বটিয়াঘাটায় অসহায় কৃষকের ধান কাটল স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ

বিজ্ঞপ্তি : বটিয়াঘাটা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে চলছে পাকা ধান কাটার কার্যক্রম। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অসহায় সম্মানিত কৃষকের এই সোনার ফসল পাকা ধান প্রতিদিনের ন্যায় কেটে দিয়েছে বটিয়াঘাটা উপজেলা অাওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ গতকাল রোববার। উপজেলার ভান্ডারকোট ও বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বর্ডার লক্ষীখোলা গ্রামের সম্মানিত কৃষক মোঃ মনিরুল ইসলামের কষ্টে ফসল করা এক বিঘা জমির সোনার ফসল পাকা ধান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ কেটে দেয়। উপজেলা অাওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক,সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভান্ডারকোট ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ফরিদউদ্দিন শান্ত, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাবু, মো: রফিকুল ইসলাম রফিক, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সভাপতি হেদায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইনামুল শেখ এনা, অামিনুল ইসলাম, ছাত্রনেতা শফিকুজ্জামান বুলু, ছালাউদ্দিন শেখ, ওহিদুল ইসলাম, সঞ্জায় মোড়ল, শফিউল্লাহ শেখ, মনিরুল ইসলাম মনি, শাপায়াৎ হোসেন জামিল, আজিম শেখ, মেম্বর মুরাদ প্রমুখ।

কেশবপুরে কৃষদের ধান কেটে সহযোগিত করল কৃষকলীগ

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর): প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে শ্রমিক সংকটে কেশবপুর উপজেলা কৃষকলীগ কৃষদের ধান কেটে সহযোগিত করেছেন। সোমবার আলতাপোল গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দীনের আলতাপোল মৌজায় ধান কাটার উদ্বোধন করেন যশোর জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। ধান কেটে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ নাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, পৌর কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল গফুর, সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু প্রমুখ।

মোল্লাহাটে প্রবাসীকে মারপিট’র অভিযোগ

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ মোল্লাহাটে করোনার দূর্যোগকে সুযোগ মনে করে এক প্রবাসীকে সিমাহীন মারিপট করে তার কাছে থাকা নগদ টাকাসহ স্বর্ণের চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মোল্লারকুল গ্রামে গত রবিবার সন্ধায় ওই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার শিকার আহত প্রবাসী মোঃ মফিজুর রহমান শিকদার’কে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রবাসী মফিজুর রহমান মোল্লারকুল গ্রামের মৃত মোঃ হাফিজুর রহমান শিকদারের ছেলে।
ভিকটিমের নিকটাত্নীয়রা জানায়-মোঃ মফিজুর রহমান দীর্ঘ এক বছরের অধিক কাল আগে দেশে ফিরেছে। তার মা বাগেরহাটের রামপালে যুব-উন্নয়নে চাকুরী করায় বেশির ভাগ সময় রামপালে থাকেন। সম্প্রতি মায়ের সাথে বাড়িতে আসলেও জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাহির হণ না তিনি। ঘটনার পূর্বে একই গ্রামে খানিকটা দুরে বড়ভাইয়ের বাড়ি থেকে ইফতার করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই সমসয় পথিমধ্যে ওৎপেতে থাকা একই গ্রামের তুহিন মোল্লা, রুবেল মোল্লা, রাসেল মোল্লা, আলিফ. আনিস, সেতু ও রবি মোল্লাসহ ১২/১৫ জনে তাকে ধরে বেধড়ক মারপিট করে কাছে থাকা নগদ টাকাসহ স্বর্ণের একটি চেইন ও ৩টি আংটি ছিনিয়ে নেয়। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত মফিজুর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত মালার প্রস্তুতি চলছিলো বলেও জানান তারা।
মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ কাজি গোলাম কবীর বলেন-তিনি প্রথমে এলাকাবাসীর থেকে শুনেছেন ওই ব্যক্তি ঘরে না থেকে/কোয়ারেন্টাইন না মেনে বাহিরে ঘোরাফেরা করায় তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছে। পরে তার এক আত্নীয় ফোনে জানিয়েছে ছিনতাইর বিষয়। উক্ত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নিবেন বলেও জানান তিনি।

বদলা নিতেই পরিকল্পিত ভাবেই হামলা করা হয়েছিল সাংবাদিক আশরাফুলের উপর!

