ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের পিপিই দিলেন জেলা যুবলীগ সভাপতি আপেল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  : বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের মাঝে নিজ অর্থায়নে পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মজিদ আপেল।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের গোধূলী বাজারে তার নিজ চেম্বারে সাংবাদিকদের হাতে এ পিপিই তুলে দেন তিনি।
এসময় জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার দাস, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাবেক সা: সম্পাদক বদরুল ইসলাম বিপ্লব, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি পার্থ সারথী দাস, ডেইলী স্টার প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম রুবাইয়েত, ঠাকুরগাঁও অনলাইন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ও মোহনা টিভি প্রতিনিধি বিধান চন্দ্র দাস, সময় টেলিভিশন প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান বকুল, চ্যানেল এস টেলিভিশনের প্রতিনিধি জয় মহন্ত অলক, এটিএন নিউজের ফিরোজ আমিন সরকার, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি তানভির হাসান তানু, চ্যানেল২৪ প্রতিনিধি ফাতেমা তু সগুরা,বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ২৪ টিভির জেলা প্রতিনিধি আ:লতিফ লিটু, বিটিভি প্রতিনিধি মাসুদ রানা পলকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পিপিই প্রদানকালে জেলা যুবলীগ সভাপতি আপেল বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ করছে জেলায় কর্মরত সাংবাদিক ভাইয়েরা। বিষয়টি চিন্তা করে তাদের মাঝে আজ কিছু সংখ্যক পিপিই প্রদান করা হলো। পর্যায়ক্রমে সাংবাদিকদের মাঝে আরও পিপিই প্রদান হবে।

মোংলায় নৌবাহিনী দেখলেই লুকাচ্ছে, চলে গেলেই বের হচ্ছে মানুষ

মোংলা প্রতিনিধি : কড়াকড়ি আরোপ করেও বন্দরনগরী মোংলায় এখনো উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। এখানকার মানুষজন মনেই করছেন না মরন ঘাতক করোনা ভাইরাস তাদের কত বড় ক্ষতি করতে পারে। আজ ১০ মে রোববার থেকে দোকানপাট খোলার কথা থাকলেও আগে থেকেই সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিচ্ছে এখানকার ব্যাবসায়ীরা। তাই সকাল থেকেই বাজারের দোকানপাটে ভিড় করে বেঁচা-কেনায় মেতে রয়েছে তারা। যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই রাস্তায়ও ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। আর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মানুষ দিচ্ছে নানা অজুহাত। যতক্ষণ নৌবাহিনী বা পুলিশ রাস্তায়, ততক্ষণ আড়ালে সাধারণ মানুষ। একটু সরলেই ভিড়। এই চিত্র এখন পুরো মোংলা শহরে। অথচ সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে শনিবার সকাল থেকেই নৌবাহিনীর ৩টি টিম টহল দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি বিধি নিষেধ সত্বেও ফুটপাতে বসে পড়া হকারদের’ও সরিয়ে দেয় নৌবাহিনীর সদস্যরা। নৌবাহিনীর টহল টিমের টিম লিডার লে. কমান্ডার আরিফুল ইসলাম জানান, যায়গা ক্লিয়ার করে যাচ্ছি আবার ভরে যাচ্ছে। আমরা টহল দিয়ে চেষ্টা করছি কিন্তু জনগণ সচেতন না হলে আমরা সফল হচ্ছি না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে লোকজন বের হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

মোংলায় মাদক বিক্রিতে বাধা দেয়ায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৩জন জখম

