ: মান্নান মহলদার, জাহাঙ্গীর মোড়ল, ইউপি সদস্য মাহমুদুর রহমান চয়ন, ব্যাংক কর্মকর্তা সৈয়দ হাসমত আলী হাসু, ইকবাল হোসেন, বণিক নেতা গাজী আবুল খায়ের আবু, ছাত্রলীগ নেতা এস কে সাদ্দাম হোসেন, আসলাম হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

ইসকন শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ না হলে রাজপথে নামার ঘোষণা সাধু-সন্ন্যাসীদের

প্রবর্তক সংঘের কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি কর্তৃক ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার, ইসকন সাধু সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মন্দিরের পবিত্রতা বিনষ্টের জন্য পরিকল্পিতভাবে মন্দির এলাকায় আনসার মোতায়নের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ইসকন। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বৈদিক ঋষিজ পরম্পরার মৌলিক ভাবাদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সারা বিশ্ব জুড়ে হরিনাম সংকীর্তন প্রচারের মাধ্যমে সনাতনী কৃষ্টি ও সংস্কৃতি প্রসার করে চলেছে। ধর্মীয় পূজার্চনাসহ সনাতন ধর্ম প্রচারের পাশাপাশি ইসকন বিশ^জুড়ে বিভিন্ন দুর্যোগে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচী, গরীব-দুস্থদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানসহ মানবিক বিপর্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবকল্যাণ, জলবায়ু পরিবর্তন, ধুমপান বর্জনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইসকন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার পাশাপাশি বিশে^র অনেক রাষ্ট্রনেতার ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেছে।

