মাহরুফের কাছে জিম্মি খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি

প্রকাশঃ ২০২৬-০১-২০ - ২২:০১
Oplus_131072

বিশেষ প্রতিবেদক: খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ভার্সিটি এখন জিম্মি হয়ে পড়েছে ফ্যাকাল্টি অব লিবারেল আর্টস এন্ড হিউম্যান সায়েন্স অনুষদের ডীন শেখ মাহরুফুর রহমানের সিন্ডিকেটের কাছে। তার সিন্ডিকেট এখন লুটপাটে ব্যস্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মান কাজ থেকে শুরু করে যাবতীয় সকল সেক্টরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মাহরুফ ও তার সিন্ডিকেট।
অভিযোগ রয়েছে, ৫ই আগষ্টের পূর্বে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনের শেল্টারে লুটপাট শুরু করেন মাহরুফ। এমনকি ক্ষমতার জোরে শেখ মাহরুফুর রহমানের বিবাহিতা স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন শিক্ষিকার সাথে জোড় পূর্বক অনৈতিক সম্পর্ক করেন। সেই শিক্ষিকা অন্তসত্তা হলে বিষয়টি এস এম কামাল হোসেনের ক্ষমতার জোড়ে ধামাচাপা পড়ে যায়। এস এম কামাল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য হওয়ার সুবাদে মাহরুফের দুর্নীতি ও অনিয়মের কোন জবাবদিহিতা ছিলো না। মাহরুফের দুর্নীতি এখানেই শেষ নয়, ৫ই আগষ্টের পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির সাম্রাজ্য হয়েছে লাগামছাড়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সেক্টর থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে মারুফ ও তার সিন্ডিকেট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাহরুফুর রহমান শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আওয়ামীলীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতো। আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতো মাহরুফুর রহমান। অনুষ্ঠানের নাম করেও লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে মাহরুফুর রহমান। বর্তমানে মাহরুফুর রহমান ট্রাষ্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে শুরু করেছে ফের লুটপাট। জবাবদিহিতার অভাবে এমন অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে মাহরুফ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, মাহরুফের কর্মকান্ডের কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষন করলে চাকুরী হারাতে হবে অথবা তার লাঠিয়াল বাহিনীর কাছে হেনস্তার শিকার হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের কঠোর হস্তক্ষেপ ও তদন্ত করে মাহরুফ ও তার সিন্ডিকেটকে শাস্তির আওয়াতায় আনতে হবে। নইলে এ বিশ্ববিদ্যালয় একটা সময় মুখ থুবরে পড়বে। সাধারন শিক্ষার্থীদের অর্থ থেকেই এ বিশ্ববিদ্যালয় দাড়িয়েছে, আর তা লুটপাট করছে মাহরুফের মতো কর্পোরেট দুর্নীতিবাজরা। – ………….