ঠান্ডায় খুলনায় শিশু ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াা স্যংখ্যা বেড়েছে

কামরুল হোসেন মনি : পৌষের শুরু থেকেই শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শীতাকুন্ডুতে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিনে খুলনা বিভাগের মধ্যে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো যশোর ও চুয়াডাঙ্গায়। ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আকাশে মেঘ কেটে গেলে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। তবে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে শীতের তিব্রতা বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে খুলনা আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সাথে জানুয়ারী প্রথম সপ্তাহে দেশে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ সম্ভবনা রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে খুলনায় বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে শিশুরা ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে শুধু খুলনা শিশু হাসপাতালেই ডায়ারিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত দেড় শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগে ২১৬ জন ভর্তি রয়েছে। এছাড়া চলতি মাসের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডায়রিয়ায় ৩২০ ও নিউমোনিয়ায় ৮১ হয়ে শিশুদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
গতকাল সোমবার খুলনা শিশু হাসপাতালের সূত্র মতে, শিশু ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর রোগী বেশি আসছে। প্রতিদিন আউটডোরে ৬শ’ থেকে ৭শ শিশুকে তাদের অভিভাবকরা এনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যার মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। গত এক সপ্তাহে এ হাসপাতালে ডায়রিয়ায় ১৩০ জন ও নিউমোনিয়ায় ২০ জন শিশুকে ভর্তি করানো হয়েছে। এছাড়া ১লা ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধুমাত্র ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর ভর্তি সংখ্যা ছিলো ৪শ’ জন। বর্তমানে রোগীর চাপের কারণে বেড সংকটও দেখা দিয়েছে।
খুলনা শিশু হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, হঠাৎ শীতের প্রকোপ বৃদ্ধিও কারণে ঠান্ডা জনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বৈরী আবহাওয়ার অব্যাহত থাকায় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সেবা নিলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।
খুলনা আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ সোমবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে বলেন, গতকাল খুলনায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ছিলো ২২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো শীতাকুন্ডুতে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। খুলনা বিভাগের মধ্যে সর্ব নি¤œ তাপমাত্রা ছিলো যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এর আগে ২০ ডিসেম্বর ছিলো ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস, ২১ ডিসেম্বর ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ১৮ ডিগ্রি সেলিসিয়াস এবং ২২ ডিসেম্বরে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিলো ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, আকাশের মেঘ কেটে গেলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। এ মাসের মধ্যেই মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এর ফলে শীতের তিব্রতা বাড়লেও তাপমাত্রা কমবে না। এছাড়া আগামী জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহের দিকে শৈত্যপ্রবাহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিশু হাসপাতালে শিশুপুত্র ফয়সাল (৮ মাস)। ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুটির পিতা জামিরুল ইসলাম তাকে এ হাসপাতালে ভর্তি করান। শিশুটির পিতা এ প্রতিবেদককে বলেন, হঠাৎ ঠান্ডার বেড়ে যাওয়ার কারণে শিশুটি ডায়রিয়া আক্রান্ত হন। ঘন ঘন পায়খানা ও সাথে বমিও করছে। চিকিৎসার পরামর্শে তাকে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে এখন একটু সুস্থ রয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগনেতাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বটিয়াঘাটা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিবৃতি

বিজ্ঞপ্তি : বটিয়াঘাটার সুরখালী ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো: রেজোয়ান গোলদারকে জড়িয়ে একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল অপপ্রচার করছে। উদ্দেশ্যপ্রনোদিত এহেন কর্মের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সকল ইউনিয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বটিয়াঘাটা এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে পনের লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমন সংবাদটি দেখে আমরা হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি। কারণ প্রকৃত সত্য ঘটনা প্রকাশিত না করে মিথ্যা, বানোয়াট,অসত্য কথা প্রকাশ করে একজন সহজ সরল মনের মানুষকে মান-সম্মান হানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ডে-নাইট পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান, এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মোঃ মুজিবুর রহমান খুলনার সোনাডাঙ্গা মাদ্রাসা রোডে এনজিও চালু করে। সেই অফিসে রেজোয়ান ও তার বোন কর্মসংস্থানের জন্য চাকুরী করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলো গত ১০এপ্রিল উক্ত এনজিও অফিস বন্ধ করে তালা মেরে চেয়ারম্যান ও এক্সিকিউটিভ অফিসার টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছেন। তখন ভুক্তভোগীরা ভাই-বোন দুজনে তাহাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন যাহার নম্বর সিআর ১৮০/১৮(সোনাডাঙ্গা)। বিষয়টি নিয়ে গত ইং ২৫ মার্চ’১৮ তারিখ ঘটনাটি নিয়ে “দৈনিক পূর্বাঞ্চল” পত্রিকাসহ কয়েকটি পত্রিকায় টাকা আত্মসাতের বিষয় এবং মামলার বিষয় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হয়। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সাংবাদিক সমাজও এগিয়ে আসেন। দায়ের করা মামলাটি বিচারধীন আছে। ভুক্তভোগীরা পারিবারিক ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন নানান অপপ্রচারের কারনে। রেজোয়ানকে জড়িয়ে যে টাকা আত্মসাৎ ও উধাও হয়ে যাওয়া কথাটি অপপ্রচার করছে ঐ গোষ্ঠি তা একেবারেই অসত্য, মিথ্যা,বানোয়াট। এলাকার কতিপয় স্বার্থন্নেষী ও কুচক্রীমহাল ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে সামাজিক ও মানসিক ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য এমন মিথ্যা খেলায় নেমেছে। গত ২০ ডিসেম্বর সময়ের খবর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সহ-সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম এসএম তানভির রহমান অপু,শ্রী উজ্জল রায়, মোঃআনোয়ার হোসেন, মোঃহুমায়ুন কবির শেখ, উত্তম কুমার মন্ডল, মোঃহান্নান শেখ রাজ,বিদ্যুৎ বিশ্বাস, মোঃরনি বিশ্বাস, সঞ্জয় ঢালী, মোঃরফিকুল ইসলাম গোলদার (রফিক), মোঃখলিল সরদার, তরুন মন্ডল, বিচিত্র সরদার, রবিউল ইসলাম রুবেল, মনোজিত শীল, এ্যাড. রামপ্রসাদ রায়, তরুন কান্তিমিস্ত্রী (শিক্ষক), ডাঃমৃনাল কান্তি মন্ডল, অজিত মজুমদার, সাইদুর রহমান ছোট্ট, দিলিপরায়, মোঃফয়সাল শেখ, বিপুলবাছাড়, রিপনঢালী, মোঃরিয়ান খান, মোসাঃজান্নাতুল নাঈম (সাথী), সরবরী মিস্ত্রী, মোঃ হেদায়েত মল্লিক, মোঃবুলবুল শেখ, ফরিদ উদ্দিনশান্ত, আলী আহম্মদ আকুঞ্জি, সজিব রায় (রাম), মোঃ মোহসিন হোসেন, পবিত্র মন্ডল, মোঃজামাল শেখ, মোঃজাহিদ শেখ, তাপস কুমার হোড়,শরিফুল ইসলাম জনি, অবনিশ ঢালী, মোঃইমদাদুল হক, ইন্দ্রজিত রায়, রবিউল ইসলাম বাবু, মোঃরফিকুল ইসলাম রানা, মোঃমিঠুন শেখ, মোঃনাদিম গাজী, মোঃএজাজুল ইজারদার, মোঃ সাইফুল শেখ প্রমুখ।