বটিয়াঘাটার সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

খুলনা অফিস : পরিবারের সদস্যদের অব্যহত হুমকি, মোবাইলে চাঁদাদাবী অতপর সোমবার গভীর রাতে দুষ্কৃতকারী সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক ফরিদ রানার ভাই রফিকুল ইসলামের গাওঘরা বাজরস্থ বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এব্যাপারে তার স্ত্রী সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহারা বেগম বটিয়াঘাটা থানায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে পরিবারটির সদস্যদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। অভিযোগে প্রকাশ, সোমবার রাত ৩ টার দিকে সংঘবদ্ধ একটি দুষ্কৃতকারী সন্ত্রাসী গ্রুপ বটিয়াঘাটা উপজেলার গাওঘরা বাজারস্থ রফিকুল ইসলামের বাড়িতে হামলা করে ইট-পাটকেল মারতে থাকে। এসময় রফিকুল ও তার স্ত্রী সংরক্ষিত ইউপি সদস্য,সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহারা বেগম ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলো। সন্ত্রাসী হামলার বিকট শব্দে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে ডাকচিৎকার করতে থাকে। তাদের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তবে বাজারের নৈশ্য প্রহরীরা এসময় এগিয়ে আসেনি। শাহারা বেগমের অভিযোগ, আমার দেবর এসএম ফরিদ রানা সাংবাদিক এবং আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মাদককারবারী, চাঁদাবাজ এবং ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় এলাকার একটি মহল আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও হুমকি-ধামকী অব্যাহত রেখেছে। আমার বিশ্বাস ঘটনার সাথে ওই মহলটি জড়িত। প্রশাসনের নিবীড় তদন্তকালে ঘটনার সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীরা চিহ্নিত হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ জুন স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ বিশ্বাস প্রকাশ্যে সাংবাদিক ফরিদ রানাকে হাত-পা ভেঙ্গে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। তার দুইদিন পর পুনারয় সে এবং তার অপর দুই ভাই মুন্নাফ বিশ্বাস, মারুফ বিশ্বাসসহ তাদের সহযোগীরা ফরিদ রানার বাড়ির সামনে গিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধামকী প্রদান করে এবং তার ভাই রফিকুলকে মারতে উদ্যত হয়। এব্যাপারে ফরিদ রানা গত ২৭/৬/২০১৯ইং তারিখে বটিয়াঘাটা থানায় তাদের বিরুদ্ধে জিডি দায়ের করেন,যার নম্বর-১১১০। এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন পর ফরিদ রানার সেজো ভাই বিসিআইসির সার ডিলার মোঃ সাদিক সরদারকে মোবাইল ফোনে সর্বহারা সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবী করা হয়। চাঁদা না দিলে সন্তানদের ক্ষতি করা হবে মর্মে হুমকিও প্রদান করেন। এব্যাপারে সাদিক সরদার বটিয়াঘাটা থানায় জিডি দায়ের করেন,যাহা পুলিশের বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত চলছে। এছাড়া ওই মহলটি ফরিদ রানা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরের মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করে আসছে। অতপর সোমবার রাতে তার ভাই’র বাড়িতে হামলা চালায়। ফলে ওই পরিবারটি বর্তমানে ভীতসন্ত্রস্ত জীবন-যাপন করছে। যে কোন সময়ে সন্ত্রাসীরা তাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারে বলে আশংকা করছে।

আপনার মতামত জানানঃ