ঝিনাইদহে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার (ভিডিও)

খুলনা অফিস : র‌্যাব ৬ এর অভিযানে ঝিনাইদহ থেকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিলসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে ।
র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার মো হৃদয় খাঁন(২২) কে ৫৫৯ বোতল ফেন্সিডিল, ২টি মোবাইল ও মোটর সাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী হৃদয় খাঁন এর বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদকসহ অন্যান্য মামলা রয়েছে। জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করতঃ আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

 

বাগেরহাটে চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ১ (ভিডিও)

খুলনা অফিস : বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানা এলাকায় থেকে চোরাই মালামালসহ চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ৬।
র‌্যাব জানায়, গত ২৪ জুলাই ২০২২ তারিখ ঢাকা জেলার তেজগাঁও থানাধীন কাওরান বাজারস্থ মেট্টো এক্সপ্রেস কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী কর্তৃক অফিসের বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের সুপার ভাইজার বাদী হয়ে উক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ডিএমপি ঢাকার তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
উক্ত কর্মচারী চোরাই মালামাল নিয়ে খুলনাঞ্চলে অবস্থান করছে মর্মে জানা যায়। র‌্যাব ৬ এর একটি আভিযানিক দল চোরকে ধরতে তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার দিবাগত রাতে র‌্যাব ৬ এর দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট থানা এলাকা থেকে মোঃ রাজু শেখ (২৫) কে চুরিকৃত বিভিন্ন হার্ডওয়ার এর ১১৮৭ কেজি মালামাল, ৪৪ কেজি স্যানেটারী আইটেম,-প্রায়, ৩৮ কেজি খাবার সামগ্রীসহ গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রাজু শেখকে ডিএমপি ঢাকার তেজগাঁও থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি এবং স্থাপত্য শিল্পের মাইল ফলক : মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল

মোঃ শহীদুল হাসান :

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পদ্মা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি ও স্থাপত্য শিল্পের মাইল ফলক। পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বিশ্ব দরবারে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল।

আগামী ২৫জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনীকে ঘিরে সারা দেশে যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে সে বিষয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও মানবতার নেত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দৃঢ়তার ফলে পদ্মা সেতু আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের একুশটি জেলার জনগণের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি ছিল পদ্মা সেতুর। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর মতো একজন ভিশনারি লিডার। তিনি পদ্মা নদীর ওপর সেতুর শুধু স্বপ্নই দেখেননি তার বাস্তব সৃষ্টিও দেখতে চেয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তিনি পদ্মা সেতুর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ হাতে নেন। ১৯৯৮-১৯৯৯সালে বিশেষজ্ঞ দল দ্বারা সেতুর সম্ভাব্যতা বা ফিজিবিলিটি স্টাডি করান। ২০০১সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে পদ্মা সেতুর নির্মাণের বাস্তব ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তারপরেও বঙ্গবন্ধু কন্যা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কথা বিস্মৃত হননি। ২০০৮সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইস্তেহারে পদ্মা সেতু নির্মানে জনগনকে স্বপ্ন দেখান ও প্রতিশ্রুতি দেন। দেশের মানুষ শেখ হাসিনার পদ্মা সেতুর স্বপ্নের উপর আস্থা রেখে নির্বাচনে বোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করে। নির্বাচনে জয় লাভের পর সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ হাতে নেন। সরকারের পরিকল্পনা ছিল বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে।

