বিড়ি-সিগারেট উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ ঘোষণা

ঢাকা অফিস : করোনা পরিস্থিতিতে বিড়ি-সিগারেটসহ সব তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের মহামারি প্রতিরোধে তামাকজাত পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৮ই মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খাইরুল আলম শেখ ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’এর  ক্ষমতাবলে এই আদেশ জারি করেন।

আদেশে বলা হয়, তামাক গ্রহণ কোভিড-১৯’এর সংক্রমণ বাড়ায়। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তামাক গ্রহণে নিরুৎসাহিত করেছে। এছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে করোনাভাইরাস ধুমপায়ীদের মারাত্মক ক্ষতি করে। অধুমপায়ীদের চেয়ে একজন ধুমপায়ীর করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঝুঁকি ১৪ ভাগ বেশি থাকে বলেও জানানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে আরো ৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত

ঠাকুরগাও : ঠাকুরগাঁও জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৯শে মে) সন্ধ্যায়  ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ৪০ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি নিশ্চিত হলো। এর মধ্যে, ২১ জন  সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। নতুন শনাক্ত হয়েছে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ২ জন, পীরগঞ্জ পীরগঞ্জ উপজেলায়  ১ জন এবং হরিপুর উপজেলায় ১ জন।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান বলেন, ‘আমরা নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ করছি। দিনাজপুর থেকে আসা ফলাফলে আজ নতুন ৪ জন শনাক্ত হয়েছে । এখন পর্যন্ত জেলায় ১১১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।’

খুলনায় বিএনপি নেতা বকুলের পক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

বিজ্ঞপ্তি : বিএনপি নেতা রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষ থেকে নগরী জুরে বিভিন্ন থানাায় করোনায় সংকটে পড়া কর্মহীন অসহায় দুস্থদের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মানিরুল হাসান বাপ্পি। ১৯ মে’২০ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড ও শে-এ-বাংলারোড সহ আমতলা মোড়ে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময়ে উপস্থিত জনসাধারনের উদ্দেশ্যে মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, যেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সরকারী বিভিন্ন ত্রান সামগ্রী আত্মসাত করে মিডিয়ায় শিরোনাম হচ্ছে, অন্য দিকে দীর্ঘ কয়েক বছর রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় বাইরে থাকার পরও বিএনপি’র নেতা-কর্মিদের অর্জিত অর্থ দিয়ে এই করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট সংকটময় মুহুর্তে মানুষের পাশে দাড়িয়ে প্রমান করেছে যে বিএনপি জনবান্ধব রাজনৈতিক দল। এ দেশের জনগণের এই দুঃসময় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের প্রতিটা নেতাকর্মীদের মানুষের পাশে থাকার আহবান জানান।
অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুর রহমান মিরাজ, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শেখ নাদিমুজ্জামান জনি, মনজুর আরেফিন, সৈয়দ মেসবাহুল হাসান শুভ, মাসুম বিল্লাহ, মোহাম্মদ আমির, মেহেদি হাসান, আব্দুস সালাম, মনিরুজ্জামান নয়ন, শাহিন আলম, সজিব শেখ, সাজু হাওলাদার, সাব্বির হোসেন, হোসাইন মাহফুজ, সজিব হাওলাদার, হিরা, তৈয়বুর, সুমন প্রমুখ।

বটিয়াঘাটায় প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি :বটিযাঘাটা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের হাটবাটি গ্রামের রিয়াজুল হক (২৫) নামের এক এসি রিপিয়ারিং মেকার করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে।সে ওই গ্রামের এনামুল হকের পুত্র।জানা গেছে, এনামুল ঢাকা নারায়ণগন্জে এসি রিপিয়ারিং এর কাজ করতো।গত রবিবার সে নারায়নগঞ্জ থেকে বাড়ীতে এলে গলায় ব্যাথা ও কাশি অনুভব করলে তাকে সোমবার খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে সনাক্তে পাঠানো হয়। করোনা টেষ্টে তার পজেটিভ রিপোর্ট আসলে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়। এদিকে খবর পেয়ে অাজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অপর্না বিশ্বাস, থানার ওসি মোঃ রবিউল কবির, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম হাচান,ইউপি সদস্য বেনজির আহম্মেদ,মহিলা ইউপি সদস্য হোসনেয়ারা বেগম দফাদার মোদাচ্ছের সেখ,গ্রাম পুলিশ সদস্য নুরুন্নবী ইসলাম প্রমূখ তার গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত আশপাশ এলাকায় লক ডাউন করে দেয়।

খুলনায় এমপি জুয়েলের পক্ষে যুবলীগ নেতা হাফিজের ইফতার বিতরণ

খুলনা অফিস : ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাউদ্দিন জুয়েলের পক্ষে ইফতার বিতরণ করা হয়। খুলনা মহানগর যুবলীগের সিনিয়র সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজের তত্ত্বাবধানে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন অসহায় হয়ে পরা মানুষ ও পথচারী রোজাদারদের মাঝে নগরীর গল্লামারী বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত ৫শত জনকে ইফতার বিতরণ করা হয়। এসময়ে ঘূর্ণিঝড় ও করোনা পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহপাকের রহমত চেয়ে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত ও দোয়া চাওয়া হয়।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সোনাডাংগা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস এম রাজুল হাসান রাজু, ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মইনুল ইসলাম নাসির, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান শিকদার রাজু, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহাবুবুল আলম, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ তৌহিদুর রহমান দিপু, ১৮ নং যুবলীগের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম লিটন, ২৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস, গল্লামারী ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সস্পাদক মোমতাজ আহমেদ তুহিন, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম যুবলীগ নেতা কাইয়ুম বিন জামান, নাজিম উদ্দিন মাতবর, মোঃ শাহালম, মোঃ শাহালম কবির, সোহেল মোড়ল, শান্ত রহমান বাবু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সোহেল রানা, মোঃ ইমরান হোসেন ইমু, পিজুস মন্ডল প্রমুখ।

মোল্লাহাটে করোনায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে ইফতারি বিতরণ

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ মোল্লাহাটে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবেলায় ঘরে থাকা কর্মহীন পরিবারের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে ইফতারি বিতরণ করেছেন ঘোষগাতি যুবসংঘ। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টা থেকে তারা ভ্যান যোগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সপ্তপল্লীর তিনটি ওয়ার্ডের ১ হাজার পরিবারের মাঝে এই ইফতারি বিতরণ করেন। অতিতের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে অবদানের রেখেছে এই সংগঠনটি। তারাই ধারাবাহিকতায় তাদের এ কার্যক্রম। এই কার্যক্রমে যারা সার্বিক সহযোগীতা ও অর্থ যুগিয়েছেন তারা হলেন কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাবলু মোল্লা, কুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি আঃ মান্নান রুহল, রফিকুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আশিকুল আলম তন্ময়, ইউপি সদস্য ইলিয়াছুর রহমান, কুলিয়া ইউনিয়ন আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান শরীফ, অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মাহাবুর শেখ, নাদির শেখ, আবুল বাশার শেখ, কালাম ফকির, নয়ন বিশ্বাস(প্রবাসী), ইসফিকার শেখ, মেহের শেখ, আনিচ মোল্লা, কালু মোল্লা(প্রবাসী), আনোয়ার শেখ, আশিকুর রহমান, সোহরাফ, মোঃ সিব্বির হোসেন, তোহিদুল মোল্লা, হাসিব শেখ, মিজানুর শেখ, ইমরান শেখ, সোহেল ফকির ,ইমাম মোল্লা প্রমূখ। তারা বলেন আপনারা সরকার এবং প্রশাসনের নিয়ম মেনে ঘরে থাকুন। করোনাকে ভয় নয় সচেতনতাই হবে জয়।

গাইবান্ধায় করোনা সন্দেহে নতুন ৮৩ জনসহ হোম কোয়ারেন্টাইনে ৩১০ জন

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘন্টায় পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আরো একজন আক্রান্ত হয়েছে মর্মে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নানা উপসর্গে সন্দেহজনকভাবে নতুন করে ৮৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এদিকে জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১০ জন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ২৫ জন রয়েছে। এরমধ্যে একজন মারা গেছে। ২ জন আইসোলেসনে রয়েছে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত ২২ জন রোগী সুস্থ হওয়ায় হয়েছেন এবং ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন শেষে ১৯ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৩১০ জন চিকিৎসাধীন রোগী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জে ১, গোব্দিন্দগঞ্জে ২১, সদরে ৩৯, ফুলছড়িতে ৯৪, সাঘাটায় ১৪০, পলাশবাড়িতে ৫ ও সাদুল্যাপুরে ১০ জন।

সাদুল্যাপুরে দূর্বত্তদের দেয়া আগুনে ১৪টি খড়ের পুঞ্জ ও ৪টি বসতবাড়ী পুড়ে ছাই

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের তরফআল গ্রামে গত ১ মে সোমবার গভীর রাতে এক এক করে ১৪টি খড়ের পুঞ্জে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে দূর্বত্তরা। আগুনে পুঞ্জগুলো মুহুর্তেই পুড়ে ভস্মিভুত হয়ে যায়। তারমধ্যে একটি খড়ের পুঞ্জের আগুন থেকে পুড়ে যায় ৪টি পরিবারের বসতবাড়ী। এদিকে একই দিন রাত ১১টার দিকে সাদুল্যাপুর উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ায় একটি পরিবারের বসতবাড়ী আগুনে পুড়ে যায়। আগুনে বসতবাড়ী পুড়ে যাওয়া নিঃস্ব পরিবার গুলো হল, উপজেলার ভাতগ্রামের তরফআল গ্রামের মোছাঃ অমিছা বেওয়া, ফারুক মিয়া, আশাদুল হক জলে মিয়া ও মাজেম মিয়ার পরিবার এবং উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার দিনমজুর ছাইদার মিয়ার পরিবার।
ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম রেজাওনুল ইসলাম বাবু জানান, সোমবার গভীর রাতে ওই গ্রামের ১৪টি খড়ের পুঞ্জে কে বা কাহারা আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে ওই ১৪টি খড়ের পুঞ্জ পুড়ে যায়। এছাড়া আশাদুল হক জলে মিয়ার খড়ের পুঞ্জের আগুন মুহুর্তে ছড়িয়ে পরে ৪টি পরিবারের বসতবাড়ীর ৭টি ঘর, আসবাবপত্র, ধান-চাল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ নগদ লক্ষাধিক টাকা আগুনে পুড়ে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রামবাসী সমবেতভাবে দেড়ঘন্টা চেষ্টা করে রাত ৩টার দিকে এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে প্রায় ওই চার পরিবারের ৮/১০ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার মার্কাস মসজিদের পাশে দিনমজুর ছাইদার মিয়ার বাড়িতে রাত ১১টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। মুহুর্তে সেই আগুন ছড়িয়ে পরে তার তিন ঘর, আসবাবপত্র ও ১ ছাগলসহ সবকিছু পুড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে গাইবান্ধা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আসার আগেই এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এতে তার দুই লক্ষাধিক টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। সাদুল্যাপুর থানার ওসি মোঃ মাসুদ রানা সাংবাদিকদের জানান, ভাতগ্রামের অগ্নিকান্ডের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান কিংবা ক্ষতিগ্রস্থ কেউ জানাননি।

মোংলায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় ১০টি জাহাজসহ ৭০টি জলযান প্রস্তুত

মোংলা প্রতিনিধিঃ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’র প্রভাবে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর ও তৎসংলগ্ন সুন্দরবনের নদ নদী খুবই উত্তাল রয়েছে। এজন্য আবহাওয়া অধিদফতর সোমবার দুপুর থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭ নম্বর বিপদ সংকেত বলবত রেখেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মোংলা বন্দরসহ সুন্দরবন উপকূলের আশপাশের এলাকায় মঙ্গলবার দুপুর ৩টা থেকে হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এদিকে বুধবার বিকাল বা রাতে বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট ঘুর্নিঝড়টি মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন উপকুলের উপর দিয়ে সুপার সাইক্লোন আকারে রুপ নিয়ে অতিক্রম করতে পারে বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস। তবে সাগর প্রচন্ড উত্তল রয়েছে এবং সেখানকার সুন্দরবনের জেলেরা রিনাপদে আশ্রায় নিয়েছে বলে জানায় র‌্যাব ও দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের সদস্যরা। অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’র প্রভাবে মোংলা সমুদ্র বন্দরে বিশেষ সতর্কতা এলার্ট-৩ জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে খোলা হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের তিনটি কন্ট্রোল রুম। বন্দরে এই মুহূর্তে মেশিনারি, ক্লিংকার, সার, জিপসাম, পাথর, সিরামিক ও কয়লাসহ মোট ১১ টি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছে। এসব জাহাজে পণ্য খালাস-বোঝাই বন্ধ রাখার জন্য সতর্কতা জারি হওয়ায় বানিজ্যিক জাহাজের পন্য খালাস-বোঝাইয়ের কাজ বন্ধ রেখেছে বলে জানায় বন্দর ব্যাবসায়ীরা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে মোবাইল ফোনে জানান, এ মুহুর্তে বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রাকা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে কন্ট্রোল রুম খোলাসহ বন্দরের সকল নৌযান ও স্থাপনায় সতর্কতা জারী করা হয়েছে। যাতে আবহাওয়ার আরো অবনতি হলেই নৌযানগুলো নিরাপদ থাকে বাহিরে বের না হয়। এ ছাড়া বড় বড় বিভিন্ন স্থাপনার উপরও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। বন্দওে বড় ধরনের সমস্যার জন্য ৩টি টাকবোর্টকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’র পর্যবেক্ষণে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ পৃথক কন্ট্রোল রুম খুলেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাহাত মান্নান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপজেলার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি মূলক সভা করা হয়েছে। বিকালে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাইক্লোন শেল্টার গুলি প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নাহিদুজ্জামান ও সিপিপি’র উপজেলা সহকারী পরিচালক মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ মিলে এ উপজেলার স্কুলসহ মোট ১০৩টি সাইক্লোন শেল্টার দুর্গতদের জন্য প্রস্তুত এবং দুর্যোগের পুর্বে, চলাকালীন ও পরে ৯৯০ জন সিপিপি সেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাতে লোকজনকে সচেতন, উদ্ধার ও নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারেন। এদিকে সুন্দরবনে মৎস্যজীবিদের বৃহৎ সংগঠন ‘দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপে’র সভাপতি কামাল উদ্দিন আহম্মেদ জানান, আম্ফান’র প্রভাবে সাগরের সুন্দরবন উপকুল সংলগ্ন নদ নদীগুলো খুবই উত্তাল রয়েছে। প্রচন্ড ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলো টিকতে না পেরে তীরে ফিরে আসতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দুর্যোগপুর্ন আবহাওয়া ও বৃষ্টির ফলে সকল জেলেরা তাদের নৌযান নিয়ে কালে নিরাপদে আশ্রায় নিয়েছে। ঘুর্নিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্গতদেও উদ্ধার এবং জরুরী ত্রান তৎপরতার জন্য নৌ-বাহিনী ও কোষ্টগার্ড’র পক্ষ থেকে ৭টি জাহাজ ও ৩০টি ছোট ষ্ট্রিট বোর্ট প্রস্তুত রেখেছে। যাতে জরুরী সময় এ নৌযানগুলো কাজে লাগানো যায়।
পুর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, সকল জেলেদের পাশ পারমিট বন্ধ করা হয়েছে, পাশাপাশী ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে, অবস্থা প্রতিকূল না হলে জেলেদের মাছ ধরার অনুমতি দেওয়া হবে না। এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, পুর্ব সুন্দরবনের চাদপাই রেঞ্জের সকল বন বিভাগের অফিস সমুহের বন রক্ষীদের নিরাপদে থেকে চলাচল করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশী বন বিভাগের ৪০টি নৌযান দুর্গতদের উদ্ধার ও সহায়তার কাজে ব্যাবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সাঁথিয়ায় হাসপাতালের ৬জন স্টাফসহ ৭জনের করোনা শনাক্ত

corona

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধিঃ পাবনার সাঁথিয়ায় হাসপাতালের ৬জন স্টাফসহ ৭জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩জন নার্স, ১জন স্যাকমো, ১জন সিএফসিপি, ১জন এমটি ল্যাব ও হাসপাতাল স্টাফের ১ মেয়ে। সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও (আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার) ডা: মামুন আব্দুল্লাহ জানান, ১০ মে সাঁথিয়া থেকে ৪৩ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার বিকেলে নমুনা রিপোর্টে সাত জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। ৯ মে সাঁথিয়া হাসপাতালের ইপিআই টেকনিশিয়ান আব্দল কাদেরের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এর পরই হাসপাতাল এ সকল স্টাফদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী পাঠানো হয়।