মাইজভাণ্ডারী দর্শন

মোঃ আরাফাত চৌধুরী: সুফিবাদ একটি ইসলামি আধ্যাত্মিক দর্শন। আত্মা সম্পর্কিত আলোচনা এর মুখ্য বিষয়। আত্মার পরিশুদ্ধির মাধ্যমে আল­াহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনই হলো এই দর্শনের মর্মকথা। ‘সুফ অর্থ পশম আর তাসাওউফের অর্থ পশমী বস্ত্রে পরিধানের অভ্যাস (লাব্সু’স-সুফ)- অতঃপর মরমীতত্ত্বের সাধনায় কাহারও জীবনকে নিয়োজিত করার কাজকে বলা হয় তাসাওউফ। যিনি নিজেকে এইরূপ সাধনায় সমর্পিত করেন ইসলামের পরিভাষায় তিনি সুফি নামে অভিহিত হন।’ (সংক্ষিপ্ত ইসলামি বিশ্বকোষ, প্রথম খন্ড, পৃ.৪৫২)

মাইজভাণ্ডারী দর্শন ইসলাম তথা সুফিবাদের কৃষ্টি সভ্যতার অংশ বিশেষ। মাইজভাণ্ডারী দর্শনের কথা উঠতেই সর্বপ্রথম উঠে আসে এ দর্শনে রয়েছে ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকলের উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার। আল্লাহ পাক স্বয়ং অসাম্প্রদায়িক৷ তাই এই মহান দর্শনেও ধর্মের কোন বাচ বিচার নেই। সকল ধর্মের সকল গোত্রের লোকের জন্য এই মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা ও দর্শন পীঠস্থানে পরিনত হয়েছে। বাংলার জমিনে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা হিসেবেও সর্বমহলে এর গ্রহনযোগ্যতা ব্যাপক। পৃথিবীতে অগনিত হক্কানী ত্বরিকা রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশের জমিনে এটিই একমাত্র প্রবর্তিত ত্বরিকা। পূর্ববর্তী সকল ত্বরিকার মুল নির্যাস নিয়ে এ ত্বরিকার সৃষ্টি। বিশ্লেষণমূলক ভাবে বলতে গেলে, হযরত খাজা খিজির (আঃ) এর রহস্যময় খোদায়ী জ্ঞান, হযরত দাউদ (আঃ) এর অবলুপ্ত সুরের ব্যাঞ্জনা, হযরত সোলাইমান (আঃ) এর রাজকীয় ঐশ্বর্য, হযরত আইয়ুব (আঃ) ধৈর্যের না ভাঙ্গা বাধ, হযরত ঈসা (আঃ) প্রেমের বানী, বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (দ.) এর বেলায়তী শান, আহমদী নামের যুগউপযোগী পদাচারনা খ্যাত, প্রখ্যাত সাহাবী আবূ হুরায়রা (রঃ) এর না বলা কথার কথক অবলম্বন করেই মাইজভাণ্ডারী দর্শনের প্রবর্তন।

এই পূতপবিত্র দর্শন একটি ধর্মীয় বিপ্লব, একটি আদর্শ ইসলামী চেতনা। এই দর্শন মূলত রাসুলে পাক (দ.) এর মদিনা সনদেরই আদলে গড়া। সুফিবাদের প্রচার ও প্রসার এবং চর্চার জন্য এই দর্শন একটি ঈমানী ক্যান্টনমেন্ট। এই মহান মাইজভাণ্ডারী দর্শন খোদার রহস্যময় জ্ঞানের ভাণ্ডার। জ্ঞানপিপাসু খোদা সন্ধানী লোকদের জন্য এই দর্শন একটি আদর্শ পাঠশালা। মাইজভাণ্ডারী দর্শনের লক্ষ বা উদ্দেশ্যসমুহ বহুমুখী এবং ব্যাপক। সংখ্যার নিগঢ়ে এগুলোকে আবদ্ধ করে শেষ করা যাবেনা। কারন; একজন মানুষের দেহ, মন, চিন্তাধারা, আত্মা, তথা প্রতিটি অঙ্গ- প্রত্যঙ্গের সর্ববিধ শুদ্বাচার অনুশীলনই হচ্ছে মাইজভাণ্ডারী দর্শনের মুল কথা।