গাইবান্ধা  প্রতিনিধি : গত ৫ মে  উপজেলা প্রভাবশালী পদ মর্যাদার একজন ব্যক্তি টিসিবি ২০ লিটার সোয়াবিন তেল ক্রয় করার জন্য ডিলার আতোয়ার রহমানের নিকট যায়।এসময় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বিনামুল্যে ওই সোয়াবিন তেল দিতে অস্বীকৃতি জানায়।এনিয়ে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।এসময় ঐ নেতা ডিলার আতোয়ারের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এসময় তাদের পছন্দের এক সাংবাদিককে দিয়ে সাংবাদিক আশরাফুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়।এরপর সাংবাদিকদের বিভিন্ন অভিযোগ করা হয় ডিলারের বিরুদ্ধে। সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি ইউএনও কে অবগত পুর্বক টিসিবি পন্য বিতরন স্থলে যায়।এসময় আরো কয়েক সাংবাদিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রথমে সাংবাদিকরা স্থানীয় এমপি মহোদয়কে অবগত করে।এমপি মহোদয় বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ইউএনও এবং ওসি কে নির্দেশ প্রদান করেন।প্রশাসনের অপেক্ষায় সাংবাদিকরা প্রায় দেড় ঘন্টা ঘটনাস্থলে অপেক্ষা করে। দের ঘন্টায় পলাশবাড়ীর তিনজন রাজনীতিবিদ ইউএনও এবং ওসি ডিলারকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল দুটো যে কোন ক্লু বের করে সাংবাদিকদের গ্রেফতার করতে হবে, নয়তো এদের শায়েস্তা করতে হবে। কেন শায়েস্তা করতে হবে সাংবাদিক আশরাফুল কে?? কারন বিগত সময়ে এই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের প্রতিবাদে ৭১ দিন কাফনের কাপর পরে প্রতিবাদ করেছিল যা দেশ ব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনার দেড়ঘন্টা পর( ইউএনও) পদ অধিকার বলে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মেজবাউল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মাসুদার রহমান মাসুদ ৫ জন এসআই,কয়েকজন কনেষ্টবল ও জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের মনোনীত ডিএসবি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় ইউএনও সাংবাদিকদের অভিযোগ না শুনে ডিলারের পক্ষ অবলম্বন করে সাংবাদিকদের চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করে। ইউএনওর সমর্থন পেয়ে ডিলারের লোকজন সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম ও মাসুদ রানা কে বেদম মারপিট করে।এসময় সাংবাদিকরা পুলিশের সহযোগিতা চাইলে ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট অনুমতি না দেওয়ায় পুলিশ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করে। ঘটনাস্থলে আহত হয় দুই সাংবাদিক, ইউএনওর সামনেই ডিলারের লোকজনের মধ্যে একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে সব সাংবাদিকদের পেটানোর নির্দেশ দেয়।পাশাপাশি ইউএনও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা গ্রহনের জন্য ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। পরে আহত সাংবাদিক আশরাফুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ ব্যাপারে থানায় এজাহার দাখিল করা হলে ও প্রথমে পুলিশ মামলা নিতে গরিমসি করে । উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হবে বলে হুমকি ধামকি দেয়। সাংবাদিকরা বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,সহকারী পুলিশ সুপার,এনএসআই,ডিজি এফআইসহ গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করলে অবশেষে পুলিশ ডিলার আতোয়ার যুবদল নেতা মুরাদ,মামুনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে। এদিকে ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলে ও প্রশাসন ডিলার আতোয়ারসহ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি। (বাকিটা ইতিহাস) এভাবে নিজ ফেসবুক আইডিতে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রতন তুলে ধরেছেন। ঘটনাটির তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব,সমাজকর্মীরা,গণমাধ্যমকর্মীরা দাবী জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এবছর গত ৫ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংবাদ সংগ্রহকালে দৈনিক গণকন্ঠ পত্রিকার ষ্ট্যাফ রিপোটার গাইবান্ধা ও কোয়ালিটি টিভির গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি  সাংবাদিক আশরাফুল ইসলামের উপর টিসিবি ডিলার আতোয়ার রহমান গং পরিকল্পিতভাবে হামলা করেন। এঘটনায় পলাশবাড়ী থানা এজাহার দায়ে করেন সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম। তার দায়েরকৃত এজাহারের ভিক্তিতে হামলাকারী টিসিবি ডিলার গং এর নামে মামলা দায়ের হয়েছে মামলা নং- পলাশবাড়ী থানা ১২/১০৫ তারিখ ৯-৫-২০২০ইং।

ঝালকাঠিতে ছেলের হাতে বাবার খুন

মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি : ঝালকাঠির রাজাপুরে জুয়া খেলায় বাঁধা দেয়ায় ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন মা। আজ সোমবার সকালে বরিশাল শের-ইং বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় বাবার মৃত্যু হয় জানান রাজাপুর থানার ওসি মো: জাহিদ হোসেন।

নিহত বাবা মোঃ ইসমাইল আকন (৫২) ওই উপজেলার শুক্রাগড় ইউনিয়নের কাঠিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রয়াত আব্দুল হামিদ আকনের ছেলে।

রাজাপুর থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান, রোববার সন্ধ্যায় ছেলে মাহফুজ আকন (২২) জুয়া খেলার একটি কোড ও গুটি নিয়ে নিজের বাড়িতে রাখে।

বিষয়টি বাবা মোঃ ইসমাইল আকনের চোখে পড়লে তিনি জুয়া খেলার সরঞ্জামগুলো ফেলে দেন।এতে পিতা-পুত্রের মধ্যে বাককিতন্ডা হয়। মা রোকেয়া বেগম (৪৬) বাকডিতন্ডা দেখে এগিয়ে আসেন।এসময় লাঠি দিয়ে জুয়াড়ি পুত্র মাহফুজ আকন বাবা-মাকে আঘাত করে।

এতে ইসমাইল আকন ও রোকেয়া বেগম রক্তাক্ত জখম হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তাদের আশংঙ্কজনক অবস্থায় তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার সকালে বাবা ইসমাইল আকন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মা রোকেয়া বেগমও গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে তার অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

রাজাপুর থানার ওসি মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ঘাটক পুত্র মাহফুজ আকনকে আটক করা হয়েছে।এ ঘটনায় আইনগত অন্যান্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

গোবিন্দগঞ্জে বোরো ধান সংগ্রহে কৃষক নির্বাচনে উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উন্মুক্ত লটারী অনুষ্ঠিত হয়। লটারীর প্রথম পর্বে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকার কৃষকদের নিকট থেকে উন্মুক্ত লটারীর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের জন্য দুইদিন ব্যাপী কৃষক নির্বাচন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামকৃষ্ণ বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত লটারী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজির হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খালেদুর রহমান প্রমুখ। এ বছর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মোট ৫হাজার ৭শ জন কৃষকের নিকট থেকে প্রতিজন এক মেট্রিক টন হিসেবে ৫ হাজার ৭শ মেট্রিক টন বোরোধান সংগ্রহ করা হবে ।

গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে মোট ৫৪৫ জন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘন্টায় সোমবার করোনা ভাইরাসে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি। তবে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নানা উপসর্গে সন্দেহজনকভাবে নতুন করে ১৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় বর্তমান হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ জন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,জেলায় সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ২৪ জন রয়েছে। এরমধ্যে একজন মারা গেছে। বাকিরা একজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ১১ জন গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের আইসোলেসনসহ বিভিন্ন আইসোলেসনে রয়েছে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত ১১ জন রোগী সুস্থ হওয়ায় তাদেরকে এবং ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন শেষে ৫৬ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৫৪৫ জন চিকিৎসাধীন রোগী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জে ২০, গোব্দিন্দগঞ্জে ৩৭, সদরে ৮৫, ফুলছড়িতে ১৪৪, সাঘাটায় ১৬৬, পলাশবাড়ীতে ১২, সাদুল্যাপুরে ৮১ জন।

ঘরে বসেই শিক্ষা কার্যক্রম : শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে খুলনায় অনলাইন ক্লাসরুম চালু

খুলনা অফিস : করোনাকালে দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা আজ সংকটের মুখে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় অনলাইন ক্লাস চালু হলো। ফেসবুক এবং ইউটিউবে ভিডিও কনন্টেন্ট সমৃদ্ধ অনলাইনে সেবাটি আজ (সোমবার) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রমটি কাজে লাগবে যা বাংলাদেশের জন্য একটি মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় খুলনা জেলা প্রশাসন তথ্য প্রযুক্তি খাতকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ভিডিও কনন্টেন্টে ক্লাসগুলো ধারণ করে ইউটিউব এবং ফেসবুকে প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। সেবা দু’টির লিংক ঠিকানা ঃ ‘ডিজিটাল প্রাইমারী এডুকেশন খুলনা’www.facebook.com/digital.pedu.khl ও www.youtube.com/channel/UCj2HndGchQdg6B-3lcRL5CA এবং ‘ডিজিটাল সেকেন্ডারী এডুকেশন খুলনা’-এর
www.youtube.com/channel/UCVKKwY8NME3v0VT3R6NC9zA