তিনি বলেন, বন্দর নগরী চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী প্রবর্তক সংঘের শ্রীকৃষ্ণ মন্দির পাহাড়টি কালের পরিক্রমায় যখন বেদখল হয়ে যাচ্ছিল তখন ২০০৩ সালে প্রবর্তক সংঘের অনুরোধেই মন্দিরের দায়িত্ব নেয় ইসকন। উভয় পক্ষের মধ্যে একটি আপদকালীন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও প্রবর্তক সংঘ মন্দিরের কার্যক্রমকে প্রসারিত ও বেগবান করার জন্য কয়েক ধাপে মন্দির সংলগ্ন আরো অনেক জায়গা ইসকনকে অর্পন করার মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ মন্দির প্রকল্প গড়ে তোলার জন্য মৌখিক ও লিখিত অনুরোধ জানান। কারণ, প্রবর্তক সংঘ প্রতিষ্ঠার মৌলিক উদ্দেশ্য- সনাতন ধর্ম প্রচার ও প্রসারের জন্য আশ্রম, মন্দির, সাধুনিবাস, অতিথি ভবন, প্রসাদালয় গড়ে তোলাসহ বিশ^ব্যাপী ধর্ম প্রচারের মূল উদ্দেশ্যটি বাস্তবায়ন করতে প্রবর্তক সংঘ পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বলেন, ইসকন ভক্তবৃন্দ বাংলাদেশের সনাতন সম্প্রদায়ের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করে দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক মানের মার্বেল পাথরের মন্দির নির্মাণসহ আশ্রমিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করেছে। শ্রীকৃষ্ণ মন্দির উন্নয়ন প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মন্দিরের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কাজে প্রবর্তক সংঘের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও পূর্ণ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি শ্রীমন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রবর্তক সংঘ গভর্ণিং বডির মুষ্ঠিমেয় সদস্য তাহাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যর্থ হয়ে চরম প্রতিহিংসা পরায়ণ ও ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্নভাবে মন্দিরের সুনাম ক্ষুন্ন করা সহ সাধু সন্ন্যাসীদের সন্ত্রাসী ও জঙ্গী নামে আখ্যায়িত করে সমগ্র সনাতনী সমাজের বিরুদ্ধে চরমভাবে ধৃষ্টতার পরিচয় দিয়েছে এবং অদ্যাবধি অব্যাহত রেখেছে। অনাথদের জন্য বহু আয়বর্ধক প্রকল্প প্রবর্তক সংঘ গ্রহণ করলেও কপট অনাথদের কারণে প্রকৃত অনাথরা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মন্দিরের পাথর অন্যায়ভাবে বিক্রি হয়েছে মর্মে প্রবর্তক সংঘের দাবি প্রসঙ্গে ইসকনের বিভাগীয় সম্পাদক বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনাক্রমে চট্টগ্রামের মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে ২ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পাথরগুলো মন্দিরে শতভাগ ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রত্যায়িত করেন। এ পাথরগুলো ভারত থেকে দান হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রবর্তক সংঘের ঐ সমস্ত লোভী ব্যক্তিরা এ সামান্য বিষয়গুলোও খবর রাখতেন না। কারণ যে অনৈতিক ও অন্যায় কাজে নিজেরা সব সময় ব্যস্ত যেমন- অর্থ আত্মসাৎ, সংঘের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিজেদের আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দেয়া, সংঘের সম্পত্তিকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে ভোগ দখল করা, পেশি শক্তি প্রদর্শন করে বছরের পর বছর একই কমিটিতে বহাল থাকা ইত্যাদি তারা মনে করেন একই কাজে জগত সংসারের সকল মানুষই তাদের মতো ব্যস্ত থাকেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবর্তক সংঘের কুচক্রী মহলটি ইসকনের বিরুদ্ধে উচ্ছেদের নিমিত্তে আইনী নোটিশ প্রদান করলে ইসকনও আইনীভাবে তার জবাব দিয়েছে। সুতরাং ইসকন ও প্রবর্তক সংঘ ইস্যুতে বর্তমানে আইনী প্রক্রিয়া চলমান, যাহা প্রবর্তক সংঘের আইনী নোটিশের বিষয় বস্তু থেকে সুস্পষ্ট হয়। এমতাবস্থায় ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধপূর্ণ জায়গায় বিরোধীয় পক্ষের আবেদনক্রমে আনসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত বেআইনী ও অযৌক্তিক। প্রকৃত সত্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে আনসার সদস্যদের সামনে রেখে প্রশাসনকে ইসকনের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়ে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির প্রবর্তক সংঘের নিয়ন্ত্রনে আনার যে জঘন্য ও হীনমনস্ক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে তাহা কোনভাবেই কাম্য নয়। আনসার সদস্যদের ব্যবহার করে ধর্মপ্রাণ সাধারণ হিন্দুদের সাথে আনসার সদস্যদের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে প্রবর্তক সংঘের হীনমনস্ক ব্যক্তিরা দেশের বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে আমরা আশংকা করছি।

মিথ্যা মামলা দিয়ে ইসকনের সাধুদের হয়রানি করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে সময়ে সাধু সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় কাজে ব্যস্ত থাকার কথা সে সময়ে সাধুদের কে আদালতে, থানায়, সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে হচ্ছে। একের পর এক মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে ইসকন সাধু সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে। প্রবর্তক সংঘের স্বার্থপর গোষ্ঠিটি ইতোপূর্বে ইসকন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবর্ণনীয় ষড়যন্ত্র চালিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও কি প্রকারের ষড়যন্ত্র করতে পারে তা ইসকন কর্তৃপক্ষের চিন্তাচেতনার বাইরে। প্রবর্তক সংঘের লোভী ও কপট ব্যক্তিদের ধারাবাহিক মিথ্যাচার ও উৎখাতের ষড়যন্ত্র ইসকনের আদর্শের অনুসারী সাধারণ সনাতনী জনসমাজের মনে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রবর্তক সংঘের শঠ ব্যক্তিদের অপকর্মের বিরুদ্ধে জনরোষ প্রশমন করা অত্যন্ত দুরুহ কার্য হয়ে পড়বে। তাই সাম্প্রদায়িক ও আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে প্রবর্তক সংঘের অর্থ ও সম্পত্তিলোভী ব্যক্তিদের বেআইনী কর্মকান্ডের গতি রোধ করা একান্ত আবশ্যক। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের সহযোগীতার পাশাপাশি আপনাদের কলমীযুদ্ধ অব্যাহত রাখার আহবান জানান তিনি।