এই মাইজভাণ্ডারী দর্শনে রয়েছে সার্বজনীনতা, ধর্মসাম্য ও বিশ্বমানবতা। জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার প্রতিষ্টাই হল মাইজভাণ্ডারী দর্শনের বৈশিষ্ট্য। এখানে হিন্দু -মুসলিম, বৌদ্ধ -খ্রীষ্টান সকল ধর্মের মানুষই নিজের ধর্মে অবিচল থেকে সঠিক ধার্মিকতা পালনের মাধ্যমে এক স্রষ্টার ধ্যানে জ্ঞানে মশগুল হয়। মাইজভাণ্ডারী দর্শনের ভাব -ভাবনা, চিন্তা- চেতনা, ধ্যান- ধারনা সকলই বিশ্বব্যাপি ব্যাপ্তির। মানুষে মানুষে সম্প্রীতি ও ভালবাসার শিক্ষা দেয় এ মাইজভাণ্ডারী দর্শন।

মাইজভাণ্ডারী দর্শনের অন্যতম প্রধান লক্ষ ও উদ্যেশ্য সমুহের মধ্যে রয়েছে।
*নিছক পার্থিব স্বার্থপরতাকে পরিহার করে পরিপূর্ণতা অর্জনের মাধ্যমে স্রষ্টার নৈকট্য হাসিল করা।
*বিশ্বের ধর্ম বিরোধ মিটিয়ে সার্বজনীন ধর্মসাম্যের আদর্শ প্রতিষ্টা করা।
*সত্য ও ন্যায় পথে জীবন যাপনে মানব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করা।
* মানুষের মানবিকগুনের বিকাশ সাধন করা।
* পার্থিব ও আধ্যাত্মিক কল্যাণ সুনিশ্চিত করা।
* স্রষ্টাকে ভালবাসার মাধ্যমে জয় করা।
* সকল নৈতিক অবক্ষয় রোধ পূর্বক ব্যাক্তিগত ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্টা করা।

পৌত্তলিকতাবাদ, নাস্তিকতাবাদ, ও ধর্মীয় গোড়াবাদে নিমজ্জিত হয়ে গোটা বিশ্ব চরম নৈতিক অবনতির সম্মুখীন হয়। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সর্বনাশা – গৃহযুদ্ব, স্বৈরাচার, পার্থিব লোভ লালসা, সাম্প্রদায়িক হানাহানি, প্রতারণা প্রভৃতি নৈতিক অবক্ষয়মূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে গোটা মানব সমাজ চরম অবস্থায় উপনিত হয়। ধর্ম যুগ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে পাপাচারে নিমজ্জিত মানবসমাজকে উদ্বারকল্পে মুক্তি দেওয়ার জন্য, অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনার জন্য এবং ধর্মের সত্তিকার স্বরুপ প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বত্রানকর্তৃত্ব সম্পন্ন গাউসুল আযম রুপে হুজুর গাউসুল আযম মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী এ ধরাধামে আবির্ভূত হন। মানব সমাজকে ঐশী প্রেমের আলোয় আলোকিত করতে সৃষ্টি করেন পবিত্র মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা বা মাইজভাণ্ডারী দর্শন।
রুমিয়ে বাঙ্গাল, হযরত মাওলানা বজলুল করিম মন্দাকিনীর ভাষায়,
“যুগে যুগে তুমি বিভিন্ন প্রদেশে, নবী অলী নামে মুনিঋষী বেশে ;
ঘোর অন্ধকার হতে মানবীকে আলোকে টানিয়ে আন।”

 

