মোংলায় জাহাজের ডেক ছিদ্র হয়ে পানিতে নিমজ্জিত আমদানীকৃত রিকন্ডিশন গাড়ী

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ মোংলা বন্দর জেটিতে আমদানীকৃত রিকন্ডিশন গাড়ী বহনকারী একটি বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজের
ডেক ছিদ্র হয়ে পানি ঢুকে গাড়ী নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে পানি অপসারণ করে জাহাজের ভিতরে থাকা গাড়ীগুলো খালাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ লিঃ ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর সূত্রে জানা গেছে, “মালয়েশিয়া স্টার” নামের জাহাজটি আমদানীকৃত গাড়ী নিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর মোংলা বন্দরের জেটিতে ভিড়ে। জাহাজ থেকে গাড়ী খালাস শুরুর পর গত মঙ্গলবার জাহাজের ডেক ছিদ্র হয়ে ভিতরে পানি ঢুকে পড়ে। ‘মালশিয়া স্টার’ নামের জাহাজটি এর আগেও কয়েকবার মোংলা বন্দরে আমদানীকৃত গাড়ী খালাস করেছে। আমদানীকৃত গাড়ীগুলো খালাস করে একদিন আগেই অর্থাৎ মঙ্গলবার জাহাজটির বন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল।
মোংলা বন্দর ককর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত হারবার মাষ্টার ক্যাপ্টেন শাহাদাত হোসেন বলেন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় শিপিং এজেন্টসহ সকলের যৌথ উদ্যোগে পাম্প দিয়ে জাহাজের পানি অপসারণ করা হয়েছে। জাহাজের মধ্যে এখন কোন পানি নাই।
জাহাজে থাকা সবগুলো গাড়ী নামিয়ে ফেলা হয়েছে। জাহাজটিতে একটা ছিদ্র হয়েছিলো, যেটি মেরামতও করা হয়েছে। কিছু গাড়ী পানিতে নিমজ্জিত
হয়েছিল। তবে তাতে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এ নিয়ে বুধবার বারবিডা’র প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে আসেন।
আমদানীকৃত গাড়ী নিয়ে আসা “মালশিয়া স্টার” নামের জাহাজটি স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রতিনিধি ওহিদুজ্জামান বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার বিভিন্ন আমদানীকারকের ৬৩৯টি গাড়ী নিয়ে জাহাজটি বন্দরে আসে। জাহাজটিতে একটি ছোট ছিদ্র হয়েছিল। ইতিমধ্যেই পাম্প দিয়ে পানি বের করা হয়েছে। পানিতে ১৬টি গাড়ী সামান্য ভিজেছে। তবে কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। বুধবার জাহাজটি এ বন্দর ছেড়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

বনাঞ্চল ধ্বংস করে এডমিন একাডেমি নয়- সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ বনভূমি ধ্বংস করে কক্সবাজারে সিভিল সার্ভিস একাডেমি করার উদ্যোগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে কক্সবাজারের সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ। ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন ও জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি – সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা সাবেক ২৬ নেতা এই বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, বিভিন্ন কারণে কক্সবাজারের ১০ হাজারের মতো বনভূমি সংকটময় অবস্থায় পরার পর নতুন করে ৭০০ একর বনভূমির উপর এডমিন একাডেমি না করায় হবে এই অঞ্চলের পরিবেশের জন্য মঙ্গল।
বনাঞ্চলের বাইরে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি না হয় এমন স্থান নির্ধারণ করে এই একাডেমী করা যেতে পারে বলে মনে করেন সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ইতোমধ্যেই সংকটের মধ্যে পড়েছে বিপন্ন এশীয় বন্য হাতিসহ অনেক প্রাণি। তাই সংরক্ষিত এই বনভূমি রক্ষার দাবীর পাশাপাশি  সংকটাপন্ন ওই ৭০০ একরের মধ্যে একাডেমি নির্মাণ না করার দাবি জানান বিভিন্ন সময় জেলায় নেতৃত্ব দেয়া এই সাবেক ছাত্রনেতারা।

বিবৃতি দাতার হলেন-

সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে-
অ্যাড. তাপস রক্ষিত- সাবেক সভাপতি, অ্যাড. অরূপ বড়ুয়া তপু- সাবেক সভাপতি, আবু তালেব, সাবেক সভাপতি, ছাত্রলীগ, নুরুল আজিম কনক- সাবেক সভাপতি, ইশতিয়াক আহমেদ জয়- সাবেক সভাপতি, মোরশেদ হোসেন তানিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সাবেক ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে-অ্যাড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ- সাবেক সভাপতি, এসএম আকতার চৌধুরী, সাবেক সভাপতি, এম. মোক্তার আহমেদ সাবেক সভাপতি, আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামশেদ – সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ছৈয়দ আহমেদ উজ্জ্বল- সাবেক সভাপতি, অ্যাড. মনির উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

