শান্তিরক্ষা মিশন অংশ নিতে নৌবাহিনীর ৭৫ সদস্যের চট্টগ্রাম ত্যাগ

বিজ্ঞপ্তি :

লেবাননে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিল এ অংশ নিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৭৫ জন সদস্যের একটি দল আজ বুধবার চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। নৌসদস্যগণ বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট (ব্যানকন-১২) এর আওতায় লেবাননে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ এ যোগদান করবেন।

আইএসপিআর তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চট্টগ্রাম ত্যাগের প্রাক্কালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক লেবাননগামী নৌসদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান। এসময় নৌবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন বলে। এর আগে গত ৮ সেপ্টে¤¦র ২০২১ তারিখে ৩৫ জন নৌসদস্যের অপর একটি দল লেবানন গমন করে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১০ সাল হতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। ভূ-মধ্যসাগরে মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে। বর্তমানে নিয়োজিত ‘সংগ্রাম’ যুদ্ধজাহাজ লেবাননের ভূ-খন্ডে অবৈধ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে দক্ষতার সাথে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি উক্ত জাহাজ লেবানীজ জলসীমায় মেরিটাইম ইন্টারডিকশন অপারেশন পরিচালনা, সন্দেহজনক জাহাজ ও এয়ারক্রাফটের উপর নজরদারী, দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজে উদ্ধার তৎপরতা এবং লেবানীজ নৌবাহিনী সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজ করে যাচ্ছে। লেবাননে মোতায়েনের পর থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গত ১১ বছর ধরে নৌসদস্যরা অত্যন্ত আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে চলেছে। নৌবাহিনীর এই গর্বিত অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

খুলছে খুলনা মহানগরীর পার্কগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দীর্ঘ দেড় বছর পর খুলনা মহানগরীর পার্কগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে খুলছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এসব পার্ক।

কেসিসি সূত্রে জানা যায়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে সাতটি পার্ক রয়েছে। এরমধ্যে খুলনা হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ শিশু পার্ক, সোলার পার্ক, গোলকমনি পার্ক , নিরালা পার্ক, লিনিয়ার পার্ক ও খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক।

জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৯ মার্চ থেকে করোনা মহামারীর কারণে নগরীর সাতটি পার্কে জনসমাগম নিষিদ্ধ করে সিটি কর্পোরেশন । সেই থেকে পার্কগুলো বন্ধ ছিল। ঘরবন্দি শিশুদের নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন অভিভাবকরা। এছাড়া এসব পার্কে প্রতিদিন প্রাতঃভ্রমণ ও শরীরচর্চা করতেন যারা তারাও ছিলেন মহাবিপাকে।

১৯ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুসারে সারা দেশের সব বিনোদনকেন্দ্র খুলো দেওয়া হলেও খোলা হয়নি খুলনার পার্কগুলো। এ নিয়ে শিশু কিশোর থেকে শুরু করে অভিভাবক ও নাগরিক নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। তারা নানাভাবে পার্কগুলো খুলে দেওয়ার দাবি সিটি মেয়রের কাছে জানিয়ে আসছিলো ।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের এস্টেট অফিসার মো. নুরুজ্জামান তালুকদার জানান, হাদিসপার্কসহ নগরীর সব পার্ক বৃহস্পতিবার সকাল থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্য লিনিয়ার পার্ক খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক আপাতত বন্ধ থাকছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এটার সংস্কার করার প্রয়োজন। পার্কটি সম্পূর্ণ কেসিসির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে।