পাইকগাছা প্রতিনিধি : মৎস্য চাষে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে চলমান গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এ লক্ষ্যে গবেষণার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের লোনাপানি কেন্দ্রের বিভিন্ন চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি গবেষণার কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে সম্পন্ন ও বাস্তবায়ন করা গেলে মৎস্য চাষের উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়াদ ও ড. নূর-এ-রওশন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস; কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান; ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন ও মুশফিকুর রহমান; হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলীসহ কেন্দ্রের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।
উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ড. মো. লতিফুল ইসলামের প্রথম লোনাপানি কেন্দ্র পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি এর গবেষণার অগ্রগতি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।