মোংলা প্রতিনিধি : মাদক বেচা-কেনাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৩জন রক্তাক্ত জখম হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোংলার কানাইনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় হামলাকারী মাদক ব্যাবসায়ী মামুনকে এলাকাবাসী ধরে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার চাদঁপাই ইউনিয়নের কানাইনগর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় প্রতিনিয়ত মাদক বিক্রি করতো সিগনালটাওয়ার গ্রামের সোহরাফ হোসেন’র ছেলে মামুন তারুকদার (৩২)। এতে ওই গুচ্ছগ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা রাজ্জাক এ মাদক বিক্রিতে বাধা দিলে দুজনের মধ্যে বাক-বিতান্ড হয়। এক পর্যায় মাদক ব্যাবসায়ী মামুনের হাতে থাকা দাও দিয়ে রাজ্জাককে কোপাতে থাকে। শ্যালোক জাহিদসহ কয়েকজন যুবক রাজ্জাককে উদ্ধার করতে আসলে তাদেরকেও এলাপাতারী কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মামুন। এসময় এলাকাবাসী ছুটে এসে রাজ্জাক (২৮) ও জাহিদ (৩০) কে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার কওে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করে। এদিকে এলাকাবাসী একাত্রীত হয়ে রাতেই মাদক ব্যাবসায়ী মামুনকে ধাওয়া করে ধরে গনধোলাই দেয় এবং দাওসহ তাকে আটকে রাখে। পুলিশকে খরব দিলে, পুলিশ এসে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার কওে থানায় নিয়ে যায়। পরে আটক মামুনকেও চিকিৎসার জন্য প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। তবে মামুনের অবস্থা অবনতী হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মোংলা থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন জানায়, কানাইনগর গুচ্ছগ্রামবাসী মাদক ব্যাবসা নিয়ে সংগর্ষেও ঘটনায় মামুনকে ধরে পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসী। পুলিশ গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করে। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

রূপসায় কৃষকের বাড়িতে গিয়ে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ

খুলনা অফিস : রূপসা উপজেলা কৃষি অফিসের আলাইপুর ব্লকের উদ্যোগে বসতবাড়ির আঙিনাসহ পতিত জমিতে শাকসবজি চাষে সহায়তা হিসেবে কৃষকের বাড়িতে গিয়ে বিনামূল্যে বীজ বিতরণের এক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যে এ ব্লকের আলাইপুর , পুটিমারি ও আনন্দনগর গ্রামের ১৫ জন কৃষক ও কৃষাণীর বাড়িতে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ করা হয়। আলাইপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমান করোনা ভাইরাসের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্ব-উদ্যোগে এসব কৃষক ও কৃষাণীদের বাড়িতে শাকসবজি বীজ পৌঁছে দিচ্ছেন। এসব বীজের মধ্যে লালশাক, ডাঁটাশাক, পুঁইশাক, ঢেঁড়শ, গিমাকলমি ও উচ্ছে উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী প্রতি ইঞ্চি জমির ব্যবহার এবং করোনা পরবর্তী খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে একর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। একর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে উৎসাহিত হয়ে এ ব্লকের প্রতিটি কৃষকের বসতবাড়িরসহ পতিত জমি শাকসবজি চাষের আওতায় আসবে। এতে বিভিন্ন পরিবার বাজার থেকে শাকসবজি ক্রয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং বাড়তি সবজি বিক্রয় করে নগদ কিছু অর্থ আয় করতে পারবে। পাশাপাশি পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। প্রসঙ্গত , উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমানের এ কার্যক্রমকে ‘মডেল’ হিসেবে দেখছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান । তিনি বলেন, উপজেলার ১৫টি ব্লকের মধ্যে একমাত্র তিনিই নিজ উদ্যোগে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ করছেন। যদিও অন্য ব্লকগুলোতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পতিত জমি চাষে উৎসাহ দিচ্ছেন, সচেতন করছেন। যাতে করোনা পরবর্তী সময়ে খাদ্যের সংকট না হয়।

সাঁথিয়ায় সাংবাদিকসহ যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা

ফারুক হোসেন,পাবনা : পাবনার সাঁথিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকসহ যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে চব্বিশ মাইল বাজারে। আহতরা হলেন,উপজেলার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের সাংবাদিক আবু সাঈদ(৩৫) । তিনি পাবনার স্থানীয় দৈনিক বিশ্ব বার্তা ও পাবনা নিউজ. কমের প্রতিনিধি । অপরজন ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা একই গ্রােেমর আব্দুল আওয়াল(৩৬)। উভয়কে মুমূর্ষ অবস্থায় সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত সাংবাদিক আবু সাইদ জানান, আমিনপুর থানাধীন দুর্গাপুর গ্রামের জহুরালের ছেলে মনির শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ছোট ভাই সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের অনার্সের ছাত্র শাহানুর শুভকে পিকাআপ ভ্যানে চাপা দেয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। শনিবার সকালে মনিরের দাদা আব্দুল করিম শালিশের কথা বলে চব্বিশ মাইল নামক স্থানে যেতে বলে। সাংবাদিক আবু সাঈদ ও যুবলীগ নেতা আব্দুল আওয়াল হোন্ডা যোগে চব্বিশ মাইল বাজারে গেলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দুর্গাপুর গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে করিমের নেতৃত্বে মনিরসহ ১০/১২জন সন্ত্রাসী দু’জনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় সন্ত্রাসীরা চাপাতি রামদা ও লোহার রড হাসুয়া দিয়ে দুজনের মাথায় ও শরীরে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায়। এবং তাদের হোন্ডা ও মোবাইল ভাংচুর করে। আহতদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহতদের স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে এ ভর্তি করে। সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও(আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার) ডাঃ মামুন আব্দুল্লাহ জানান, উভয়ের মাথায় ধারালো অস্ত্র ও ভোতা অস্ত্রের গুরুতর জখম এবং শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।

