জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের শোক প্রকাশ

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কৃতি সন্তান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসুর সাবেক জিএস জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশসহ শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ড। বিবৃতিদাতারা হলেন সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল হক চৌধুরী ছৈয়দ, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংসদের অধীন সকল সহকারী কমান্ডার, থানা কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক সাহেদ মুরাদ সাকু ও সদস্য সচিব কাজী মুহাম্মদ রাজিশ ইমরান।

দাকোপে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন

দাকোপ প্রতিনিধি : দাকোপে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী ননী গোপাল দাস, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা, দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শিপন ভূইয়া, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির, সাংবাদিক এস এম মামুনুর রশিদ, চালনা বিল্লালিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ অজিহুর রহমান, শিক্ষক হিরোজ হালদার, দীপা বিশ্বাস, সুকুমার মন্ডল, বাপন বসু, মহানন্দ রায়, মোঃ ওহিদুজ্জামান, তৃপ্তি মন্ডল, প্রবীর ভাদুড়ী, নুর সাঈদ, জাহিদ হোসেন প্রমুখ। সভায় দেশে চলমান উন্নয়ন ধারাকে আরো গতিশীল করতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করে বলা হয়, আমাদের শিক্ষা গ্রহনের উদ্দেশ্য যেন কেবল চাকুরী প্রত্যাশায় না হয়। বরং আধুনিক মান সম্মত কারিগরি শিক্ষা গ্রহন করে নিজেদের সকল ক্ষেত্রে কর্মক্ষম মানুষ হতে হবে, নতুন নতুন উদ্যোক্তা হতে হবে।

নিজ জন্মভূমি মায়ানমারে ফিরতে চাওয়ায় মুহিবুল্লাহকে হত্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

নিজ জন্মভূমি মিয়ানমারে ফিরতে চাওয়ার কারণে শীর্ষ রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল শুক্রবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। এ কারণেই কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

গত বুধবার রাতে উখিয়ার লম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে খুন হন মুহিবুল্লাহ। তিনি আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন।

মুহিবুল্লাহ নিহত হওয়ার ঘটনায় গতকাল সেলিম উল্লাহ (৩০) নামের সন্দেহভাজন এক রোহিঙ্গাকে আটক করেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা। পরে তাঁকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মুহিবুল্লাহ খুনের ঘটনায় মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার সংশ্লিষ্টতা এবং তিনজনকে শনাক্ত করার কথা গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন তাঁর ভাই হাবিবুল্লাহ। সেদিন রাতে উখিয়া থানায় তিনি বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেখানে অবশ্য আরসার বিষয়টি উল্লেখ করেননি। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (এপিবিএন) মো. আজাদ মিয়া গতকাল রাতে সাংবাদিকদের বলেন, মুহিবুল্লাহ খুনের ঘটনায় মামলার বাদী আরসার জড়িত থাকাসহ যেসব অভিযোগ করেছেন, তা আমলে নিয়েই তদন্ত চলছে।

এদিকে মুহিবুল্লাহ হত্যার পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে তাঁর বিবৃতিটি প্রচার করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশলেতে গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শুধু হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে তাদের বিচার নয়, মুহিবুল্লাহর হত্যার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা খুঁজতে দ্রুত, পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন একটি তদন্ত চালানো উচিত।