‘ডিজিটাল প্রাইমারী এডুকেশন খুলনা’ এবং ‘ডিজিটাল সেকেন্ডারী এডুকেশন খুলনা’ নামের দু’টি ইউটিউব চ্যানেল ও একই নামের দু’টি ফেসবুক পেজ চালু হয়েছে। খুলনার অভিজ্ঞ শিক্ষকরা প্রতিটি ক্লাস ২০ মিনিটের উপযোগী করে তৈরি করেছেন। সপ্তাহের শুরুতে ক্লাসের একটি রুটিন প্রকাশ করা হবে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কোন দিন, কখন, কোন ক্লাস হবে তা জানতে পারবে। প্রাথমিক পর্যায়ে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসের ভিডিও কনটেন্ট সরবরাহ করা হবে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ভিডিও আপলোড অব্যাহত থাকবে। যার ফলে করোনাকাল অতিক্রান্ত হওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা এর সুবিধাটি পাবে। খুলনার বাইরে বাসেও এই শিক্ষাকার্যক্রমে অংশ নেয়া যাবে।

শিক্ষার্থীরা এসকল ক্লাসে তাদের মতামত, সমস্যা, মন্তব্য তুলে ধরার সুযোগ পারে। টেলিভিশনের শিক্ষা কার্যক্রমটি একমুখী হলেও এই কার্যক্রমটি হবে দ্বিমুখী। ফলে শিক্ষার্থীদের কাছে এটি আরও আনন্দময় হবে।

উদ্যোক্তারা আশা করছেন, অনলাইনভিত্তিক এই শিক্ষাকার্যক্রমটির ফলে করোনাকালের শিক্ষা ঘাটতি যেমন পুষিয়ে যাবে তেমনি শিক্ষার্থীদের কোচিং নির্ভরতাও কমবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক নিভা রাণী পাঠক ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নেছা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম সিরাজুদ্দোহা, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মাহাবুব আলম সোহগসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা।

কেশবপুরে শিক্ষক আজাহারুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) : যশোরের কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গাজী আজাহারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উপজেলা নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। শোক বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন উপজেলা নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, সহ-সভাপতি (অর্থ) বাসুদেব সেনগুপ্ত, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) শাহাজাহান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (অর্থ) আশরাফুজ্জামান-সহ সমিতির নেতৃবৃন্দ। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, গাজী আজাহারুল ইসলাম ছিলেন শিক্ষার্থী বান্ধব শিক্ষক। তাছাড়া তিনি কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অবসরের পূর্ব পর্যন্ত সুনামের সহিত সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ)-এর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
উল্লেখ্য দেশের অবন্থা স্বাভাবিক হলে সমিতির আয়োজনে শিক্ষক গাজী আজাহারুল ইসলামের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

মোংলায় সরকারী উন্নয়মুলক কাজ বন্ধ করতে ঠিকাদারকে হয়রানী

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : কাজ না পেয়ে মোংলায় অন্য এক ঠিকাদারের নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজে বাঁধাগ্রস্থ করতে নানা রকম গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ বন্ধ করতেও মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রতিপক্ষ এক ঠিকাদার। এ নিয়ে হয়রানী বন্ধ করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ নাহিদুজ্জামান সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাহতাব এন্টারপ্রাইজের মালিক এস,এম মাহাতাব অভিযোগ করে বলেন, মোংলা ও এর পাশ্ববর্তী অন্যান্য উপজেলায় দীর্ঘ দিন যাবৎ সুনামের সাথে ঠিকাদারী ব্যবসা করে আসছেন তিনি। সরকারী দপ্তর থেকে কাজ নেয়ার জন্য তার প্রতিদ¦ন্ধী ছিলেন আরো কয়েকজন ঠিকাদার। যথাযথ পন্থা অবলম্বন করেই এবং কম মূল্যে তিনি ওইসব কাজ করার অনুমতি পান। এতে প্রতিদ¦ন্ধী ঠিকাদার ও পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী এ কাজ না পেয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করে চলেছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরসহ সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে জনৈক কাপড় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে নানা রকম গুজব ছড়াচ্ছেন বলেও জানান ঠিকাদার মাহাতাব। তিনি বলেন, যারা হয়রানী করে সরকারী প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে চান তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন তিনি।
এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার মাহাতাবের চলমান তিনটি ব্রীজ নির্মাণের প্রতিটি ধাপে তারা কাজ বুঝে নিয়েছেন এবং নির্মাণ কাজের ছবি সংরক্ষণ করেছেন। সুতরাং নিয়ম অনুযায়ী কাজ না পেয়ে একে অপরকে ক্ষতি না করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি স্থানীয় ঠিকাদারদের প্রতি আবহবাণ জানান।