ঝালকাঠিতে মুচি-কামার-সুইপারদের হাতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি : করোনাভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে কর্মহীন হয়ে পড়া ঝালকাঠি শহরের মুচি, কামার ও সুইপারদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম পিপিএম-বিপিএম(বার)।

শনিবার বেলা ১২ টার দিকে ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে তিন পেশার একশ মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম। বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ, মো. সোয়াইব হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম.এম মাহমুদ হাসান, ও ঝালকাঠি থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। উল্লিখিত তিন পেশার শতাধিক মানুষ ¯ু‹লের মাঠে সমাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী গ্রহণ করেন।

মোংলায় করোনায় কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের মাঝে রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোংলায় করোনায় কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের সাহায্যার্থে রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জ্বালানী ও ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশন। এসোসিয়েশনের মোংলা শাখার আয়োজনে শনিবার সকালে বন্দরের পাওয়ার হাউস মোড় এলাকায় ৪শ পরিবারের হাতে এ উপহার সামগ্রী তুলে দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। এ সময় কেসিসি’র ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ পিন্টু, বাংলাদেশ জ্বালানী ও ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশন’র মোংলা শাখা সভাপতি শেখ ফরহাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: শাহিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক জলিল শিকদার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বন্দরের শিল্প এলাকায় ওমেরা এলপিজি ফ্যাক্টরীর সামনে ৫শ পরিবারের হাতে ওমেরার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আ: রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম ও ওমেরা এলপিজি’র কর্মকর্তা মো: মুকিতসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গোবিন্দগঞ্জে করোনা যুদ্ধে জয়ী পুলিশ সার্জেন্ট মামুন কর্মস্থলে যোগদান

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলা ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ফয়সাল মামুন গত কয়েক মাস হতে গোবিন্দগঞ্জে নিয়মিত ভাবে ট্রাফিক সার্জেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর ও ঢাকা এলাকায় করোনা হানা দেয় এবং ঐ এলাকার গার্মেন্টস কর্মীরা সরকারি বাধা- নিষেধ উপেক্ষা করে বাস-ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চুরি করে ফিরছিলো তখন গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্ট বাস-ট্রাক চেক দিতে গিয়ে সার্জেট মামুনের শরীরে সম্ভবত গত অনুমানিক  ১২ এপ্রিল থেকে করোনা ভাইরাস বাসা বাধে। সার্জেন্ট মামুন করোনা উপসর্গ উপেক্ষা করে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে সে গত ১৮ এপ্রিল ব্যক্তিগত ভাবে হোম কোয়ারান্টাইন চলে যান এবং গত ১৯ এপ্রিল অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসানের পরামর্শে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে সার্জেন্ট মামুনের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে গত ২৪ এপ্রিল সার্জেন্ট মামুনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসলে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে যায়।

এর প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মজিদুল ইসলাম মহোদয়ের পরামর্শে মামুন কে আইসোলেশনে রেখে নিয়মিত চিকিৎসা দেয়া হয়। এবং গত ২৯ এপ্রিল ২য় বার মামুনের স্যাম্পল সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তা রংপুর পিসিআর ল্যাবে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু ঐ সময় সারাদেশে ৫ জন পুলিশ সদস্য করোনায় মারা গেলে এবং সার্জেন্ট মামুন ২৯ এপ্রিল থেকে বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে ও শ্বাস- প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ হতে গত ১মে জরুরি ভিত্তিতে মামুন কে এ্যাম্বুলেন্স যোগে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল রংপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসার এক পর্যায়ে গত ৩ মে সার্জেন্ট মামুনের ২য় বার নেয়া স্যাম্পলের রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।

