প্রতিবন্ধী দৃষ্টিহীন মানুষের পাশে সামর্থ্যবান লোকদের এগিয়ে আসতে হবে : খুলনা সিটি মেয়র

ইউনিক প্রতিবেদক :
আন্তর্জাতিক সাদাছড়ি দিবস উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী রোটারী ক্লাব অব সুন্দরবনের পক্ষ থেকে শতাধিক দৃষ্টিহীন প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় পাইনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে রোটারিয়ান পিপি গাজী মোঃ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ও রোটারিয়ান আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদার এর সঞ্চালনায় আন্তর্জাতিক সাদা ছড়ি দিবসের আলোচনা সভা ও দৃষ্টিহীন প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়।
দৃষ্টিহীনদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান রোটারিয়ান পিপি মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল সাদাছড়ি দিবস এর উপরে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন এডিডির ফিল্ড কোডিনেটর মোঃ আসাদুল্লাহ, পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জাফরোজা খানম, রোটারিয়ান পিপি নাসিরুজ্জামান, রোটারিয়ান আলহাজ্ব মোঃ সেলিম আহমেদ, রোটারিয়ান হাকিম মতিয়ারি, কেডিএ রুপসা মার্কেটের সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোস্তফা। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা মহিলা আলিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সালেহ আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, দৃষ্টিহীন প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকার থেকে ভাতা সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করেছেন সমাজের বিত্তবানদের ও সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে তাহলে সমাজ থেকে বৈষম্য দূর হবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী উন্নত বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে সকল মানুষের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। খুলনা সিটি করপোরেশন সেই কাজগুলো করছেন। রোটারী ক্লাব অব সুন্দরবনের এই মহতী কাজকে স্বাগত জানিয়ে সিটি মেয়র মানব সেবায় এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, রোটারী ক্লাব অব সুন্দরবনের পি পি ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল ও আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদারের জন্মদিনে সকল আনুষ্ঠানিকতা বর্জন করে অন্ধ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদা ছড়ি বিতরন করেন।

সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের এপিএস ফোয়াদ আরও দুই দিনের রিমান্ডে

ইউনিক প্রতিবেদক :
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য খন্দকার মোশাররফের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এ এইচ এম ফোয়াদকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম ফারুক হোসেন এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ফোয়াদের দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

পূর্ববর্তী দুই দিনের রিমান্ড শেষে আজ বিকেলে ফোয়াদকে আদালতে সোপর্দ করে আরও সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল গফফার। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড মঞ্জুরের পর আদালত থেকে ফোয়াদকে আবার পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল গফফার বলেন, ছোটন হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ফোয়াদকে রিমান্ডে এনে ১০ বছর ধরে ফরিদপুরে তাঁর (ফোয়াদ) নেতৃত্বে পরিচালিত যাবতীয় কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কার সহযোগিতা ও ছত্রচ্ছায়ায় থেকে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন, কারা কীভাবে ফোয়াদের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

১২ অক্টোবর রাতে ফোয়াদকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরদিন ফোয়াদকে ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করে ২০১৬ সালের ছোটন বিশ্বাস (২৮) হত্যা মামলার আসামি দেখানো হয়। ওই মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। পরে শুনানি শেষে ওই আদালতের বিচারক রত্না সাহা দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, ফোয়াদের বিরুদ্ধে যে আটটি মামলা রয়েছে, তার মধ্যে সাতটি মামলার অভিযোগপত্রের আসামি এ এইচ এম ফোয়াদ। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

র‌্যাবের অভিযানে ১৮টি হরিণের চামড়াসহ গ্রেফতার ২

ইউনিক প্রতিবেদক :

বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮টি হরিণের চামড়াসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিচালক লেঃ মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় র‌্যাব-৬ খুলনার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার সদর থানাধীন বারাকপুর বাজার কাশেম প্লাজার নামক মার্কেটে অভিযান চালিয়ে মোঃ আব্দুল হাকিম (৫০) ও মোঃ কামরুল ইসলাম (৩৫) নামে দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি বড় প্লাষ্টিকের ব্যাগে অবৈধভাবে আনা ১৮টি হরিণের চামড়া, ২টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২ হাজার টাকা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী আব্দুল হাকিম বহরবনিয়া এলাকার মৃত রফিজ উদ্দিন ফরাজীর ছেলে এবং অপর আসামী কামরুল ইসলাম শরণখোলা সোনাতলা এলাকার মৃত আলী মিয়া হাওলাদােররে ছেলে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, তারা পরস্পর যোগশাজসে সুন্দরবন হতে চামড়াসহ হরিণের মাংস সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় উচ্চ বিলাসী মানুষের কাছে অধিক মুনাফার লোভে সরবরাহ করতো। গ্রেফতাকৃত আসামীদ্বয়কে বাগেরহাট সদর থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।