সাবেক জাসদ ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে-
মোহাম্মদ হোসেন মাসু- সাবেক সভাপতি, গিয়াস উদ্দিন, সাবেক সভাপতি, আজিজুল হক আজিজ- সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মিজানুর রহমান বাহাদুর- সাবেক সভাপতি, আব্দুল জব্বার- সাবেক সভাপতি, আব্দুর রহমান- সাবেক সভাপতি।
সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতাদের মধ্যে-
সোমনাথ চক্রবর্তী শম্ভু- সাবেক সভাপতি, অনিল দত্ত- সাবেক সভাপতি, করিম উল্লাহ কলিম- সাবেক সভাপতি, রিপন বড়ুয়া অর্নব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, শংকর বড়ুয়া রুমি- সাবেক সভাপতি, রিদুয়ান আলী, সাবেক সভাপতি, শহিদুল্লাহ শহিদ- সাবেক সভাপতি, সৌরভ দেব- সাবেক সভাপতি।

ডুমুরিয়া থানা এলাকা হতে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ১

প্রেস রিলিজঃ ০৭/০৯/২০২১ খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডুমুরিয়া থানা এলাকা হতে ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০১ (এক) জন গ্রেফতার।

খুলনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ জনাব উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃতে এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডুমুরিয়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের কথা জানতে পেরে ০৭/০৯/২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১৯.১০ টার সময় মামলার ঘটনাস্থল ডুমুরিয়া থানাধীন কাঞ্চনপুর সাকিনস্থ খুলনা টু সাতক্ষীরা মহাসড়কের উত্তর পাশে একটেল টাওয়ারের সামনে থেকে আসামী ১। মোঃ হুমায়ূন কবির ওরফে রনি (২৮), পিতা-মুজিবুর রহমান, মাতা- শাহানারা বেগম, সাং-দেওয়ানপাড়া, থানা- তালা, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার পূর্বক আসামীর হেফাজত হতে সিমেন্টের বস্তার তৈরী বাজার করা ব্যাগের মধ্যে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা বের করে দেন। এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার উক্ত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার সংক্রান্তে ০৭/০৯/২০২১ তারিখ ১৯.২৫ টার সময় জব্দতালিকা মূলে জব্দ পূর্বক আসামীর বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানার মামলা নং- ১২, তারিখ- ০৭/০৯/২০২১ খ্রিঃ, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১৯ (ক) দায়ের করেন।

ফুলতলা উপজেলা ভূমি অফিস ভবন উদ্বোধন

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// ফুলতলা উপজেভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বেলা ১১টায় এ ভবন উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও সাদিয়া আফরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস, শিল্পপতি ফেরদৌস আহমেদ ভ‚ইয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব শাহিন, ভেটনারী সার্জন ডাঃ তরিকুল ইসলাম, সহকারী প্রোগ্রামার পুষ্পেন্দু দাশ, প্রেসক্লাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি শামসুল আলম খোকন, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আবুল বাশার, উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এফএম ইলিয়াস হোসেন, সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান প্রমুখ। প্রসঙ্গতঃ প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ৩তলা ভবনে আগত জনসাধারণের সেবার মান উন্নয়ন, ভূমির নামজারি, খাজনা প্রদান ও অফিসের রেকর্ডপত্র সংরক্ষণে ডিজিটাইলেশন হবে।

 

হুমকির মুখে ভবিষ্যৎ ডিজিটাল বাংলাদেশ : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা ও নগদ কর্তৃক ভোগান্তিতে জনসাধারণ