অর্গলমুক্ত ঐশী প্রেমবাদ এই দর্শনের অন্যতম বিষয়বস্তু। এই অর্গলমুক্ত ঐশী প্রেমবাদ বিশ্ব মানবতার জন্য হযরত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর (রাদ্বিঃ) একটি দুর্লভ অবদান। যার মূল উদ্যেশ্য হল খোদার একত্ব প্রকাশ করা। মহাপ্রভুর একত্বে মিলনের পথ হচ্ছে অর্গলমুক্ত ঐশী প্রেমবাদের পথ। এটি পবিত্র কোরআন ও হাদীসের মেরুদণ্ড ও সুক্ষ্ম উদ্দেশ্য। এই প্রেমবাদ উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন বাধাহীন বিকাশ ও সর্ব বেষ্টনকারী বেলায়তী শক্তি যা জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য চির উন্মুক্ত। স্রষ্টার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন, চূড়ান্তভাবে আত্মসমর্পণ এবং স্রষ্টার নৈকট্য অর্জন হচ্ছে মাইজভাণ্ডারী দর্শনের অন্যতম লক্ষবস্তু। মহান আল্লাহ পাক বলেন, ” অতএব, তোমরা আমাকে স্বরন কর, আমি তোমাদেরকে স্বরনে রাখব এবং তোমরা আমার নিকট কৃতজ্ঞ হও এবং অবিশ্বাসী হয়োনা।” (সুরা বাকারা; আয়াতঃ – ১৫২)

মূলত মাইজভাণ্ডারী দর্শন স্রষ্টা এবং সৃষ্টির সাথে একটি সেতুবন্ধন। মহান স্রষ্টার অগনিত নেয়ামত এর শুকরিয়া তথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং প্রতিনিয়ত এক ও অদ্বিতীয় স্রষ্টার জিকিরে মশগুল থাকার শিক্ষা দেয় এই দর্শন। একজন সাধারণ ইনসানকে পার্থিব ও আধ্যাত্মিক কল্যান সুনিশ্চিত করে ভালবাসার মাধ্যমে স্রষ্টাকে জয় করার শিক্ষা ও দীক্ষা দেয় এই মাইজভাণ্ডারী দর্শন।

দিঘলিয়ায় দূযোগ প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত

ওয়াসিক রাজিব, দিঘলিয়া : দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১১ টায় দূর্যোগ প্রস্তুতি সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিও কন্ফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন আসন্ন সমভাব্য দূর্যোগ মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।এজন্য উপজেলা চেয়ারম্যান,ইউএনও,পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবিন্দদের সংশ্লিষ্ট রেখে একটা কমিটি করে দূর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আলিমুজ্জামান মিলন,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান,প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদরের এমপি প্রতিনিধি, মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সাধারন সম্পাদক মল্লিক মোকসুদুর রহমান খোকন,দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক মোঃ আমিনুল ইসলাম,শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা,খাদ্য কর্মকর্তা,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, দিঘলিয়া সদরের এমপি প্রতিনিধি ও সদর ছাত্রলীগ আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম,ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোঃ আলামিন প্রমূখ।

ঝড়ের দিনে আম কুড়াতে সুখ নেই

শেখ শাকিল হোসেন : পল্লীকবি জসিম উদদীন তার ‘মামার বাড়ি’ কবিতায় লিখেছেন, ‘ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ; পাকা জামের শাখায় উঠি, রঙিন করি মুখ’। কবির এই চরণগুলোর সাথে আমি একমত হতে পারিনি। ঝড়ের দিন অর্থাৎ দুর্যোগকালীন সময়ে আম কুড়ানো আমাদের সুখানুভূতি দেয় না। আবার, এমন দূর্যোগে জাম গাছের শাখায় ওঠার প্রশ্নই ওঠে না। তাহলে কি আমরা এতদিন ভুল জেনে এসেছি?

বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে ‘ঝড়’ হলো ফ্যান্টাসি, উপভোগের বিষয়। গতবছর সুপার সাইক্লোন আম্পানের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বহু মানুষকে দেখেছি যারা এই দুর্যোগ নিয়ে রীতিমতো ট্রল করেছে। বলায় বাহুল্য, এদের বেশিরভাগই দেশের ঝুঁকিমুক্ত এলাকার বহুতল ভবনের বাসিন্দা।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ২৬ মে বিকাল বা সন্ধ্যায় উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। আসন্ন সম্ভব্য দূর্যোগে উপকূলের লাখ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্ততি নিয়েছে সরকার। আমরা সম্ভব্য ঝড়ের ভয়াবহতা অনুধাবন করতে পারি।