২০১১ সালের ২৮এপ্রিল বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা চুক্তি সই হয়। এছাড়া ১৮ মে জাইকার সঙ্গে, ২৪ মে আইডিবির সঙ্গে এবং ৬ জুন এডিবির সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই বছর অর্থাৎ ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্বব্যাংক অভিযোগ করে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক তাদের ঋণচুক্তি বাতিল করে। প্রথম থেকেই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা পদ্মা সেতু নির্মাণে বিরোধিতা করে আসছিলো। ষড়যন্ত্রকারীরা চেয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকারকে বিপাকে ফেলতে। দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ এনে সরকারের জনপ্রিয়তা কমানোর পাশাপাশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে বরাবরের মতই বৈষম্যের বেড়াজালে আটকে রাখতে পদ্মা সেতু নির্মান বন্ধ করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। বাস্তবে তার উল্টোই হয়েছে। বিশ্বব্যাংক কর্তৃক ঋণচুক্তি বাতিল বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদই হয়েছে। বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি স্থগিত করলে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন পদ্মা সেতু অবশ্যই হবে। তবে তা নিজস্ব অর্থায়নেই।অন্যের কাছ থেকে হাত পেতে টাকা এনে পদ্মা সেতু করবেন না। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা শত প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু করেন। বাংলাদেশ পদ্মা সেতুর মতো একটি বৃহৎ বহুমুখী সেতু নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত করতে সক্ষম হয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ২৫শে জুন ফিতা কেটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন এটা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। পদ্মা নদীর উপরে শুধু একটি সেতু নয়-এটি একটি লালিত স্বপ্নের সফলতা। পদ্মা বহুমুখী সেতু শুধু যোগাযোগ নেটওয়ার্ক-এর বিপ্লব ঘটাবে না। এ সেতু সতেরো কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ২ কোটি মানুষের আঞ্চলিক বৈষম্য কমার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। এ অঞ্চলে নতুন নতুন শিল্প কলকারখানা স্থাপনের ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের গুরুত্ব বেড়ে যাবে। ভোমরা, বেনাপোল বন্দরসহ ভারতের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি পাবে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের দ্বিখন্ডিত বাংলাদেশকে সড়কপথে ঐক্যবদ্ধ করবে। এই সেতু সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগের মাধ্যমে তড়িৎ অগ্রগতি সাধিত হবে। পণ্য পরিবহন, ব্যবসা বাণিজ্য শিক্ষা চিকিৎসা শাস্ত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

তিনি প্রত্যাশা করে বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে মানুষের যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সমীক্ষা অনুযায়ী, পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বাড়বে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২দশমিক ৩শতাংশ। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নুতন দ্বার উন্মোচিত হবে। তবে শুরুতেই বড় গতিশীলতা আসবে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে। সেতুর কারণে সব ধরণের কৃষিপণ্য তাদের সবচেয়েৎকাঙ্ক্ষিত বাজারে দ্রুত যেতে পারবে। শুধু ঢাকা নয়, বরং বড় বড় জেলায়শহরগুলোতেও তাদের পণ্য যাওয়ার সুযোগ পাবে। পদ্মা সেতুর প্রাথমিক প্রভাবয়পড়বে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি খাতে আর দীর্ঘমেয়াদী সুফল আসবে ভারী শিল্পখাতে। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন ও খানজাহান আলী মাজার, ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘিরে পর্যটনের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। যা বাংলাদেশকে পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় পর্যটন শিল্পের দেশে রুপান্তরিত করবে বলে মনে করেন। এই ব্যবসায়ী নেতার প্রত্যাশা পদ্মা সেতু যোগাযোগের বড় দিগন্ত উন্মোচন করবে। সে বিষয়ে তার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এই যোগাযোগ সুবিধাকে অর্থনৈতিক সুবিধায় রূপান্তর করতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস, বিদ্যুতসহ অন্য অবকাঠামোতেও নজর দিতে হবে বলেও জানান তিনি।

মোল্লাহাটে সমাজসেবা অফিসের কর্মচারীকে গলা কেটে হত্যা

ইউনিক প্রতিবেদক, মোল্লাহাট, বাগেরহাট :

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসের অফিস সহায়ক নাইম খাঁনকে (২৮) শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গাংনী গ্রামের হিরণ মাষ্টারের বাড়ীর উঠান থেকে গুরতর আহত অবস্থায় নাইমকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী ও তার স্বজনেরা। পরে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারী ক্লিনিকে নেওয়া হয় । এরপর সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নাইম খাঁন গাংনী গ্রামের আবুল খাঁনের ছেলে। সে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে অফিস সহায়ক পদে চাকুরী করতেন।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোমেন দাস বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত নাইমের লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। এঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

নদী ভাঙ্গন রোধে সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে : সালাম মূর্শেদী এমপি

বিজ্ঞপ্তি :

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, রূপসা উপজেলার চর শ্রীরামপুর এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অপর পাড়ের অবৈধ ইট ভাটা ব্যবসায়ী কর্তৃক নদী দখলের বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সরকারের সময়ে কেউই জনসাধারণকে ফাঁকি দিয়ে নদী দখল করে অবৈধভাবে ভাটা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেনা। ভাটা ব্যবসায়ী যে দলেরই হোকনা কেন কৃষকদের স্বার্থে দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অতিসত্ত্বর গ্রহন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, চর শ্রীরামপুর এলাকায় ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডির মাধ্যমে সর্ব প্রকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি গত ১৮ মার্চ রূপসার চর শ্রীরামপুর এলাকায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ভেড়িবাধের সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রূপসা উপজেলার আজগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী, রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পালেরবাজার সংলগ্ন কমিনিউটি ল্যাট্রিন এর উদ্বোধন কালে এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজজাদ হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ.ম.আঃ সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, প্রভাষক অয়াহিদুজ্জামান, জেলা আ’লীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোতালেব হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, এমপির সমন্বয়কারী মোঃ নোমান ওসমানী রিচি, আ’লীগ নেতা চঞ্চল মিত্র, এস এম হাবিব, আক্তার ফারুক, আঃ গফুর খান, শ.ম জাহাঙ্গীর, সাইদুর রহমান সগির, আঃ মান্নান শেখ, আশাবুর রহমান মোড়ল, জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, উপজেলা যুবলীগ নেতা সরদার জসিম উদ্দিন প্রমূখ।

