টাকা ছিনিয়ে নিতে ঢাবি অধ্যাপককে হত্যা করেন কন্ট্রাক্টর আনোয়ারুল

ঢাকা অফিস :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা গাফফারের হাতের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন কন্ট্রাক্টর আনোয়ারুল ইসলাম। এতে অধ্যাপক সাইদা চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে আনোয়ারুল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথাও স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার করা কন্ট্রাক্টর আনোয়ারুল ইসলাম।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবাসন প্রকল্পের ভেতরে ঝোপ থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অধ্যাপক সাইদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নির্মাণাধীন বাড়ির কন্ট্রাক্টর ও রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন আনোয়ারুল। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন নিহত অধ্যাপকের ছেলে সাউদ ইফখার বিন জহির।

অধ্যাপক সাইদা ঢাকা বিশ্বদ্যালয়ের শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে তার মালিকানাধীন প্লটে বাড়ি করার জন্য প্রকল্প সংলগ্ন দক্ষিণ পানিশাইল মোশারফ মৃধার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। সেখানে থেকেই বাড়ি নির্মাণ কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন। সেখান থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে মরদেহটি পাওয়া গেছে।

অধ্যাপক সাইদা যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন মৃধা বলেন, প্রায় আট মাস ধরে আমার বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট ভাড়া নেন অধ্যাপক সাইদা। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলে বেসরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার। দুই মেয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। আরেক মেয়ে ঢাকায় থাকেন। ম্যাডাম ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। একটা বিদেশি কুকুর পুষতেন। মাঝেমধ্যে তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রী আসতেন।

এর আগে বুধবার (১২ জানুয়ারি) সাইদা গাফফারের নিখোঁজের ঘটনায় তার মেয়ে সাদিয়া আফরিন কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ মিজানুর রহমান বলেন, অধ্যাপক সাইদার হাতে টাকা দেখে তা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তিনি চিৎকার শুরু করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান আনোয়ারুল।

বগুড়ায় ফেসবুকে পরিচয়, বিয়ের কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণ

ইউনিক প্রতিবেদক, বগুড়া:

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বন্ধুর জন্মদিনে এক তরুণীর (১৮) সঙ্গে পরিচয় হয় আবদুল্লাহ আল নোমান (২২) নামের এক তরুণের। ফেসবুকে তাঁদের নিয়মিত কথা বলে তৈরি হয় বন্ধুত্ব। পরে বিয়ের কথা বলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) রাতে ধর্ষণের অভিযোগে শেরপুর থানায় মামলা করেন ওই তরুণী। রাত ১২টার দিকে অভিযুক্ত আবদুল্লাহকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আবদুল্লাহ আল নোমানের বাড়ি শেরপুর শহরের পাশে সান্যালপাড়ায়। তিনি শেরপুর ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রামজীবন ভৌমিক বলেন, ওই তরুণী এবার এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে গতকাল বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মামলার এজাহারে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন তরুণী। বিয়ের কথা বলে ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথমবার ধর্ষণ, একই বছরের ৩ মার্চ দ্বিতীয়বার ধর্ষণ ও সর্বশেষ ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মামলায় তরুণী উল্লেখ করেছেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, তরুণীর করা ধর্ষণ মামলায় আবদুল্লাহ আল নোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছেন : বাবুল রানা

বিজ্ঞপ্তি :

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছেন। দেশের মানুষের জন্য ১৪৪ প্রকারের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করেছেন। প্রতিবন্ধী, বিধবা ও বয়স্কসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভাতা চালু করেছেন। যার কারণে আজ তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘জুয়েল ইন দ্যা ক্রাউন’ বা বাংলাদেশের মুকুট মণি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি‘র পক্ষে নগরীর ২০নং ওয়ার্ডে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ মাথাপিছু আয় বাড়ছে, কমছে দারিদ্র্যের হার। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বে উন্নয়নের মডেলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন আত্মমর্যাদাশীল জাতি।

তিনি বলেন, বতর্মানে সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। মহামারি করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে সরকার করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা তারই কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবে রূপ নিবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, নির্বাহী সদস্য এস এম আকিল উদ্দিন, মহানগর যুব লীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন থানা আওয়ামী লীগ নেতা আলী আকবর মাতুব্বর, ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি চ. ম. মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর লিটন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা সালাম ব্যাপারী, নুর ইসলাম মুন্সি, যুব নেতা কবির পাঠান, মহানগর কৃষক লীগ নেতা মো. আইউব আলী খান, আলমগীর মল্লিক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদত হোসেন, শেখ আব্দুল মজিদ, আলহাজ¦ বাহা উদ্দিন, মো. আব্দুল হাই মাতব্বর, সিদ্দিকুল হক, ইখতিয়ার হোসেন সিবা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।