ইউনিক প্রতিবেদক :
নগদ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের একটি ক্ষুদে বার্তায় অসাধু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সাথে অস্বাভাবিক লেনদেনের আখ্যা দিয়ে হাজারো গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে। গ্রাহকদের দাবি, ওই সকল ই-কমার্স শপে কেনাকাটার অফার নগদ কর্তৃপক্ষ নিজেই দিয়েছিল। এখন নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকায় নিজের জমানো টাকাসহ অনলাইনে অর্ডারকৃত পণ্যের ফেরত দাওয়া টাকা তুলতে পারছে না নগদ গ্রাহকেরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে নগদ ব্যবহারকারী হাজারো গ্রাহক।
নগদ সেবা গ্রহণকারী মোঃ রুহুল আমিন বলেন,‘আমি মোবাইলের ব্যবসা করার জন্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ও সিরাজগঞ্জ শপ এ প্রায় এক লক্ষ টাকার পণ্য অর্ডার করে নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট করি কারণ নগদ পেমেন্টে অফার চলছিল। নগদ দিয়ে সিরাজগঞ্জ শপে কেনাকাটা করলে ২০-২৫ শতাংশ ছাড় দিচ্ছিল। কিন্তু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য দিতে না পেরে পরবর্তীতে চাপে পড়ে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে। একদিন আমার মুঠো ফোনে নগদ প্রতিষ্ঠান থেকে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠাই যেখানে অসাধু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সাথে অস্বাভাবিক লেনদেন পরিলক্ষিত হওয়ায় আপনার অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পরিপেক্ষিতে পরবর্তী পদক্ষেপ আপনাকে অবহিত করা হবে বলে জানানো হয়।’
মোঃ রুহুল আমিন আরও বলেন,‘ওই সকল ই-কমার্স শপে পেমেন্টের অফার নগদ কর্তৃপক্ষ নিজেই দিয়েছিল। এখন আমার নগদ অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকায় অনলাইনে অর্ডারকৃত পণ্যের টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এমনকি অ্যাকাউন্টে আমার পনেরো হাজার টাকা আছে, সেই টাকাও তুলতে পারছিনা। যার ফলে আমি এখন বড় আর্থিক সমস্যার মধ্যে আছি।’
এমন এক গ্রাহকের পিতা মোঃ হায়দার আলী বলেন,‘আমার ছেলে মোবাইলের বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করতে চাইলে আমি তাকে ৫০ হাজার টাকা দিলে সে বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটে পণ্য অর্ডার দেয়। পরবর্তীতে নিউজ পোর্টালে জানতে পারি বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করেছে। গ্রাহকদের পণ্য বা টাকা কোনোটাই দিচ্ছে না। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও আমার ছেলে পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে নগদের যে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছিল নগদ কর্তৃপক্ষ সন্দেহজনক লেনদেনের আখ্যা দিয়ে সেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। নগদ কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্ট খুলে না দেওয়া পর্যন্ত আমার ছেলের টাকাও ফেরত পাচ্ছে না। এখন সে হতাশায় ভুগছে।’
তিনি আরও বলেন,‘এমন ঘটনায় আমার ছেলের মতো লাখো তরুণ উদ্যোক্তাদের আশা ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সকল অসাধু অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। তরুণেরা এমন প্রতারণার শিকার হতে থাকলে হতাশা গ্রস্থ হয়ে খারাপ কাজে লিপ্ত হবে এবং তরুণ উদ্যোক্তার বড় অংশ হারাবে বাংলাদেশ।’

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে: তালুকদার আব্দুল খালেক

দেশ প্রতিবেদক: 

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। আদর্শিক কর্মী ছাড়া কোন অবস্থাতেই সংগঠন শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বলে আজ অনেকে দলে অনুপ্রবেশ করছে। তারা তাদের ব্যবসা বা চাকুরী রক্ষার্থে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করছে। ওরা আমাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করতে দলে অনুপ্রবেশ করবে। সুতরাং ওদেরকে চিহ্নিত করে দল গুছিয়ে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠনের লক্ষ্যে যাচাই বাছাই সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ,খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাশার। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর মো. ডালিম হাওলাদার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. সেলিম আহমেদ, আব্দুস সাত্তার লিটন, জিয়াউর রহমান জিয়া, এ এস এম কামরুজ্জামান বাবলু।

সভায় ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ড কমিটি যাচাই বাছাই করে ওয়ার্কিং কমিটির অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়।

গোলাপি রাতের পোশাকে ‘Super Hot’ নুসরত, অন্তর্জালে আগুন ধরালেন নায়িকা

বিনোদেনঃ বাংলাদেশী অভিনেত্রী নুসরত ফারিয়ার নিজের অভিনয় দ্বারা ইতিমধ্যে ছাপ ফেলেছেন টলিউডেরও। টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিতের সাথে জুটি বেধে বেশ কিছু সিনেমায় কাজ করেছেন নুসরত।

পর্দায় নুসরত কে ভারতীয় পোশাকেই বেশি দেখা যায়, তবে নায়িকার সোশ্যাল মিডিয়ায় উকি মারলে ধরা পড়বে তার বোল্ড এবং সেক্সি অবতার। নায়িকার গোলাপি রঙের রাত পোশাকে বোল্ড অবতার রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে যেকোনো পুরুষের।

পরনে সিল্কের পিংক নাইটি খোলা চুলে সোফার উপর শুয়ে পোজ দিয়েছেন অভিনেত্রী, তার আবেদনময়ী চোখে মাতোয়ারা ভক্তকুল। কখনো জিমশুট আবার কখনো ডিপ নেক পোশাকে মোহময়ী নুসরত।

অভিনেত্রী একজন ফিটনেস ফ্রিক, তার দিনের অর্ধেক সময় কাটে জিমে, আর জিমে ঘাম ঝরিয়েই নিজের সুন্দর ফিগার ধরে রেখেছেন নায়িকা।
গত বছর অস্ট্রেলিয়া টেলিফোন নেটওয়ার্ক কম্পানির সিইও রনি রিয়াদ রশিদ এর সাথে বাগদান সারেন অভিনেত্রী। রনির সাথে আর বছর ধরে ডেট করছিলেন নুসরত।

আমি সামলাতে পারবো না, ও আমার মেয়ের প্রেমিক হওয়ার যোগ্যঃ শ্রীলেখা মিত্র

বিনোদনঃ চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে বর্তমানে ভেনিসে আছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সেখানে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর সুদর্শন এক যুবক তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

ওই যুবকের সঙ্গে আলাপ করে শ্রীলেখা জানতে পারেন, রেস্তোরাঁর কাজের পাশাপাশি মডেলিং করেন তিনি। তার আর শ্রীলেখার জুটি ভাল জমবে।

এদিকে সেই যুবকের রূপে শ্রীলেখাও মন হারিয়েছেন। তাই দাম জিজ্ঞেস না করেই এক প্লেট মাছ অর্ডার করেন তিনি। যার জন্য শ্রীলেখাকে গুণতে হয়েছে ৬৩ ইউরো, যা ভারতীয় রুপিতে প্রায় পাঁচ হাজার।

তাহলে কি মন গলল শ্রীলেখার? তিনিও কি এই প্রস্তাবে রাজি? বিদেশ থেকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে শ্রীলেখা বলেন, ‘মাথা খারাপ? কুকুর আর নিজের মেয়েকে সামলানোর পর অত ছোট প্রেমিককে সামলাতে পারব না! ও আমার মেয়ের প্রেমিক হওয়ার যোগ্য!’

জানা গেছে, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ পেয়ে দেশটিতে গিয়েছেন শ্রীলেখা। উৎসবে প্রদর্শন হবে তার অভিনীত ‘ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন কলকাতা’ সিনেমাটি।

আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত পরিচালিত সিনেমাটি আগামী মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সেখানে প্রদর্শিত হবে। ওইদিন রেড কার্পেটে হাঁটবেন শ্রীলেখা।

তার আগে পুরো শহরটি ঘুরে দেখছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করছেন নানা মুহূর্ত।

নিজে বয়সে ছোট ছেলের সঙ্গে প্রেম করতে রাজি না হলেও তার পুরুষ অনুরাগীদের বয়সে বড় নারীর সঙ্গে প্রেম করার পরামর্শ দেন শ্রীলেখা।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বেশ সক্রিয় দেখা যায় তাকে। ভক্ত-অনুরাগীদের সকল কথা শুনেন এবং তার উত্তর দিয়ে থাকেন তিনি।

বলা চলে, শ্রীলেখা মিত্র একদম বন্ধু হয়ে অনুরাগীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। গেলো ৬ আগস্ট সকালেও অনুরাগীদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি।

বয়সে বড় কোনো নারীর প্রেমে পড়লে তখন কী করা উচিত? এক ভিডিওতে এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মুশকিল আসান শ্রীলেখা।

ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়সকে গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কী হয়েছে যদি সে তোমার থেকে বয়সে বড় হয়? কোথায় বলা আছে, সম্পর্কে মেয়েদের সবসময় বয়সে ছোট হতে হবে?’

