নিউজ ডেস্ক : কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে প্রথম ইউনিট স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। বন্ধ ইউনিটটি চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম।
আনোয়ারুল আজিম বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ রয়েছে। চালু হতে অন্তত চার দিন সময় লাগবে। এ জন্য কাজ চলছে। তবে প্রথম ইউনিট চালু রয়েছে। সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের এনটিপিসি লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) নামে কোম্পানি গঠিত হয়। এই কোম্পানির অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) নামে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয়।
রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী কৈ-গর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ শেষে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। এক বছর পর ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদনে যায় দ্বিতীয় ইউনিট। আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ। তবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পর কারিগরি ত্রুটি ও বিভিন্ন কারণে ৩০ বারের বেশি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার খবর রয়েছে।