বটিয়াঘাটায় গরীব অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ী বিতরণ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপির পক্ষ থেকে আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলার গরীব অসহায় মানুষের জন্য ১২৫ পিস শাড়ী সোমবার বেলা ১২ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমান গ্রহণ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শারীরিক অসুস্থ্যতাজনিত কারণে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা এ সকল শাড়ী উপজেলার ৭ ইউনিয়নের দুঃস্থ গরীবদের মাঝে বিতরণ করবেন। হুইপের পক্ষ থেকে আরও ১২৫ পিস শাড়ী পার্শ্ববর্তী দাকোপ উপজেলার জন্য বরাদ্ধ করেছেন।

বটিয়াঘাটায় অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি : বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সোমবার সমাজের অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ব্যতিক্রমধর্মী ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বেলা ১১ টায় স্থানীয় বিআরডিবি মিলনায়তনে প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে মুরগী, সিমাই, চিনি,দুধ, পেঁয়াজ, রসুন সহ অন্যান্য সমাগ্রী প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদারের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আহমেদ জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল কবির, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন ও প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম চন্দ্র হালদার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রাম চন্দ্র সাহা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা অমিত কুমার সমাদ্দার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ পরিদর্শক আহমেদ কবির, সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান,সাংবাদিক মহিদুল ইসলাম শাহীন, সাংবাদিক আহসান কবির, সাংবাদিক এড. প্রশান্ত বিশ্বাস, সাংবাদিক শাহীন বিশ্বাস, সাংবাদিক পরিতোষ রায়, সাংবাদিক বুদ্ধদেব মন্ডল, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শাওন হাওলাদার, সাংবাদিক ইমরান হোসেন, ছাত্রনেতা মানস রায়। প্রধান অতিথি ইউএনও আহমেদ জিয়াউর রহমান তার বক্তৃতায় বলেন, গোটা উপজেলাব্যাপী যাদের ঈদে ভালমন্দ খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, সমাজ থেকে সেই সকল অসহায় দুঃস্থ মানুষ বেঁছে বেঁছে এনে ব্যতিক্রমধর্মী ঈদ উপকরণ বিতরণ করায় সত্যিকার অর্থে এটা মহতি উদ্যোগ। সাংবাদিকেরা জাতির বিবেক। তাদের বিবেক থেকে এই ধরনের উদ্যোগ উঠে আসায় আমি তাদেরকে স্বাগত জানাই।

ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা অফিস : সৌদি আরব সফর শেষে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ২৫ মিনিটে বাদশা আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লুফথানসা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির উদ্দেশে রওনা হন।

এর আগে ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী আবে শিনজোর আমন্ত্রণে নিকেই সম্মেলন ও দ্বিপাক্ষিক সফরের জাপান যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর জাপান সফর শেষে ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার বিকেলে শেখ হাসিনা সৌদি আরবে পৌঁছান। মদিনায় গিয়ে মহানবী হযরত মুহম্মদ (স.) এর রওজা জেয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী এবং মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালন করেন তিনি।

ফিনল্যান্ড সফর শেষে ৮ জুন ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে শেখ হাসিনার।

শাহজালালে বিমানের জরুরী অবতরণ

ঢাকা অফিস : ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। আজ সোমবার সকালে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরগামী বাংলাদেশ বিমানের ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ মডেলের বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই জরুরি অবতরণ করে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, ফ্লাইটটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই জরুরি অবতরণ করার অনুমতি চায়। পরে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলরুম থেকে অনুমতি পেয়ে অবতরণ করে।

এ সময় ফায়ার  বিমানবন্দর রানওয়ে খালি করে রাখা হয় ও ফায়ার সার্ভিসকে প্রস্তত রাখা হয়।। সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে এটি অবতরণ করার পর প্রায় ২৫ মিনিট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেন ওঠা-নামা বন্ধ ছিলো।

কয়েকটি ফ্লাইট এ সময় ঢাকায় না নেমে ফিরে গেছে। ৯টা ৪৫ মিনিটে রানওয়ে প্লেন ওঠা-নামার জন্য খুলে দেওয়া হয়।

কৃষক পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ

ঢাকা অফিস : ঈদের আনন্দে ভাসছে পুরো দেশ। সামর্থ্য অনুযায়ী কেনাকাটায় ব্যস্ত সব শ্রেণী পেশার মানুষ। শুধু আনন্দ নেই কৃষকের ঘরে। বাজারে ধানের ন্যায্য দাম না থাকায় অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে কৃষক পরিবারে ঈদের আনন্দ।

ধান কাটা ও মাড়াইয়ের পর এখন রোদে শুকানোর পালা। নতুন ধানের গন্ধ চারিদিকে। সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হলেও খোলা বাজারে এখনও এর প্রভাব পড়েনি। গুদামে ধান বিক্রি করার সুযোগ জোটেনি সবার। তাই সাড়ে ৪’শ থেকে ৫০০টাকায় ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠাতে পারছেন না কৃষকরা। ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বলে অনেকেই ধান বিক্রিও করছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে হতাশ গাইবান্ধার দারিয়াপুরের কৃষকরা। জেলা শহরের বিপণীবিতানগুলোতে তাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম বললেন, ‘ধানের ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকরাও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারতো। এখন ঈদের কেনাবেচা শুধু ব্যবসায়ী আর চাকুরিজীবীর মধ্যেই সিমাবদ্ধ থাকছে’। সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনছে না বলে কৃষক এবার ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেন এ কৃষক নেতা।

ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া গেলে কৃষক পরিবারগুলোতেও বয়ে যেত ঈদের আনন্দ। সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে দ্রুত এ সঙ্কটের অবসান করবেন বলে আশা কৃষকদের।