বঙ্গোপসাগরে ফিসিং ট্রলারসহ ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

মোংলা প্রতিনিধি : বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে একটি ফিসিং ট্রলারসহ ১৪ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে মোংলা কোষ্টগার্ড। বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে নিয়মিত টহলরত জাহাজ “বিএনএস স্বাধীন বাংলা” জাহাজে থাকা কোষ্টগার্ড বাহিনীর সদস্যরা ওই জেলেদের ট্রলারসহ আটক করে। মঙ্গলবার বিকেলে আটককৃত জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্ত করে কোষ্টগার্ড সদস্যরা। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের সামুদ্রীক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মামলা দায়ের শেষে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মোংলা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধূরী জানান, সোমবার রাতে জাহাজ স্বাধীন বাংলা বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়ার আনুমানিক ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিম কোন এলাকায় টহলদানকালে এফবি মা-লক্ষী নারয়ন নামক ভারতীয় জেলেসহ ওই ট্রলারটি আটক করে। আটক জেলেদের বাড়ী ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকায়। উল্লেখ্য, এর আগেও একই অভিযোগে দেশীয় জলসীমায় প্রবেশ করার কারনে গভীর সাগর থেকে ৬৩ ভারতীয় জেলেকে আটক করে নৌবাহিনী। গত ১ অক্টোবর ১৫ জন, ৪ অক্টোব ২৩ জন ও ১৪ অক্টোবর ১১ জন, ২২ অক্টোবর ১৪ জনকে এবং ১০ ডিসেম্বর কোস্টগার্ড বাহিনী ১৪জনসহ ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়। এ নিয়ে মোট ৭টি ট্রলারসহ ৭৭ ভারতীয় জেলে আটক করা হয়েছে। আটক জেলেরা বাগেরহাট জেল হাজতে আছে বলেও জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।

মোংলায় শশুর বাড়িতে নববধুর অবস্থান ধর্মঘট : আত্মহতির হুমকি

মোংলা প্রতিনিধি : ঈশিতা মন্ডল(১৮)। হাতে শাঁখা,কপালে সিদুর। পড়নো তার লাল টুকটুকে শাড়ি। বধু সাঁজেই উঠে পড়েছেন প্রেমিকার বাড়িতে। স্থানীয় মন্দরি পুরোহিতের মাধ্যমে গত দু’মাস আগে বিয়ে হয়েছিল প্রেমিক সুজিত বিশ্বাস (৩০) এর সঙ্গে। কিন্তু প্রেমিক রুপী সুজিত তাকে নিয়ে একের পর এক প্রতারনার আশ্রয় নিলে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে প্রেমিকার বাড়িতেই অবস্থান করছে ওই তরুনী। তার দাবী-স্ত্রী স্বীকৃতি না পেলে আর বাড়ি ফিরেবে না। তাই আত্মহতির জন্য সঙ্গে রেখেছেন দড়িও ! মোংলার চাঁদপাই উইনিয়নের কানাইনগর গ্রামে মঙ্গলবার সকাল থেকে শশুর বাড়িতে নববধুর এ অবস্থান নিয়ে হুলুস্থুল শুরু হয়েছে। নব বধুকে দেখতে প্রতিবেশ শত শত নারী-পরুষ ভীড় করছেন ওই বাড়িতে। স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদার জানান, প্রায় ৩ বছর আগ থেকে একই এলাকার সুপদ বিশ্বাসের ছেলে সুজিত বিশ্বাসের সঙ্গে পংকজ মন্ডলের তরুনী মেয়ে ঈশিতা মন্ডলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পথম পর্যায় তাদের এ প্রেম প্রনয়ে দু’ পরিবারের আপত্তি ও বাধাঁ থাকলে চুটিয়ে প্রেম করতো তারা । এমনকি দৈহিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। এক পর্যায় গত ৩০ অক্টোবর এলাকাবাসী দু’জনকে অপত্তিকর অবস্থায় দেখে পেয়ে উভয় পরিবারবে জানালে স্থানীয় সার্বজনীন কালি মন্দিরে পুরোহিতের মাধ্যমে শাঁখা সিদুর দিয়ে সনাতন ধর্মমতে তাদের বিয়ে হয়। এর পর উভয় পরিবারে সম্মতিতে দিগরাজ এলাকায় ভাড়া বাড়িতে ঘর সংসারও শুরু করে তারা। ঘর-সংসারের এক সপ্তাহ না যেতেই সুজিত কে ফুঁসলিয়ে আত্মগোপনে নিয়ে রাখে তার পরিবার। স্বামীর সন্ধানে অস্থির হয়ে শেষ পর্যন্ত গত মঙ্গলবার স্বামী ও শশুর বাড়িতে উঠে পড়ে নববধু ঈশিতা মন্ডল। আর তাকে দেখে বাড়ি ঘর রেখে সটকে পড়ে শশুর বাড়ির স্বজনরা। এক কাঁপড়ে,অনাহারে ওই বাড়িতে সকাল থেকে অবস্থান ধর্মঘট করছে এ তরুনী। মোংলা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ বিষয় মিমাংসার জন্য দফায় দফায় চেষ্টা করলেও স্বামী সুজিতের পরিবার পূত্র বধুর স্বীকৃতি দিতে নারাজ। সুজিতের চাচা তারাপদ জানান- এ বিয়ের বিষয় তাদের সম্মতি ছিল না। তাই ভাইকে ত্যাজ্য করা হয়েছে। অপর দিকে ঈশিতা পিতা পংকজ মন্ডল জানান, তার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে বিয়ে ও ঘর ছাড়া করা হয়েছে। এ ছাড়া শশুর বাড়িতে অবস্থানরত কন্যাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কৌশালে ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। তবে ঈশিতা মন্ডল রাতে শশুর বাড়ির দরজায় অবস্থান করছিল বলে জানান স্থানীয়রা। এ বিষয় ঈশিতা মন্ডল জানান-স্ত্রীর মর্যদা না পেলে অত্মহত্যা করবেন। তাই সঙ্গে রখেছেন ফাঁসের দড়ি।

দাকোপে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

দাকোপ প্রতিনিধি : “মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা”এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে দাকোপে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইউএসএআইডি এর ফুড ফর পিস (টাইটেল ২) খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের অর্থায়নে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী চালনা পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী মোঃ আবদুল ওয়াদুদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, চালনা এমএম কলেজ অধ্যক্ষ অসীম কুমার থান্ডার, এফওএম ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের মাহবুবুর রহমান, জিজিএসএ অফিসার স্টিফেন হেমব্রুম, উপজেলা মানবাধিকার কমিটির সভাপতি শেখ আব্দুল ছাত্তার, সোশ্যাল একাউন্টিবিলিটি অর্গানাইজার বিপুল বিশ্বাস, ব্রজেন্দ্রনাথ শীল ও তৌফিক হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা বৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, ভিডিসি, এনজিও প্রতিনিধি, গনমাধ্যমকর্মী, ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দ। সভার সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন টেকনিক্যাল অফিসার স্বপ্না রানী নাগ।

ইস্তাহার

শাবলু শাহাবউদ্দিন

——————

 

থাকবে না কোন প্রচার প্রচারণা

শান্তিতে হবে ভোট গণনা ;

থাকবে না কর্মি শতাধিক

হবে না দুর্নীতি এদিক ওদিক ;

কায়িক শ্রমে হবে রাজনীতি নীতি

লুকিয়ে থাকবে রাষ্ট্রের ভিত্তি ;

থাকবে না স্বার্থে পরমার্থ

রাজনৈতিক কার্যে নাহি দেশের অর্থ ;

ব্যক্তি মালিকানা হবে নিঃশেষ

রাষ্ট্র মালিকানা হবে সবার দেশ ;

আমি আর তুমি তে নাই ভেদাভেদ

পরিশ্রমে মিলবে সুখশান্তি বেশ ;

ইস্তাহার রচনা যদি মোরা করি

ভাগ্য নির্ধারণ তাহাতেই ধরি ;

দুর্নীতি চাঁদাবাজি থাকবে না নেশা মাঝি

ধন আর ধন বলে, থাকবে না জাতি মহলে ;

কেউ খাবে, কেউ পাবে, কেউ আবার রাজা হবে

এক দেশে দুই নীতি? থাকবে না দেশ প্রিতি !

এক হালে এক পালে দেশ চলবে সমান তালে

ইস্তাহার তাই বলে, দরিদ্র আর ধনীরে বেঁধে দিবে এক মালে

রাজনীতি রাজ্যে , সমান তালে থাকবে

আমার সোনার বাংলাদেশ, ইস্তাহার এখানেই শেষ।

শাবলু শাহাবউদ্দিন

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

রাজাপুর পাবনা ।

Sablushahabuddin@gmail.com

01746631125