ফুলতলায় ৭০ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার জমিসহ ঘর পাচ্ছেন কাল

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন ৭০ পরিবার চতুর্থ পর্যায়ে জমিসহ ঘর পাচ্ছেন  (বুধবার ২২/৩/২৩)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (বুধবার ২২/৩/২৩) সকাল ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এ ঘর প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এ উপলক্ষে ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে প্রেস ব্রিফিং করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ইউসুফ, উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াছিন আরাফাত।

ইউএনও খোশনূর রুবাইয়াৎ বলেন, চুডান্ত পর্যায়ে ফুলতলা উপজেলায় ২৫২ জন ভুমি ও গৃহহীনদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৪, দ্বিতীয় পর্যায় ৬ এবং তৃতীয় পর্যায়ে ৭৭ পরিবারসহ মোট ১২৭ ভ‚মি ও গৃহহীনদের জমিসহ ঘর দেওয়া হয়। (বুধবার ২২/৩/২৩) ফুলতলা উপজেলায় আলকা ও দামোদর মৌজায় নির্মিত চতুর্থ পর্যায়ে ৭০ পরিবারকে ঘর প্রদান করা হবে। এছাড়াও ২০টি ঘরের নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। অবশিষ্ট ৫৫ ভুমি ও গৃহহীনদের পরবর্তী পর্যায়ে ঘর প্রদান করা হবে।

 

 

ফুলতলার গাড়াখোলা স্কুলে প্রতিবাদ সমাবেশ

ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি// ফুলতলার গাড়াখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শিক্ষককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ লিফলেট বিতরণের প্রতিবাদে সোমবার বিকালে এলাকাবাসির আয়োজনে স্কুল মাঠে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এবং আওয়ামীলীগ নেতা এস রবীন বসু সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। শিক্ষক আজাদ হোসেন গাজীর পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা রোস্তম আলী গাজী, সাবেক ইউপি সদস্য আঃ গনি গাজী, ডাঃ সেকেন্দার আলী মোড়ল, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম কচি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী বিশ্বাস, হুমায়ুন কবির মোল্যা, সাবেক ইউপি সদস্য কবির মহলদার, সাবেক ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন গাজী, শ্রমিক নেতা সনজিৎ বসু, ওলিউল্লাহ সুইম, পরিচালনা কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মতি, জিয়াউর রহমান মোল্যা, ইকবাল হোসেন খাঁন, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আরমান হোসেন, আজহার আলী খা, আবুল মোল্যা, মোফাজ্জেল শেখ, আনোয়ার পাড়, ইলিয়াস শেখ, বিল্লাহ হোসেন, মুজিবার মোল্যা, মোজাফ্ফার খা, জাহিদ ফকির, শাজাহান সরদার, শরিফুল ইসলাম, টিটো বিশ্বাস, নজরুল শেখ, ইস্রাফিল আলম, জসিম শেখ প্রমুখ।

বক্তরা বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত প্রতিষ্ঠানটি যখন শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনই কুচক্রী মহল ইশ্বান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাদের এ সকল কর্মকান্ডের ব্যাপারে এলাকাবাসিকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

 

 

হাজী আঃ মালেক ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উৎযাপন

বিজ্ঞপ্তি : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও ‘জাতীয় শিশু দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে হাজী আব্দুল মালেক ইসলামিয়া কলেজে আয়োজিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, কেককাটা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব সাহিদা খাতুন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজের মার্কেটিং বিভাগের প্রভাষক জনাব এস.এম সোহেল ইসহাক। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোনআন থেকে তেলওয়াত করেন ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক জনাব আব্দুর রব। গীতা থেকে পাঠ করেন অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সমরেশ চন্দ্র বিশ্বাস। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জনাব মোঃ আবু খয়ের বিশ্বাস, অধ্যাপক জনাব মোঃ আসিফ ইকবাল, অধ্যাপক আফরোজা আক্তার জাহান, অধ্যাপক ফাতেমা বেগম, প্রভাষক জনাব মোঃ শামীম শেখ, প্রভাষক জনাব শেখ সিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক তুহিন গাইন, ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান সাব্বির, এলিন হোসেন অন্তর সহ প্রমুখ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া পরিচালনা করেন অধ‍্যপক আব্দুর রউফ।

খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে ৮৩৬টি পরিবার

খুলনা : ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহপ্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় তৃতীয় পর্যায়ের অবশিষ্ট ৭৯টি এবং চতুর্থ পর্যায়ের সাতশত ৫৭টিসহ মোট আটশত ৩৬টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন। এর মধ্যে রূপসা উপজেলায় ৭৫টি, তেরখাদায় ৯০টি, ডুমুরিয়ায় ২০০টি, পাইকগাছায় ৬৬টি, দাকোপে ৭৫টি, বটিয়াঘাটায় ৮০টি, দিঘলিয়ায় ১৮০টি এবং ফুলতলা উপজেলায় ৭০টি পরিবারের মাঝে জমিসহ ঘর হস্তান্তর করা হবে।

খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন আজ (সোমবার) দুপুরে তাঁর সম্মেলনকক্ষে প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ায় কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে প্রেসব্রিফিং এ এসকল তথ্য জানান।

জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তৃতায় বলেন, খুলনা জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসনের কাজ সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। চতুর্থ পর্যায়ে ঘর নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় দুই লাখ ৮৪ হাজার পাঁচশত টাকা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সফল করার জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসব্রিফিং এ জানানো হয়, ক শ্রেণির পরিবার যার জমি ও ঘর কিছুই নেই এমন ভূমিহীন-গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় দরিদ্র পরিবার এবং খ শ্রেণির পরিবার যার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ জমির সংস্থান আছে কিন্তু ঘর নেই এমন পরিবার। ক শ্রেণির পরিবারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি নিস্কন্টক খাস জমি, সরকারিভাবে ক্রয়কৃত জমি, সরকারের অনুকূলে কারও দানকৃত জমি অথবা রিজিউমকৃত জমিতে ভূমিহীন-গৃহহীনদের ২শতক জমিসহ সেমিপাকা একক গৃহ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। খাস জমির সংস্থান না থাকায় খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় ৩.৭০ একর, দিঘলিয়া উপজেলায় ২.৪১৮ একর, বটিয়াঘাটা উপজেলায় ২.০০ একর, ফুলতলা উপজেলায় ৪.১২ একর এবং রূপসা উপজেলায় ০.২৪ একরসহ মোট ১২.৪৭৮ একর জমি ক্রয় করা হয়েছে।

প্রেসব্রিফিং এ আরও জনানো হয়, খুলনা জেলার মোট ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ৫হাজার পাঁচশত ২৯টি। ইতোমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৯২২টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৩৫১টি এবং তৃতীয় পর্যায়ে ৯০৬টি জমির মালিকানাসহ গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। চলমান চতুর্থ পর্যায়ে তৃতীয় ধাপে বরাদ্দপ্রাপ্ত মোট গৃহের সংখ্যা ১৮১৯টি। বর্তমানে কাজ চলমান ১০৬২টি গৃহে ভূমিহীন-গৃহহীন পুনর্বাসনের পর খুলনা জেলায় অবশিষ্ট ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার থাকবে ৩৭৬টি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মিত ব্যারাকে তেরখাদা উপজেলায় ৩০টি, পাইকগাছায় ৭৩টি ও দাকোপ উপজেলায় ৫০টিসহ মোট ১৫৩টি এবং খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য কর্তৃক দাকোপ উপজেলায় দুইটি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

মতবিনিময় ও প্রেসব্রিফিং এ খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম মুনিম লিংকন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) আতিকুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শাকিবের ‘বিকৃত যৌনতার’ তথ্য উঠে এলো অস্ট্রেলিয়া পুলিশের তদন্তে

ইউনিক ডেস্ক : চলচ্চিত্র প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ শাকিব খানের নামে যে নারী সহ-প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন তার স্বপক্ষে প্রমাণ হাজির করলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের কাছে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের কপি পাঠিয়েছেন ওই প্রযোজক।

মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার নাম ম্যাথিউ জন ক্রুকসন। তার তদন্ত প্রতিবেদনের নথিতে মামলার বাদী হিসেবে আছে ধর্ষণের শিকার অ্যানি সাবরিনের নাম। আর স্বাক্ষী প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ।

মামলাটি করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট জর্জ পুলিশ স্টেশনে। রিপোর্টে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শাকিব খান ওরফে রানা।

পুলিশ প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে নভোটেল দ্য গ্র্যান্ড প্যারেড অ্যাপার্টমেন্ট ৭২১ ব্রাইটন লা স্যান্ডস হোটেল কক্ষে রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দুই ঘণ্টা অ্যানিকে ধর্ষণ করেন শাকিব খান! সেসময় ওই নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ তদন্ত করে মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ধর্ষণকারী শাকিব খান মধ্যপ অবস্থায় মাতাল হয়ে অ্যানি সাবরিনকে যোনি ও পায়ুপথে নির্মমভাবে যৌনচার চালিয়েছেন।

পুলিশ সেই প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে, শাকিব খান রানা একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা। ভুক্তভোগী অ্যানি সাবরিন তার আঙ্কেল রহমত উল্ল্যাহর চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে প্রযোজক হিসেবে কাজ করেন। সাবরিন ও রহমত উল্ল্যাহ বাংলাদেশি সিনেমার কাজ শুরু করেছে। যার শুটিং অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশে হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় শাকিব খানের সঙ্গে অ্যানি সাবরিনের প্রথম দেখা হয় ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট। এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া শাকিব খানের নিয়মিত ট্রান্সপোর্ট, হোটেল, খাওয়া-দাওয়া ও যাবতীয় বিষয়াদি দেখাশোনা করেন অ্যানি।

এর আগে শাকিব খানের বিরুদ্ধে গেল ১৫ মার্চ প্রযোজক রহমত উল্ল্যাহ লিখিত আকারে বিস্তর অভিযোগ জমা দেন প্রযোজক-পরিবেশক, পরিচালক, শিল্পী সমিতি ও ক্যামেরাম্যান সমিতিতে।

সেই অভিযোগকে পুরোপুরি মিথ্যা বলছেন শাকিব খান। রহমত উল্ল্যাহকে ভুয়া প্রযোজক দাবি করে তিনি গুলশান থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু পুলিশ তার মামলা নেয়নি। পরে তিনি ডিবি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

পাইকগাছা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বিজ্ঞপ্তি : শনিবার বিকাল ৪টায় পাইকগাছা পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন স্থানীয় টাউন স্কুল চত্বরে বাসারুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু। সম্মানিত অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, সাধারণ সম্পাদক এম এম আজিজুর রহমান রাসেল, আনিসুর রহমান মুক্ত, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক মাঈনুল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন ফিরোজ বুলু, হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাহফুজুল হক কিনু, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কাউন্সিলর কবিতা রানী দাস, ডাক্তার সমরেশ মন্ডল, মাহবুবুল হক মনোজ কুমার মন্ডল, সন্দীপ রায়, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, আবির মালিক, মফিজুর রহমান, নিত্যনন্দ রায়, কাউন্সিলর রবি শংকর মন্ডল, অসিত মন্ডল, পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী, আবির আকাশ, রিপন রায়, অনুপম মন্ডল, বিদ্যুৎ, পলাশ, হামিম, মো: গাউস, বাধন, মোঃ কামরুজ্জামান, আব্দুল মান্নান, সুমন, আঃ রহমান, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। সম্মেলনে তিনটি ওয়ার্ড কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের আতঙ্কের নাম র‌্যাব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইউনিক ডেস্ক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্ব শর্ত। গণমানুষের আস্থা ও জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের আতঙ্কের নাম র‌্যাব। র‌্যাব ইতোমধ্যে জননিরাপত্তা রক্ষায় গণমানুষের আস্থার বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। রবিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দপ্তরে র‌্যাবের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দরবার হলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান “নিরাপত্তা রক্ষায় গণমানুষের আস্থায়”। এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজ দেশের উন্নয়নের এই পূর্ব শর্তকে সঠিকভাবে ধারণ করে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, প্রতারণা বন্ধসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে র‌্যাব। র‌্যাব জঙ্গি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের কাছে একটা আতঙ্কের নামে পরিণত হয়েছে।”

সুন্দরবনের জলদস্যু, বনদস্যু, আত্মসমর্পণ এবং পুনর্বাসন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ব ঐতিহ্যের নিদর্শন সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করেছে র‌্যাব। একে একে আত্মসমর্পণ করেছে কক্সবাজার, মহেশখালী, বাঁকখালী অঞ্চলের দস্যুরা। এছাড়াও সুন্দরবন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার আত্মসমর্পণ করা ৪০৫ জলদস্যুকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করেছে র‌্যাব।” আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “র‌্যাবের কার্যক্রমের ফলেই ধর্ষণ, খুন, অপহরণের আসামিদের গ্রেফতারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে।”

রাতের আঁধারে ইউক্রেনে পুতিন, নিজেই গাড়ি চালিয়ে শহর ঘুরলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রুশ বাহিনীর দখল করা দোনেৎস্ক অঞ্চলের ইউক্রেনীয় শহর মারিউপোল পরিদর্শন করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেন গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে রোববার (১৯ মার্চ) সংবাদমাধ্যম তাস জানিয়েছে, হেলিকপ্টারে করে পুতিন মারিউপোল যান। শহরের বেশ কয়েকটি এলাকা তিনি ঘুরে দেখেন। এসময় পুতিন সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। রুশ সংবাদমাধ্যম খবর দিচ্ছে, পুতিন হেলিকপ্টারে চড়ে ওই শহরে এসে নামেন এবং অন্ধকারের মধ্যে গাড়িতে করে শহরটির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি নিজেই গাড়ি চালান।

এর আগে অঘোষিত এক সফরে ক্রিমিয়া সফর করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ইউক্রেনের কাছ উপদ্বীপটি দখলে নেওয়ার নবম বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৮ মার্চ) এই সফরে যান তিনি। সফরকালে সেভাস্তোপলে রাশিয়ার নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ পুতিনকে অভ্যর্থনা জানান।

ক্রিমিয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট একটি নতুন শিশু কেন্দ্র ও আর্ট স্কুল দেখতে গিয়েছিলেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভির ফুটেজে, শনিবার পুতিনকে কৃষ্ণ সাগরের বন্দর শহর সেভাস্তোপল পরিদর্শন করতে দেখা যায়। তার সঙ্গে ক্রিমিয়ায় মস্কো-নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভও ছিলেন।

এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন ব্যক্তিগতভাবে এখানে এসেছিলেন। নিজেই গাড়ি চালিয়ে। রুশ প্রেসিডেন্ট সবসময় সেভাস্তোপল ও সেভাস্তোপলের জনগণের সঙ্গে আছেন। ’

পিএইচডি করানোর সুযোগ পাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় : শিক্ষামন্ত্রী

ইউনিক ডেস্ক : দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল-পিএইডি ডিগ্রি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এমফিল-পিএইচডি করাতে পারবে বলে জানান তিনি।

রবিবার (১৯ মার্চ) ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ২৩তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকার, এডুকেশন সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট-এর ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস সালমা করিম, আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এতে আইইউবির ট্রাস্টি, অভিভাবক এবং আইইউবির শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটির পিএইচডি দিতে পারার, গবেষণা করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। কাজেই আমরা ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো। যে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সক্ষমতা তৈরি হয়েছে এবং কার কোন বিশেষ বিষয়ে সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনা করেই কাজটি শুরু করা উচিত। খুব শিগরিই ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চাই। শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার কোনও বিকল্প নেই। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত মান উন্নয়নের কাজ চলছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে আমাদের দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যাবশ্যক। সে কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। উচ্চশিক্ষায় সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ রয়েছে।’

অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদে বিশ্বভারতীর নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। রোববার (১৯ মার্চ) তার শান্তিনিকেতনের ঠিকানায় ওই নোটিশ পাঠানো হয়।

চিঠি আকারে পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী ২৯ মার্চ অমর্ত্য সেন বা তার কোনও প্রতিনিধিকে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অ্যাডমিশন বিল্ডিংয়ের কনফারেন্স হলে উপস্থিত থাকতে হবে। সেখানে ওই জমি নিয়ে শুনানি হবে।

খবরে বলা হয়েছে, অমর্ত্য সেন বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছেন বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিছু দিন আগে তিনি যখন শান্তিনিকেতনে ছিলেন, তখন একটি চিঠি পাঠিয়ে ওই জমি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দিতে বলে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

পরে ওই নোটিশ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। অমর্ত্য সেন পাল্টা দাবি করেন, ওই বাড়ির জমির একটি অংশ বিশ্বভারতীর থেকে লিজ নেয়া আর কিছুটা কেনা। এখন মিথ্যা কথা বলছে কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে শান্তিনিকেতনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমর্ত্যের সঙ্গে দেখা করেন। পরে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে মমতা বলেন, এভাবে মানুষকে অপমান করা যায় না।

তবে কিছুদিন আগে বাবা আশুতোষ সেনের পরিবর্তে জমির লিজ হোল্ডার হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন অমর্ত্য সেন। বোলপুর ভূমি ও ভূমিসংস্কার দফতরে তার শুনানি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অমর্ত্য সেনের এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবীরা; কিন্তু দীর্ঘ শুনানির পরও তখন মীমাংসা হয়নি।