নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিরলস ভাবে জনসেবা দিয়ে চলেছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাত ঈল ইভান। সাধারন মানুষের ভূমি জটিলতা নিরসণসহ অনেক জটিলতাই তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করছেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, সরকারের ভিপি সম্পত্তি উদ্ধার, জলাশয় উন্মুক্ত করা এবং নামপত্তনসহ বিভিন্ন কাজ তিনি নিরলস কাজ করে চলেছেন।
তবে অফিস সংশ্লিষ্টরা বলেন, সকাল নয়টা থেকে অনেক সময় রাত প্রায় আটটাও গড়ায় বিভিন্ন সেবা দিতে। সর্বোচ্চ সেবা দিয়েও অনেকে অন্যায় আবদার করে জায়গা না পেলে অভিযোগের শেষ নেই। অন্যায় ভাবে অন্যের জমি রেকর্ড করে নেয়ার জন্য আবেদন করেন। পরে না পেলে অভিযোগের শেষ নেই। সরকারি নির্দেশে সহকারি কমিশনারকে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, সরকারের ভিপি সম্পত্তি উদ্ধার, জলাশয় উন্মুক্ত করা, নামপত্তনসহ বিভিন্ন কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতে হয়। তার মধ্যে কোন কাজে একটু দেরি হলেই অভিযোগের পর অভিযোগ। স্বনামে- বেনামে অভিযোগের যেন শেষ হয় না। পরিকল্পিত ভাবে যারা অবৈধ্য স্বার্থ উদ্ধার করতে চায়, অভিযোগ তারাই বেশী করে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সেবা প্রদাণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।
উপজেলার ভান্ডারকোট গ্রামের জাহিদুল ইসলাম, ঠিকরাবন্ধ এলাকার শাহিদা খাতুন, জলমার চকরাখালী গ্রামের বলরাম মন্ডলসহ অনেকেই বলেন, নামপত্তন মামলা করে এতদ্রুত সমাধান পাবো কখনও ভাবতেই পারিনি। আবেদন করার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই সমাধান মিলেছে।
অন্যদিকে, ফুলতলা গ্রামের জনৈক কালিপদ মন্ডল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেন, তারা জেএমআই গ্যাস কোম্পানির ভিতরে তাদের জায়গা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছেন। এসিল্যান্ড কাজটি না করে গড়িমসি করছেন।
বিষয়টি নিয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাত ঈল ইভান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক মহাদয়ের নির্দেশ পেয়ে জেএমআই গ্যাস কোম্পনির ভিতর কাজ শুরু করেছি। প্রথমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা সনাক্ত চলছে। তার পরে পাবলিকের সম্পত্তি চিহ্নিত করা হবে এবং সরকারি ভিপি সম্পত্তিও বের করা হবে। অথচ সে ধের্য্য সাধারন মানুষ ধরতে চান না। তারা শুধু অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলন করেন।