কক্সবাজারে ভ্রমনে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো দাকোপের মেধাবী ছাত্র রেজওয়ান

দাকোপ প্রতিনিধি : স্বজনদের সাথে কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমনে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো মেধাবী ছাত্র শেখ রেজওয়ান আহম্মেদ (১৩)। সে দাকোপের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ সাবেক ৪০ বছরের চেয়ারম্যান মরহুম শেখ আব্দুল হামিদের নাতি। এ ঘটনায় গোটা দাকোপবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস শেখ রেজওয়ান খুলনা সেন্ট যোজেফ স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র ছিল। মামা মামি ও খালামনিদের সাথে রেজওয়ান এবং তার বোন কক্সবাজারে যায় বেড়াতে। বুধবার সকালে হিমছড়ির সৈকতে আনন্দ উৎসবে সকলে মাতোয়ারা। হটাৎ স্রোতের টানে সকলে নিরাপদে উঠে আসতে পারলেও রেজওয়ান নিখোজ হয়ে যায়। সেই থেকে নৌ বাহিনী কোষ্টগার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা টানা উর্দ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে থাকে। অবশেষে প্রায় ৩০ ঘন্টা পর বৃহস্পতিবার বেলা ২ টার দিকে কোষ্টগার্ড রেজওয়ানের লাশ উর্দ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখান থেকে লাশ খুলনায় আনার প্রক্রিয়া চলছিল। ঘটনা জানার পর থেকে গোটা দাকোপের মানুষ রেজওয়ানের শেষ সংবাদের জন্য তার পরিবার এবং মিডিয়া কর্মিদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে আসছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় রেজওয়ানের সংবাদ ও ছবি। সর্বশেষ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর দাকোপের সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ আপামর জনতা শোক প্রকাশ করেছে। তারা শিশু রেজওয়ানের রুহের মাগফেরাত কামনাসহ শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেনা জ্ঞাপন করেছে। রেজওয়ানের বাবা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও আওয়ামী রাজনীতিবিদ, মা খুলনা নজরুল নগর কলেজের প্রফেসার। তার দাদা মরহুম শেখ আব্দুল হামিদ ছিলেন দাকোপ সদর ইউনিয়নের ৪০ বছরের চেয়ারম্যান, তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত উপজেলা জাপার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে গেছেন। দাকোপের অধিকাংশ উন্নয়নে এই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদের অবদানের কথা দাকোপবাসী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরন করে। এ দিকে মৃত্যু রেজওয়ানের দাফন প্রক্রিয়ার ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত খুলনায় হতে পারে বলে ধারনা দেওয়া হয়েছে।

কেশবপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ

রাজীব চৌধুরী, কেশবপুরঃ যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ০৭ পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায়, ০৬ পদাতিক ব্রিগেডের আয়োজনে ও ৪১ বীর-এর পরিচালনায় দরিদ্র, অচল ও অসহায়,পঙ্গু,ও প্রতিবন্ধী এমন ২৫০ জন শীতার্থদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয় ২৫ শে ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার । কেশবপুর উপজেলার ০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়নের মির্জানগর তেলপাম্পের পাশে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় । বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ব্যবস্থাপনায় শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন ৪১ বীর-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আক্তারুজ্জামান মেজর আবুল হাসান পলাশ ৪১ বীর, মাস্টার অরেন্ট অফিসার নাসির উদ্দীন,০১ নং ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস। এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন ত্রিমোহিনী ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কাশেম , ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান, রফিকুল ইসলাম, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আলাউদ্দীন, ছাত্রলীগের মহিব্বুল্লাহ মহিব সহ প্রমুখ ।