সূত্র: আনন্দবাজার

অটো চালকের মাসিক ইনকাম লজ্জায় ফেলবে দেশের বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার কর্মীদের

আর্ন্তজাতিকঃ শোনা যায় চেষ্টা থাকলে যেকোনো মুশকিল সহজ হয়ে যায়। আমাদের সমাজে এরকম বহু উদাহরণ ছড়িয়ে রয়েছে। এরকম বহু মানুষ রয়েছেন যারা একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে আজ সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে গেছেন। তবে আজ আপনাদের এমন এক মানুষের গল্প শোনাব যে নিজের চেষ্টায় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে গেছেন। তিনি হলেন চেন্নাইয়ের এক অটো চালক অটো আন্না। তিনি অবশ্য এখন সেলিব্রিটির থেকে কম নন।
চেন্নাইয়ের বাসিন্দা হলেন অটো আন্না। তার আসল নাম হলো আন্না দুবাই। তার বয়স মাত্র ৩৭ বছর কিন্তু এই বয়সেই তিনি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তিনি যে খুব উচ্চশিক্ষিত এমনটা কিন্তু নয়, দ্বাদশ শ্রেণীতে ফেল করেছিলেন তিনি। বরাবর ব্যাবসা করার ইচ্ছা থাকলেও পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে তার ব্যবসা করা হয়ে ওঠেনি। তাই তিনি নিজের পেশা হিসেবে অটো চালানোকে বেছে নেন।
নিজের অটোতেও আন্নার পরিষেবা কিন্তু দুর্দান্ত। তার অটোতে মজুত আছে খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, মিনি টিভি, ল্যাপটপ সহ ইন্টারনেট পরিষেবা। এই কারনেই চেন্নাই শহরের হাজার অটোর ভিড়ে তার অটোই হিট। তবে প্রথম দিন থেকেই এত কিছু হয়ে যায়নি। প্রথমে নিজের অটোতে তিনি শুধু খবরের কাগজ রাখতেন তা পড়তে সবাই খুব ভালোবাসতেন।তবে একদিন একজন অটোতে উঠে কাজের জন্য ল্যাপটপ না পেয়ে বেশ অসুবিধাতে পড়ে যান। তখন অটো আন্না তাকে ল্যাপটপ ও সাথে ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করে দেন।
তবে শুধু এই নয় চিপস ভাবের জলের ব্যবস্থাও রয়েছে তার অটোতে। এরমধ্যেই তার অটো সারা দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছে। নিজের অটোতে রোজ একশো জন যাত্রীকে পরিষেবা দেন তিনি পাশাপাশি আগের থেকে বুকিং করে রাখতে হয় তার অটোর জন্য।
তবে শিক্ষকদের জন্য একেবারে বিনামূল্যে সার্ভিস দেন তিনি। বহু বড় বড় কম্পানি তাকে ডেকে পাঠালেও তিনি তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। মাসে এক লক্ষেরও বেশি টাকা উপার্জন করেন তিনি। টেড টকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন এই অটোচালক।

পাইকগাছায় প্রশাসনের আদেশ উপেক্ষা করে পাকা প্রাচীর নির্মান  

পাইকগাছা প্রতিনিধিঃ পাইকগাছায় উপজেলা প্রশাসন ও পৌরকর্তৃপক্ষের নির্দেশ  উপেক্ষা করে যাতায়াতের পথে পাকা প্রাচীর নির্মান করা হচ্ছে। ফলে ১০টি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
পাইকগাছা পৌরসভা ৫ নং ওয়ার্ডে মঙ্গলবার সকালে আবারও আবুবকর গাজীর ছেলে ইউনুছ গাজী চলাচলের রাস্তার মাঝখানে নিজ জমিদাবী করে প্রাচীর  নির্মান করতে থাকে। গত ৩০ আগস্ট আরও একবার পাকা প্রাচীর তৌরী করতে যায়। শরীকরা কাজ বন্ধের জন্য পৌর মেয়র  ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করেন। সে অনুযায়ী প্যানেল মেয়র ও উপজেলা প্রশাসন মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ইউনুছ গাজী সে নির্দেশ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার আবারো সেখানে কাজ করতে যায। এ সময় পৌর কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
জানা যায়,আবুবকর গাজীর  চার ছেলে দেড় বিঘা জমি মালিক। বড় ছেলে রাস্থার পাশের অংশে বসবাস করেন। অন্যদের জন্য রাস্তা নির্মিত হয়। যেখানে শরীক তিন ভাই বসবাস করেন।যারা হলেন আলমগীর কবির সবুজ,  আব্দুল আজিজ সরদার ও আসলাম পারভেজ। এর নিকট বিক্রি করে দেয়। তারা প্রায় ১৫ বছর ধরে যাতয়াত করছে।প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রঞ্জু ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার হক ঘটনাস্থলে পৌছে কাজটি বন্ধ করে দিলেও তারা কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করায় তা বন্ধ করা হয়েছে বলে তারা জানান।
এ বিষয় মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, যাতয়াতের রাস্থা বন্ধ করা কারোর অধিকার নেই। নোটিশ করে কাজ বন্ধকরে দিয়েছি।