চিন্তাচেতনার বাইরে। প্রবর্তক সংঘের লোভী ও কপট ব্যক্তিদের ধারাবাহিক মিথ্যাচার ও উৎখাতের ষড়যন্ত্র ইসকনের আদর্শের অনুসারী সাধারণ সনাতনী জনসমাজের মনে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রবর্তক সংঘের শঠ ব্যক্তিদের অপকর্মের বিরুদ্ধে জনরোষ প্রশমন করা অত্যন্ত দুরুহ কার্য হয়ে পড়বে। তাই সাম্প্রদায়িক ও আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে প্রবর্তক সংঘের অর্থ ও সম্পত্তিলোভী ব্যক্তিদের বেআইনী কর্মকান্ডের গতি রোধ করা একান্ত আবশ্যক। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের সহযোগীতার পাশাপাশি আপনাদের কলমীযুদ্ধ অব্যাহত রাখার আহবান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসকন নোয়াখালীর অধ্যক্ষ রসপ্রিয় গৌর দাস অধিকারী, ইসকন প্রবর্তকের অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস ব্রহ্মচারী, কক্সবাজার ইসকনের অধ্যক্ষ রাধা গৌবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, ফেনি ইসকনের অধ্যক্ষ নিতাই গৌরাঙ্গ দাস অধিকারী, কুমিলা ইসকনের অধ্যক্ষ সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন বান্দরবানের অধ্যক্ষ উজ্জ্বলবর্ণ গৌর দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন নন্দনকানন রাধা মাধম মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তারননিত্যানন্দ দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন মোহরা মন্দিরের ধ্যক্ষ সর্বমঙ্গল দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন রাঙামাটির অধ্যক্ষ নিতাই নুপুর দাস ব্রহ্মচারী প্রমুখ।

দাকোপে নবযাত্রার ওয়াশ কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপে বেসরকারী সংস্থা নবযাত্রা ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ইউএসএআইডি’র খাদ্য নিরাপত্তা সহনশীল প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে ওয়াশ কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং শিখণ বিষয়ক ষান্মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
রবিবার সকাল ১০ টায় দাকোপ উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের সেমিনার কক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান। প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তৃতা করেন সম্মানিত অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ^াস। স্বাগত বক্তৃতা করেন নবযাত্রা প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র দাকোপ ফিল্ড অফিস ম্যানেজার মোঃ আজিজুল হক। বক্তৃতা করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, নবযাত্রা প্রকল্পের ওয়াশ এ্যাডভাইজার আয়াতুল্লাহ আল মামুন, ইউপি চেয়ারম্যান রঘুনাথ রায়, শেখ আব্দুল কাদের, পঞ্চানন মন্ডল, মিহির মন্ডল, মাসুম আলী ফকির, দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি শিপন ভূইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির, ইউপি সদস্য সঞ্জয় মন্ডল, শ্যামল রায়, রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, আনন্দ সরকার, দেবদাস গাইন, এনজিও প্রতিনিধি পরিমল কর্মকর, মিন্টু মিয়া, হুমায়ুন কবির, মোঃ ফারুক হোসেন, যোগেস গাতিদার। সভাটি সঞ্চালনা করেন নবযাত্রা প্রকল্প দাকোপ ফিল্ড অফিসের ডব্লিউএইচএনএসএসএস নাজমিন আরা। সভায় উপজেলার তৃনমূল পর্যায়ে ওয়ার্টার এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে আলোচীত বিভিন্ন সুপারিশ মালা গ্রহন করা হয়।

মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, শিশুসহ নিহত ৩

ইউনিক ডেস্ক :

সিলেটের মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন উপজেলার ভাটেরায় মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের কুলাউড়া স্টেশনের মাস্টার মুহিবুর রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মাইক্রোবাসটি (নোহা) ভাটেরা এলাকার হোসেনপুর রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেলেও নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষনিক হতাহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলেও সকলেই মাইক্রোবাসটির যাত্রী বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ দাস জানিয়েছেন, কুলাউড়ায় যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।