মোংলায় লাইটার জাহাজ থেকে পাচার হওয়া গম উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, এক পাচারকারীকে আদালতে প্রেরণ

আবু হোসেন সুমন, মোংলা, বাগেরহাট: 

মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজ থেকে পাচার হওয়ার গম উদ্ধারের ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার রাত ১২ টার দিকে মোংলা থানার এসআই দেবজিৎ কুমার সানা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১১। গম পাচারের এ মামলায় আসামী করা হয়েছে আসাদুল মন্ডল (৩৫), মনিরুল ইসলাম (৪৫), মোঃ ওবায়দুল (৩৫), আব্দুল খালেক শিকদার (৪২) ও মোঃ সবুজ (২৮)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরো ০৪/৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। 

মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আসামীদের মধ্যে বুধবার আসাদুল মন্ডলকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে বুধবার বন্দরের পশুর নদীতে অবস্থারত একটি লাইটার জাহাজ থেকে পাচার হওয়া গম পৌর শহরের মাদ্রাসা রোডের মুনলিট কিন্ডার গার্ডেনের সামনের মনিরুলের অটোরাইস মিল থেকে তা উদ্ধার করা হয়। ৭৫ বস্তায় ৩ হাজার ৭৫০ কেজি চোরাই গম রয়েছে। এ গম উদ্ধারকালে আসাদুল মন্ডল নামের এক পাচারকারীকেও আটক করে পুলিশ। পরে এ ঘটনার সাথে জড়িত আরো চারজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন পুলিশ কর্মকর্তা দেবজিৎ কুমার সানা।

এদিকে মোংলা বন্দরে আগত খাদ্যশস্যবাহী জাহাজ থেকে প্রায়ই গম পাচার হয়ে আসছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পৌর শহরের কুমারখালী, মাদ্রাসা রোড, বাগেরহাট জেটি, মাছমারা, কাইনমারী ও পশুর নদীর পশ্চিম পাড়ের লাউডোব, বাজুয়া ও কাটাখালী এলাকার একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র দেদারছে এ গম পাচার করে আসলেও দীর্ঘদিন ধরেই ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন তারা।

কয়রায় মৎস্য ঘের দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেখ মনিরুজ্জামান, কয়রা, খুলনা : 

খুলনার কয়রায় মৎস্যঘের দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কয়রা উপজেলার হড্ডা গ্রামের মৃত নিরোধ সরকারের পুত্র রুপক কুমার সরকার।

সোমবার (১৪ মার্চ)  বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসকাবে উপস্থিত হয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জানান। হড্ডা মৌজার ৩৭০ নং খতিয়ানের ৯১০, ৯১২, ৯১৩, ৯৩৪ ও ৯৩৭ নং দাগের ৫.৫৮ একর সম্পত্তি সরকারে নিকট হতে বাংলা ১৩৮৬ সাল হতে ডিসিআর নিয়ে সরকারী বিধিমোতাবেক ১৪২৫ সাল পর্যন্ত রাজস্ব পরিশোধ করে দীর্ঘ ৪২ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণ ভাবে মৎস্য ঘের বা মৎস্য চাষ করে আসিতেছে। উল্লেখিত সম্পত্তির বেড়িবাঁধ দিয়ে সীমানা দেওয়া আছে। পূর্বশত্রুতার জের ধরে গত ৮ মার্চ একই গ্রামের মৃত মনিন্দ্র সরকারের পুত্র স্বপন সরকার, মনোরঞ্জন সরকার, দেবব্রত সরকার ও রঞ্জন সরকারের নেতৃত্বে পরিকল্পিত ভাবে দা, লাঠি, সাবোল, কোদাল, হাতুড়ি চাপাতি সহ অস্ত্রসস্ত্রে সর্জিত হয়ে বে-আইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে অজ্ঞাতনামা ভাড়াটিয়া ব্যাক্তিদের এনে আমার মৎস্য ঘেরে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করে ঘেরের রাস্তা কাটিতে থাকিলে আমি ঘটনাস্থলে যেয়ে বাধা প্রদান করি। এ সময় তারা আমাকে জানে শেষ করার অসৎ উদ্দেশ্য মারপিট করে নগদ টাকা, একটি টার্চ মোবাইল ও রাস্তা কেটে আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধণ করে । আমি বিষয়টি স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে উল্লেখিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কয়রা, খুলনায় একটি মামলা দায়ের করি যার নং সিআর ১৩২/২২। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে।

