করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৫০ লাখ ছাড়াল

ইউনিক প্রতিবেদক :

গত শুক্রবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়েছে। রয়টার্স বার্তা সংস্থা এ তথ্য জানায়। অন্যান্য সংস্থার বৈশ্বিক পরিসংখ্যানগুলোতেও মৃত্যুর সংখ্যা এর কাছাকাছি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমণের এক বছরে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ লাখ মানুষের। অথচ পরের আট মাসের মধ্যে মৃত্যু হয় আরও ২৫ লাখ মানুষের।

ডেল্টা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ, দেশগুলোর মধ্যকার টিকাবৈষম্য, জনগণের মধ্যে টিকা না নেওয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানার অনীহা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, তাদের ১৯৪টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৮৭ টিতেই ডেল্টা ভেরিয়েন্ট পাওয়া গেছে। করোনার কয়েক দফা ঢেউয়ের মধ্যে এ ধরনটি সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্বে। গত সাত দিনে গোটা বিশ্বে মৃত্যুর অর্ধেকই যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও ভারতে।

ফুলতলায় জাপা নেতা এম জোহর আলী’র ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া অনুষ্ঠান

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা সভাপতি এম জোহর আলী মোড়লের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং দলীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে বাদ জোহর ফাতেমা আমেনা হাফিজিয়া মাদ্রসা ও এতিমখানায়, বাদ আছর আটরা গিলাতলা (ডাক্তার বাড়ি) জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে এবং বাদ মাগরিব দামোদর কলোনী জামে মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাঈদ আলম মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক আঃ আজিজ, খানজাহান আলী থানা সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজাদ, জাপা নেতা আনোয়ার হোসেন, সাদ্দাম মোড়ল, রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, হানিফ শিকদার, জি.এম মিলন, সেলিম, সালাউদ্দিন গাজী, মনোয়ার শেখ, মহিলা নেত্রী শাহিনুর বেগম, রইজ মল্লিক প্রমুখ।

ফুলতলায় শারদীয় দূর্গোৎসব উদযাপনে প্রস্তুতি সভা

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// আসন্ন শারদীয় দূর্গা পূজা সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে উদযাপনের লক্ষে ফুলতলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার দুপুরে উপজেলা মিলনায়তনে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও সাদিয়া আফরিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন। পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা মৃনাল হাজরার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অফিসার ইনচার্জ ইলিয়াস তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন, পল্লী বিদ্যুৎ এর ডিজিএম প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবাসিক প্রকৌশলী উৎপল চন্দ্র দে। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহিন আলম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কাশেম, প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা নেতা সুশান্ত বৈরাগী, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তী, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান, শেখর চন্দ্র, বিশ^নাথ মন্ডল, রনজিৎ কুমার বোসসহ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

ঢাবি’র ভর্তি পরীক্ষা কারাগারে বসেই

ইউনিক প্রতিবেদক :

কারাগারে বসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা দিলেন রাজধানীর একটি কলেজের শিক্ষার্থী। ঢাকা থেকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢাবি’র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঐ শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, তার একটি ব্যক্তিগত জীবন আছে।এটি প্রকাশ না করাই ভালো। সে কোন অভিযোগে অভিযুক্ত এটি আমাদের দেখার বিষয় না। আমাদের কাছে আদালতের রায় এসেছিল, আর আমরা দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মকর্তা পাঠিয়ে সেই শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছি। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এস এম মাসুম বাকী বিলাহ, সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এনামুল হক, প্রক্টর অফিসের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার (প্রধান সহকারী) মো. কুমের আলী ও শিক্ষার্থীর আবেদনের ভিত্তিতে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা দিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী। নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা শুরু ও শেষ করেছে বলে জানায় পরিদর্শক হিসেবে থাকা কুমের আলী।

ঢাবি’র ভর্তিযুদ্ধে পা দিয়ে লিখলেন সুরাইয়া জাহান

ইউনিক প্রতিবেদক:

স্বপ্নপূরণের প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে, জীবনের লক্ষ্যকে জয় করতে প্রতিবন্ধী সুরাইয়া জাহান ঢাবি’র ভর্তিযুদ্ধে পা দিয়ে লিখে পরীক্ষা দিলেন।

গ্রামের বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলায়। বাবা পেশায় একজন শিক্ষক। মা মুর্শিদা ছফির। সুরাইয়া জাহানের হাত অকেজো থাকলেও পরিবারের আশা মেয়ে এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “খ” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হয়ে বড় অফিসার হবে।

সুরাইয়া জাহান হাতে লিখতে না পারলেও, লিখেন পা দিয়ে। আর দশজন শিক্ষার্থীর মতো চেয়ার বেঞ্চে বসে পরীক্ষা দিতে না পারলেও, অংশ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধে! শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “খ” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে শেরপুর থেকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আসেন সুরাইয়া এবং তার মা মুর্শিদা ছফির।

ভেতরে যখন মেয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন, বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন মা মুর্শিদা ছফির। বেলা ১১টা থেকে টানা দেড় ঘন্টার ভর্তি পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হয় সুরাইয়া।

মা মুর্শিদা ছফির বলেন, মেয়েকে নিয়ে আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনের গল্পটাও সংগ্রামের। তিন মেয়ের মধ্যে সুরাইয়া প্রথম। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও মেয়েকে কখনও অবহেলার চোখে দেখিনি। সুরাইয়া এসএসসিতে জিপিএ ৪.১১ এবং এইচএসসিতে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।