এবং মামুন মানসিক ও শারিরীক ভাবে সুস্থ হতে থাকে। সেই সাথে আরো নিশ্চিত হবার জন্য গত ৪ মে পুনরায় সার্জেন্ট মামুনের ৩য় বার স্যাম্পল নেয়া হলে গত ৭মে মামুনের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এবং সার্জেন্ট মামুন চুড়ান্ত ভাবে করোনা জয় করে।
অদ্য সার্জেন্ট মামুন কে রংপুরস্থ হাসপাতাল থেকে বিদায় দেয়া হলে করোনা জয়ী মামুন বীরের বেশে তার পুরাতন কর্মস্থল যোগদান করতে দুপুর ২টা গোবিন্দগঞ্জ থানায় আসলে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের পক্ষে জেলা ট্রাফিক পুলিশের টিআই নূর আলম ছিদ্দিক সোহাগ গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সদস্য বৃন্দ ও গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসান,পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন,প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাহিদুর রহমান প্রধান টুকু,এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি-২ মাহমুদ খান,আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি উজ্জল হক প্রধান,এবং থানার সকল অফিসার বৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছার মধ্যে দিয়ে করোনা জয়ী সার্জেন্ট মামুন কে স্বাগত জানান।

মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর মাধ্যমে খুলনায় বোরোধান ক্রয় শুরু

খুলনা অফিস : করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবিত মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে আজ (শনিবার) কৃষকের নিকট থেকে বোরাধান ক্রয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ধানক্রয় কার্যক্রম উপলক্ষে দুপুরে খুলনার মহেশ্বরপাশা সিএসডি চত্বরে দিঘলিয়া উপজেলার কৃষকদের নিকট থেকে মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বোরোধান ক্রয়ের উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী আজ শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি ও সেবাভিক্তিক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়লেও কৃষিভিক্তিক অর্থনীতি টিকে আছে। কৃষকরা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিও সচল থাকবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবছর খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার কৃষকদের নিকট থেকে মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’ এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে প্রায় ৭০১ মেট্রিক টন বোরোধান ক্রয় করবে।

‘কৃষকের হাসি’ এ্যাপসের মাধ্যমে বর্তমানে শুধু দিঘলিয়া উপজেলা থেকে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে খুলনার অন্যান্য উপজেলা হতেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ধান ক্রয় শুরু হবে। উদ্বোধনী দিনে দিঘলিয়ার কৃষকদের কাছ থেকে ৪.৬৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে।

গুগল প্লে-স্টোর থেকে ‘কৃষকের হাসি এ্যাপটি সহজে ডাউনলোড করা যাবে। এই এ্যাপসের মাধ্যমে কৃষক মধ্যস্বত্ত্বভোগীর খপ্পরে না পড়ে ন্যায্যমূল্যে তাঁর উৎপাদিত ধান বিক্রি করতে পারবেন।

এসময় খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মাহবুবুর রহমান, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহবুবুল আলম সোহাগ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ-আল-আসাদ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে উদ্ভাবিত মোবাইল এ্যাপস ‘কৃষকের হাসি’-এর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

হরিপুরে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে বিএনপি’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

জহরুল ইসলাম (জীবন) হরিপুর / ঠাকুরগাঁও : করোনা ভাইরাসের কারণে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে অসহায়, কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বিএনপি।
শনিবার দুপুরে হরিপুর উপজেলার ৩নং বকুয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র আয়োজনে ৩শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রী তালিকায় ছিল চাল, ডাল, চিনি, আলু, সেমাই ইত্যাদি।
করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে হরিপুর উপজেলা বিএনপি উদ্যোগে এবং স্থানীয় বিএনপি’র নেতাকর্মীর নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।
উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ইসমাঈল হোসনে বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সারাদেশে অসহায় ও দুস্থরা যে অমানবিক পরিস্থিতিতে দিন যাপন করছে,এ বিষয়টি আমাদের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সংগে সংগে অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাড়ানোর জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা হরিপুর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা নিজের স্বাদ্ধ্য অনুযায়ী কর্মহীন ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর জন্য চেষ্টা করেছি। করোনা ভাইরাস যতদিন থাকবে আমাদের এ কার্যক্রম ততদিন অব্যাহত রাখব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা পারভীন ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বর্ষাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।