এ ব্যাপারে স্বপন সরকারের নিকট জানতে চাইলে, তিনি ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

খুলনা মহানগর কৃষক লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আমি বিশ্বাস করি : শেখ হেলাল এমপি

বিজ্ঞপ্তি :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, খুলনা মহানগর কৃষক লীগ একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এ্যাড. শাহজাহান কচি’র নেতৃত্বে সংগঠনটি খুলনার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এ সংগঠনটি দেশের কৃষক ও মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ে সবসময় সচেষ্ট ছিল। স্বৈরাচারবিরোধী সকল আন্দোলনে সংগঠনটির সদস্যরা অনন্য ভূমিকা রেখেছে। আগামী নির্বাচনেও সংগঠনটি তাদের সুশৃংখল কার্যক্রমের মাধ্যমে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে।

রবিবার রাত ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ সাংসদের নিজ বাড়ীতে মহানগর কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনায় আগমন উপলক্ষে নেতৃবৃন্দ এসময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। তিনি এ সময় মহানগর কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দকে সাংগঠনিক বিভিন্ন পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।

এসময়ে মহানগর কৃষক লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, সদস্য সচিব অধ্যা. এবিএম আদেল মুকুল, সদস্য মো. শহীদুল হাসান, কানাই রায়, মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী বাবুল, রেজওয়ান আকঞ্জি রাজা, অনীক রায়, জিল্লুর রহমান ডালিম, মাহবুবুর রহমান নাজিম সহ মহানগর কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নগরীতে আ‘লীগ নেতা ও কাউন্সিলরের সহযোগীতায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে অত্যাচার ও হয়রানির অভিযোগ

দেশ প্রতিবেদক :

খুলনা নগরীর বয়রা এলাকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা একটি পরিবারকে অত্যাচার, নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় থানা আওয়ামী লীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সহযোগীতায় জাফর বিশ্বাস ও তার দলবল এসব করছে বলে অভিযোগ করেছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। রোববার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহীদুল্লাহ‘র মেয়ে ১৪নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদা ইয়াসমিন সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

এসময়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তাদের বাড়ির পাশে মেজর কবির আহমেদের স্ত্রী সুপর্ণা কবিরের ক্রয়কৃত জমিতে গত ৯ বছর ধরে বয়রা এলাকার সামাদ বিশ্বাসের ছেলে জাফর বিশ্বাস ও তার স্ত্রী সালমা বেগম জবরদখল করে রয়েছে। সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু জাফর বিশ্বাস এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভূক্তভোগীর পরিবারের উপর তারা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করে আসছে। এসকল কাজের প্রতিবাদ করায় ভূক্তভোগী পরিবারের সন্তানদের মারধোর, গালিগালাজ ও জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিবারের নামে অপপ্রচার ও সম্মানহানী করছে। এছাড়াও জাফর বিশ্বাস ও তার স্ত্রী নানা কৌশলে পরিবারটির নিকট মোটা অংকের টাকা দাবী করে আসছে। টাকা দিতে রাজী না হওয়ায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছে। তাদের নামে থানায় এলাকাবাসীসহ ভূক্তভোগীরা একাধিক জিডি ও অভিযোগ দায়ের করার পরেও কোন প্রতিকার পায়নি।

তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো জানান, ইতোপূর্বে জমির মালিক মেজর কবির দখল নিতে আসলে তাদেরকেও অপমান, অসম্মান, গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে জাফর বিশ্বাস। কয়েক বছর ধরে জমির মালিকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে এবং বর্তমানেও আরো টাকা দাবি করছে দখলবাজ জাফর। দখল না ছাড়ার জন্য তারা বর্তমানে অবস্থানরত নিজ বাড়ীতে আগুন লাগানোর নাটক করে ভূক্তভোগী পরিবারটিকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। গত ৩ দিন পূর্বে এলাকাবাসী থানায় উপস্থিত হয়ে তাদেরকে এলাকা থেকে উচ্ছেদ ও প্রবেশ বন্ধ করার জন্য লিখিত অভিযোগ করে। গত শুক্রবার মাকদব্যবসায়ী জাফরকে এলাকায় প্রবেশ ও তার মাদক ব্যবসা বন্ধে মানববন্ধন করে এলাকাবাসি।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি জাফর বিশ্বাস নিজ বাড়ীর বারান্দায় ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। পরে ভূক্তভোগী পরিবারটির বিরুদ্ধে থানায় ককটেল হামলার অভিযোগ দায়ের করে। তাদের এ সকল কর্মকান্ডে জাফর বিশ্বাসের চাচাতো ভাই সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বুলু বিশ্বাস ও কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাস সরাসরি সহায়তা করে আসছে। তারা প্রশাসনের উপর ক্ষমতার চাপ সৃষ্টি করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রশাসনের নিকট নিজেদের নিরাপত্তা কামনা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জাফর বিশ্বাস মুঠোফোনে জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাদের বিরুদ্ধে খালিশপুর থানায় আমার জিডি করা রয়েছে। তৌহিদা ইয়াসমিনের দেবর বিদেশে পাঠানোর নামে আমার নিকট হতে ১০ লক্ষ টাকা নেয়। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দিতে না পারায় তারা আমার কাছে একটি জমি বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়। পরে যানতে পারি জমিটি ২০ বছর আগেই মেজর কবিরের নিকট বিক্রি করেছে। একটা সময় তারা জমির পরিবর্তে আমাকে ১০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করে। যা ব্যাংকে ডিজঅনার হলে আমি চেক ডিজঅনারের মামলা করি। আর এসব কারণে পরিবারটি আমার বিরুদ্ধে এসব চক্রান্ত করছে।

মেজর কবিরের জমি দখল করে রাখার অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমি তাদের কোন জমি দখল করিনি। এটা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার।

এ বিষয়ে মেজর কবিরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জমিটি আমরা ১৯৮২ সালে ক্রয় করি। জাফর বিশ্বাস আমার জমিটি অনেকদিন ধরে দখল করে রেখেছে। আমি এ বিষয়ে আদালতে মামলা করেছি। সে আমার জমি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেও টালবাহানা করছে। এখন পর্যন্ত সে জমিটি জবরদখল করে রেখেছে।

অভিযোগের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাস মুঠোফোনে জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। জাফর বিশ্বাস আমাদের এখানে থাকেন না। তার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নেই। তাছাড়া এ বিষয়টি সম্বন্ধে আমি কিছুই জানিনা এবং যারা অভিযোগ করেছে তাদেরকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। তাই জাফর বিশ্বাসকে সহায়তা করার কোন প্রশ্নই আসে না।

জাফর বিশ্বাসের চাচাতো ভাই সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বুুলু বিশ্বাস অভিযোগের বিষয়ে বলেন, জাফর বিশ্বাস ২০০৭ সালে আমাদের এলাকা থেকে জায়গা বিক্রি করে চলে গেছে। তার সাথে আমাদের যোগাযোগ নেই। তাই এ বিষয়ে আমার সহায়তা করার কোন প্রশ্নই আসে না। তবে ওদের মধ্যে জমি বিক্রি নিয়ে টাকার লেনদেন হয়েছিল এবং এটা নিয়ে মামলাও হয়েছে বলে শুনেছি।

ফরিদপুরে সাউথ লাইন পরিবহনের ১২ বাস আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত

ইউনিক প্রতিবেদক :

ফরিদপুরে আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকার অর্থপাচার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই ভাই বরকত-রুবেলের মালিকানাধীন সাউথ লাইন পরিবহনের ১২টি বাস রহস্যজনক কারণে আগুনে পুড়ে গেছে।

শনিবার (১২ মার্চ) সকালে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার (১১ মার্চ) দিনগত রাত দেড়টার দিকে শহরের গোয়ালচামটে নতুন বাস টার্মিনালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি।

তিনি আরও জানান, সেখানে ২২টি বাস রাখা ছিল। এরমধ্যে ১২টি বাসেই আগুন লাগে। দীর্ঘদিন বাস ফেলে রাখার ফলে দ্রুতই বাসগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ দাউ দাউ করে বাসগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে লোকজন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। সারিবদ্ধভাবে খোলা জায়গায় রেখে দেওয়া বাসগুলোতে রহস্যজনকভাবে একই সময়ে আগুন লাগে বলেও জানান তারা।

ফরিদপুরের সাউথ লাইন নামে পুড়ে যাওয়া ওই বাসগুলো অর্থপাচার মামলায় গ্রেফতার শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের মালিকানাধীন। ২০২০ সালের ৭ জুন পুলিশের অভিযানে বরকত-রুবেলের গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতের নির্দেশে দুদক এসব বাস জব্দ করে। এরপর থেকে সেগুলো এখানেই রাখা ছিল।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। তবে, আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।