রেডিও-টেলিভিশনে কিছুক্ষণ পরপর ‘আবহাওয়া বুলেটিন’ প্রচার করে সতর্ক করা হবে। ঝড়ের তীব্রতা, ক্ষয়ক্ষতি ও উপকূলের কান্না দেখানো হবে। তারপরও অনেকেই এই দুর্যোগে সুখ খুঁজবেন, ফ্যান্টাসি খুঁজবেন। রাতারাতি আমাদের ভেতর এই উন্মাদনা তৈরি হয়নি অবশ্য। ভুক্তভোগী অর্থ্যাৎ যারা ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে থাকেন কিংবা যাদের আপনজনরা থাকেন, তারাই দুর্যোগ অনুধাবন করতে পারেন।

বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা দুর্যোগ নিয়ে উপহাস করবে না, এটাই প্রত্যাশা করি। ঝড়ে গাছের আম পড়ে গেলে সেটাকে ‘ক্ষতি’ বলে। যারা ক্ষতির ভেতর সুখানুভূতি খুঁজে পান, তাদের মানসিক পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

লেখক: সভাপতি, সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি।

বটিয়াঘাটায় ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কার্যক্রমের উদ্বোধন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উদ্যোগে সদর ইউনিয়নের রাজস্ব আদায় কার্যক্রম গতিশীল করতে অস্হায়ী ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন করা হয়। মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় স্থানীয় সদর ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতলায় নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম দাখিলার মাধ্যমে উক্ত ভূমি উন্নয়ন কর আদায় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন । এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ( ভূমি) আব্দুল হাই সিদ্দিকী, জলমা ইউনিয়ন ( ভূমি) কর্মকর্তা কৃষ্ণ পদ দাস, সহকারী তহশীলদার মোঃ তৌহিদুর রহমান ও মোঃ বাবুল আক্তার,উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, সাংবাদিক মোঃ ইমরান হোসেন সহ ভূক্তভোগী ভূমি মালিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । উল্লেখ্য, জনভোগান্তি কমাতে রাজস্ব দিতে গিয়ে কোন ভূক্তভোগীদের যাতে অযথা ঘুরা ঘুরি করতে না হয় সেজন্যই কতৃপক্ষ উক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায় । সপ্তাহে দুই দিন সোমবার ও মঙ্গলবার বটিয়াঘাটা ইউনিয়নের আওতাধীন মোট ১৭ টি মৌজার রাজস্ব আদায় করা হবে ।

বটিয়াঘাটায় দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক ভাতা প্রদান

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি বলেছেন,বর্তমান সরকারের প্রধানমণ্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে বলেই দূর্যোগকালীন এই সময়েও নানান প্রকার সুযোগ সুবিধা সহ ভাতা প্রদান করে যাচ্ছে। কেউ অসুস্হ্য হলেও তাকে চিকিৎসা ভাতা পর্যন্ত প্রদান করে যাচ্ছে।মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ে ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে শিক্ষা সহায়ক ভাতা প্রদান এবং অসহায় হতদরিদ্রের মাঝে মোট ৮৫ জন কে পাঁচ লাখ পঁচিশ হাজার টাকা অনুদান প্রদান কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। প্রদানকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আঃ হাই সিদ্দিকী,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এমদাদ হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার,সাংবাদিক ইমরান হোসেন,ইউপি চেয়ারম্যান হাদী উজ্জামান হাদী,বিআরডির চেয়ারম্যান ফরিদ রানা,আলীগ নেতা আকরাম হোসেন সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা মঙ্গলবার বেলা ১টায় স্হানীয় পরিষদ সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম।

বাজেটর আয়-ব্যয় ও ২০২১-২২ অর্থ বছরে ইউনিয়নে প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয়।এ সময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, সাবেক ইউপি সদস্যা কানন মল্লিক, ইউপি সদস্য প্রসেনঞ্জিৎ মন্ডল, অলোকেশ মল্লিক, এ্যাডঃ অনাদি মন্ডল, সাংবাদিক ইমরান হোসেন, মাওঃ আবু মুসা, সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইউপি সদস্যবৃন্দ। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বাজেটকে আরোও গতিশীল করার জন্য চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব, ও সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। ইউপি সচিব শামিমুজ্জামান বাজেট পেশ করেন।