ডেস্ক রিপোর্ট : খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এবং স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার সকালে খুলনা বিভাগীয় (স্বাস্থ্য) দপ্তরের আঙ্গিনায় পনিচ্ছন্নতা অভিযান চলে। এ কার্যক্রম পরিদর্শণ করেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এর নির্দেশনায় বিভাগের সব জেলা ও উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সতর্কতা জারি এবং মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর নিয়মিতভাবে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখছে। চলতি মৌসুমে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। এ কারণে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে হাসপাতালগুলোর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও জমানো পানি অপসারণের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের আঙ্গিনা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কালে পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনায় বিভাগের সকল হাসপাতাল আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন করা চলছে। বিভাগের প্রায় ৭৫ ভাগ আঙ্গিনায় ইতোমধ্যে পরিষ্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ সম্পন্ন হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনায় প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্ণার খোলা হয়েছে। যে কারণে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ অনেকটা কমেছে। এখন থেকে ডেঙ্গু রোগী মৃত্যুহারও কমে আসবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোথাও কোন কীট সংকট নেই। কীট সংকট দূর করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে দুই কোটি টাকা পাওয়া গছে। জনসংকট রয়েছে প্রায় ৫০ভাগ। তার পরেও সকল কর্মঠ চিকিৎসকগণ অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামীতেও আমরা ডেঙ্গুসহ অন্যান্য যে কোন সমস্যা মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো।
পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিদর্শণ কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এস এম শাহরিয়ার হোসেন, ডা: অপর্ণা বিশ্বাস (রোগ নিয়ন্ত্রণ), খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মো: মনিরুজ্জামান। এছাড়া ছিলেন, এসিস্ট্যান্ট সীফ (এমআইএম) জোবায়ের হোসেন, প্রশাসনিক কমকর্তা জিএম শাহীন আলম, হিসাব রক্ষক শাহরিয়ার আলম রাসেলসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী।